Innovative Software Technology

Innovative Software Technology

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Innovative Software Technology, Software Company, Elephant Road, Dhaka.

30/04/2019

ইয়ুথ হাউ একটি গ্লোবাল পোর্টাল ওয়েবসাইট । তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইয়ুথ হাউ অগ্রযাত্রা।
জীবনে এগিয়ে যেতে নিজের চেষ্টায় অনেক কিছুই শিখতে হয় যেগুলো তাকে জীবনযুদ্ধের মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তরুণদের কর্মজীবন সম্পর্কে সচেতন করা, কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্যে প্রয়োজনীয় ধারণা দেয়া, কর্মজীবনের প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা কর হয়।
তরুণ প্রজন্মকে কর্মজীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করতে দিক-নির্দেশনা দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

ReveMart 🔸 ReveMart – সবার জন্য স্টাইলিশ টি-শার্ট কালেকশন!
👕 ট্রেন্ডি ডিজাইন | প্রিমিয়াম কোয়ালিটি | কমফোর্ট গ্যারান্টি
🛍️ স্টাইলিশ টি-শার্টের নির্ভরযোগ্য গন্তব্য!
🚚 দ্রুত ডেলিভারি | সহজ অর্ডার | নিরাপদ পেমেন্ট
🌐 এখনই ঘুরে দেখুন – www.revemart.com

08/08/2017

iSoftTech is a software platform to provide your business with innovative ideas, services & solutions through pioneer thinking.

16/07/2017

আপনি কি একটি #ওয়েব #সাইট বানাতে চান ???

