BCS preparation
BCS preparation জন্য উপযুক্ত একটি পেজ।
29/04/2026
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।
আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।
১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।
১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।
বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।
১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।
আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।
ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।
পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।
তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।
২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।
ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।
এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
©️ Adnan Walid Ratul
25/04/2026
দুটি খবরই পাশাপাশি দিলাম। কারণ জাতী হিসেবে আমরা টিউবলাইট, সবকিছু মনে করিয়ে দিতে হয়।
নিচের একটা সংবাদের শিরোনাম - 'বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় চৌধুরীর হলফনামায় স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ ৫০০ ভরি'। এবার একটু পেছনে যাই।
পবিত্র ডক্টর ইউনুস ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা যখন শেখ হাসিনার কোনকিছুই পাচ্ছিলো না তখন তার ব্যাংকের লকাপ খুলে প্রচার করলো - শেখ হাসিনার লকাপে অবৈধ আয়ের ৮০০ ভরি গয়না পাওয়া গেছে।
যদিও শেখ হাসিনা এক অনলাইন বক্তব্যে জানিয়েছিল সেগুলো তাঁর পরিবার তথা ১৯৭৫ এ স্ব-পরিবারে হত্যা করা তাঁর মা, ভাবী, এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের গয়না। আছে শেখ হাসিনার বোন ও ও অন্যান্য সদস্যের গয়নাও। কিন্তু এদিকে হলোটা কি?
গোটা দেশের মানুষ সেটাকে মাথায় নিয়ে উলঙ্গ নৃত্য করেছে। একজন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে, নিজেও প্রধানমন্ত্রী, তাঁর লকাপে কেনো ৮০০ ভরী গয়না থাকবে? অথচ - এদেশের একটা নিম্মমধ্যবিত্ত পরিবারেও ২০-৩০ ভরী গয়না থাকে। তো?
শেখ হাসিনার থাকতেই পারবে না, শেখ হাসিনা তো ফকিন্নির ঝি! বড়লোকের ঝি তো বেগম জিয়া কিংবা নিপুণ রায় চৌধুরীরা, জামাতের আমিরের বৌ, এরশাদের বৌয়েরা!
নিপুণ রায় চৌধুরীর মতো তৃতীয় পর্যায়ের একজন নেত্রীরও যদি ৫০০ ভরি গয়না থাকে, তাহলে শেখ হাসিনার থাকলে অপরাধ কোথায়?
অপরাধ হৈলো - শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে। এদেশে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কিত সবকিছুতেই রাজাকার, আলবদর আলশামসের বাচ্চাদের সমস্যা ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
৭৪ দুর্ভিক্ষ শেষ হবার পর কেনো বঙ্গবন্ধু তাঁর দুই পুত্রকে বিয়ে দিলেন, কেনো লোকজনকে দাওয়াত করলেন, এসব নিয়েও এই রাজাকারের বাচ্চাদের হতাশার শেষ নাই।
মানেটা বুঝেন - একজন রাষ্ট্রপ্রধানের দুই সন্তানের বিয়ে, সেখানে না-কি কাউকেই দাওয়াত করাই যাবে না। কেনো আনন্দ উৎযাপন করা হলো, কেনো সেই বিয়েতে কনেরা গয়না পরলো, এই নিয়েও এসব পাকবীজ শুয়োর শাবক গাণৃডুদের উলঙ্গ নৃত্য দেখে আসছি যুগ যুগ ধরে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যদি জুতা পেটার কোনো সুযোগ থাকতো, তাহলে এদেরকে সেটাই করতাম।
- এদেশের মানুষকে সংশোধনের জন্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হয় সবকিছু।
-Zahirul Alam Siddique
সহ'বাসের দোয়া না পারলে
অন্তত বিসমিল্পাহ পড়েনিবেন|
না হয় ইবলিসের বিনষ্ঠতায়
আক্রান্ত হয়ে আপনার সন্তান জামাত সমর্থক হতে পারে
তেলের পাম্পে বাইকারদের হাহাকার #তেল_সংকট #পেট্রোল_সংকট #অক্টেন #বাংলাদেশ
বর্তমানে তেলের সংকট নিয়ে প্যারোডি গান #তেল #পেট্রোল_সংকট
মুরুব্বি মুরুব্বি, ঈদের দিনেও? 😂
21/03/2026
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আখতারুজ্জামান জায়গামতো গুতা দিচ্ছে হাসনাতরে।
হাসনাতের প্রশ্ন: স্যার ছাত্রলীগের সাথে মিশে আপনি অপরাধ করছেন কিনা?
উপাচার্য সাহেবের উত্তর: তুমিওতো আমাদের সাথে ছিলা।
এই হাসনাত কিন্তু সেই আমলে ওই উপাচার্যের দালালি করছে মারাত্মক লেভেলে।(ছবিতে প্রমাণ দিয়ে দিলাম)
আমি শতভাগ নিশ্চিত যে হাসিনারে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করালে হাসিনাও বলবে "হাসনাতকে ক্ষমতার অংশীদার করিনাই দেইখা হাসনাত সুযোগে বেইমানি করছে।"
তিনি কিন্তু আলাদা কাতার বা ভিআইপি চেয়ারে বসে ঈদের নামাজ আদায় করেননি
ঈদ মোবারক 🤎
19/03/2026
একটা ছেলে চশমা পরে গোসল করছে—এই ধরনের ভিডিওতে প্রায় ১০ লাখ ভিউ! সমস্যা আসলে ওটা না। রিলস স্ক্রল করতে করতে এমন ভিডিও হঠাৎ করেই সামনে চলে আসে, যেমনটা আমার সাথেও হয়েছে—ইচ্ছা করে দেখি নাই।
কিন্তু আসল কথা হলো, এই ভিডিওটা আবার প্রায় এক হাজার মানুষ সেভ করে রেখেছে। প্রশ্ন হলো—কেন ভাই? এত আগ্রহ কিসের? ঈদের পরে বসে আরাম করে দেখার প্ল্যান নাকি? 😅
অন্য মেয়ের জন্য নিজের জীবন নস্ট করবেন না
একটি পদ্মা সেতু বদলে দিয়েছে কোটি মানুষের ঈদযাত্রা। গত ৪৮ ঘন্টায় প্রায় ৯ কোটি টাকা টোল আদা হয়েছে। প্রায় ৬৫ হাজারের অধিক গাড়ি পারাপার হয়েছে। অন্তত ১০ লাখ মানুষ পারাপার হয়েছে মাত্র দুদিনে।
যদি ফেরী দিয়ে পারাপার হওয়া লাগতো তাহলে ১০ লাখ মানুষ পারাপার হতে অন্তত ৫ দিন সময় লাগতো। আগে এভাবেই পারাপার হওয়া লাগতো।
দেশরত্ন শেখ হাসিনা ধন্যবাদ আপনাকে...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1213