Computer Bichitra

Computer Bichitra

Share

Computer Bichitra is the one of the leading `Information and Communication Technology (ICT) related monthly magazine in Bangladesh.

Photos from Computer Bichitra's post 07/06/2026

ফ্রি ফায়ার ওয়ার্ল্ড সিরিজ বাংলাদেশ স্প্রিং ২০২৬ শেষ, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন গেম ডেভলপার ও পাবলিশার ‘গ্যারেনা’ দেশে ফ্রি ফায়ারের অন্যতম বড় ন্যাশনাল টুর্নামেন্ট ‘‘ফ্রি ফায়ার ওয়ার্ল্ড সিরিজ বাংলাদেশ স্প্রিং ২০২৬’’ এর সমাপ্তি হলো। গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দল ‘স্ট্র হ্যাটস’ এবং রানার্স-আপ হয়েছে ‘টাইটান ইস্পোর্টস ক্লাব’।

বিজয়ী দুটি দল আসন্ন ২০২৬ ইস্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। আগামী ১৫ থেকে ১৮ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে এই ওয়ার্ল্ড টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিশ্বের অন্যতম বড় এই গেমিং মঞ্চে ১০ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজপুলের জন্য শীর্ষ আন্তর্জাতিক দলগুলোর মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের এই তরুণরা।

কয়েক সপ্তাহের প্রতিযোগিতা শেষে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশ থেকে ১ লাখেরও বেশি দল এতে অংশ নেয়। ফাইনালে দেশের শীর্ষ ১২টি দল চ্যাম্পিয়ন ট্রফির জন্য লড়াই করে। এলিমিনেশন ও ম্যাচ প্লেসমেন্ট থেকে পাওয়া মোট পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে এই র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল ‘স্ট্র হ্যাটস’ পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ২০ লাখ টাকা। রানার্স-আপ দল ‘টাইটান ইস্পোর্টস ক্লাব’ পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ১২ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের ইস্পোর্টস খাতকে ত্বরান্বিত করছে ফ্রি ফায়ার ওয়ার্ল্ড সিরিজের এমন আয়োজন। ফাইনালের টুর্নামেন্টটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নতুন এবং প্রফেশনাল খেলোয়াড় অংশ নিয়েছিলেন, যা দেশের গেমিং কমিউনিটির আগ্রহকে তুলে ধরে। স্থানীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের গেইমারদের পৌঁছানোর জন্য এমন প্রতিযোগিতা একটি মাধ্যম হয়ে ওঠেছে।

07/06/2026

বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য অনুষ্ঠিত হবে ‘ন্যাশনাল সেকেন্ডারি স্কুল সায়েন্স টিচার্স কনফারেন্স’

দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এইচআরডিআই) এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ডিপটি)।

সম্প্রতি রাজধানীর ডিপটি কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে ‘ন্যাশনাল সেকেন্ডারি স্কুল সায়েন্স টিচার্স কনফারেন্স ২০২৬’ আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ড্যাফোডিল গ্রুপের ডিপটি ও স্কিলস অ্যান্ড ইকোসিস্টেমসের নির্বাহী পরিচালক ড. কে এম হাসান রিপন, ডিআইইউর এইচআরডিআই-এর সহকারী পরিচালক আমির হামজা এবং বিএফএফ-এর নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী।

এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় ২০২৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১৫০ জন মাধ্যমিক পর্যায়ের বিজ্ঞান শিক্ষককে নিয়ে একটি জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সম্মেলনটি হবে বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সুযোগ পাবেন।

সম্মেলনে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি, প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞান শিক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং টুলসের ব্যবহার, বিজ্ঞান ক্লাব কার্যক্রম সম্প্রসারণ, হাতে-কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি বিকাশের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দেশের বিজ্ঞান শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি জাতীয় বিজ্ঞান শিক্ষক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হবে।

আয়োজকরা জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞান শিক্ষার আধুনিকায়নের কোনও বিকল্প নেই। এই সম্মেলন দেশের বিজ্ঞান শিক্ষকদের নতুন জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উদ্ভাবক, গবেষক এবং সমস্যা সমাধানকারীদের গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী করে তুলতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে এই সম্মেলন বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

07/06/2026

প্রযুক্তি নির্ভর এবং দক্ষ ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনও বিকল্প নেই। দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তি নির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আজ রবিবার (৭ জুন) বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমাদের শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হবে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অটোমেশন এবং এআই-চালিত প্রযুক্তির কারণে অনেক পুরোনো পেশা ঝুঁকির মুখে পড়লেও নতুন অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। এই প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানো টেকনোলজি এবং ফাইভ জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমকে বাস্তবভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার কাজ শুরু করেছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘‘সর্বোচ্চ একাডেমিক সার্টিফিকেট অর্জন করলেও প্রায়োগিক দক্ষতার অভাবে অনেকেই বেকার থাকছেন। এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার এপ্রেন্টিসশীপ, ইন্টার্নশীপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। ক্যাম্পাস থেকেই ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্র্যান্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে তরুণরা চাকুরির পেছনে না ছুটে নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।”

07/06/2026

চাকরির ভুয়া ইমেইল দিয়ে তথ্য চুরির চেষ্টা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি

গুগলের অ্যাপশিট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে চাকরির প্রস্তাবের নামে ফিশিং আক্রমণ চালানোর ঘটনা শনাক্ত করেছে গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি। সাইবার অপরাধীরা গুগল, মেটা, অ্যাপল, কোকা-কোলা ও ভলভোর মতো পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগ-সংক্রান্ত ইমেইল পাঠাচ্ছে, যার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য চুরি করা।

ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, হামলাকারীরা গুগলের অ্যাপশিট প্ল্যাটফর্মের বৈধ সুবিধা ব্যবহার করে [email protected] ঠিকানা থেকে ইমেইল পাঠায়। ফলে এসব বার্তা অনেক ক্ষেত্রেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় এবং প্রচলিত নিরাপত্তা ফিল্টার এড়িয়ে যেতে পারে। এসব ইমেইলে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে উৎসাহিত করা হয়, যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য, গুগল অ্যাকাউন্ট বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য সংগ্রহ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে কোনো লিংক ছাড়াই প্রথমে কথোপকথন শুরু করে ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জনের চেষ্টা করা হয়।

ক্যাসপারস্কির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, যেহেতু ইমেইলগুলো গুগলের নিজস্ব অবকাঠামো থেকে পাঠানো হয়, তাই সেগুলো অনেক সময় প্রচলিত ইমেইল নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা যেমন- এসপিএফ, ডিকিম এবং ডিমার্ক অতিক্রম করে যায়। এ ছাড়া অ্যাপশিটের স্বয়ংক্রিয় বার্তা পাঠানোর সুবিধা ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমেও ফিশিং বার্তা ছড়ানো সম্ভব। এ ধরনের সুবিধা ব্যবহারের জন্য হামলাকারীদের শুধু একটি অর্থপ্রদত্ত অ্যাপশিট সাবস্ক্রিপশনই প্রয়োজন হয় বলে জানিয়েছে ক্যাসপারস্কি।

ক্যাসপারস্কির সিনিয়র স্প্যাম বিশ্লেষক আনা লাজারিচেভা বলেন, “বৈধ ও জনপ্রিয় অনলাইন সেবাগুলোও কখনও কখনও সাইবার অপরাধীদের হাতিয়ার হয়ে ওঠতে পারে। আগে আমরা গুগল ফর্মস ও গুগল টাস্কস ব্যবহার করে পরিচালিত ফিশিং প্রচারণা দেখেছি, আর এখন একই ধরনের কাজে অ্যাপশিট ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই কোনো বার্তা বিশ্বস্ত ডোমেইন থেকে এলেও তা যাচাই করা জরুরি।”

ব্যবহারকারীদের জন্য ক্যাসপারস্কির পরামর্শ হলো, চাকরি সংক্রান্ত অপ্রত্যাশিত ইমেইল বা বার্তা পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে তা যাচাই করা, অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা এবং নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করা। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও উন্নত ইমেইল নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রাখতে ক্যাসপারস্কি মেইল গেটওয়ে এবং ক্যাসপারস্কি প্রিমিয়াম এর মাধ্যমে কর্মীদের নিয়মিত ফিশিং-সচেতনতা প্রশিক্ষণ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে ক্যাসপারস্কি।

07/06/2026

১২ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এআই হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’ আগামী ১২ জুন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্লাউডক্যাম্প বাংলাদেশের আয়োজনে এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সহ-আয়োজনে প্রতিযোগিতাটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬- এ সারাদেশ থেকে ৩,৫০০-এরও বেশি অংশগ্রহণকারী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন এবং ৬০০-এরও বেশি দল নাম নিবন্ধন করেছে। স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ২০৮টি দলকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়েছে। চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত দলগুলো পাঁচটি ডোমেইনে এডটেক, মারটেক, হেলথটেক, ই-কমার্স এবং ইনফোটেক তাদের রিয়েল-ওয়ার্ল্ড, প্রোডাকশন-রেডি এআই সলিউশন উপস্থাপন করবে।