দ্রুততম সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম ওয়েবসাইট । উন্নত বিশ্বে অনেক আগেই ওয়েবসাইট তৈরির সংস্কৃতি চালু হলেও আমাদের দেশে সম্প্রতি এ ধারা শুরু হয়েছে। ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে বেশ কিছু নিয়ম মানতে হয়।
একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য মূলত তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে নিজের পছন্দসই একটি ডোমেইন নাম কেনা, এরপর তথ্যগুলো অনলাইনে আপলোড করে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য হোস্টিং কেনা এবং সর্বশেষ ব্রাউজার পড়তে পারে এমন ভাষায় কনটেন্টগুলোকে তুলে ধরা।
ডোমেইন নাম নির্বাচন
ধরুন, কেউ আপনার অফিসের তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে চায়, তবে তাকে আপনার অফিসের ওয়েবসাইটটির ঠিকানা ধরে আসতে হবে। আর ওয়েবসাইটের এ ঠিকানাই মূলত আপনার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নাম। সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রেখে ডোমেইন কেনা হয়। যেমন প্রথম আলো ওয়েবসাইটের ঠিকানা : http://www.prothom-alo.com । এ নামই একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম। ডোমেইন নামের মধ্যেও বেশ কিছু ভাগ রয়েছে। যেমন_বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ডোমেইন নাম সাধারণত .কম দিয়ে শেষ হয় (যেমন http://
www.yahoo.com )। আবার সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট সাধারণত ডট ওআরজি (যেমন :
http://www.undp.org ) দিয়ে শেষ হয়। তবে ইন্টারনেটে ডটকম ডোমেইনই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ডোমেইন কেনার সময় ব্যবহারকারীর পছন্দই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডোমেইন নাম প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা উচিত। এতে ভিজিটররা প্রতিষ্ঠানের নাম মনে রেখেই ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারবে।
ওয়েব হোস্টিং
ডোমেইন নাম কেনার পরের বিষয়টি হচ্ছে 'হোস্টিং' । হোস্টিং মূলত অনলাইনে তথ্য আপলোড করার সার্ভার। ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামকে যদি একটি অফিসের ঠিকানা হিসেবে ধরা হয়, তবে হোস্টিং হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং, রুম, আসবাবপত্র ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের মালিক যত মেগাবাইট ওয়েব হোস্টিং কিনবেন তিনি ততটুক তথ্যই আপলোড করতে পারবেন। অনেকটাই এ রকম_একজন ব্যবসায়ী যত বড় গোডাউন ভাড়া নিচ্ছেন ততটুকুই কেবল মালামাল রাখার সুযোগ পাচ্ছেন।
ওয়েবসাইট ডিজাইন
যাঁরা কম বাজেটের মধ্যে ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাঁরা ওয়ার্ডপ্রেস ওপেনসোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস ব্যবহার করতে পারেন। আর ওয়েবসাইট ডিজাইনের আগে অবশ্যই ডেভেলপারকে আপনার চাহিদাগুলো ভালোভাবে বলতে হবে। তাহলে ডেভেলপারই নিজ থেকে পছন্দ করে নিতে পারবে উপযুক্ত ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্মটি।
সেবা দেয় যারা
ইন্টারনেটে ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণ করে ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন নেমস অ্যান্ড নাম্বারস বা আইসিএএনএন। এ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী এদের বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং বিক্রি করে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এদের কাছ থেকে ডোমেইন কেনা যায়। তবে সরাসরি কেনার চেয়ে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই ডোমেইন কেনার পরামর্শ দেন অধিকাংশ ওয়েব ডেভেলপার। তাদের মতে, কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলোত
ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করার সুযোগ কম। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই বরং ভালো সেবা পাওয়া যায়। বাংলাদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের 'ডোমেইন রিসেলার' হিসেবে ডোমেইন নাম বিক্রি করে থাকে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এসব প্রতিষ্ঠানের হোস্টিং সেবাও রিসেলার হিসেবে বিক্রি করে। অনেক প্রতিষ্ঠানের আবার যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে নিজস্ব সার্ভার রয়েছে। ডোমেইন কেনার জন্য Click This Link জান । তবে যে প্রতিষ্ঠান থেকেই কিনুন না কেন, ইন্টারনেটে ওই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসেবাসংক্রান্ত তথ্য ও রিভিউ দেখে নেবেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন হোস্টিং ফোরামের পাশাপাশি এখন বাংলা ভাষায়ও হোস্টিং-সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা করার ফোরাম রয়েছে। সেখানেও আলোচনা করে পছন্দের প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং কিনতে পারেন।
#হোস্টিং_কেনার_আগে_বিবেচ্য
হোস্টিং কেনার আগে ব্যবহারকারীকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়।
যার যেমন সার্ভার লাগে : যেসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দিনে প্রচুর ভিজিট হয় এবং একই সময়ে কয়েক হাজার ভিজিটর ওয়েবসাইটে থাকে সেগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত ডেডিকেটেড সার্ভার কিনতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রতি মাসে দেড় শ থেকে ছয় শ মার্কিন ডলার পর্যন্ত গুনতে হয়। তবে যেসব ওয়েবসাইটে কমসংখ্যক ভিজিটর আসবেন এবং একই সময়ে অল্পসংখ্যক ভিজিটর সাইটে থাকেন সেসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শেয়ারড সার্ভার ব্যবহার করা যায়। শেয়ারড সার্ভারে খরচ অনেক কম। বছরে মাত্র ৩০০ টাকা খরচ করেও শেয়ারড সার্ভার ব্যবহার করা যায়। হোস্টিং কিনতে এখানে দেখুন ।ডিস্ক স্পেস : সার্ভারের পরে হিসাব করতে হয় ডিস্ক স্পেস। ব্যক্তিগত আর ছোট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ২০০ মেগাবাইট হোস্টিংই যথেষ্ট। যেসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে একটু বেশি পরিমাণ ছবি আপলোড করতে হবে সেগুলোর হোস্টিং ২৫০ থেকে ৫০০ মেগাবাইটই যথেষ্ট। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওয়েব হোস্টিং নিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনের বেশি ওয়েব হোস্টিং নিলে কোনো অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায় না। বরং ব্যবহারকারীর অতিরিক্ত কিছু টাকা নষ্ট হয়। তা ছাড়া পরে আরো হোস্টিং স্পেসের প্রয়োজন হলে তো প্যাকেজ বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রতিষ্ঠান দেখে হোস্টিং কেনা : ডোমেইন ও হোস্টিং স্পেস কেনার আগে অবশ্য সে প্রতিষ্ঠানের সেবার মান যাচাই করে নেওয়া উচিত। হোস্টিং ও ডোমেইন কেনার পর ওই প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা দেবে কি না সেটিও যাচাই করে নিতে হবে। আর সাপোর্টের জন্য ব্যবহারকারীকে অতিরিক্ত কোনো টাকা পরিশোধ করতে হবে কি না বা হলেও সেটি কত পরিমাণ সেটি নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।
কন্ট্রোল প্যানেল : ওয়েবসাইটে কোনো পরিবর্তন আনা বা কোনো সেবা পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজন ওয়েবসাইট কন্ট্রোল প্যানেল। আবার ডোমেইনটিকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সাইটে হোস্ট করার জন্যও ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলের প্রয়োজন। এ জন্য যে প্রতিষ্ঠান থেকে সেবাটি নেবেন সেখান থেকে অবশ্যই ডোমেইন ও হোস্টিংয়ের পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল (ইউজার নেইম-পাসওয়ার্ড) নিজের কাছে রাখবেন। অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের জোর করে নিজ প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল প্রদান করে না। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এড়িয়ে চলা উচিত।
নিতে পারেন বাংলাদেশি ডোমেইনও
আন্তর্জাতিক টপ লেভেল ডোমেইনগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্যও আলাদা টপ লেভেল ডোমেইন (.বিডি) রয়েছে। যেমন_বাংলাদেশি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিজ নামে এই ডোমেইন কিনতে চান, সে ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নামের শেষে ডট কম ডট বিডি (.com.bd) যুক্ত হবে। এতে বোঝা যাবে সাইটটি বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানেরই। বাংলাদেশি ডোমেইন নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেও এ ডোমেইন কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে বাংলাদেশি .বিডি ডোমেইনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনেক সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়েবসাইট বিশেষজ্ঞরা। বিটিসিএলের সার্ভার সমস্যার কারণে কয়েক মাস আগে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল, ইয়াহু ও এইচএসবিসি ব্যাংকের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটসহ প্রায় অর্ধশত ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম সিস্টেম বা ডিএনএস পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন অজ্ঞাতপরিচয় হ্যাকাররা। ফলে সাইটগুলো হ্যাকারদের নির্দিষ্ট করা ওয়েবসাইটগুলোতে রিডাইরেক্ট হয়ে গিয়েছিল।
খরচাপাতি
ডোমেইন ও হোস্টিংয়ের খরচ সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই অভিন্ন। কেবল ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টেই একেক চাহিদার ক্ষেত্রে একেক রকম বিল হয়ে থাকে। অনলাইন থেকে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ডোমেইন কিনলে খরচ ১০ থেকে ১৫ ডলার পর্যন্ত পড়ে। তবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যেই ডোমেইন বিক্রি করে থাকে। আর হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে মধ্যম ও ছোট প্রতিষ্ঠানের খরচ পড়ে বছরে ৩০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বাংলাদেশি টপ লেভেল ডোমেইন কিনতে দুই বছরের জন্য খরচ ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর সাধারণ ওয়েবসাইট ডিজাইনের ক্ষেত্রে খরচ পড়ে ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছোট প্রতিষ্ঠান বা যেসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট করার প্রয়োজন পড়ে না তারা স্ট্যাটিক ডিজাইন করিয়ে নিতে পারে। তবে যেসব ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট করার প্রয়োজন তাদের অবশ্যই ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। সাইটগুলো যে কেউ সহজে আপডেট করতে পারেন। সাইট আপডেট করার জন্য প্রোগ্রামিং জানার দরকার পড়ে না।

Photos 16/06/2017

#হোস্টিং_সার্ভিস_গ্রহণের_আগে_জেনে_নিন_কিছু_গুরুত্বপূর্ণ_বিষয়

র্স্মাট হোস্টিং এখন সময়ের দাবী। বাংলাদেশে এখন Pure SSD Hosting , Clustered Cloud Hosting , Domain Register ও SSL Certificate এসব সার্ভিস দিয়ে অনেকেই হোস্টিং সুবিধা দিচ্ছেন। ফলে বিশ্বস্ততার পাশাপাশি সাশ্রয়ী হয়ে গেছে দেশীয় হোস্টিং সেবা। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে হোস্টিং কোম্পানীগুলো বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের অফার বা সুবিধা ঘোষনা করে থাকে। এসব সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোম্পানীর মান ও তাদের সার্ভিসের ইতিহাস যাচাই বাছাই না করে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। প্রযুক্তি সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয় আমাদের প্রত্যেকের উচিত এসব সেবা নিয়ে কাজ করার পূর্বে এগুলো সম্পর্কে জ্ঞান নেয়া যে ফার্মের কাছ থেকে সেবা নিচ্চি তাদের সম্পর্কে খোজ খবর রাখা।

আজকাল অনেক কোম্পানীরই কল সেন্টার রয়েছে। রয়েছে কাস্টমার সার্ভিসের জন্য 24/7 সার্পোট, এতে করে কোম্পানীর ওয়েব সাইট ভিজিট এর পাশাপাশি ফোন করেও তাদের সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে। এবং সার্ভিস গ্রহণকালীন যে কোন সম্যসায় সাপোর্ট নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি সময় ধরে এস এস ডি হোস্টিং এর ব্যাপারে জনসচেতনতা বেড়েছে এবং এসএসডি হোস্টিং জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রথম দিকে এস এস ডি হোস্টিং তুলনামুলক ব্যয়বহুল হলেও এখন অনেকেই সাশ্রয়ী মূল্যে এস এস ডি হোস্টিং সেবা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি কোম্পানী নিষ্ঠার সাথে তাদের সেবা প্রদান করে আস্থা অর্জণ করতে সমর্থ হয়েছে। পেশাদার হোস্টিং ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফিচার যোগ করে তাদের ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে। আজ Clustered Cloud Hosting ও এসে গেছে দেশীয় সেবাগ্রহণকারীদের দোরগোড়ায়।

Clustered Cloud Hosting :

Clustered Cloud Hosting হলো অসংখ্য সার্ভারের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিস্টেম। এই সার্ভার গুলো হাডওয়্যার ও সফটওয়্যার একই ধরনের হয়। Clustered Cloud Hosting এর কোন ডাউন টাইম থাকে না। এমনকি আপনার সাইটে ভিজিটর সংখ্যা হঠাৎকরে বেড়ে গেলেও আপনার সাইটে কোনো সম্যসা হবে না। এমনকি ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং যদি কোন রিপেয়ারিং এর কাজ চলে তাতেওআপনার সাইট ডাউন হবে না । অনেকগুলো সার্ভারের সমন্বয়ে গঠিত এই সিস্টেমের প্রতিটি সার্ভারকে বলে একটি নোড, মজার ব্যাপার হলো, কোনো একটি নোড যদি অফলাইন হয়ে যায় তাতেও ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং সার্ভার অনলাইন থাকবে। বিশেষ করে আপনি যদি বড় ধরনের Blog , ডেটা ভিত্তিক সাইট, E – Commerce সাইট, অনলাইন প্রত্রিকা, Corporate web সাইট, ইয়োলো পেইজ, ডাইরেক্টরী এবং বিভিন্ন ধরনের Mobile Apps ও Software সেবা এমনকি গেমস আপনার সাইটে দিতে চান। তাহলে আপনার অবশ্যই Clustered Cloud Hosting এবং এসএসডি হোস্টিং ভিত্তিক সেবা গ্রহণ করা উচিত কারণ শের্য়াড হোস্টিং এ কিছুটা হলেও্ ডাউন টাইম থাকবে , এই ডাউন টাইম কিছুটা হলেও আপনাকে পিছনে ফেলে দেবে। আর ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং এ কোন ডাউন টাইম থাকেই না। এসব তথ্য যত জানবেন তত আপনার সিদ্ধান্তগ্রহণ পক্রিয়া সহজ হবে। এজন্য জানার ব্যাপারটাকে কখনোই হালকা করে দেখবেন না। কারণ জানতে চাইলে আজকাল সেটা কোনো কঠিন বিষয় নয়।

SSD Hosting :

বর্তমানে সারা বিশ্বের ন্যায় আমাদের দেশীয় ভোক্তারা আজকাল শেয়ার্ড ডিস্ক হোস্টিং এর বদলে আধুনিক এস এস ডি হোস্টিং ব্যবহার করছে। কারণ এস এস ডি হোস্টিং এর গতি হার্ডডিস্ক হোস্টিং থেকে 20 গুণ বেশী । এমনকি স্ট্যান্ডারড হার্ডডিস্ক হোস্টিং ব্যবহার করা সার্ভার তুলনামূলক স্লো থাকে কিন্তু ‍ SSD Drive গুলো বেশ গতিশীল। ফলে আপনার সাইট এর পেজ লোড নিতে সময় লাগবে অনেক কম এতে ভিজিটর সন্তুষ্টি বাড়বে এবং আপনার বাউন্স রেটও কমে যাবে। সূতরাং কেন আপনি Pure SSD Hosting ব্যবহার করবেন এ ব্যাপারে আর কিছু বলার অপেক্ষা রাখেনা।



আসুন আপনার হোস্টিং সেবা গ্রহণের সময় আপনি কি কি কোয়ারী রাখবেন সেগুলো জেনে নেয়া যাক। আমি বলতে চাছ্ছি যে ফিচারগুলো থাকলে আপনি বেটার নয় বরং বেস্ট সার্ভিসটি পাবেন, মানে এই বিষয়গুলো আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:

বাজারে সেবা দেয়ার ব্যাপারে কোম্পানীর সুনাম আছে কিনা?
সময়মত যেকোনো বিষয়ে রিপ্লাই দেয় কিনা?
অন্যান্য নরমাল স্ট্যান্ডারড হোর্স্টিং থেকে ২০ গুন বেশী গতিসম্পন্ন কিনা?
Clustered Cloud Hosting এনশিউর কিনা? এটা বর্তমান সময়ের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
লেটেস্ট সি প্যানেল সংযক্ত করা হয়েছে কিনা? লেটেস্ট সি প্যানেল এর অনেক সুবিধা রয়েছে।
সর্বোচ্চ আপটাইম কিনা? যত বেশী আপটাইম হবে তত ভালো। বাংলাদেশে ৯৯% আপটাইম দিয়ে থাকে কেউ কেউ।
ক্লাউড লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কিনা? এটা অনেক বেটার।
সুপার ফাস্ট পিউর এস এস ডি স্পেস কিনা? বর্তমানে এসএসডি ছাড়া হোস্টিং নেয়া ঠিক নয়।
সিএমএস (ওর্য়াডপ্রেস) ও ইকর্মাস অপটিমাইজড কিনা?
রিনিউ করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ করবে?
সময়মত রিনিউ করতে না পারলে কতদিনের সুযোগ দেবে?
গ্রীন ডেটা সেন্টার সংযুক্ত কিনা?
সফটাকোলাউস অটো অ্যাপস ইন্সটলার আছে কিনা?
কোম্পানীর পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিক কিনা? অনলাইনে পেমেন্ট করা সহজ কিনা?
প্রথম বছর ফি কম নিয়ে দ্বিতীয় বছর দ্বিগুন নেবে কিনা?
আপনার হোস্টিং কন্ট্রোল আপনার হাতে থাকবে কিনা?
ই মেইল সুবিধা কেমন হবে?
সুপার ফাস্ট ও সিকিউর হোস্টিং কিনা?
ফ্রী ওয়েব সাইট ট্রান্সফার আছে কিনা? থাকলে ভালো।
স্কাইপে / ফোন / ইমেইল / ওয়েব চ্যাট সিস্টেম মাধ্যমে ডেডিকেটেড সার্পোট সংযুক্ত কিনা?
কোন লুকায়িত চার্জ নেই বা সেটআপ ফী আছে কিনা?
এসব টেকনিক্যাল বিষয় ছাড়াও আপনার ব্যবসায়ের ধরণ ও সাইটের প্রকৃতি অনুসারে আপনার আরো যেসব সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন সেগুলো আপনি নোট ডাউন করে নিন এবং একটা একটা করে আলোচনা করে এবং সেবা প্রদানকারীর সার্ভিস ফিচার দেখে সব আগেই বুঝে নিন। যাতে পরবর্তীতে এটা নিয়ে আপনাকে কোনো ঝামেলায় পড়তে না হয়। এছাড়া কোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসা থাকলে-Comment লিখুন।

সুত্রঃ e-CAB ব্লগ।

16/01/2017

https://sites.google.com/view/stp/home

Home Software Tech Park (STP) which built up application-based software that helps generate company innovation by collecting our an innovative ideas.Those ideas are then commented on and voted on, so that our business to know which ideas to implement in future generations of our product. Having a softwar...

Paragraph Book - Android Apps on Google Play 12/01/2017

How to write a unique& good paragraph for your any written exam, this apps would be help you.

Paragraph Book - Android Apps on Google Play

ইসলামিক বাণী - Android Apps on Google Play 08/11/2016

আল্লাহ্‌, নবী ও মনিষীদের বাণী সুন্দরভাবে সাজানো আছে।

ইসলামিক বাণী - Android Apps on Google Play

Software Tech Park 04/09/2016

Why should I order my business application software to Software Tech Park?...................................................................................................
We work on the most productive and efficient technology platforms. We build up application software that are designed to satisfy a particular need of a particular environment.
http://www.softwaretechpark.com/

Software Tech Park Software Tech Park is a advanced technology software firm specializing in mobile apps, web and desktop application development, providing solutions to small businesses across the globe.

Photos 02/09/2016

http://www.softwaretechpark.com/

Software Tech Park which is increasingly bringing market information to remote areas which is helping to change people’s lives in unique ways. Software Tech Park is an organization that built and distributed software application development in everywhere.Our software firm which services with different dimension not only rural place but also in limited places. Our services include development of application based software for small business owners to help them gain a competitive edge. Our company works on the most productive and efficient technology platforms. Programming professionals are the backbone to providing our clients innovative solutions while reducing the cost and time.

Photos 01/09/2016

Innovative Software Tech Park
Software Tech Park(STP) which built up application-based software that helps generate company innovation by collecting our an innovative ideas.Those ideas are then commented on and voted on, so that our business to know which ideas to implement in future generations of our product. Having a software helps take a rich amount of qualitative data and turn it into actionable quantitative data. Software innovation ideas can be refined and evaluated for implementation right in STP’s software. STP's software helps deaf people communicate with speaking world. Our software is used by businesses to communicate worldwide. Our software becomes more sophisticated, it will help people with more complex challenges.
www.softwaretechpark.com/blog.html

Photos 01/09/2016

Software Tech Park Introduction

Founded in 2016 ,Software Tech Park is a advanced technology software firm specializing in mobile application, web application and desktop application development, providing solutions to small businesses across the globe.

Software Tech Park is an organization that built and distributed software application development in everywhere. Our services with different dimension not only rural place but also in remote places. Our application software includes programs that do real work for user.

STP's software helps deaf people communicate with speaking world. Our software is used by businesses to communicate worldwide. Our software becomes more sophisticated, it will help people with more complex challenges.
http://softwaretechpark.com/about.html

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Address


Elephant Road
Dhaka
1205