Logo Bite
We are the team of Logo Bite.We are motivated towards providing you with high quality services.Basically we are "LOGO" & "BRAND IDENTITY" designer.
04/04/2019
দোকানদারের ডিজাইন বনাম ডিজাইনারের ডিজাইন
----------
আমাদের দেশে ডিজাইন বলতে অধিকাংশজনই তাকায় স্টুডিও এর দিকে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন? হ্যা! ওই যে সেদিন ছবি তুললাম। চুল কেটে দিলো, মুখের দাগ মুছে দিলো, ইয়ে মানে হাল্কা একটূ ফর্সাও করে দিলো, এটাইতো ডিজাইন। আরেকটু এডভান্সড যারা, তারা প্রেসে।
কাজ করা পিচ্চিগুলাকে দেশের বেস্ট ডিজাইনার ভাবে।
ভাই জানেন? বাচ্চা একটা ছেলে, কত আর বয়স ১৩-১৪ হবে? আমার নাম ঠিকানা দিলাম, ৫ মিনিটের মধ্যে ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে দিলো। ক্যান ইউ ইমাজিন?
------------ এটাই হচ্ছে ডিজাইন নিয়ে আমাদের আম জনতার ধারনা।
এবার আমার কিছু অভজারবেশন শেয়ায় করি। ডিজাইন মুলত একটি বিশাল সিস্টেম। তার ছোট একটা অংশ হচ্ছে ইমেজ প্রসেসিং বা রিটাচিং। যেগুলো স্টুডিওতে করে থাকে খুবই সামান্য একটু অংশ দেখেই যারা অভিভুত হয়ে যায়, তাদের কাছে এই বিশালতা অন্ধকারেই থেকে যায়।
একজন ডিজাইনার যখন ইমেজ প্রসেসিংও করবে, ছবির দিকে তাকালে মনে হবে না যে, এখানে কিছু একটা করা হয়েছে। কারন তার ক্লিপিং, মাস্কিং, লাইট, শ্যাডো সবই হবে নিখুত।
এখানে একটূ অফ টপিকে যাই,
গার্মেন্টসে যে কাপড়গুলো তৈরি হয়, তার ভালো কোয়ালিটির প্রোডাক্টগুলো বাইরে এক্সপোর্ট হয়ে যায়, আর সেকেন্ড ক্লাস গুলো শোরুমে এবং থার্ডক্লাসগুলো ফুটপাতে সেল হয়। তাহলে কেন আমাদেরই উৎপাদিত পণ্য থেকে আমরাই বঞ্চিত হই?
কারন, আমাদের দেশে যে প্রাইসে আমরা কাপড় কিনতে অভ্যস্ত তার ৪-৫ গুন দাম দিয়ে আমরা কেউই কিনতে চাইবো না। যে শার্ট আমরা ৬০০-৭০০ টাকা দিয়ে কিনি, সেটা ৪-৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে চাইবো না আমরা। তাই, সেলাররা লোকালি সেলও করে না।
সেইম ভাবে আমাদের দেশেও ওয়ার্ল্ড ক্লাস ডিজাইনাররা রয়েছেন, যারা লোকালি সার্ভিস প্রোভাইড করেন না। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন।
একটা নরমাল ডিজাইনের প্রাইস কত?
অনেক প্রেসে প্রিন্টিং করলে ডিজাইন ফ্রীতেই করে দেয়। ৫০-১০০ টাকা নেয় কেউ কেউ। কিন্তু আপনি একটা ডিজাইনের জন্য ১০০০ টাকা চান? শুধু ডিজাইন? প্রিন্টও করে দেবেন না?
আমাকেতো ৬০০ টাকার মধ্যে ডিজাইন সহ প্রিন্ট করে দেবে। তাহলে আপনি এতো বেশী চান কেন? ডাকাতি, গলাকাটা দাম... আরে ভাই থামুন। আগে বুঝুন, তারপরে বলুন।
ডিজাইনের কোয়ালিটি নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেক লম্বা হবে। সংক্ষেপে একটু আইডিয়া দিই। ধরুন, একজন প্রেসের লোক। জিনি ৫০ টাকা দিয়ে ডিজাইন করে দেয়। সে দিনে ১০০/২০০ ডিজাইন করে। কিভাবে? তার কাছে কমন কিছু ফরম্যাট করা আছে। সেখানে আপনার নাম ঠিকানা বসিয়ে দেয় জাস্ট। হয়তো আপনাকে যে ডিজাইন দিচ্ছে, সেটা আরো ৫০ জনের কাছেও সেল করছে।
সামান্য কালার বা সাইজ মোডিফাই করে। একটা ডিজাইনে সে সময় দিচ্ছে ৫-১০ মিনিট। সেই কাজে ৫০-১০০ টাকা নিলে কিংবা না নিলেও তার খুব বেশী ক্ষতি নেই।
কিন্তু একজন প্রফেশনাল ডিজাইনার কি করে? প্রথমে আপনার লোগো, কালার স্কিম এসব নিয়ে স্টাডি করে। কোন কোন কম্বিনেশন, কোন শেইপ কোথায় কি দিলে ভালো লাগবে। এক এক জায়গায় ৫০-১০০ টা কালার, ইফেক্ট দিয়ে দিয়ে ট্রাই করে কোন টা ভালো মানায়। অনেক গুলো ফন্ট নিয়ে ঘাটাঘাটি করে যে, কোনটা আপনার এই স্টাইলের সাথে পারফেক্টলি যাচ্ছে। এই সব কিছু করে ফাইনালি দেখা যায় এক-দুই দিন সময় লাগিয়ে দেয় আউটপুট দিতে। আপনি এখানে বিরক্ত হচ্ছেন, যে সেই কবে দিলাম? ৫ মিনিটে করে দেয়, সেখানে আজ দুইদিন হল। দুইদিন পর ডিজাইন দেখে যখন বলেন যে, এই পার্টটি চেঞ্জ করুন। তখন ওই পার্ট এর উপর তার পুরো পরিশ্রম মাটি হয়ে গেলো। আমার নতুন করে শুরু করা... তাহলে সেই অনুপাতে প্রাইস কি বেশী?
প্রফেশনাল ডিজাইনারের কাজের প্রথম বিশেষত্ব হচ্ছে ডিজাইন ইউনিক। অন্য ডিজাইন থেকে আইডিয়া নেয়া যেতে পারে, কিন্তু সেইম সেইম মিলবে না কোথাও।
যখন আপনারা সেই মানের একজন ডিজাইনারকে এক্সাম্পল দেন যে, এতো টাকা লাগে নাকি ডিজাইন করতে? তখন তার মুচকি হাসি দেয়া ছাড়া কিছুই বলার থাকে না আসলে।
আমাদের অফিসের ম্যাম বলেন যে, আপনি যে প্রোডাক্টটি নিয়ে ডিজাইন করবেন, সেটি শো-রুম থেকে এক পিস এনে আপনার টেবিলে রাখবেন। নাড়া চাড়া করবেন, উলটে পালটে দেখবেন। আলোতে কালার কেমন লাগে, অন্ধকারে কেমন লাগে। এই টাইপের ১০০ টা ডিজাইন দেখবেন। ১০ ঘন্টায় ১০ টি ডিজাইন করার দরকার নেই, ১০ ঘন্টায় একটি করুন। বাট ইট শুড বি লুক গর্জিয়াস।
আমার মনে হয় এই পুরো লেখাটা পড়লে ডিজাইনে-ডিজাইনে পার্থক্য সম্পর্কে আর কারো কনফিউশন থাকবে না। এবং আমি বিশ্বাস করি, একদিন আমাদের সবার মোটিভ চেঞ্জ হবে। উন্নত বিশ্বের মত আমরাও মানসম্মত পণ্য ও সেবা ব্যাবহার করবো এবং তাদের যথাযোগ্য মূল্যায়নও করবো।
ক্রেডিট : কাজী নিশাত
27/03/2019
লোগো শুধু একটা কোম্পানীর পরিচয়ই বহন করেনা পাশাপাশি সেই কোম্পানীর ভ্যালু, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, উদ্দেশ্য এবং কার্য কলাপ প্রকাশ করে। আমরা সবসময়ই চেষ্টা করি আমাদের প্রতিটি ক্লাইন্টের জন্য করা লোগো ডিজাইনে, তাদের কোম্পানীর উদ্দেশ্য এবং কার্য-কলাপের অর্থবহ বিষয়টি তুলে ধরার।
চাইলে আপনিও আপনার কোম্পানীর জন্য অর্থবহ লোগো কিংবা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করাতে পারেন। যে কোনো প্রকার ডিজাইন অথবা ডিটেইলস জানার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।
আমাদের ওভারঅল সব প্রজেক্ট একসাথে দেখতে চোখ রাখুন এখানে: https://bit.ly/2pgV90m
20/03/2019
আজকে টাইপফেসের ক্লাসিফিকেশন নিয়ে কিছু জানা যাক। আসলে কি কি
ধরনের টাইপফেস রয়েছে তা সংক্ষিপ্ত আকারে বলার চেষ্টা করবো।
#সেরিফ: সেরিফ বলতে বুঝায় কোনো একটা লেটারের বাড়তি অংশকে। অর্থ্যাৎ যেসব টাইপফেসের বাড়তি অংশ থাকে তাদের সেরিফ বলে।
#স্যান্স সেরিফ: যেই টাইপফেসগুলো সেরিফ ছাড়া সেগুলোই মূলত স্যান্স সেরিফ। স্যান্স সেরিফ টাইপফেসগুলো মর্ডান এবং বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত।
#স্লাভ সেরিফ: স্লাভ সেরিফ আর সেরিফ অনেকটা একি ধরনের। স্লাভ সেরিফটা মূলত একটু বেশি বোল্ট তাছাড়া স্লাভ সেরিফের স্ট্রিম আর সেরিফের সাইজ একি সমান।
#স্কিপ্ট: স্কিপ্ট হচ্ছে ক্যালিগ্রাফির মত আর্টিস্টিক টাইপফেসগুলো।
#ডেকোরেটিভ: ডেকোরেটিভ টাইপফেসগুলো একটু বেশি সাজানো, বোল্ট এবং কম ব্যবহৃত।
#মনোস্পেস: মনোস্পেস টাইপফেসগুলো মূলত সিংগেল এবং প্রতিটি লেটারের মাঝে ফাকা স্থান সমান।
#ব্ল্যাকলেটার: ব্ল্যাকলেটার টাইপফেসগুলো পৌরাণিক সময়ের লিখার ধরনের মত। এগুলো সাধারনত হেব্বি হয় এবং রয়্যালিটি প্রকাশ করে এমন ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত করা হয়।
#হ্যান্ডরাইটিং: হ্যান্ডরাইটিং হল হাতের লিখা টাইপফেসগুলো মত। বর্তমানে সময়ে হ্যান্ডরাইটিং টাইপফেসের কদর বাড়ছে।
আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে নিচে প্রতিটি ফন্টের ছবি যুক্ত করে দেয়া হলো। আশা করি এর পর থেকে আপনাদের ডিজাইন করানোর সময় ডিজাইনারকে বুঝাতে সুবিধা হবে যে কি টাইপের টাইপফেস আপনি চাচ্ছেন আর কোন ক্ষেত্রে সেটা ব্যবহার করতে চান।
06/03/2019
ডিজাইন ওয়ার্ল্ড সবসময়ই কনফিউজিং, তেমনি এই পোষ্টে লোগোর তিনটি কনফিউজিং বিষয় ক্লিয়ার করবো আজকে। সেই তিনটি বিষয় হচ্ছে লোগোটাইপ, ওয়ার্ডমার্ক, লেটারমার্ক। লোগো বেসিক্যালি অনেক ধরনের হয় তবে তার ভিতর উপরের বিষয়গুলো বহুল ব্যবহৃত এবং পরিচিত। আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়গুলো বিশদভাবে।
#লোগোটাইপ: লোগোটাইপ হচ্ছে সিম্বলিক লোগো। কোনো কোম্পানী কিংবা ব্র্যান্ড যখন তাদের রিপ্রেজেন্ট করার জন্য তাদের সার্ভিস কিংবা প্রডাক্ট নকশা আকারে প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে তারা শুধু আইকন অথবা আইকন এবং টেক্সটের কম্বিনেশনও ব্যবহার করে। যেমন নাইক, এডিডাস, এপ্যাল, ড্রপবক্স, জাগুয়ার ইত্যাদি।
#ওয়ার্ডমার্ক: ওয়ার্ডমার্ক এবং লোগোটাইপ অনেকটা একই ধরনের। তবে ওয়ার্ডমার্ক লোগোগুলার ক্ষেত্রে কোম্পানী কিংবা ব্র্যান্ডগুলো তাদের নাম রিপ্রেজেন্ট করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। যেসব কোম্পানী কিংবা ব্র্যান্ডের নাম শর্ট, স্ট্যান্ডার্ড, মিনিংফুল এবং ম্যানারর্ড সেসব কোম্পানীর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডমার্ক লোগো যথেষ্ঠ সুইটেবল। তবে এক্ষেত্রে অব্যশই কমার্শিয়াল কিংবা কাস্টম হ্যান্ড ফন্ট ইউজ করতে হবে। যেমন ফেসবুক, গুগল, কোকাকোলা ইত্যাদি।
#লেটারমার্ক: লেটারমার্ক এবং ওয়ার্ডমার্ক লোগো অনেকটা একই ধরনের। যেসব কোম্পানীর নাম যথেষ্ট লং অথবা প্রনাউন্স করা কষ্টসাধ্য, সেসব কোম্পানীর লোগোতে নাম ইউজার ফেন্ডলি করার জন্য শর্ট করে ব্যালেন্স করতে হয়। সাধারনত এই শর্ট ব্যালেন্স করা লোগোগুলোকেই লেটারমার্ক লোগো বলে। যেমন আইবিএম (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন), সিএনএন (কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক), নাসা (ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ইত্যাদি।
28/02/2019
আজকে আলোচনা করবো টাইপের কিছু টারমিনলজি নিয়ে। সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত টারমিনলজি গুলো হচ্ছে কার্নিং, লিডিং এবং ট্রাকিং।
কার্নিং: কার্নিং অনেকটা ট্রাকিংয়ের অংশ। আরো সহজ করে বলতে গেলে আমরা কোনো ওয়ার্ডের ভিতর কোনো স্প্যাসিফিক লেটারে মাঝে ফাকা দিতে চাইলে কিংবা ব্যালেন্সড করতে চাইলে সেক্ষেত্রে কার্নিং করে থাকি।
ট্রাকিং: ট্রাকিং হচ্ছে কোনো একটা ওয়ার্ডের মধ্যেবর্তী ফাকা স্থানকে বুঝায়। অনেক ভালো ভালো ডিজাইনের ক্ষেত্রে দেখা যায় এই ট্রাকিং ঠিক নাহ থাকার কারনে ডিজাইনটা দেখতে খুব বাজে দেখা যায় এবং প্রফেশনাল লুক নষ্ট হয়। অনেক ডিজাইনে ফন্টের কাজ করার সময় আমাদের এই ট্রাকিংয়ের ঝামেলা এরানোর জন্য আমাদের কাস্টম ট্রাকিং ব্যবহার করতে হয়।
লিডিং: লিডিং হচ্ছে একাধিক লাইনের মাঝের ফাকা স্থান অর্থাৎ প্রথম লাইনের বেসলাইন থেকে পরের লাইনের বেসলাইন পর্যন্ত যে ফাকা স্থান সেটাকেই বলে লিডিং।
যেকোনো ডিজাইনের ক্ষেত্রে এই তিনটা বিষয় খুবই গুরুত্বপুর্ণ। বিশেষ করে ফন্ট বেস ডিজাইনগুলো।
চাইলে আপনিও আপনার কোম্পানীর জন্য অর্থবহ লোগো কিংবা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করাতে পারেন। যে কোনো প্রকার ডিজাইন অথবা ডিটেইলস জানার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।
আমাদের ওভারঅল সব প্রজেক্ট একসাথে দেখতে চোখ রাখুন এখানে: https://bit.ly/2pgV90m
13/02/2019
টাইপফেস আর ফন্টের মধ্যে পার্থক্য:
টাইপফেস আর ফন্ট নিয়ে আমরা প্রায় সময়ই অনেক ক্লাইন্টকে বুঝাতে সমস্যায় পরি। আজকে টাইপফেস আর ফন্টের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করবো।
টাইপফেস: টাইপফেস বলতে আমরা বুঝি ফন্ট ফ্যামিলি। এককথায় একটা ফন্টের পুরো ফ্যামিলিটাকেই টাইপফেস বলে।
ফন্ট: ফন্ট হচ্ছে টাইপফেসের একটা অংশ। সহজ ভাবে বলতে গেলে "Arial" হচ্ছে ফন্ট ফ্যামিলি কিংবা টাইপফেস। আর Arial এর Arial bold, Arial light, Arial narrow এগুলো হচ্ছে ফন্ট।
আর ক্লিয়ারভাবে বুঝানোর জন্য ছবি এড করে দেয়া হলো।
07/02/2019
ওয়্যারফ্রেমিং পরিচিতি। কি, কেন, কিভাবে করবেন?
ওয়্যারফ্রেমিং ডিজাইনারদের জন্য অপরিহার্য একটা বিষয়। কারন যেকোনো জিনিসের ভালো মন্দ নির্ভর করে তার স্ট্রাকচার এর উপর। তাছাড়া কম্পপ্লিট ভিজ্যুয়াল ডিজাইনে ক্লায়েন্ট বারবার রিভিশন দিতে দিতে পারে না। এবং সাথে সাথে ডিজাইন চ্যাঞ্জ করা ঝামেলার এবং বিরক্তিকর। তো এজন্যই আমাদের সঠিক ওয়্যারফ্রেমিং জানা খুবই জরুরি।
শুরু করার আগে আমরা কিছু চিহ্ন সম্পর্কে আগেই পরিচিত হবো।
১. সেকসন বা ডিভ এর জন্য প্লেইন বক্স ইউজ করবো।
২. ইমেজ এর জন্য বক্স এর ভিতর ক্রস করে দিবো।
৩. প্রোফাইল বা ইউজারের জন্য বৃত্ত।
৪. আইকন এর জন্য বৃত্তের ভিতরে ক্রস করে দিবো।
৫. টাইটেল বা হেডিং এর জন্য 3pt সমপরিমান রেখা টানবো।
৬. প্যারাগ্রাফ এর জন্য সাধারন রেখা।
৭. কন্টিনিউড স্ক্রলিং বোঝাতে বক্সের নিচের লাইন বাউন্সিং করে দেবো।
বিস্তারিত: https://bit.ly/2DXA1V5
04/02/2019
লোগো শুধু একটা কোম্পানীর পরিচয়ই বহন করেনা পাশাপাশি সেই কোম্পানীর ভ্যালু, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, উদ্দেশ্য এবং কার্য কলাপ প্রকাশ করে। আমরা সবসময়ই চেষ্টা করি আমাদের প্রতিটি ক্লাইন্টের জন্য করা লোগো ডিজাইনে, তাদের কোম্পানীর উদ্দেশ্য এবং কার্য-কলাপের অর্থবহ বিষয়টি তুলে ধরার।
চাইলে আপনিও আপনার কোম্পানীর জন্য অর্থবহ লোগো কিংবা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করাতে পারেন। যে কোনো প্রকার ডিজাইন অথবা ডিটেইলস জানার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।
আমাদের অভারঅল সব প্রজেক্ট একসাথে দেখতে চোখ রাখুন এখানে: https://bit.ly/2pgV90m
30/01/2019
লোগো শুধু একটা কোম্পানীর পরিচয়ই বহন করেনা পাশাপাশি সেই কোম্পানীর ভ্যালু, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, উদ্দেশ্য এবং কার্য কলাপ প্রকাশ করে। আমরা সবসময়ই চেষ্টা করি আমাদের প্রতিটি ক্লাইন্টের জন্য করা লোগো ডিজাইনে, তাদের কোম্পানীর উদ্দেশ্য এবং কার্য-কলাপের অর্থবহ বিষয়টি তুলে ধরার।
চাইলে আপনিও আপনার কোম্পানীর জন্য অর্থবহ লোগো কিংবা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করাতে পারেন। যে কোনো প্রকার ডিজাইন অথবা ডিটেইলস জানার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
House-46, Road-04, Block-B
Dhaka
1310