Allegro It
Allegro IT is one of the promising software, web application, mobile application, graphic design, di
31/01/2026
মাত্র ৩০ দিনে ৭টি স্কিল শিখে ঘরে বসে আয় করুন ৩০০–৯০০ ডলার
“অনলাইনে আয় করতে চাই” — এই কথাটা ভাবলেই কি আপনার মাথায় হাজারটা প্রশ্ন ঘোরে?
কোথা থেকে শুরু করব?
কী শিখব?
আদৌ কি সম্ভব?
সোজা কথা বলি — সম্ভব। একদম সম্ভব।
আপনার কোনো ডিগ্রি লাগবে না
লাখ টাকার ল্যাপটপ লাগবে না
দরকার শুধু
👉 ৩০ দিন সময়
👉 ইন্টারনেট
👉 আর শিখতে চাওয়ার মানসিকতা
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এমন ৭টি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল, যেগুলো শিখতে এক মাসের বেশি লাগে না এবং যেগুলো ব্যবহার করে হাজারো ফ্রিল্যান্সার নিয়মিত আয় করছে। কোনো ভুয়া গল্প না।
চলুন, সরাসরি কাজে যাই 👇
১. Canva Design (সবচেয়ে সহজ স্টার্ট)
ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে সুন্দর পোস্ট দেখে মনে হয়— “ইশ! আমিও যদি পারতাম!”
সুসংবাদ: আপনিও পারবেন।
বানাতে পারবেন
• সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
• ইউটিউব থাম্বনেইল
• পোস্টার, CV, প্রেজেন্টেশন
আয় করবেন যেভাবে
১০টা স্যাম্পল বানান → Fiverr গিগ খুলুন → ছোট বিজনেসে মেসেজ দিন
শিখতে সময়: ১০–১৫ দিন
আয়: ৩০০–৬০০ ডলার/মাস
২. Copywriting (শব্দ দিয়েই টাকা)
কঠিন ইংরেজি না জানলেও চলবে।
Copywriting মানে মানুষকে ক্লিক, মেসেজ বা কিনতে আগ্রহী করা।
লিখতে পারবেন
• ক্যাপশন
• বিজ্ঞাপনের লেখা
• ওয়েবসাইট কনটেন্ট
• ইমেইল
শিখতে সময়: ৩০ দিন
আয়: ৩০০–৭০০ ডলার/মাস
৩. Video Editing (এই যুগের সোনার খনি)
রিলস, শর্টস, টিকটক — ভিডিও ছাড়া এখন কিছুই চলে না।
টুলস
• CapCut
• InShot
• DaVinci Resolve
টিপস: সিনেমা বানাতে হবে না, ফাস্ট ও ক্লিন এডিটই যথেষ্ট।
শিখতে সময়: ২০–৩০ দিন
আয়: ৪০০–৭০০ ডলার/মাস
৪. Social Media Management
বিজনেসগুলো জানে না কী পোস্ট করবে, কখন করবে।
এখানেই আপনার সুযোগ।
কাজ
• পোস্ট ডিজাইন
• ক্যাপশন
• পোস্ট প্ল্যান
• কমেন্ট রিপ্লাই
শিখতে সময়: ১৫–২০ দিন
আয়: ৩০০–৬০০ ডলার/মাস
৫. Notion Template (একবার বানান, বারবার বিক্রি)
Notion এখন প্রোডাক্টিভিটির রাজা
বানাতে পারেন
• হ্যাবিট ট্র্যাকার
• স্টাডি প্ল্যানার
• মানি ট্র্যাকার
শিখতে সময়: ১০–১৫ দিন
আয়: ৩০০–৭০০ ডলার/মাস
৬. Basic Web Design (কোডিং ভয় নয়)
ডেভেলপার হতে হবে না।
শুধু বেসিক জানলেই ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়।
শিখবেন
• HTML
• CSS
• Basic JavaScript
শিখতে সময়: ৩০ দিন
আয়: ৫০০–৯০০ ডলার/মাস
শুরু করবেন যেভাবে (Golden Roadmap)
✅ যেকোনো একটি স্কিল বেছে নিন
✅ ৩০ দিন সময় দিন (দিনে ১ ঘণ্টা)
✅ ৫টা স্যাম্পল দিয়ে পোর্টফোলিও বানান
✅ Fiverr / Upwork / LinkedIn প্রোফাইল খুলুন
✅ অন্তত ২০ জনকে ডাইরেক্ট মেসেজ দিন
শুরুর রেট কম হতে পারে —
$10 → $25 → $50 → $100
এভাবেই সবাই শুরু করে।
প্রথম ৩০০ ডলার আপনার ব্যাংক ব্যালান্সের চেয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বেশি বদলে দেবে।
আপনি বুঝবেন—
✔ আপনি শিখতে পারেন
✔ অনলাইনে আয় বাস্তব
✔ আপনি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন
বেশিরভাগ মানুষ “ঠিক সময়ের” অপেক্ষায় থাকে। সফল মানুষরা শুরু করে দেয়।
আজ থেকে ৩০ দিন পর—
আপনার হাতে থাকবে একটি নতুন স্কিল
অথবা আপনি আজকের জায়গাতেই থাকবেন
সিদ্ধান্ত আপনার।
সূত্র: Medium
22/04/2023
Wishing everyone happiness, prosperity, and health.
Eid Mubarak 🌙
03/04/2023
ডাক্তারদের বাজে হাতের লেখা ‘পড়ে দেবে’ গুগল
রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপশন লিখতে গিয়ে ডাক্তারদের একটি বড় অংশই ‘তাড়াহুড়ো’ করে ফেলেন। ফলে, তাদের লেখার পাঠোদ্ধার করা রোগীদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। কয়েক দশক ধরে চলা এই সমস্যাটি নিয়ে অনেক প্রযুক্তি কোম্পানি সমাধানের চেষ্টা করলেও, এতে প্রায় কোনো সফলতাই মেলেনি। এবার ওইসব ‘দুর্বোধ্য লেখা’ অনুবাদের চেষ্টায় নেমেছে গুগল।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিচারটির আত্মপ্রকাশ ঘটবে গুগল লেন্সে। এর মাধ্যমে প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলার পাশাপাশি ফটো লাইব্রেরি থেকেও ছবি আপলোডের সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারী। ছবিটি প্রসেস করার পর প্রেসক্রিপশনে উল্লেখ করা বিভিন্ন ঔষধের নাম শনাক্ত করবে অ্যাপটি। এর একটি নমুনাও দেখিয়েছেন এক গুগল নির্বাহী।
19/09/2022
হোয়াটসঅ্যাপে ৪ ধরনের ভুয়া মেসেজ এড়িয়ে চলবেন
মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন না এমন মানুষ এখন খুব কম দেখা যায়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মেসেজ-এর সাহায্যে পাঠানো হয়। তবে কথায় আছে, যেকোনো ভালো কিছুর একটি খারাপ দিক আছে। আর তাই জালিয়াতরা এখন সাধারণ মানুষকে ঠকাতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কিছু মেসেজ ছড়ানো হচ্ছে, যেগুলিকে বিশ্বাস করলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। আসুন এগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
১) চাকরি সম্পর্কিত মেসেজ
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের এখন অনেক ভুয়া কোম্পানি থেকে মেসেজ পাঠিয়ে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ভাল বেতনের লোভ দেখিয়ে এই মেসেজে একটি লিঙ্কে ক্লিক করতে এবং নিজের সম্পর্কে তথ্য দিতে বা একটি নম্বরে কল করতে বলা হয়। তারপর ছলে বলে কৌশলে ব্যবহারকারীর ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে তাকে ঠকানো হয়।
২) লাকি ড্র বা পুরস্কার জয়ের মেসেজ
এটি প্রতারকদের পুরানো কৌশলগুলির একটি, যেখানে ব্যবহারকারীদের প্রলুব্ধ করা হয় এবং ফাঁদে ফেলা হয়। এই ধরনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজগুলি কেবিসি জিও লাকি ড্র বা এই জাতীয় অন্যান্য নাম দিয়ে করা হয় এবং ব্যবহারকারীদের জানায় যে তারা নগদ পুরস্কার জিতেছে। ব্যবহারকারীদের এই পুরস্কার মূল্য পাওয়ার জন্য মেসেজের সাথে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করতে বলা হয় এবং সেখানে ক্লিক করার পর একটি ফর্ম সামনে আসে, যেখানে নিজের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পূরণ করতে বলা হয়। এরপর প্রসেসিংয়ের জন্য কিছু অর্থ দাবি করা হয়। আর তাদেরকে বিশ্বাস করে একবার টাকা দিলেই, আরও অর্থ দাবি করা হয়। এভাবেই চলে প্রতারণা।
৩) ওটিপি চাওয়া মেসেজ
কিছু হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী এমন মেসেজও পান যেখানে তাদের নম্বরে আসা ওটিপি চাওয়া হয়। ওই মেসেজে লেখা থাকে, ‘দুঃখিত আমি ভুল করে আপনার নম্বরে ওটিপি’সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজটি পাঠিয়ে দিয়েছি। আপনি কি আমাকে এই ওটিপি বলতে পারবেন? এটা স্পষ্ট যে প্রতারকরা ভুল করে কোনও ওটিপি পাঠায় না, তবে ওটিপির সাহায্যে তারা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকে লগইন করার চেষ্টা করতে পারে।
৪) একটি ভিডিও বা ছবিতে আপনাকে দেখার দাবি
অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, প্রতারকরা মেসেজের সাথে লিঙ্ক পাঠায় এবং ভয় দেখিয়ে লিঙ্কটিতে ক্লিক করার জন্য চেষ্টা করে। মেসেজে লেখা থাকে, ‘এই ভিডিওতে কি আপনাকে দেখা যাচ্ছে?’ বা ‘এটা কি আপনার ছবি?’ এটা স্পষ্ট যে, কৌতুহলবশত ব্যবহারকারী এই মেসেজের সঙ্গে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করেন এবং তাকে ম্যালিশিয়াস ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ব্যবহারকারীর ডিভাইস হ্যাক করার চেষ্টা করা হয়।
03/09/2022
ওয়াইফাই রাউটারের গতি বাড়ানোর ১০ উপায়
অনলাইনে কোনো কাজ করতে গিয়ে কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে ধীরগতির ইন্টারনেটের শিকার হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের নিত্যনৈমিত্তিক যত কাজ, তার সবই কোনো না কোনো সময় শ্লথগতির ইন্টারনেটের কবলে পড়েছে। হোক সেটি ইউটিউবের ছোট কোনো ভিডিও কিংবা স্কাইপে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কোনো সাক্ষাৎকার।
ইন্টারনেটের এ ধরনের আচরণের পেছনে বহুবিধ কারণ থাকতে পারে। তবে, অনেক সময়ই দেখা যায়, মূলত রাউটারের কারণে ইন্টারনেটের গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে। আজ তাই ওয়াইফাই রাউটারের গতি বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায় নিয়ে আলোচনা করা যাক।
১) রাউটারের অবস্থান
আপনি ঘরের ঠিক কোথায় রাউটারটি রাখছেন, সেটি চারপাশে কোন ধরনের বস্তুতে পরিবেষ্টিত, এসবই প্রভাব ফেলতে পারে আপনার ইন্টারনেটের গতিতে। পুরু দেয়াল, মেঝে বা আসবাবের ফাঁক গলে রাউটার নেটওয়ার্কের ছড়িয়ে পড়াটা কিন্তু মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়। এমনকি ব্লুটুথ স্পিকারের মতো তারবিহীন যন্ত্রের তরঙ্গও রাউটারের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
তাই সর্বোত্তম হলো, রাউটারটিকে প্রয়োজনীয় ডিভাইসের যতটা সম্ভব কাছাকাছি এবং উঁচুতে রাখা। মেঝে কিংবা বদ্ধ কোন জায়গায় রাউটারকে না রাখার ব্যাপারেই বিশেষজ্ঞদের মত।
২) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড পরিবর্তন
সহজ কথায় রাউটারের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড পরিবর্তনের অর্থ হলো, নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের জন্য অন্য একটি পথ ব্যবহার করা। আধুনিক রাউটারগুলোয় সাধারণত ২ ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড দেখা যায় ২.৪ এবং ৫ গিগাহার্টজ। প্রথমটিতে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বেশি হলেও এটি বেশ দূরের ডিভাইসেও ওয়াই-ফাই পৌঁছে দিতে সক্ষম। তবে, তাতে ইন্টারনেটের গতি অনেকটাই কমে আসে। দ্রুতগতির ইন্টারনেটের জন্য বিশেষজ্ঞরা ৫ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এতে আবার নেটওয়ার্কের পরিসর ছোট হয়ে আসে।
যদি রাউটারের অবস্থান ডিভাইসের কাছাকাছি হয়, তবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পেতে আপনি রাউটারটিকে ৫ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সিতে নিয়ে যেতে পারেন। তবে, অনেকেই দুটি ফ্রিকোয়েন্সি চালু রাখবার পরামর্শ দেন। কেন না, পুরনো অনেক ডিভাইস কেবল ২.৪ গিগাহার্টজেই কাজ করে। রাউটারের সেটিংস ম্যানুয়ালে সাধারণত এটির নির্দেশনা দেওয়া থাকে।
৩) অ্যান্টেনার অবস্থান
ইন্টারনেটের গতির ক্ষেত্রে রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থানও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টেনাগুলো সাধারণত উলম্বভাবে সবদিকে সমানভাবে নেটওয়ার্ক সরবরাহ করে। তাই আপনার ওয়াইফাই সিগনালকে যদি ওপরে কিংবা নিচে পৌঁছাতে হয়, তবে চেষ্টা করুন অ্যান্টেনাকে আনুভূমিকভাবে রাখার। আর যদি ওয়াইফাই কেবল একটি তলাতেই দরকার পড়ে, তবে অ্যান্টেনাকে উল্লম্বভাবে রাখুন।
এ ছাড়া, এখন শক্তিশালী অ্যান্টেনা আলাদা করেও কিনতে পাওয়া যায়৷ নেটওয়ার্কের মান বাড়াতে চাইলে সেটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪) ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার
যদি মনে হয় আপনার ওয়াইফাই রাউটার বাসাজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বজায় রাখতে পারছে না, তবে দ্বারস্থ হতে পারেন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার বা রিপিটারের।
ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার রাউটারের সিগন্যালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে নেটওয়ার্কের পরিসর বাড়ানোর জন্য সিগন্যালের পুনরাবৃত্তি ঘটায়।
রাউটারের বিভিন্ন দোকান বা অনলাইন থেকে এই যন্ত্রটি কেনা সম্ভব। মূল্য এক হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে।
৫) রনো তারবিহীন প্রোটোকল নিষ্ক্রিয় করা
802.11ax প্রোটোকলের ওয়াই-ফাই রাউটারগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুতগতির হয়। তবে পুরানো প্রোটোকল ব্যবহার করছে এমন ডিভাইস, যেমন 802.11b, রাউটারের সংযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো নেটওয়ার্ককে ধীর করে দেয়।
দ্রুততম থেকে ধীরতম ক্রম অনুসারে প্রোটোকলগুলি হল ax > ac > n > g > b
g ও b প্রোটোকলের কোনো ডিভাইসকে রাউটারের সঙ্গে যুক্ত না করাই ভালো। কোনো ডিভাইস কেনার আগে এগুলো যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেন প্রযুক্তিবিদেরা।
৬) রাউটারের হালনাগাদ
রাউটারকে নিয়মিত হালনাগাদ করাও ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির একটি উপায়। এই হালনাগাদের মধ্যে রয়েছে রাউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানিটির বাজারে আনা সবশেষ সফটওয়্যার এবং ফার্মওয়্যার ব্যবহার করা।
৭) নিয়মিত নেটওয়ার্কের নাম ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
খুব সহজেই অন্যের ব্যক্তিগত ভার্চুয়াল জগতে ঢুকে পড়া যাচ্ছে, এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে টেক-বিশেষজ্ঞদের মত হলো ঘন ঘন ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা। এতে একদিকে নেটওয়ার্কটি যেমন সুরক্ষিত থাকবে, অন্যদিকে অযাচিত কোন ডিভাইসের কারণে ইন্টারনেটের গতিও ধীর হবে না।
৮) ভিন্ন চ্যানেলের ব্যবহার
এমন বহু অ্যাপ রয়েছে যার সাহায্যে আপনি নিজ ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে কম ট্রাফিক সংবলিত চ্যানেলটি খুঁজে বের করতে পারেন। রাউটারের সেটিংসের সাহায্যে সেই চ্যানেলের সঙ্গে রাউটারের নেটওয়ার্ক যুক্ত করে এর গতি বহুলাংশে বাড়িয়ে তোলা সম্ভব।
কম প্রতিবন্ধকতার চ্যানেল খুঁজে বের করার এমন একটি অ্যাপ হলো WiFi Analyzer
৯) বাড়তি সংযোগ না দেওয়া
রাউটারের গতি বাড়াতে অদরকারি ডিভাইসগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যেতে পারে। অতিরিক্ত ডিভাইস নেটওয়ার্কের পথ বাধাগ্রস্ত করে। অযাচিতভাবে কেউ আপনার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে সেটিও খুঁজে বের করে বাদ দেওয়া সম্ভব।
১০) রিস্টার্ট এবং রিবুট
রাউটারের গতিবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এটি অত্যন্ত প্রচলিত একটি পন্থা। টেক বিশেষজ্ঞরাও একদম প্রাথমিক ট্রাবলশুটিংয়ের ধাপ হিসেবে রাউটার রিস্টার্ট এবং রিবুটকে বিবেচনা করেন।
তথ্যসূত্র: অ্যাভাস্ট, ওয়্যার্ড, ইন্টেল, মেক ইউজ অফ, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ডেইলি ষ্টার
10/07/2022
Wishing you the gift of faith, the blessings of hope, and the peace of love. May Allah accept your good deeds, forgive your transgressions and sins and ease the suffering of lives around the globe at Eid and always.
Happy and Healthy Eid Mubarak!
21/06/2022
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বিদায়
গত ১৫ জুন ২৭ বছরের যাত্রা শেষ হলে ৯০-এর দশকে ইন্টারনেট ব্যবহারের একমাত্র ভরসা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। ঘোষণা দিয়েই এক সময়কার জনপ্রিয় ব্রাউজারটিকে বিদায় জানিয়েছে মাইক্রোসফট। তবে ৯০-এর দশক কিংবা ২০০০ গোড়ার দিকে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন, তারা অনেকেই সেই ব্রাউজারকে ভুলতে পারবে না।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে ক্রোম বা অন্য গতিময় ব্রাউজার ডাউলোড করার জন্য অনেকেই ব্যবহার করছিলেন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। কারণ এক সময়ে অধিকাংশ কম্পিউটারে শুরু থেকে শুধু ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারই দেওয়া থাকত। তাই ব্যবহারকারীরাও ভাবতেন, অন্য ব্রাউজার পর্যন্ত পৌঁছানোর পথ এটিই।
১৯৯৫ সালে জন্ম এই ব্রাউজারটির। ২০০৩ সালে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছিল ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। সেই সময় বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত সব ইন্টারনেট ব্রাউজারের ৯৫ শতাংশ ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ধরে রেখেছিল। যদিও প্রতিযোগী কোম্পানিগুলো একের পর এক ব্রাউজার তৈরি করে বাজারে আনার কারণে ধীরে ধীরে এই আইকনিক ব্রাউজারের জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে।
২০১৬ সালেই এই ব্রাউজারের ফিচার ডেভেলপমেন্টের কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মাইক্রোসফট। সেসময় মাইক্রোসফট নিয়ে আসে তাদের নতুন ব্রাউজার এজ। এরপর থেকে নতুন ব্রাউজারের উপরে মনোনিবেশ শুরু করে মার্কিন সংস্থাটি। যে কারণে ধীরে ধীরে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের দিকে নজর আরও কমে যায় মাইক্রোসফটের।
09/05/2022
শিশুর ঘাড়ে ইন্টারনেটের অভিশাপ
উনিশ শতকের শিল্পবিপ্লবের কারণে মানুষ প্রযুক্তি উন্নয়নের ব্যাপারে তৎপর হয়ে উঠেছে। মানব মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবিত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি। তার মধ্যে অন্যতম হলো ইন্টারনেট আবিষ্কার। এসব নতুনত্বের কারণে বিশ্ব মানুষের হাতের মুঠোয়। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, মানুষের সর্বজনীন কল্যাণ সাধন করা।
অনলাইন যুগের কারণে আমাদের পড়াশোনাসহ সব ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিশুদের করোনার সময়ে অনলাইন পাঠদান করাটা ছিল উল্লেখযোগ্য অবদান। অনলাইন দুনিয়া শিশুদের কাছে আসলেই অন্যরকম এক জগৎ তৈরি করেছে। যেখানে তারা সারাটা দিন ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল, টিকটকের মতো সাইটগুলোয় ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। কেউ কিছু কিছু সাইটকে ভালো কাজে ব্যবহার করলেও অধিকাংশ শিশুর অনলাইন সাইটগুলোর খারাপ বিষয়গুলোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে যায়। অজান্তে বা না বুঝে সেগুলো ব্যবহারও করে তারা।
আমাদের দেশে দেখা যায় তরুণ-তরুণীরা রীতিমতো স্মার্টফোনে আসক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকে পর্নোগ্রাফির মতো সাইটগুলোয় বিচরণ করে থাকে। যার ফলস্বরূপ তাদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। তাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে দেখা যায়। নানা ধরনের অনৈতিক সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন তারা। অনেকে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। অল্পবয়সী শিশুরা সারাদিন কার্টুনের মতো কনটেন্ট দেখে দিন পার করে দেয়। যার প্রভাবে তাদের আচার-আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে যায়। ওই সব শিশুরা ঠিকমতো পড়াশোনা, খাবার, খেলাধুলা অর্থাৎ সময়ের কাজ সময়ে করে না। যার ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পড়াশোনাতেও ব্যাঘাত ঘটছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, যে বয়সে একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অর্জনে খেলাধুলা কিংবা শারীরিক কসরতে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল; সেই বয়সের একটি শিশু আজকাল স্মার্টফোন আসক্তিতে নিমগ্ন থাকে। আজকাল কোনো রেস্টুরেন্ট, দাওয়াতের জায়গা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত অবস্থাতেও শিশু-কিশোরদের স্মার্টফোন আসক্তি যেন পিছু ছাড়ে না। বিভিন্ন ভিডিও, কার্টুন কিংবা গেমসের মাধ্যমে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শান্ত রাখতে হয় অনেক অভিভাবক সন্তানদের হাতে নানা ধরনের গেজেট তুলে দিচ্ছে। অনেক অভিভাবকই নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে সন্তানকে নিজের চোখের সামনে রাখতে মুঠোফোন কিংবা ল্যাপটপ তুলে দিয়ে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। অনেকে কর্মস্থলে ব্যস্ততার দরুনও শিশুকে সময় দিতে না পেরে গেজেট কিনে দিচ্ছেন।
বর্তমান যুগে ব্যস্ততম জীবনযাপনের জন্য মা-বাবাদের আগের মতো শিশুদের সময় দেওয়া কিংবা দেখাশোনা করাটা বহুলাংশে কমে এসেছে। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে অনেকাংশে তাঁরা নির্ভার থাকতে চান। সাম্প্রতিক করোনার প্রেক্ষাপটেই আমরা দেখতে পাই, শিশু-কিশোরের হাতে স্মার্টফোনের দেখা মেলা ছিল ভার, আজ তার হাতে রয়েছে চকচকে নতুন একটি স্মার্টফোন।
স্মার্টফোন আসক্তি শিশুর ধৈর্য ও মনোযোগ কমিয়ে দেয়। এ কারণে শিশু ধীরে ধীরে অসহিষ্ণু, অসামাজিক ও উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে। তার সহজাত সামাজিক গুণাবলির বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেক সময় ধরে ফোন ব্যবহারের কারণে শিশুরা পর্যাপ্ত ঘুম থেকে বঞ্চিত হয়।
ছোট্টবেলা থেকেই শিশুর হাতে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বিভিন্ন গল্প বা উপন্যাসের বই তুলে দিন। শিশুদের মধ্যে বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস যেন গড়ে ওঠে তার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করুন। খেলার মাঠের প্রতি তাদের প্রবল উৎসাহ, সেটিকে আরও উৎসাহিত করুন। সন্তানকে অধিক সময় দেওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সংযোগ বাড়াতে হবে। এমনকি বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে করে মোবাইলে আসক্ত হওয়ার মতো সময় তার না থাকে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুদের খেলাধুলা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা মোবাইল বা অন্যান্য ইলেকট্রনিকস ডিভাইসের প্রতি আসক্ত হয়ে না পড়ে।
09/05/2022
গুগল ম্যাপসে যেভাবে দুটি জায়গার মধ্যে দূরত্ব জানা যায়
গুগল ম্যাপস থেকে গন্তব্যের পথনির্দেশ দেখে নেওয়ার সুযোগ তো আছেই, চাইলে দুটি জায়গার মধ্যকার দূরত্বও দেখে নেওয়া যায়। চাইলে দুটি শহরের মধ্যে সরল রেখায় দূরত্ব দেখতে পারেন। আবার এক স্থান থেকে রাজপথ ধরে আরেক জায়গায় গেলে কতটা পথ পাড়ি দিতে হবে, তা-ও দেখে নিতে পারবেন।
কম্পিউটার থেকে
ওয়েব ব্রাউজার থেকে গুগল ম্যাপস ওয়েবসাইটে যান।
যেখান থেকে দূরত্ব মাপা শুরু করতে চান, মানচিত্রের সেখানে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন।
'মেজার ডিসট্যান্স’ নির্বাচন করুন।
আপনি যদি কেবল দুটি অবস্থানের মধ্যে দূরত্ব জানতে চান, তবে মেজার ডিসট্যান্সে ক্লিক করার পর ক্লিক করতে হবে মানচিত্রের গন্তব্যের স্থানে। পর্দার নিচের দিকে মোট দূরত্ব মাইল ও কিলোমিটারে দেখাবে।
তবে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যেতে কতটা পথ পাড়ি দিতে হবে, তা জানতে চাইলে পথনির্দেশ ঠিক করে দিতে হবে। মনে করুন, আপনি কারওয়ান বাজার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের পথের দূরত্ব জানতে চান। সে ক্ষেত্রে প্রথমে মানচিত্রে কারওয়ান বাজারে রাইট ক্লিক করে ‘মেজার ডিসট্যান্স’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর যে পথ ধরে এগোতে চান, সে পথের বাঁকে বাঁকে মাউস পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে ‘পয়েন্ট’ নির্বাচন করে পথ দেখিয়ে দিতে হবে।
কোনো পয়েন্ট নির্বাচনে ভুল হলে সমস্যা নেই। যেটি বদলাতে চান, ড্র্যাগ করে সেটির স্থান বদলাতে পারেন। আর পয়েন্টের ওপর ক্লিক করলে সেটি মুছে যাবে। পথনির্দেশনা ঠিক করে দিলে আগের মতোই নিচের দিকে মোট দূরত্ব দেখাবে মাইল ও কিলোমিটারে।
কাজ হয়ে গেলে নিচের দিকে ক্লোজ নির্বাচন করে বন্ধ করতে পারবেন।
স্মার্টফোন থেকে
অ্যাপলের আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড-চালিত স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপস অ্যাপ খুলুন। মানচিত্রের যেখান থেকে দূরত্ব মাপতে চান, সেখানে টাচ ও হোল্ড করে থাকতে হবে। লাল পিন দেখাবে।
পর্দার নিচের দিকে দেখানো জায়গার নামে ট্যাপ করুন।
জায়গার পেজ এলে স্ক্রল করে নিচের দিকে থাকা ‘মেজার ডিসট্যান্স’ নির্বাচন করতে হবে।
এরপর যে পয়েন্ট নির্বাচন করতে চান, ম্যাপ সরিয়ে কালো বৃত্তটি সেখানে নিয়ে গিয়ে পর্দার নিচের দিক থেকে ‘অ্যাড’ ট্যাপ করুন। এভাবে পুরো রাস্তা দেখিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত মানচিত্রে পয়েন্ট যুক্ত করতে থাকুন।
সর্বশেষ যুক্ত করা পয়েন্টটি বাদ দিতে চাইলে ‘আনডু’ নির্বাচন করতে হবে। সব পয়েন্ট পরিষ্কার করতে চাইলে ওপরের ডান দিক থেকে ‘মোর’-এ ট্যাপ করে ‘ক্লিয়ার’ নির্বাচন করতে হবে।
যথারীতি পর্দার নিচের দিকে দূরত্ব দেখাবে।
09/05/2022
ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল
হঠাৎ করেই কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা হয় অনেকের। তবে চিন্তা নেই, ইন্টারনেট ছাড়াও জিমেইল ব্যবহার করা যায়। শুনতে অবাক লাগলেও ইন্টারনেট ছাড়া জিমেইলে পুরোনো ই–মেইল পড়ার পাশাপাশি নতুন ই–মেইলও পাঠানো যায়। তবে নতুন ই–মেইল সঙ্গে সঙ্গে প্রাপকের ঠিকানায় যাবে না। কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট–সংযোগ চালু হলেই অফলাইনে পাঠানো ই–মেইল নির্দিষ্ট ঠিকানায় চলে যাবে।
অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে প্রথমে https://mail. google. com/mail/u/0/ /offline ঠিকানায় প্রবেশ করতে হবে। এবার Enable offline mail অপশনের পাশে টিক চিহ্ন দিতে হবে। এখানে After logging out of my Google account–এর নিচে থাকা যেকোনো একটি অপশন নির্বাচন করতে হবে। Keep offline data on my computer নির্বাচন করলে জিমেইল থেকে লগআউট হলেও কম্পিউটারে তথ্য থেকে যাবে। আর যদি Remove offline data from my computer নির্বাচন করেন, তাহলে জিমেইল থেকে লগআউট হলেই অফলাইনে করা কাজের তথ্য মুছে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
House: 05, Road: 17, Block: E, Banani
Dhaka
1213