Learn Cattle Farming
This page is designed for new entrepreneur in cattle sector. Shared my practical experiences
ফুল কপি দেখেন কত সস্তা। গরুকে খাওয়াতে পারেন।
খড় কেনার কাজ শুরু হয়েছে। ফ্যাটেনিং গরু কেনা শুরু হবে আগামী ৮-১০ দিনের মধ্যে৷ গরু কেনা থেকে আগামী ৩ বছর ফার্মিং লাইফ-ম্যানেজমেন্ট-মিল্ক এন্ড মিট প্রসেসিং সহ প্রতিটা স্টেপ দেখানো হবে নতুনদের জন্য।
পর্ব-০১
একটু দেরী হয়ে গেলো শুরু করতে দেশের রাজনৈতিক নানা জটিলতার কারনে। আমি বলেছিলাম এ বছর অনেক কিছুর পরিবর্তন এনে কাজ শুরু হবে। শুধু সেড বা কন্সট্রাকশনের কাজ নয়, শুরু থেকে পুরো বিজনেস ড্রাইভটা কেমন হয়ে সেটা দেখাবো এমনভাবে যেন খামার শুরু করে কেউ লোকসানে না পড়ে। আবার শুরুতেই অনেক টাকা বিনিয়োগ করে ব্যবসা শুরু আগেই ফান্ড শেষ করে বসে থাকা যাবেনা। পুরাতন সেডের মেরামতের কাজ চলছে যতটা কম খরচে পসিবল করা। সেডের উচ্চতা ২ ফিট বাড়ানো হবে। ২ জন মিস্ত্রি দৈনিক ভাড়া চুক্তিতে আনা হয়েছে আর ফার্মের সব স্টাফদের তাদের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। কোরবানীতে ষাড় গরু বিক্রি করে দেয়া হয়েছে সব৷ তাই সেড অলমোস্ট খালি। অনেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন গাভী কোথায়? দুধ বিক্রি ঝামেলা, মিস্টির দোকানের বাকী সহ নানা ঝামেলার কারনে গাভী ৩ বছর আগে বিক্রি করে দিয়েছিলাম, ২ টা আছে মাত্র এখন। কিন্তু এখন আবার কিনবো, বাট এবার দুধ যাবে নিজের দোকানে সাথে ভ্যালু এডিশন।
চলবে............
প্রতিটা ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেকে এবং ব্যবসার কলা কৌশলকে পরিবর্তন করতে হবে। ২০১৫ থেকে যে স্ট্র্যাটিজিতে ব্যবসা মুভ করেছি, ২০২৪ এসে সব চেঞ্জ করে ফেলছি। ফার্মের নামও চেঞ্জ করে নতুন নাম হবে। দুধ বেচবো, মাংস বেচবো তবে আগের মত না। যে পরিকল্পনাগুলো নেয়া হয়েছে তা হলো, সমন্বিত এগ্রো ফার্ম হবে, দুধ মাংস উৎপাদনের আগে সাপ্লাই চেইন, ফরোয়ার্ড লিংকেজ রেডি করবো, রিটেল শপ হবে, মিট প্রসেসিং হবে, মিল্ক ভ্যালু এডেড পন্য হবে, স্যোশাল বিজনেস কনসেপ্টে কনট্রাক্ট ফার্মিং, জেনেটিক ডেভেলপমেন্টের কাজ হবে।
এই পরিবর্তনগুলো তুলে ধরবো সবাইকে। আমাদের আগাতে হবে, তা যেকোন অনুকূল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে। নতুনরা সবাই সাথেই থাকুন, দেখুন।
নতুন সূর্যদয়ে, পুরানোকে পরিবর্তন করে সম্পূর্ন নতুন পরিকল্পনায় উদ্যোগ নিলাম। দোয়া দিয়ে সাথেই থাকুন, দেখুন এবং শিখুন
দেশের এই সংকটকালীন সময়ে নতুন সূর্য উদয়ের দিনে ফার্মকে নতুনভাবে নতুন বিজনেস প্ল্যানে নিয়ে আসছি আপনাদের সামনে, যা থেকে তরুনরা অনেক কিছু শিখতে পারবেন। অতীতের গতানুগতিক প্ল্যানকে পরিবর্তন করে ফেলেছি। সব ৯৫% গরু ছাগল গত কোরবানীতে বিক্রি করে ফেলেছি। ধরতে পারেন সেড মেরামত, নতুন তৈরী, নতুন গরু উঠানো, ভ্যালু এডেড পন্য, স্লটার হাউজ, কসাইয়ের দোকান, হোম ডেলিভারী, রিটেল/হোলসেল বিক্রি ইত্যাদি অনেক কিছু নতুন প্ল্যানে যুক্ত হবে যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাদের দেখাবো এবং আপনারা জানবেন একটা ব্যবসাকে লাভবান করতে কি কি করনীয়। আমার দেখানোর উদ্দেশ্য হলো আপনারা যেন লোকসান না করেন এবং প্রতিটা স্টেপ জেনে বুঝে আগান। এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি বড় সমন্বিত এগ্রো ফার্ম ৩ টি স্পটে মোট ২০০ বিঘা জায়গার উপরে৷ আরো একটি কথা বলে রাখছি, অনেকে ভাবতে পারেন এত বড় প্রজেক্ট আমার একার কিনা। উত্তর হলো, নো, এটি ২ জনের জয়েন্ট ভেঞ্চরে তৈরী একটি পার্টনারশিপ উদ্যোগ।
সাথেই থাকবেন....
27/07/2024
পোস্টটি দেখামাত্র চোখ আটকে গেলো। আমার মত নিশ্চয়ই অনেকে অবাক হচ্ছেন। অনেকে মনে মনে সিদ্ধ্যান্ত নিয়েছেন ছাগল পালন শুরু করবেন। ভাল কথা, তবে ছাগল পালনের আগে কিছু বিষয় জেনে নেয়া ভাল সে উদ্দেশ্যেই আমার এই লেখা।
বাংলাদেশে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় স্টল ফিডিং সিস্টেমে আমার থেকে বেশী ছাগল নিয়ে কেউ কাজ করেছে কিনা আমার জানা নেই। আমি অনেক কিছু ফেসবুকে পোস্ট করিনা। তবে ভাবছি পোস্ট করবো, মাঝে মাঝে লিখবো। আমি স্টল ফিডিং সিস্টেমে ৪০০ ছাগল পেলেছি বিভিন্ন জাতের। ছাগল স্টল ফিডিং সিস্টেমে পালন আমার একটি ভুল সিদ্ধ্যান্ত ছিলো, আর ব্রিড চয়েসের একটা ব্যাপার তো আছেই। আমি বিভিন্ন ব্রিড নিয়ে ডিফারেন্ট ব্লাড লাইনে ক্রসব্রিড করে দেখেছি কেমন রেজাল্ট আসে। কিছু টিপস দিচ্ছি মনে রাখবেন-
১) ব্ল্যাক বেংগল ছাগল স্টল ফিডিং সিস্টেমে পালন করলে ১০০% লোকসান করবেন। গ্রামে মহিলারা ঘরে ২-৪ টি ছাগল পালে সেই পর্যন্ত ঠিক আছে। তাদের কোন খাওয়া খরচ লাগেনা৷ আল্লাহর ওয়াস্তে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ফিরে খায়। ছাগলের সেড বানায়ে দানাদার খাবার কিনে, লেবার রেখে কোনভাবেই লাভ করতে পারবেন না৷ কারন ব্ল্যাক বেংগলের দৈনিক গ্রোথ অনেক কম৷ এরচেয়ে খাবার খরচ বেশী হবে আপনার।
২) ব্ল্যাক বেংগল বাদে অন্য ব্রিড যেমন তোতাপুরি, যমুনাপুরি, শিরোহী এগুলো পালতে পারেন সৌখিনতা বশত, কমার্শিয়াল ফার্মিং হবেনা আমাদের দেশে কারন খাদ্য খরচ অনেক বেশী।
৩) বোয়ার, বিটল পালতে পারেন মাংসের জন্য। এদের গ্রোথ খুব ভালো, আপনি রিটার্ন ভাল পাবেন।
৪) সব থেকে ভাল হয় সানিন, আলপাইন দুধ ও মাংস উভয়ই দেবে এই জাত লালন পালন করতে পারলে। দুধ ও মাংস দুটো পেলে আপনি অনেক ভাল রিটার্ন পাবেন।
৫) ছাগলের অনেক অনেক যত্ন দরকার৷ প্রশিক্ষন না নিয়ে কোনভাবেই শুরু করবেন না।
৬) ভ্যাকসিন, কৃমির ডোজ সব সময়মত দিতে হবে
৭) ইমার্জেন্সি মেডিসিন সব সময় হাতের কাছে রাখবেন। ছাগলের চিকিৎসা করতে দেরী করলে বাচানো কঠিন হবে।
ইউটিউব দেখে কোটিপতি ছাগলের খামার করে, এই টাইপ পোস্ট ভিডিও এড়িয়ে চলবেন। এগুলো একবারে সত্য নয়। আমি চাইনা ধোকায় পড়ে আপনি ব্যবসাতে লোকসান করেন। মূলত যারা এই ভিডিওগুলো বানায় ভিউ বাড়িয়ে অর্থ উপার্জন করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ভাল থাকবেন
এরকম সুন্দর সেডে লোক রেখে খামার ব্যবসাতে লাভ করা এখন আর সম্ভব নয়! জেনে নিন কারন কি
হ্যা টাকা থাকলে শখে করতে পারেন, সেটা ভিন্ন বিষয়।
দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদনকারী খামার মালিকদের সবচেয়ে খারাপ সময় এখন যাচ্ছে। আমি বলছি সেইসব খামার মালিকদের কথা যারা স্টাফ নিয়োগ দিয়ে ফার্ম পরিচালনা করছি কিছুটা বড় পরিসরে। আপনার ফার্মে সর্বচ্চ ১৫ লিটার দুধের গাভী থাকলে দুধ বিক্রি করে ঐ গাভী পরিচালনায় ব্রেক ইভেনে থাকবেন। আপনার ফার্মে মাংসের উঠতি ২ দাতের গরু যদি প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম মাংস উৎপাদন না করে আপনি লোকসানে পড়বেন। কারন পশুখাদ্যের অত্যাধিক মূল্যে খামারিদের নাকাল অবস্থা।
অন্যদিকে বাংলাদেশে আবহাওয়ার সাথে কম্পেটিবল কোন উন্নত দুধের ও মাংসের জাত ও তৈরী করতে পারেনি যা থেকে অধিক দুধ ও মাংস পাওয়া যাবে। হলস্টন ফ্রিজিয়ান ঠান্ডা দেশের গরু হওয়ায় এবং অনুন্নত ষাড়ের শুক্রানু দিয়ে কৃত্রিম প্রজনন করার ফলে ক্রসব্রিড HLF জাতটি থেকে কাংখিত দুধ পাচ্ছে না, আর রোগ বালাই তো লেগেই আছে। যে সকল ফার্মে ভাল দুধের গাভী আছে অধিকাংশই বিদেশ থেকে আমদানীকৃত সিমেন থেকে উৎপাদিত বাচ্চা।
এখন ফার্ম করে টিকে থাকতে পারবে একদম প্রান্তিক পর্যায়ের ২-৩ টা গরু লালন পালনকারী খামারিরা। তাই ভেবে চিনতে ড্রাইভ দিতে হবে, হুজুগে লাফ দিবেন না।
17/06/2024
নতুন উদ্যোক্তা হয়ে ২০২৫ কোরবানী ঈদের প্রিপারেশন কিভাবে নেবেন?
আপনার নিজের ঘাস ও ভুট্টার জমি থাকুক বা না থাকুক দীর্ঘ মেয়াদী গরু লালন পালনে যাবেন না। আপনার টার্গেট হবে রমজান এবং কোরবানীতে গরু বিক্রি করা। রমজানের ৩ মাস আগে গরু কেনা শুরু করবেন। হাট থেকে শুকনা, তবে রোগা নয় এমন ২-৪ দাতে দেশী গরু কিনবেন। সুন্দরগুলো কোরবানীর জন্য রেখে দিবেন এবং বাকীগুলো রমজানের ঈদে ছেড়ে দিবেন। যেগুলো রমজার বিক্রি করবেন সেগুলোকে ক্রিমিমুক্ত করে ২ বেলা খাওয়াবেন দানাদার খাবার সহ। রমজানের পরে কোরবানী ঈদের জন্য গরুগুলোকে একইভাবে অধিক যত্ন নেয়া শুরু করবেন। গ্রামে একজন প্রান্তিক খামারি ৯ মাস দেশী গরু লালন পালন করলেও মূলত দানাদার ভাল খাবার দেয়া শুরু করে কোরবানীর ৩ মাস আগে থেকে।
অর্থাৎ ১২ মাসের মধ্যে আপনার খামারে গরু থাকছে ৬ মাস। বাকী সময়গুলো কি করবেন তাহলে? আপনার স্পেস থাকলে অস্টাল/ফ্রিজিয়ান ১২-১৪ মাসের শুকনা গরু কিনে পালতে পারেন, তবে এগুলো অবশ্যই কসাইকে টার্গেট করবেন, কোরবানীর জন্য নয়। মাংসের জন্য অস্টাল আপনাকে লোকসান দেবেনা।
17/06/2024
আপনার খামারে জন্ম নেয়া সাদা কালো প্রিন্টেড ফ্রিজিয়ান বা অস্টাল গরু ২ দাত হওয়া মাত্রই কসাইয়ের দোকানে বিক্রি করে দিন। ফ্রিজিয়ান ২ দাতের গরুর মাংস অসাধারন কোয়ালিটির হয়। ঢাকার সুপারশপগুলো এই মাংসকে প্রিমিয়াম বলে বিক্রি করে।
ঢাকা ও আশেপাশের বড় ফার্ম এবং ইউটিউব ফেসবুক ফলো করে কোরবানী ঈদের জন্য ফ্রিজিয়ান গরু বড় করবেন না। ঈদে ফ্রিজিয়ান গরুর চাহিদা কম। আবেগে ব্যবসা চলবে না।
নতুন উদ্যোক্তা এবং ঢাকার বাইরের খামার মালিকরা ২০২৪ কোরবানী থেকে যে শিক্ষা নিবেন -
১) কোরবানীতে ছোট গরুর চাহিদা বেশী
২) ঢাকার হাটকে কেন্দ্র করে বড় গরু করবেন না
৩) আপনার এলাকায় বড় গরুর চাহিদা কেমন সেটা আগে বুঝে গরু বড় করবেন এবং দাম সেট করবেন। কোটি টাকার গরুকে ফলো করতে গেলে লোকসান করবেন।
৪) অস্টাল সাদাকালো গরুর চাহিদা কম। অস্টাল বা ফ্রিজিয়ান ২ দাত ওঠা মাত্রই কসাইকে দিয়ে দিবেন। কোরবানীতে দেশী লাল রঙের ৩-৪ মন মাংসের গরুর চাহিদা সব থেকে বেশী।
৫) ঢাকা বেইজড বড় ফার্ম, ইউটিউব, ফেসবুক ফলো করে ফার্ম করবেন না এবং গরুর দাম নির্ধারন করবেন না। নিজের এলাকায় কোন গরুর কেমন চাহিদা বুঝে দাম নির্ধারন করুন।
৬) আপনি যদি সিজনাল কোরবানি বেইজড খামারি হন তাহলে কোরবানির ৩-৪ মাস আগে শুকনা দেখে গরু কিনুন। দেশী গরু বেশী দিন ফার্মে থাকলে লোকসান গুনতে হবে
৭) সুন্দর গরুগুলো কোরবানীর জন্য রেখে অস্টাল ও অসুন্দর গরুগুলো রমজানের ঈদে ছেড়ে দিন
৮) দেশী গরুর গ্রোথ কম তাই লেবার রেখে দানাদার বেইজড খাবার খাইয়ে ৩ মাসের বেশী লালন পালন করলে লোকসান হবে। ঘাসের যোগান দিয়ে অল্প দানাদারে লেবার ছাড়া নিজে পালতে পারলে লাভ করতে পারবেন।
৯) দেশী গরুকে ভালমত খাওয়াবেন কোরবানিতে বিক্রির ঠিক ৩ মাস আগে। গ্রামে প্রান্তিক খামারিরা এভাবে লালন পালন করে থাকে। সারা বছর লেবার দিয়ে দেশী গরু ২-৩ বেলা দানাদার খাইয়ে নির্ঘাত লোকসান হবে।
১০) আপনি ঢাকা কিংবা শহর বেইজড খামারি হলে বলবো গরু ট্রেডিং করেন নিজে না পেলে। তাতে প্রান্তিক কৃষক, আপনি, ক্রেতা সকলেই লাভবান হবে।
14/06/2024
বাজার বিশ্লেষকদের ধারনা ২০২৪ কোরবানী বাজার খামারিদের জন্য ভালো যাবেনা৷ আপনার মতামত কি কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
22/05/2024
My openion TV, 22 May 2024
কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ কোটি ৩০ লাখ পশু | Songbad Bistar | Ekattor TV কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ কোটি ৩০ লাখ পশু | https://goo.gl/sNmTXyfor latest news upd...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka
1247