পাঁচটি ডোমেইন থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ টিম এবং ভাইব কোডিং চ্যালেঞ্জ বিজয়ী সহ মোট ১৫টি টিমকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। প্রথম পুরস্কার ৫০,০০০ টাকা, রানার-আপ ৩০,০০০ টাকা এবং ভাইব চ্যালেঞ্জ বিজয়ীরা ১০,০০০ টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া সকল বিজয়ী দল পাবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং গ্লোবাল শোকেস রোডম্যাপে অংশগ্রহণের সুযোগ।

ক্লাউডক্যাম্প বাংলাদেশের ফাউন্ডার এবং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহদী-উজ-জামান বলেন, ‘‘এআই বিল্ডফেস্ট কোনও সাধারণ প্রতিযোগিতা নয়। এখানে অংশগ্রহণকারীরা কেবল কোড লেখে না, তারা বাস্তব সমস্যার সমাধান তৈরি করে, বিশ্বমানের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করে এবং নিজেদের গ্লোবাল বিল্ডার হিসেবে প্রমাণ করার সুযোগ পায়।’’

দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬- এর মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকবে
ইনফিনিটি ভাইব কোডিং টু প্রোডাকশন চ্যালেঞ্জ: এটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা চ্যালেঞ্জ, যেকোনও অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিগতভাবে এতে অংশ নিতে পারবেন। মাত্র পাঁচটি প্রম্পট ব্যবহার করে ৬০ মিনিটের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ এআই অ্যাপ্লিকেশন বিল্ড ও ডেপ্লয় করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন ১০০ জন প্রতিযোগী। এটি এআই-অ্যাসিস্টেড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভবিষ্যতের একটি বাস্তব প্রদর্শনী।

অপরচুনিটি কানেক্ট: অংশগ্রহণকারীরা বিনিয়োগকারী, রিক্রুটার এবং উচ্চশিক্ষা পরামর্শদাতাদের সঙ্গে প্রি-শিডিউলড ১:১ মিটিংয়ের সুযোগ পাবেন- চাকরি, বৃত্তি ও ফান্ডিংয়ের পথ খুলে যাবে।

মেন্টরিং ও ওয়ার্কশপ: দিনব্যাপী অভিজ্ঞ মেন্টররা দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি কাজ করবেন প্রজেক্টের দিকনির্দেশনা, আর্কিটেকচার রিভিউ এবং উপস্থাপনার প্রস্তুতিতে সহায়তা করবেন। পাশাপাশি থাকবে তিনটি বিশেষ ওয়ার্কশপ- এআই-নেটিভ আর্কিটেকচার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অ্যাজেন্টিক সলিউশন বিল্ডিং।

ফিজিক্যাল জাজিং প্যানেল: ১০টি বিশেষজ্ঞ জাজিং প্যানেল ২০৮টি দলকে মূল্যায়ন করবে। প্রতিটি দলকে ৩ মিনিট ডেমো, ২ মিনিট প্রশ্নোত্তর এবং স্বাধীন স্কোরিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে- উদ্ভাবন, কারিগরি দক্ষতা, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং বাস্তব প্রভাবের ভিত্তিতে।

গ্লোবাল এনআরবি কোলাবরেশন: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন- বৈশ্বিক মানের অভিজ্ঞতা সরাসরি প্রতিটি দলে।

07/06/2026

দারাজ ৬.৬ শপিং ফেস্টে টিভি, স্মার্টফোন, মেগা ডিল, ৮০% ছাড়

দেশের শীর্ষ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস দারাজ শুরু করেছে ‘৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট’, যেখানে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় ছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আরও বেশি সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা। এই ক্যাম্পেইন চলবে ১০ জুন পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে থাকছে বছরের অন্যতম সেরা অফার।

এই ক্যাম্পেইনে থাকছে মেগা ডিল ও ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড় এবং হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়। পাশাপাশি সাইটজুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট, নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচার। ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি ও লাইফস্টাইল সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কেনাকাটা হবে আরও সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী।

হারপিকের সহযোগিতায় থাকছে বিশেষ শপিং কনটেস্ট, যেখানে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন একটি স্যামসাং ৫৫ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি এবং একটি রিয়েলমি সি ১০০আই স্মার্টফোন। ৬ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলা এই আয়োজনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী গ্রাহকদের মধ্য থেকে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে ওয়ালটন ব্র্যান্ড ডে এবং ৮ জুন ডেটল ব্র্যান্ড ডে, যেখানে গ্রাহকরা জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যে উপভোগ করতে পারবেন বিশেষ অফার। পাশাপাশি প্রতিদিন চলবে ক্যাটাগরি-নির্ভর বিশেষ ক্যাম্পেইন, যেখানে বিভিন্ন পণ্যে থাকছে বাছাইকৃত আকর্ষণীয় ডিল। দারাজ চয়েস চ্যানেলের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন ‘বাই ৩ গেট ফ্রি ডেলিভারি’ এবং ‘বাই ৫ গেট ১ ফ্রি গিফট উইডথ ফ্রি ডেলিভারি’ সুবিধা।

07/06/2026

চীনে মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করলেন বাংলাদেশের তিতাস সরকার

তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুনাম আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন দেশের অন্যতম মাইক্রোটিক সার্টিফায়েড ট্রেনার তিতাস সরকার। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত একটি মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ সেশন তিনি পরিচালনা করেছেন, যেখানে স্থানীয় নেটওয়ার্কিং পেশাজীবী ও প্রযুক্তিপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিতাস সরকার বাংলাদেশভিত্তিক আইটি প্রশিক্ষণ ও নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান টিসফট আইটি-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। তিনি মাইক্রোটিকের ১০টি আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জন করেছেন এবং এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সহ ভারত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তাঁর এই অর্জনের তালিকায় এবার যুক্ত হলো প্রযুক্তির অন্যতম পরাশক্তি চীন।

এ প্রসঙ্গে তিতাস সরকার বলেন, ‘‘নেটওয়ার্কিং জ্ঞানের কোনও সীমানা নেই। বাংলাদেশের একজন প্রশিক্ষক হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারাটা শুধু আমার একার নয়, পুরো দেশের জন্যই গর্বের বিষয়। আমার লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর এই জ্ঞান যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।’’

সেশনটিতে মাইক্রোটিক রা্উটারওএস, নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ও আধুনিক নেটওয়ার্কিং কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এ ছাড়া চীনের মাইক্রোটিক কমিউনিটি ও সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পথও তৈরি হয়েছে বলে জানান তিতাস সরকার।

দেশীয় প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তিতাস সরকারের এই সাফল্য বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী ও নেটওয়ার্কিং পেশাজীবীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের আইটি সক্ষমতার ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।

উল্লেখ্য, তিতাস সরকার দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় নেটওয়ার্কিং শিক্ষাকে সহজবোধ্য করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর লেখা ‘‘মাইক্রোটিক রাউটার নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড সিকিউরিটি’’ বইটি ইতোমধ্যে পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া তিতাস সরকার বাংলা ভাষায় ‘নেটওয়ার্কিং’ নিয়ে কমপিউটার বিচিত্রার নিয়মিত লেখক ছিলেন।

07/06/2026

প্রতিরক্ষা খাতে এজেন্টিক এআইয়ের উত্থান

ডেভ ওয়াজগ্রাস: বিশ্বজুড়ে প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের গতি দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ‘এজেন্টিক এআই’- যে প্রযুক্তি নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন সিস্টেমের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারে। যা সামরিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপদ ও শক্তিশালী আইটি অবকাঠামো ছাড়া এই প্রযুক্তি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের (Anthropic) উন্নত এআই মডেল ‘Claude Mythos’ সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এর কিছু সময়ের মধ্যেই একটি অননুমোদিত গোষ্ঠী দাবি করে, তারা মডেলটিতে প্রবেশাধিকার পেয়েছে। যদিও বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি, তবুও এটি প্রতিরক্ষা খাতে এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত এআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে পারে। যুদ্ধক্ষেত্র, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তবে একই সঙ্গে ঝুঁকিও বাড়ছে, কারণ এজেন্টিক এআই এখন সংবেদনশীল নেটওয়ার্ক, গোপন তথ্যভান্ডার ও সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষা খাতে নিরাপদ এআই ব্যবহারের জন্য তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ…

১. এআই মডেলে কী ধরনের তথ্য প্রবেশ করছে?
এআইকে কার্যকর করতে বিপুল পরিমাণ তথ্য ও ডেটা প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই তথ্য যদি ভুয়া, পুরোনো বা ‘পয়জনড’ হয়, তাহলে এআই ভুল বিশ্লেষণ বা বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্ত দিতে পারে। ফলে নিরাপদভাবে তথ্য যাচাই ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ডেটা সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. কারা এআই ব্যবহারের অনুমতি পাবে?
প্রতিরক্ষা খাতে কাজ করেন সামরিক কর্মকর্তা, গোয়েন্দা বিশ্লেষক, মিত্র রাষ্ট্রের অংশীদার এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি দল। সবাইকে একই ধরনের প্রবেশাধিকার দিলে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই কে কোন তথ্য বা সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারবে, তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৩. এআই কোন সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে?
এআই যখন কোনও ডেটাবেজ, সামরিক নেটওয়ার্ক বা অংশীদার দেশের সিস্টেমে সংযোগ স্থাপন করবে, তখন তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় নিরাপত্তা স্তর ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

নিরাপদ অবকাঠামো ছাড়া এআই ঝুঁকিপূর্ণ
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এভারফক্স জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য নিরাপদ নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে ওঠেছে। শুধু শক্তিশালী এআই মডেল তৈরি করলেই হবে না; বরং এর চারপাশে থাকতে হবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক এবং শক্তিশালী তথ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই বাড়ছে সাইবার হামলা, তথ্য চুরি ও নিরাপত্তা ভঙ্গের আশঙ্কা। এজন্য শুরু থেকেই নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পরে প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা যোগ করার চেষ্টা করলে তা কার্যকর নাও হতে পারে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতের সামরিক সক্ষমতা নির্ধারণে এআই গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে ওঠবে। দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ, শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই বড় সুবিধা দেবে। তবে নিরাপদ নেটওয়ার্ক ও সুরক্ষিত অবকাঠামো ছাড়া এই প্রযুক্তিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিরক্ষা খাতে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষাকে সমান গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

লেখক: ডেভ ওয়াজগ্রাস- চেয়ারম্যান এবং সিইও এভারফক্স (দ্য হ্যাকার নিউজ থেকে বাংলায় অনুবাদকৃত)

07/06/2026

বাজেট ২০২৬-২৭: ‘স্মার্ট ইকোনমি’ গড়তে ই-কমার্স খাতের ২৫ দফা দাবি

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মৃধা (সোহেল মৃধা): বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো ই-কমার্স বা অনলাইন ব্যবসা। বর্তমানে এই খাতের বার্ষিক বাজারের আকার প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা; যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৫ লক্ষাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান। সঠিক নীতিগত সহায়তা এবং কর কাঠামোর যৌক্তিকীকরণ নিশ্চিত করা গেলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত দেশের জিডিপিতে ৫ শতাংশের বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বজেট আলোচনায় দেশের ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসা খাতের অস্তিত্ব রক্ষা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং অবগতির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহলে একটি ২৫-দফা বিস্তারিত প্রস্তাবনা ও দাবি সনদ পেশ করা হয়েছে।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বিদ্যমান অর্থ আইন ও আয়কর আইনের কিছু জটিলতা এবং উচ্চ কর হারের কারণে আমাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষত নারী উদ্যোক্তারা বর্তমানে অস্তিত্ব রক্ষার চরম সংকটে পড়েছেন। জাতীয় স্বার্থে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘স্মার্ট ইকোনমি’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের কাছে পেশকৃত ২৫ দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা ও দাবি নিচে তুলে ধরা হলো…

০১. ই-কমার্সকে পুনরায় আইটিইএস ভুক্ত করা
অর্থ আইন ২০১৬ (৫৪-গ) সংশোধন করে ই-কমার্সকে পুনরায় আইটি এনাবল্ড সার্ভিসেস (আইটিইএস) ভুক্ত করতে হবে এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দিতে হবে। এটি করা হলে আগামী ৫ বছরে এই খাতে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

০২. ন্যূনতম কর যৌক্তিকীকরণ
আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১৬৩ অনুযায়ী লোকসানি প্রতিষ্ঠানের ওপরও ০.১ শতাংশ থেকে ০.৬ শতাংশ ন্যূনতম কর ধার্য রয়েছে। স্টার্টআপদের টিকে থাকার হার ৪০ শতাংশ বাড়াতে লাভ করার আগ পর্যন্ত এই কর ০.১ শতাংশে স্থির রাখতে হবে।

০৩. প্রচারণামূলক ব্যয় সীমা বৃদ্ধি
আয়কর আইনের ধারা ৫৫-ক অনুযায়ী বিজ্ঞাপনের ব্যয় সীমা টার্নওভারের মাত্র ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত বৈধ। ব্র্যান্ডিংয়ে বিনিয়োগ বাড়াতে এই সীমা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করতে হবে।

০৪. বাড়িওয়ালার রিটার্ন কপি জমার বাধ্যবাধকতা শিথিলকরণ
আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী ভাড়াটিয়াকে বাড়িওয়ালার রিটার্ন কপি সংগ্রহ করতে হয়, যা প্রায় অসম্ভব। প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে এই বাধ্যবাধকতা থেকে বিশেষ অব্যাহতি দিতে হবে।

০৫. অনলাইন রিটার্ন ও ট্রেড লাইসেন্স সহজীকরণ
ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য এনবিআর-এর এক পাতার সহজ রিটার্ন ফর্ম চালু করতে হবে। এ ছাড়া সারাদেশে ই-কমার্স ক্যাটাগরিতে অভিন্ন ও সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা ট্রেড লাইসেন্স ফি নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।

০৬. ডিজিটাল পেমেন্টে ভ্যাট রেয়াত
নগদ ও ডিজিটাল লেনদেনে ভ্যাট হার সমান হওয়ায় মানুষ ক্যাশলেস পেমেন্টে আগ্রহী হচ্ছে না। ডিজিটাল পেমেন্টে সরাসরি ৩ থেকে ৫ শতাংশ ভ্যাট রেয়াত বা ক্যাশব্যাক দিলে ক্যাশলেস লেনদেন ৩০ শতাংশ বাড়বে এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকি বছরে ২০০ কোটি টাকা কমবে।

০৭. গেটওয়ে চার্জ সমন্বয়
পেমেন্ট গেটওয়ের ১.৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ চার্জ উদ্যোক্তাদের মুনাফা কমিয়ে দিচ্ছে। এই চার্জে সরকার কর্তৃক ১.৫ শতাংশ সাবসিডি বা ইন্সেন্টিভ প্রদান করা উচিত, যা ব্ল্যাক মানি লেনদেন কমিয়ে অর্থনীতিকে ফরমাল করবে।

০৮. রিফান্ড অটোমেশন ও ব্যাংক চার্জ মওকুফ
পেমেন্ট রিফান্ড প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল কমার্সে এখনও জটিল। রিফান্ড প্রসেস সম্পূর্ণ অটোমেশন করতে হবে এবং রিফান্ড ব্যাংক চার্জ সম্পূর্ণ মওকুফ নিশ্চিত করতে হবে।

০৯. নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ কর সুবিধা
ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা করজালের জটিলতায় নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। বার্ষিক ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থাকা নারী উদ্যোক্তাদের সম্পূর্ণ করমুক্ত রাখা হোক। এতে ২ লক্ষাধিক নারী মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত হবেন।

১০. ডিবিআইডি-এর মাধ্যমে ফাইন্যান্সিং
ফেসবুক ভিত্তিক হাজারও উদ্যোক্তা ট্রেড লাইসেন্সের অভাবে লোন পাচ্ছেন না। ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন বা ডিবিআইডি থাকলেই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যাংক লোন ও আইনি স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

১১. জামানতবিহীন স্মার্ট লোন
ডিজিটাল লেনদেনের রেকর্ড দেখে ছোট, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের ৫-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করা হলে এই খাতে তাদের অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশ বাড়বে।

১২. স্মার্ট লজিস্টিকসে শুল্ক সুবিধা
লজিস্টিকস সর্টিং ও অটোমেশন যন্ত্রাংশ আমদানিতে উচ্চ শুল্ক বিদ্যমান। এই শুল্ক শূন্য করা হলে পণ্য ডেলিভারি খরচ ২০ শতাংশ কমবে।

১৩. ডেলিভারি চার্জে ভ্যাট প্রত্যাহার
ডেলিভারি চার্জের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাকে অনলাইন বিমুখ করছে। নিজস্ব ডেলিভারির ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ও ৩য় পক্ষের ক্ষেত্রে তা ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হোক।

১৪. অফিস ও গোডাউন ভাড়ার ভ্যাট মওকুফ
ই-কমার্স ও লজিস্টিকস হাবের জন্য ভাড়ার ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ মওকুফ করা হলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় ১০ শতাংশ কমবে।

১৫. ই-কমার্স জোন ও ভিলেজ
ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে এবং গ্রাম পর্যায়ে ডিজিটাল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে হাইটেক পার্কের মতো ‘ই-কমার্স ভিলেজ’ গঠন করা হোক।

১৬. জোগানদার ও মূসক অব্যাহতি
প্রজ্ঞাপন (এসআরও ২৪০-আইন/২০২১) দ্বারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যেও জোগানদার হিসেবে উৎসে ভ্যাট কাটা হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ রহিত করলে সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা আসবে ও পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল থাকবে।

১৭. রপ্তানিতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা
ই-কমার্স রপ্তানিতে সফটওয়্যারের মতো স্পষ্ট নগদ সহায়তা নেই। সরাসরি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা ও সহজ শুল্কায়ন দিলে ২০২৭ সালের মধ্যে ই-কমার্স রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো সম্ভব।

১৮. বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা
রপ্তানিমুখী ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য ‘বন্ডেড ওয়্যারহাউস’ সুবিধা দিলে হস্তশিল্প ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বহুগুণ বাড়বে।

১৯. ডাক বিভাগে বিশেষ ছাড়
আন্তর্জাতিক কুরিয়ার খরচ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অসহনীয়। ডাক বিভাগের মাধ্যমে পণ্য বিদেশে পাঠাতে চার্জে ৫০ শতাংশ বিশেষ সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হোক।

২০. আন্তর্জাতিক পেমেন্টে শিথিলতা
ক্ষুদ্র পেমেন্টে পাসপোর্ট কপির বাধ্যবাধকতা থাকায় বৈশ্বিক ক্রেতারা বিমুখ হচ্ছেন। ১,০০০ ডলার পর্যন্ত লেনদেনে পাসপোর্ট কপির বাধ্যবাধকতা রহিত করা হোক।

২১. এগ্রি-ই-কমার্স প্রণোদনা
এগ্রি-উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও কোল্ড চেইন সাবসিডি দিলে পচনশীল পণ্যের অপচয় ৩০ শতাংশ কমবে এবং কৃষক সরাসরি ন্যায্যমূল্য পাবে।

২২. পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিংয়ে ভ্যাট ছাড়
প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে পাটজাত বা পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং ব্যবহারে বিশেষ ভ্যাট ছাড় দিলে পাটের অভ্যন্তরীণ বাজার চাঙ্গা হবে।

২৩. অনলাইন বিজ্ঞাপনে ভ্যাট হ্রাস
দেশীয় প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট থাকায় বিজ্ঞাপনের ৭০ শতাংশ টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করলে ৫০০ কোটি টাকার ফরেক্স বা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

২৪. ডিজিটাল কমার্স রিস্ক ফান্ড ও সাইবার ইনস্যুরেন্স
সাইবার আক্রমণ বা ব্যবসায়িক বিপর্যয় থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বাঁচাতে বাজেটে একটি বিশেষ ‘রিস্ক ফান্ড’ গঠন করা হোক। পাশাপাশি সাশ্রয়ী ‘সাইবার রিস্ক ইনস্যুরেন্স’ চালু করা প্রয়োজন।

২৫. দক্ষ জনবল ও ইনোভেশন ফান্ড
কারিগরি ও উচ্চশিক্ষায় ‘ডিজিটাল কমার্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং নতুন আইডিয়া ও গবেষণার জন্য বাজেটে বিশেষ ‘ইনোভেশন ফান্ড’ গঠন করতে হবে।

উপরোক্ত ৩০-দফা দাবি কোনও একক বা ব্যক্তিগত সুবিধা পাওয়ার জন্য নয়; বরং এটি দেশের ৫ লক্ষ উদ্যোক্তা ও ২০ লক্ষ কর্মজীবীর বেঁচে থাকার এবং ডিজিটাল রুপান্তর বিনির্মাণের একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক রোডম্যাপ। এই প্রস্তাবনাসমূহ বাস্তবায়িত হলে ই-কমার্স খাত শুধু নিজের পায়েই দাঁড়াবে না, বরং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের জিডিপিতে ৫ শতাংশ-এর বেশি অবদান রেখে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ‘স্মার্ট ইকোনমি’ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে।

লেখক: মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মৃধা (সোহেল মৃধা)- ই-কমার্স বিশ্লেষক এবং ই-ক্যাব এর ফাউন্ডিং মেম্বার

04/06/2026

নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়

নতুন একটা স্মার্টফোন কেনার সময় আমাদের নজর সাধারণত ক্যামেরা, প্রসেসর, ডিসপ্লে আর ব্যাটারির ওপরেই থাকে। এই জিনিসগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে একটা ফোন আপনাকে কতটা আরাম দেবে তা কিন্তু শুধু এই কয়েকটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। অনেক সময় দেখা যায়, ফোনের সবচেয়ে কাজের ফিচারগুলো নিয়ে আমরা তেমন একটা আলোচনাই করি না।

মজার ব্যাপার হলো, এই ফিচারগুলোর বেশির ভাগই কিন্তু একদম নতুন কিছু নয়। এগুলো বিভিন্নভাবে অনেক বছর ধরেই ফোনে রয়েছে, অথচ অনেক ব্যবহারকারীই হয়তো জানেন না যে এগুলো প্রতিদিনের জীবনে কতটা কাজে আসতে পারে। যেমন ধরুন শরীর ভালো রাখার বা স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেয়ার ফিচারগুলোর কথা। আমরা সাধারণত ভাবি এই জিনিসগুলো শুধু ফিটনেস ব্যান্ড বা স্মার্টওয়াচেই থাকে। কিন্তু এখন এই সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে সরাসরি স্মার্টফোনেই চলে আসছে।

উদাহরণ হিসেবে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো এর কথাই ধরা যাক। এই ফোনে এখন বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং ফিচার থাকছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত সরাসরি ফোন থেকেই নিজের হার্ট রেট বা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণের মতো জরুরি তথ্যগুলো দেখে নিতে পারেন। ফোন কেনার সময় হয়তো কেউ এই ফিচারটি প্রথমে খোঁজেন না, কিন্তু অফিসের ব্যস্ত দিনগুলোতে বা ভ্রমণের সময় এটি দারুণ উপকারে আসে।

আরেকটা চমৎকার উদাহরণ হলো ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট করে তোলা। ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনে আছে অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স নামের একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিসপ্লে সিস্টেম। এর সুবিধা হলো, বারবার ফোন আনলক না করেই আপনি স্ক্রিনে জাস্ট আলোর সিগন্যাল, নোটিফিকেশন বা জরুরি আপডেটগুলো দেখে নিতে পারবেন। শুধু তাই নয়, এখানে নিজের পছন্দমতো অ্যানিমেশন বা ইন্টারঅ্যাক্টিভ পিক্সেল পেটসও সেট করে রাখা যায়। এই ফিচারগুলো প্রথম দেখায় কেবল সৌন্দর্যের জন্য মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো আসলে স্মার্টফোনকে আরও ব্যক্তিগত এবং সারাদিন ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক করে তোলে।

প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজকে সহজ করার জন্য এই ফোনে আরও কিছু সুবিধা দেয়া হয়েছে। যেমন এতে একটি ওয়ান-ট্যাপ বাটন আছে, যা আপনি নিজের পছন্দমতো সেট করে নিতে পারবেন। এই বাটনটিতে জাস্ট একটা চাপ দিয়েই আপনি সরাসরি সাইলেন্ট মোড চালু করা বা ফ্ল্যাশলাইট জ্বালানোর মতো কাজগুলো এক সেকেন্ডে করে ফেলতে পারবেন। এই ছোটখাটো ফিচারগুলো সময় বাঁচায় বলে খুব দ্রুতই আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি প্রযুক্তির পরিবর্তনের দিকে তাকালে আরেকটি চমৎকার উদাহরণ দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মনে একটা ধারণা ছিল যে, বড় ব্যাটারি মানেই ফোনটি দেখতে ভারী আর মোটা হবে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আধুনিক অগ্রগতির ফলে এখন এই ধারণা বদলে যাচ্ছে। যেমন ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মডেলে একটি শক্তিশালী ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারির সঙ্গে স্লিম মেটাল-ফ্রেম ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়ার জন্য ফোনের সুন্দর ও হালকা ডিজাইন বাদ দেওয়ার দিন এখন শেষ। যারা সারাদিন কাজের জন্য ফোনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করেন, তাদের কাছে এই সুবিধাটি অন্য যেকোনো বড় স্পেসিফিকেশনের মতোই জরুরি।

স্মার্টফোনের দুনিয়াটা যত উন্নত হচ্ছে, নতুন নতুন টেকনোলজিগুলো এখন আর কেবল প্রসেসরের ক্ষমতার সংখ্যার মধ্যে আটকে থাকছে না। অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স, বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং, শর্টকাট বাটন আর শক্তিশালী ব্যাটারির মতো ফিচারগুলো হয়তো নতুন কোনো ক্যামেরা সেন্সর বা চিপসেটের মতো হইচই তৈরি করে না, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে এগুলোই সবচেয়ে বড় স্বস্তি হয়ে দাঁড়ায়।

ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মূলত এই পরিবর্তনটিকেই তুলে ধরেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, যে ফিচারগুলোকে আজ আমরা হয়তো সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাচ্ছি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওগুলোই আমাদের সবচেয়ে প্রিয় আর দরকারি হয়ে ওঠছে।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


House # 9, Block # B, Avenue # 1, Section # 10, Mirpur/10
Dhaka
1216