Inborn Reflex
An automatic instictive unlearned reaction to be stimulus.
সরকারের অনেক চ্যালেঞ্জ সবসময় ছিলো আছে থাকবে। চ্যালেঞ্জ কেন থাকে তার কারণ হলো : তে উগ্রপন্থীর স্থান নেই এই জন্য অন্যেরা সহজেই কে আঘাত করে সবসময়.........
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। এবার আসেন সাংগঠনিক ঐক্যবদ্ধ কেমন চলছে ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত :
১. এর পর ছাত্রদল, যুবদল এবং অন্যান্যরা উপজেলা এবং জেলায় বিভিন্ন প্রোগ্রাম করতে করতে ফকির হয়ে গেছে পরিপূর্ণ খরচ করেছে কিন্তু এখন তারা বিপদে আছে। ইউনিয়ন বিপদে আছে উপজেলা কমিটির কাছে। উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির কাছে বিপদে আছে।
এতো প্রোগ্রাম সামলাতে পারছেনা তারা - বুঝিয়ে নিয়েন।
২. আওয়ামী ঠেকাতে যখন কর্মীরা উদ্যোগ নেয় তখন সভাপতি সেক্রেটারি বাধা দেয়। সভাপতি সেক্রেটারির কাছে আওয়ামী এখন সেফ.......... এবং প্রশাসনের ও সহযোগিতা পাচ্ছে আওয়ামী।
৩. মিডল লেভেলের কর্মীরা সাহস করে এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু অর্থ উপার্জনের কাছে বারবার সঠিকতা পাচ্ছে না।
৪. বেকার কর্মী বা পরিবার দের চাকরির নিশ্চয়তা কেউ দিচ্ছে না।
5. সরকার কে যা করতে হবে , অনেক অনেক প্রকল্প হাতে নিতে হবে দলীয় সংগঠন কে উৎসাহীত করতে এবং স্বাবলম্বী করতে। তখনই প্রকৃত সাংগঠনিক শক্তিশালী হবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
6. এদিকে আওয়ামী সারাদেশে ইনভেষ্টমেন্টের মাধ্যমে সাধারণের মাঝে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং অর্থ উপার্জনের লোভ দেখাচ্ছে।
৭. সরকার থাকা অবস্থায় কোনো কর্মী যেন হতাশ না হয়, ঢাকা শহরে গিয়ে রিকশা চালিয়ে অমানবিক জীবন চালাতে না হয়।
র তৃণমূলের একটা হিসাব
১. গত সতের বছর যেসব কর্মিদের বয়স ২৫ বছর ছিলো আজকে তাদের বয়স ৪২ বছর
সরকারি চাকরি পেয়েছে?
পায় নাই,
এবার যাদের বয়স ৩৫ বছর ছিলো তাদের এখন বয়স ৫২ বছর - এদের সন্তানরা বড় হয়েছে........
এবার আসেন যেখানে বাবা রা রাজনীতি করে পরিবারের বোঝা হয়ে আছে বা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে তারা কি রাজনীতি চালিয়ে নিতে পারবে?
পারবেনা। এমনকি
সন্তান দের ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখবে।
এখন কি করতে হবে - এর সমাধান হলো
সতের বছর পর এরা যেন স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পায় সে ব্যবস্থা করা -- গঠিত সরকারের।
২. ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় তৃণমূল সংরক্ষিত কমিটি গঠন করতে হবে বিভিন্ন সেক্টর করার মাধ্যমে। সবসময় যোগাযোগ এবং পর্যবেক্ষণ থাকবে।
৩. ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত তৃণমূল যেন যোগাযোগ করতে পারে প্রতিটা কর্মীকে যেন রেসপন্স করা হয়।
৪. এমপি মন্ত্রী দেশ চালাবে কিন্তু দল চালাবে বাইরের নেতারা।
৫. আওয়ামী সবসময় ভয় দেখিয়ে রাজনীতি করে এটা কে মাথায় রাখতে হবে।
6. আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে - র সাংগঠনিক অবস্থা ঐক্যবদ্ধ না এবং নেতারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে ত্যাগী তৃণমূল কে নিয়ে ভাবে না এমনকি ভালো নতুন দের সুযোগ কম দেওয়া হয়।
৭. শান্ত দল কিন্তু অন্যেরা ষড়যন্ত্রের দল মাথায় রাখতে হবে।
৮. সব শেষে বলবো সারাদেশে
সতের বছরের নির্যাতিত তৃণমূল কে শক্তিশালী করতে হলে
কর্মসংস্থান তৈরী করে দিতে হবে যেমন - স্কুল, কলেজ, স্থানীয় অফিস ইত্যাদি । এলাকা শক্তিশালী হবে তৃণমূলের দ্বারা
না হলে
নোয়াখালীর মতো মাইর হবে তখন জামায়াতসিপি ও দাম দিবে না। এখনই উপজেলা পর্যায়ে প্রোগ্রামে োকজন হচ্ছে না। খবর নিয়ে দেখেন।
সরকার গঠন করে তৃণমূল কে ভুলে গেছে নোয়াখালীর মতো সারাদেশে এর প্রভাব দেখা যাবে।
পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। এই পদ্ধতিতে সব আওয়ামী নিয়োগ পেয়েছে দূর্নীতি করে ।
র তৃণমূল সতের বছর থেকে বেকার। এই পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন দরকার।
" মব সন্ত্রাস "
জামায়াতসিপি
= অপপ্রচার,
=রাজনীতি কে কুরুচিপূর্ণ রুপ দিয়ে অন্যদের অসম্মান ও অপমান করে ,
= দেশ অস্থিতিশীল,
=সবসময় জনগণের রাষ্ট্র বা সরকার কে হুমকি দেওয়া
ইত্যাদি।
র উচিত বাংলাদেশ কে এই মব সন্ত্রাস থেকে মুক্ত করা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka