Sheikh Ibrahim
জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই অন্তরে প্রশান্তি লাভ করা যায়। (সূরা রা'দ, আয়াত নং - ২৮)
দুনিয়াবিমুখতা হলো আত্মা ও দেহের প্রশান্তি
উমার (রদিয়াল্লহু আনহু)
لا إله إلا أنت سبحانك إني كنت من الظالمين
লা - ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনায জোয়ালিমিন।
استغفر الله واتوب اليه
আস্তাগফিরুল্লহা ওয়া আতূবু ইলাইহি
لا حول ولا قوة الا بالله
লা - হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ।
21/06/2026
সোনাদিয়া দ্বীপ কি বাঁচবে? প্রশাসনের নাকের ডগায় ম্যানগ্রোভ ও মিঠাপানির উৎস ধ্বংস করে লবণাক্ত পানিতে চিংড়ি চাষের চরম অরাজকতা!
কক্সবাজারের মহেশখালীর বুক চিরে জেগে থাকা অপরূপ সোনাদিয়া দ্বীপ আজ একশ্রেণির অতি লোভী চিংড়ি মাফিয়া ও ভূমিদস্যুদের কারণে পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে! পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হওয়া সত্ত্বেও সেখানে আইন-কানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে অবাধ ধ্বংসযজ্ঞ।
চিংড়ি চাষের জন্য মাফিয়ারা স্লুইসগেট ও নালা কেটে সমুদ্রের নোনা জল জোর করে দ্বীপের ভেতরে ঢোকাচ্ছে। এর ফলে দ্বীপের মাটির নিচের মিঠা পানির স্তর লবণাক্ত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মানুষের খাওয়ার জলের উৎস এবং গবাদি পশুর চারণভূমি সম্পূর্ণ বিষাক্ত হয়ে উঠছে। নোনা জলের তীব্রতায় দ্বীপের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি তরমুজের জমি এবং সবুজ ঘাস মরে সাফ হয়ে যাচ্ছে।
নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল থাকার পরও অপরাধের মাত্রা একটুও কমছে না। দিনে শান্ত থাকলেও, গভীর রাতে বা ঝড়ের আবহাওয়ায় ট্রলার নিয়ে এসে মাফিয়ারা বনের কেওড়া ও বাইন গাছ কেটে বা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে বন ধ্বংস করে চিংড়ি ঘেরের সীমানা বাড়াচ্ছে।
চিংড়ি ও লবণের এই অবৈধ ব্যবসা থেকে প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকা আয় হয়। এই বিপুল টাকার জোরে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও অস্ত্রধারী ডাকাত সিন্ডিকেট সবসময় পার পেয়ে যাচ্ছে।
মাফিয়াদের অস্ত্রের ভয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্যাতন আর মিথ্যা মামলার খড়্গ। কিন্তু এভাবে চুপ থাকলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে আমাদের প্রাকৃতিক ঢাল এই সোনাদিয়া দ্বীপ অচিরেই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। এ যেন ২য় জঙ্গল সলিমপুর।
20/06/2026
الحمد لله
আলহামদুলিল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka