In Sha Allah
As a muslim it is our responsibility to spread the light of islam.But we are divided into many groups and in deadly ignorance and delusion.
Enemies are harming us by taking advantage of our division and apathy. I want the Muslim nation to be united.
18/02/2026
Ramadan❤️
Aamin🥰
Heart touching moment🥰
18/08/2024
চোরের দেশে সাধুরাই সংখ্যালঘু
12/08/2024
আজকের দিনে সারা বিশ্বে ইসলাম বিদ্বেষীদের মুখে একই সুর মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিমদের অধিকার সুরক্ষিত নয়, অথচ ইসলাম সর্ব প্রথম পৃথিবীর বুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপন করেছে। প্রথমত অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করার সুযোগ নাই।
ধর্মের ব্যাপারে যে কোন ধরনের শক্তি প্রয়োগ ও জবরদস্তি ইসলামে সম্পূর্ন নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, ❝দ্বীনের ব্যাপারে কোন বাড়াবাড়ি নেই।❞ (সূরা বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
একটি মুসলিমে দেশে শুধু অমুসলিমদের কে শান্তিতে বসবাস করতে বলে না বরং রাষ্ট্র তাদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সুখ সমৃদ্ধি ও নিশ্চিত করে।
তাছাড়া ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের যাদের সাথে কোন সংঘাত নেই, এবং মুসলিদের সাথে শান্তিতে বসবাস করে তাদের প্রতি ইসলাম ইনসাফ করার জন্য ও ইসলাম নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, ❝আল্লাহ নিষেধ করেন না ঐ লোকদের সাথে সদাচার ও ইনসাফ পূর্ণ ব্যবহার করতে যারা তোমাদের সাথে ধর্মকেন্দ্রিক যু*দ্ধ লিপ্ত হয়নি এবং তোমাদের আবাস ভূমি থেকে তোমাদের বের করে দেইনি। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদের পছন্দ করেন।❞ (সূরা আল- মুমতাহিনা, আয়াত : ৮) আল্লাহ তায়া’লা ঈমানের দাবিদার প্রতিটি মুসলিমকে পরধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধা দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে।
আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, ❝তারা আল্লাহ তা'আলা বদলে যাদেরকে ডাকে, তাদেরকে তোমরা কখনো গালি দিওনা নইলে তারাও শত্রুতার কারনে না জেনে আল্লাহ তা'আলা কেও গালি দিবে। আমি প্রত্যেক জাতির কাছেই তাদের কার্যকলাপ সুশোভনীয় করে রেখেছি, অতপর সবাইকে একদিন তার মালিকের কাছে ফিরে যেতে হবে, তারপর তিনি তাদের বলে দিবেন, তারা দুনিয়ার জীবনে কে কী কাজ করে এসেছে।❞ ( সূরা আল-আন'আম, আয়াত : ১০৮)
👉 ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় অমুসলিম নাগরিকদের মৌলিক অধিকার—
🟥 প্রাণের নিরাপত্তা :
অমুসলিম নাগরিকদের র*ক্তের মূল্য মুসলমানদের র*ক্তের মূল্যের সমান। কোন মুসলিম যদি অমুসলিম নাগরিককে হ*ত্যা করে, তাহলে একজন মুসলমান নাগরিক কে হ*ত্যা করলো, যেমন তাকে মৃ*ত্যুদন্ড দেয়া হতো ঠিক তেমনি মৃ*ত্যুদন্ড দেওয়া হবে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আমলে জনৈক মুসলমান অন্যন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি হ*ত্যা করলে তিঁনি খু*নি কে মৃ*ত্যুদন্ড দেন। তিঁনি বলেন, যে নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়া হয়েছে, তার র*ক্তের বদলা নেয়ার দায়িত্ব আমারই। (বায়হাকী, হাদীস : ১৫৯৩৪)
অন্য হাদীসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে হ*ত্যা করল, সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, অথচ জান্নাতের সুগন্ধি ৪০ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।❞ (সহীহ বুখারী, হাদীস : ৩১৬৬)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, ❝যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিম নাগরিককে হ*ত্যা করবে, আল্লাহ তার ওপর জান্নাত হারাম করে দেবেন।❞ (মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ২০৬৪৮,২০৩৭৭)
🟥 ফৌজদারি দন্ডবিধি :
ফৌজদারি দন্ডবিধি মুসলিম অমুসলিম সকলের জন্য সমান, অপরাধের যে সাজা মুসলিমরা পাবে, সে সাজা অমুসলিমদের উপরও প্রয়োগ হবে। যেমন, ❝কোন অমুসলিম নাগরিক যদি মুসলমানদের জিনিস চুরি করে, এবং কোন মুসলিম যদি অমুসলিম নাগরিকদের জিনিস চুরি করে, তাহলে উভয়ের উপর হাত কাঁটার বিধান প্রয়োগ হবে।❞ (আল মাবসুত, ৯ম খন্ড, পৃ. ৫৭-৫৮)
🟥 দেওয়ানি আইন :
দেওয়ানি আইন ও উভয়ের সমান। তাদের সম্পত্তি আমাদের সম্পত্তির মতো, তাই তাদের সম্পদের হেফাজত করাও মুসলমানদের দায়িত্ব। ব্যবসায়িক যে সব পন্থা মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ, তেমনি অমুসলিমদের জন্য ও তবে শুধুমাত্র শুকর বেচাকেনা, খাওয়া এবং মদ বানানো, খেতে ও বেচাকেনা করতে পারবে।
🟥 সম্মানের হেফাজত :
যেমন কোন মুসলিম কে নিয়ে ঠাট্টা গীবত মারপিট করা অবৈধ, তেমনি এসব কাজ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের বেলায় ও অবৈধ।
🟥 পারিবারিক বিষয়াদি :
অমুসলিম নাগরিকদের পারিবারিক কর্মকাণ্ড নিজস্ব পারিবারিক আইন অনুযায়ী ধর্তব্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের উপর ইসলামী কানুন কার্যকর করা হবেনা। মুসলিমদের ঘরোয়া জীবনে যে সব জিনিস অবৈধ, তা যদি অমুসলিমদের ধর্মীয় ও জাতীয় আইনে বৈধ হয়। তাহলে ইসলামি আদালত তাদের আইন অনুযায়ী ফয়সালা দিবে।
🟥 ধর্মীয় অনুষ্ঠান :
অমুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে উদযাপন করা সম্পর্কে ইসলামের বিধান এই যে, নিজেদের জনপদে স্বাধীনভাবে করতে পারবে। তবে পরিপূর্ন ইসলামি জনপদ গুলোতে ইসলামী রাষ্ট্রের শাসক স্বাধীনতা এবং বিধিনিষেধ প্রয়োগ করার এখতিয়ার রাখে।
🟥 উপাসনালয়ের নিরাপত্তা : ইসলমী রাষ্ট্রের শাসক অমুসলিম নাগরিকদের উপাসনালয় গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই উপসনালয়গুলো ভেঙ্গে ফেলা সাধারণ পরিবেশে তো দূরের কথা যু*দ্ধ অবস্থায় ও হামলা করা যাবেনা।
©copied
12/08/2024
যা কল্যাণকর তাই সুন্দর🥰
30/07/2024
জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করুন,আমিন।
30/07/2024
একবার খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,"আমরা কীভাবে বুঝব যে কোন আলেম সঠিক?"
উত্তরে তিনি বলেছিলেন,"ঠিক যেভাবে বাচাই করে বাজারের উৎকৃষ্ট আলু কিনে আনেন সেভাবে।"
এখন আর চিনতে ভুল হচ্ছে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka