KeyChai.com
Home Delivery, B2B, Ecommerce
17/10/2025
Problem: I don’t like creating videos
Solution: Syllaby.io
Problem: I don’t know how to edit photos
Solution: Gemini.google.com
Problem: I can’t come up with viral post ideas
Solution: Threadmaster.ai
Problem: I struggle to rank on Google
Solution: Ranked.ai
Problem: I hate writing cold emails
Solution: Instantly.ai
Problem: I need a professional headshot but don’t have one
Solution: FastPhoto.io
Problem: I waste hours formatting presentations
Solution: SlidesAI.io
Problem: I want to create an AI avatar for my brand
Solution: Heygen.com
Problem: I spend too much time editing short videos
Solution: Submagic.co
Problem: I don’t know how to code
Solution: Manus.im
Google Gemini Meet Gemini, Google’s AI assistant. Get help with writing, planning, brainstorming, and more. Experience the power of generative AI.
Headline: Dysphasia & Pneumonia and Speech Therapist's Suggestions
By Saad Sayedur Rahman
Clinical Speech & Language Therapist
Evercare Hospital Dhaka
(Former Apollo Hospital Dhaka)
30/06/2020
"Price Dropped"
65% Discount on new lot of Oximeter.
Regular price 2750 Taka.
Offer price 1800 Taka only.
Grab your one ASAP.
*Conditions applied.
*For Wholesale please Contact us.
Contact: +8801717881529
সুস্থ গরু চেনার কিছু উপায় জেনে নিনঃ
১.সুস্থ গরুর নাকের উপরটা ভেজা ভেজা থাকে।
২.সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।
৩.সুস্থ গরুর পিঠের মাঝ খানে হাত দিলে,গরু পিঠ দিয়ে হালকা ঝাকুনি দিবে ।
৪. সুস্থ গরুর নাকের উপরটা ভেজা ভেজা থাকে।
৫.সুস্থ গরু সব সময় ঘাস জাতীয় খাবার খেতে চাইবে।
৬.সুস্থ গরুকে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে,একটু বা বেশি নড়া চড়া করবে।
৭.সুস্থ গরুর দেহ একটু বা এর বেশী চকচকে অথবা উজ্বল দেখাবে।
৮.সুস্থ গরু সবসময় নিরব থাকবে না।
৯.গরু কেনার আগে এর শরীরের কোথাও ক্ষত আছে কিনা দেখে নিন।
১০.শিং ভাঙ্গা আছে কিনা, লেজ, মুখ, দাঁত, খুর এসব কিছু দিকে নজর রাখুন ।
বাড়ী নির্মানের কথা ভাবছেন, রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো ?
গাথুনী এব প্লাস্টারে হিসাব
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।
আইনের কথা !! জেনে রাখা ভালো
-----এম এ হোসাইন---
যানবাহনের মামলা
______________
সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে কিছু নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়। এসব নিয়ম না মানলে নিয়ম ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার দায়িত্ব পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের। বিভিন্ন নিয়মভঙ্গের কারণে পুলিশ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
যেসব কারণে যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে
বৈধ কাগজপত্র না থাকলে-রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, সর্বোপরি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি না থাকলে মটরযান আইনে মামলা হতে পারে। এগুলোকে ডকুমেন্টারি মামলা বলা হয়।
ভুল করা বা ট্রাফিক আইন না মানা-ট্রাফিক সিগন্যাল/লাইট না মেনে গাড়ী চালানো, বিপদজনকভাবে দ্রুত গতিতে গাড়ী চালানো, যখন তখন লেন পরিবর্তন করা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মটরসাইকেল চালানো ইত্যাদি কারণে মামলা হতে পারে।
যানবাহনের ত্রুটি- যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি যেমন হেডলাইট না জ্বলা বা না থাকা, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকা বা না জ্বলা, সাধারণ পরিবহন/গাড়ীর বডিতে পার্টিকুলার বা বিবরণ না থাকা, মালিক বা মালিকের নাম ঠিকানা না থাকা, গাড়ীতে অতিরিক্ত আসন সংযোজন অথবা গাড়ীতে বিআরটিএ অনুমোদন ছাড়া কোন সংযোজন বা পরিবর্তন করা, ইত্যাদি কারণে যানবাহন মামলা হতে পারে।
যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ
মটর সাইকেল
R/C - রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট
I/C ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট
T/T - ট্যাক্স টোকেন
D/L - ড্রাইভিং লাইসেন্স
মাইক্রো/কার/বাস ভাড়ায় ব্যবহৃত হলে
R/C - রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট
F/C - ফিটনেস সার্টিফিকেট
R/P - রুট পারমিট
T/T - ট্যাক্স টোকেন
D/L - ড্রাইভিং লাইসেন্স
I/C - ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট
মাইক্রো/কার/বাস ভাড়ায় ব্যবহৃত না হলে
R/C - রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট
F/C - ফিটনেস সার্টিফিকেট
T/T - ট্যাক্স টোকেন
D/L - ড্রাইভিং লাইসেন্স
I/C - ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট
মামলা
মামলা করা প্রয়োজন এবং যথাযথ মনে করলে কর্তব্যরত যেকোন পুলিশ কর্মকর্তা এই মামলা করতে পারেন। রাস্তায় তাৎক্ষণিক মামলার ক্ষেত্রে মামলা প্রদানকারী কর্মকর্তা যানবাহনের একটি ডকুমেন্ট জব্দ করেন। তবে দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে মটরযান আইন ছাড়াও নিয়মিত মামলা হতে পারে।
মামলা হলে করনীয়
যে কোন আইন ভাঙার জন্য মামলা হতে পারে। ডকুমন্টারি বা অন্য কোন কারণে মটরযান আইনে মামলা হলে সেটা বিশেষ উদ্বেগজনক কিছু নয়।
ঢাকা শহরে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চারটি জোন বা এলাকা (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ) আছে। একজন ডেপুটি কমশনার (ডিসি ট্রাফিক) প্রতিটি জোনের দায়িত্বে আছেন। কাজেই যেকোন মামলার ক্ষেত্রে আগে বিবেচনা করতে হবে সেটি কোন এলাকার আওতাভুক্ত। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে সেটা জরিমানার সময় যে টিকেট দেয়া হয় তার পেছনে লেখা থাকে।
সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে গিয়ে কিছু দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে খুব সহজেই মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। এক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে জরিমানা প্রদান করতে হবে। বিচারক অথবা ডিসি ট্রাফিক জরিমানার অংক নির্ধারন করেন। জরিমানা নির্ধারনকারী পূর্ণ জরিমানার ৪ ভাগের ১ ভাগ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন, এমনকি মওকুফও করতে পারেন। জরিমানা প্রদানের পরপরই জব্দ হওয়া ডকুমেন্ট বুঝে নেয়া দরকার।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ
ধারা
মামলার বিবরণ
জরিমানা
১৩৭
অপরাধের শাস্তি প্রদানের সাধারণ বিধান
২০০ টাকা
১৩৯
নিষিদ্ধ হর্ণ কিংবা শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্র লাগানো
১০০ টাকা
১৪০
আদেশ অমান্য, বাধা সৃস্টি ও তথ্য প্রদানের অস্বীকৃতি
৫০০ টাকা
১৪২
নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে গাড়ী চালনা
৩০০ টাকা
১৪৬
দূর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধ
৫০০-১০০০ টাকা
১৪৯
নিরাপত্তাহীন অবস্থায় গাড়ী ব্যবহার
৩০০ টাকা
১৫০
ধোঁয়া বের হওয়া মটরযান ব্যবহার
২০০ টাকা
১৫১
এ অধ্যাদেশের সাথে সংগতিহীন অবস্থায় গাড়ী
বিক্রয় অথবা গাড়ীর পরিবর্তন সাধন
বিক্রয়ে ৫,০০০টাকা
পরিবর্তনে ১২৫০ টাকা
১৫২
রেজিষ্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট অথবা
পারমিট ছাড়া মটরগাড়ী ব্যবহার।
৭০০ টাকা।
১৫৩
অনুমোদিত এজেন্ট ও ক্যানভাসার
৩০০ টাকা
১৫৪
অনুমোদিত ওজন অতিক্রমপূর্বক গাড়ী চালনা
৫০০-১০০০ টাকা
১৫৫
বীমা ছাড়া বা মেয়াদ উত্তীর্ণের জন্য
৫০০-২০০০ টাকা
১৫৬
ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ী চালনা
৫০০-১০০০ টাকা
১৫৭
প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি
২৫০-৫০০ টাকা
১৫৮
মটরযানে অননুমোদিত হস্তক্ষেপ
৫০০-১০০০ টাকা
ব্যাংক/মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জরিমানা পরিশোধ:
মামলার জরিমানা আদায়ের টাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লি: (ইউসিবিএল) এর ঢাকাস্থ যে কোন শাখায় অথবা ইউ ক্যাশ সেবা এর মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। নাম, ঠিকানা, ফোন নং সঠিক থাকা সাপেক্ষে আপনার গাড়ির কাগজপত্র সুন্দরবন কুরিয়ারের মাধ্যমে ঠিকানা অনুযায়ী প্রেরণ করা হইবে।
ওয়ারেন্ট
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিস্পত্তি না করা হলে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা প্রেরণ করা হয়। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ কর্মকর্তাগণ রাস্তায় সংশ্লিষ্ট গাড়িটি আটক করে এবং ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর গাড়িটি ছেড়ে দেয়।
ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি
ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তির কাজটিও কঠিন নয়। ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তির পর জন্য ওয়ারেন্ট নম্বরটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্টে হাজির হয়ে GRO এর মাধ্যমে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়।
অনেকদিন পর আজ সাপ কামড়ানো রোগী দেখালাম। আমাদের রংপুর কমিউনিটি মেডকেল কলেজের আইসিইউ তে এডমিশন হয়েছে। গতকাল রাতে রোগী মাছ ধরতে গিয়েছিল, সেখানে তাকে সাপ কামড়ায়। এরপর যা সচরাচর হয় রোগীকে নিয়ে ঝারফুক, পা দড়ি দিয়ে শক্ত করে বাধা হয়। যখন রোগীর চোখে সমস্যা শুরু হয় (একটি জিনিস দুইটি দেখে) তখন হাস্পাতালে নিয়ে আসে। এতক্ষনে রোগীর আরও সমস্যা শুরু হয়, চোখের পাতা পড়ে যায় (ptosis), রোগী ঘাড় শক্ত করে রাখতে পারে না (broken neck sign) হয়। রোগী সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ (polyvalent antisnake venom)দেয়া হয়। কিছুক্ষন পর রোগীর শাস কষ্ট শুরু হয়। এরপর রোগীর O2 এর মাত্রা অনেক কমে যায়, রোগীকে কৃত্রিমভাবে শাস-প্রশাস দেবার ব্যাবসহা করা হয়। আমি রোগীকে অনেক ভালো দেখলাম, রোগী অনেকটা response করছে। আরও এক ডোস সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ (polyvalent antisnake venom)দেয়ার ডিসিশন দেয়া হল এবং সাথে inj. Atropine and inj. Neostigmine. আমি প্রায় ৫০ জনের মত বিষাক্ত সাপ দংশন এর রোগীর চিকিতসা করেছিলাম। আমার past experience থেকে মনে হয় রোগীটি ভালো হয়ে যাবে। সবার রোগীর জন্য দোয়া করবেন।
সাপ কামড়ানোর ঘটনাগুলো সাধারনত এরকম-
১। রাতের বেলা মাঠে মাছ ধরতে গিয়ে সাপ কামড়ায়।
২। বরষার সময় চারিদিকে যখন পানি থাকে তখন সাপ শুকনো জায়গার জন্য বাসার ভিতরে আশ্রয় নেয়। সাধারনত খড়ি রাখার জায়গায়, বিছানায়, রান্না ঘরে, আলনায় সাপ আশ্রয় নেয়। এসব জায়গায় অন্ধকারে/শব্দহীন ভাবে গেলে সাপ কামড়ানোর ঝুকি অনেক থাকে।
৩। রাতের বেলা অন্ধকার রাস্তায় চলার সময়। (কারন সাপ সাধারনত রাতের বেলা চলাচল বেশি করে)।
৪। মুরগী বা হাসের ঘরে।
৫। গরমের সময় বারান্দায় ঘুমানোর সময়।
সাপ দংশন থেকে প্রতিকার পেতে কি করা উচিত?
সাপ দংশন এর ঘটনাগুলো সাধারনত মে থেকে অক্টবর মাসে হয়ে থাকে। কারন এই সময় বৃষ্টি হয়, চারিদিকে পানি হয়। সাপ সাধারনত পানিতে থাকতে চায় না। তাই শুকনো জায়গার জন্য বাসা-বাড়িতে আসে। সেখানে কোন ভাবে মানুষের সাথে কন্টাক হলে, সাপ নিজেকে threatened মনে করলে তখন দংশন করে।
১। রাতের বেলা জরুরী প্রয়োজন ছাড়া মাঠে যাবেন না। গেলে অবশ্যই পরযাপ্ত আলোর ব্যবসহা করে যাবেন। যাবার সময় বড় একটা লাঠি নিয়ে সাম্নের জায়গায় লাঠি দিয়ে শব্দ করে যাবেন। শব্দ শুনলে সাপ অবশ্যই চলে যাবে।
২। খড়ি আনতে যাবার সময় লাঠি দিয়ে আগে শব্দ করে তারপর খড়ি নিতে যাবেন।
৩। রাতে রাস্তায় চলাচলের জন্য টরচ লাইট অবশ্যই সংগে রাখুন।
৪। মুরগী বা হাসের ঘরে লাঠি দিয়ে শব্দ করে পরযাপ্ত আলোর ব্যবসহা করে যাবেন।
৫। গ্রামের বিছানায় শোবার আগে কোন কিছু দিয়ে শব্দ করুন, ভালো করে দেখে বিছানায় শোবেন।
৬। কোনভাবেই বারান্দায় বা বাইরে শোয়া যাবে না।
সাপ কামড়ালে কি করবেন?
১। আতংকিত হবেন না। কারন সাধারনত শতকরা ৯৬-৯৭ শতাংশ সাপ দংশন হয় অবিষাক্ত সাপ দারা।
২। যে জায়গায় সাপ কামড় দিয়েছে সে জায়গাটা নাড়ানো যাবে না। ক্রেপ ব্যন্ডেজ দেয়া সবচেয়ে ভাল। তবে গ্রামে পাতলা গামছা বা শাড়ির কাটা অংশ দিয়ে লুস করে বেধে দিতে হবে। বাধার উদ্দেশ্য হল, যেন lymphatic drainage হতে না পারে, আর রোগী ওই অংশটা নাড়াতে না পারে। (সাপের বিষ lymphatic দিয়ে শরীরে ছড়িয়ে যায়)।
৩। কোন ভাবেই রোগীকে ঝারফুক, কবিরাজী, সাপ কাটার জায়গা ব্লেড দিয়ে কেটে ফেলা এসব করা যাবেনা। কারন কোনভাবেই সময় নষ্ট করা যাবে না। বিষাক্ত সাপ কামড়ালে যত তাড়াতাড়ি সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ দেয়া যাবে রোগী তত ভালো হবার সম্ভবনা বেশী।
৪। রোগীকে দ্রুত কাছের হাস্পাতালে নিয়ে যাবেন, যেখানে সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ এবং কৃত্রিম্ভাবে শাস-প্রশাস দেবার ব্যাবসহা আছে।
৫। অবশ্যই রোগীকে সাপ কামড়ানোর সময় থেকে ২৪ ঘন্টা অব্জারভ করে তারপর হাস্পাতাল থেকে নিয়ে যাবেন। কারন সাধারনত সাপ কামড়ানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিষক্রিয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে বিষক্রিয়ার কোন লক্ষন না হলে আর ভয়ের কোন কারন নেই।
কেন কবিরাজরা ঝারফুক করলে সাপ কামড়ানো রোগী ভালো হয়?
এটি আসলে একটি ভুল তথ্য। আমাদের দেশে মাত্র ৪ প্রজাতির বিষাক্ত সাপ আছে-কালকেউটে, গোখরা, রাসেল ভাইপার আর গ্রিনপিট ভাইপার। আর সমুদ্রে সামুদ্রিক সাপ বিষাক্ত। এদের মধ্যে আমাদের এদিকে শুধুমাত্র কালকেউটে, গোখরা সাপ পাওয়া যায়। ইদানিং রাজশাহীর বরেন্দ্রতে রাসেল ভাইপার পাওয়া গেছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে বিষাক্ত সাপের সংখ্যা খুব কম। তাই ১০০ জন মানুষকে যদি সাপ কামড়ায় তাদের মধ্যে ৯৮ জনকেই অবিষাক্ত সাপ কামড়াবে। মাত্র ২/৩ জনকে বিষাক্ত সাপ কামড়াবে। কবিরাজ যদি এই ১০০ জন রোগীকে ঝারফুক শুরু করে তবে ৯৫ জনেও বেশি ভালো হবে আর যে ২/৩ জনকে যাদের বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে তারা ভালো হবেন না। তাদেরকে কবিরাজ বলবে যে আমি পারব না, মেডিকেলে নেন। তাহলে কবিরাজ এর সফলতার হার ৯৫%। তাই সবাই বলে কবিরাজ সাপ কামড়ানো রোগী ভালো করতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিষাক্ত সাপে কামড়ানো রোগীগুলোর ঝারফুকের এই সময়টা অনেক মূল্যবান। এ সব না করে রোগীকে দ্রুত হাস্পাতালে পাঠালে দ্রুত চিকিতসা শুরু করলে রোগী ভালো হবার সম্ভবনা অনেক বেশি। এসব ঝার-ফুক করে সময় নষ্ট করার কারনে অধিকাংশ বিষাক্ত সাপে কামড়ানো রোগীগুলো হাস্পাতালে যাবার রাস্তায় মারা যায়।
জনসচেতনতায়-ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল, মেডিসিন স্পেশালিষ্ট, রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ।
***কেয়ামতের কিছু লক্ষণঃ-
(১) নারীদের সংখ্যা বেশি হবে।
(২) পুরুষের পাশাপাশি নারীরা ব্যবসা
বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করবে।
(৩) দ্বীনি জ্ঞান উঠে যাবে, মূর্খতা বেড়ে
যাবে।
(৪) পথভ্রষ্ট আলেম মানুষদেরকে গোমরাহ
বানাবে।
(৫) নীচু শ্রেণীর ফালতু টাইপের লোকেরা
মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কর্তৃত্ব করবে
বা কথা বলবে।
(৬) অস্বাভাবিক মৃত্যু বেড়ে যাবে।
(৭) জিনা বেড়ে যাবে, মানুষ প্রকাশ্যে জিনা
করবে।
(৮) অবৈধ সন্তান বেশি হবে।
(৯) ঘন ঘন ভূমিকম্প হবে।
(১০) মানুষ অল্প বয়ষ্ক, অযোগ্য লোকদের কাছ
থেকে দ্বীন শিখবে।
(১১) আরব মরুভূমিতে আবার সমুদ্র বা নদী ও
চাষাবাদ ফিরে আসবে।
(১২) অন্যায়ভাবে রক্তপাত ও মানুষ হত্যা বেড়ে
যাবে।
(১৩) মুসলমানদের মাঝে কিছু লোক মূর্তিপূজা
করবে।
(১৪) মুসলমান নামধারী কিছু এমন নারী হবে
যারা কাপড় পরিধান করবে যে, তার যেনো
কাপড় পড়েও উলংগ।
(১৫) একদল লোক ঘোড়ার লেজের মতো হাতে
চাবুক নিয়ে ঘোড়াফেরা করবে আর
মানুষকে মারধর করবে।
(১৬) মসজিদ ডিজাইন করা নিয়ে মানুষ
প্রতিযোগিতা করবে।
(১৭) মানুষ মসজিদে গিয়ে তাহিয়াতুল মসজিদের
নামায আদায় না করেই বসে পড়বে।
(১৮) মসজিদে কুরানের তালীম না করে অন্য
কিতাবের তালীম করবে।
(১৯) মুসলমানদেএ উপর অত্যাচারী, মারাত্মক
জালেম শাসকরা চেপে বসবে।
(২০) গায়িকাদের সংখ্যা বেড়ে যাবে। উপরের
সবগুলো লক্ষণ কম বেশি দেখা যাচ্ছে,
আল্লাহু আ'লাম।
আল্লাহ আমাদেরকে ফিতনা-ফাসাদ থেকে
বাচান,
আমিন।।।
06/05/2016
Cheating in exams! A whole new level is reached.
03/05/2016
দেখে নিন ১০১টি বিজনেস আইডিয়া - দৈনিক বাংলাদেশ Big List Of 100+ Profitable Small Business Manufacturing Ideas Agarbatti Making Agarbatti making business can be initiated...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Farmgate
Dhaka
1215
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 22:00 |
| Tuesday | 10:00 - 22:00 |
| Wednesday | 10:00 - 22:00 |
| Thursday | 10:00 - 22:00 |
| Saturday | 10:00 - 22:00 |
| Sunday | 10:00 - 22:00 |