Aitijhya

Aitijhya

Share

খাঁটির আপর নাম ঐতিহ্য
www.aitijhya.com

সারা বাংলাদেশ জুড়ে অঞ্চলভেদে রয়েছে নানান রকমের বিখ্যাত সব খাবার, বস্ত্র ও হস্তশিল্পের পণ্য। অনেক সময় মন চাইলেও পাওয়া যায় না কাংখিত সেই পণ্যটি। আর তাই ‘ঐতিহ্য’ উদ্যেগ নিয়েছে বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত সব পণ্যগুলো সকলের কাছে পৌছে দেওয়ার

03/07/2018

সুন্দরবনের সবচেয়ে ভালো মানের মধু খলিশা ফুলের মধু যেটা ”পদ্ম মধু” নামে পরিচিত।

মানের দিক থেকে সুন্দরবনের ৩প্রকারের মধু আছে, সর্বপ্রথম যে মধুটা কাটা হয় এবং সবচেয়ে ভালো ও সুস্বাদু মধু খলিশা ফুলের পদ্ম মধু, এরপরেই আছে গরান ও গর্জন ফুলের বালিহার মধু এবং মৌসুমের একেবারেই শেষে আসে কেওড়া ও গেওয়া ফুলের মধু।

তবে খলিশা ফুলের পদ্ম মধুর চাহিদা বেশী থাকাই সবসময় এটা পাওয়া যাইনা।

09/08/2017

সুন্দরবন থেকে মাওয়ালীদের মাধ্যমে সংগৃহীত ১০ কেজি খাঁটি মধু.... এই মুহুর্তে পৌছালো।। যার ৪ কেজি অগ্রিম অর্ডার।।
খাঁটি মধু প্রয়োজনে... এখনি অর্ডার করুন।।
ঐতিহ্য খাঁটি মধু....

Photos from Aitijhya's post 06/08/2017

চুলের যত্নে ঘি এর ব্যবহার:
চুলে খুশকি অথবা চুল খসখসে কিংবা ঠিকমতো বৃদ্ধি হচ্ছে না। যেকোন সমস্যায় চোখ বন্ধ করে ভরসা করতে পারেন ঘিয়ের উপর।

কন্ডিশনিং: রুক্ষ চুলের জন্য বাজার থেকে ঘি আর অলিভ অয়েল কিনে আনুন। দুই টেবল চামচ ঘিয়ের সঙ্গে মেশান এক টেবল চামচ অলিভ অয়েল। তারপর চুলে মেখে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

স্পিটলিং: চুলের স্পিটলিং বা ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যায় আপনি জেরবার? এই সমস্যার সমাধান করতে দরকার শুধু তিন চামচ ঘি। তারপর তা ভালো করে মাখিয়ে দিন চুলের ডগায়। দেখবেন স্পিটলিং-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়ে গিয়েছেন।

বৃদ্ধি: চুল লম্বা করতেও সাহায্য করে দেশি ঘি। চুলে ভাল করে ঘি মেখে কিছুক্ষণ পরে আমলা বা পেঁয়াজের রস দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু করবেন পরের দিন।

খুশকি: আমন্ড অয়েলের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মেখে নিন মাথার স্ক্যাল্পে। ১৫ মিনিট ধরে মাসাজ করুন। তারপর গোলাপ জলে ধুয়ে ফেলুন চুল। দেখবেন খুশকি ভ্যানিশ।

Photos from Aitijhya's post 03/08/2017

সুন্দরবন মাওয়ালী খাঁটি মধু
৳ 520
Home Delivery available
*Pure না হলে টাকা ফেরত

সুন্দরবন থেকে সংগৃহীত খাঁটি মধু।
500 gm= 520 tk
1 kg= 990 tk.

কালিজিরা ফুলের মধু 920 টাকা, লিচু ফুলের মধু 700 টাকা, সরিষা ফুলের মধু 600 টাকা

মধুর বিশুদ্ধতার নিরাপত্তার প্রশ্নেঃ
★ মধু ডিপফ্রিজে সংরক্ষন করলে মধুর ঘনত্ব বাড়বে কিন্তু বরফ জমাট বাধবে না।
★ একটি স্বচ্ছ কাপে এক টেবিল চামচ মধু ঢাললে এক-তৃতীর্য়াংশ মধু কাপের পানির সাথে দ্রবীভূত হবে না।

★ ডায়াবেটিকস এর মাত্রা যাই হোক না কেন খাটি মধু সুগারের প্রশ্নে কোন সমস্যা নয়।
★ খাঁটি মধু সাধারন ঠান্ডা,কাশি, জ্বর হতে আরোগ্য লাভের প্রতিষোধক হিসেবে অত্যান্ত কাযর্করী ভূমিকা পালন করে। (শুধুমাত্র Chronic Disease ব্যাতিত)
★ খাঁটি মধু শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অত্যান্ত কার্যকরী। অর্থাৎ খাঁটি মধু ডাইটিং এর একটি কার্যকরী উপাদান।

★ মধু সংরক্ষণঃ
মধু কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন হলেও মধুর গুনগতমান অক্ষুন্ন থাকবে। আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে উপরোক্ত বিষয়াবলীর সবকটিতেই আমি ১০০% উত্তীর্ণ । (পরীক্ষা প্রার্থনীয়)
বিঃ দ্রঃ সকল প্রকােরর কৃতজ্ঞতা সর্বপ্রথম মহান আল্লাহুতায়ালার উপর এবং আমার প্রানপ্রিয় অভিজ্ঞ মাওয়ালী জনদের প্রতি।

01/08/2017

আর নয় ভেজাল সরিষার তেল। এখন থেকে খাবেন ঐতিহ্য খাঁটি সরিষার তেল। প্রচলিত ব্যান্ডের সরিষার তেল অথবা খোলা বাজারের সরিষার তেল দুটোতেই ভোজাল থাকে। আর এই ভেজাল তেল তৈরীতে অনেক ক্ষেত্রে এমন কিছু কেমিক্যাল মেশানো হয় যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে বাছাইকৃত সরিষার দানা থেকে তৈরী করা হয় ঐতিহ্য খাঁটি সরিষার তেল।

01/08/2017

গ্রাম বাংলার গৃহ-পালিত গরুর খাঁটি দুধ হতে তৈরী “ঘি”।

Photos 27/07/2017

মধুর বহুগুনের কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু বাজারে মধু কিনতে গেলে বিপাকে পড়তে মধুর সতীত্ব (=D খাঁটি নাকি ভেজাল) নিয়ে। বাজারে যারা মধু বিক্রি করেন তাদের সবার মধুই নির্ভেজাল (তাদের মতে)। মধু কিনে নিয়ে এসে খাওয়ার সময় দেখা যায় সেই নির্ভেজাল মধু আর মধু নাই, চিনির শিরাই পরিণিত হয়ে গেছে। এই ভেজাল, নির্ভেজাল আর চিনির শিরার হাত থেকে মধু প্রেমীদের বাচাতে “ঐতিহ্য” নিয়ে আসছে সুন্দরবনের খাঁটি মধু। মধু মনেই “ঐতিহ্য”’র মধু, না খাঁটি না ভেজাল মধুর বৈশিষ্ঠ্য সেতো মধুই।

Photos 20/07/2017

আর নয় ভেজাল সরিষার তেল। এখন থেকে খাবেন ঐতিহ্য খাঁটি সরিষার তেল। প্রচলিত ব্যান্ডের সরিষার তেল অথবা খোলা বাজারের সরিষার তেল দুটোতেই ভোজাল থাকে। আর এই ভেজাল তেল তৈরীতে অনেক ক্ষেত্রে এমন কিছু কেমিক্যাল মেশানো হয় যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে বাছাইকৃত সরিষার দানা থেকে তৈরী করা হয় ঐতিহ্য খাঁটি সরিষার তেল।

Photos 18/07/2017

প্রতিদিন খাঁটি ঘি খেলে দৈহিক এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। এই ঘি দেহের ভেজাল দূর করতেও সহায়তা করে। আসল ঘি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পেশিকে সুগঠিত ও সুস্থ রাখে। যাদের দেহে কোলেস্টরেল সমস্যা রয়েছে তারা মাখন বা অন্যান্য ফ্যাটের পরিবর্তে ঘি-কে স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাবার হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন। করণ ঘি এর ফ্যাট সহজে হজমযোগ্য।

Photos from Aitijhya's post 17/07/2017

গর্ভবতী হওয়ার পর যথেষ্ট পরিমানে ফ্যাট জাতীয় খাদ্য খেতে হয়। ফ্যাট জাতীয় খাদ্য শিশুর মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে,তাই বেশি করে মাকে ফ্যাট জাতীয় খাদ্য খেতে হবে। দুধ, ঘি, মাখন ফ্যাট এর চাহিদা পূরণ করে। ফ্যাট এর পাশা পাশি গর্ভবতী মায়েদের ক্যালরির প্রয়োজন অন্যদের চেয়ে বেশি। আর এক টেবিল চামাচ খাঁটি ঘি’তে থাকে প্রায় ১১২ ক্যালরি। যা গর্ভবতী মায়েদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Photos from Aitijhya's post 16/07/2017

আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, ঘিয়ের অনেক উপকারীতার কথা বলা হয়। তবে তা অবশ্যই খাঁটি ঘি হতে হবে। ঐতিহ্য দিচ্ছে ১০০% খাঁটি ঘিয়ের নিশ্চয়তা। গ্রামের বাড়িতে পালিত গরুর দুধ সংগ্রহ করে সেই দুধ থেকে মাখন বেড় করে তৈরী করা হয় “ঐতিহ্য খাটি ঘি”। বাজারে যে ঘি গুলো পাওয়া যায় তার অধিকাংশই তৈরী করা হয় দুধের সর থেকে। আর আমাদের “ঐতিহ্য খাঁটি ঘি” তৈরী হয় মাখন থেকে। সরের ঘিয়ের থেকে মাখনের তৈরী ঘি অনেক স্বাস্থকর ও সুস্বাদু। খাঁটি ঘি খান সুস্থ থাকুন। 🙂🙂

Photos from Aitijhya's post 15/07/2017

ঘিয়ের বহু গুণের কথা আমরা শুনে থাকলেও স্বাস্থ্য সচেতন বা ভাল ওজন সচেতন বর্তমান প্রজন্মের কাছে ঘি ভিলেন। এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ভুল। ঘিয়ের বহু উপকারিতা তো রয়েছেই, ঘি কিন্তু ওজন কমাতেও সাহায্য করে। জেনে নিন কী কী কাজ করে ঘি।

১। স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।

২। নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

৩। স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৪। ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৬। ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৭। হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।

৮। রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯। খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

১০। পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়। ----- আনন্দবাজার

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Banasree
Dhaka
1219