Sojeeb Legal Guide

Sojeeb Legal Guide

Share

আইন বিষয়ক যে কোন পরামর্শের জন্য-
তানভীর আহমেদ (সজীব)
এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
মোবাইল নং- ০১৭১৩ ৩০৫১৩৮।

03/04/2026

ডিভোর্সের বিষয়ে আমাদের কিছু তথ্য,
আমাদের সমাজে দুটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে-
ক) স্ত্রী কর্তৃক তালাক দিলে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে না,
খ) স্বামী স্ত্রী উভয়ে তালাকের কাগজে স্বাক্ষর না করলে তালাক হয় না ।

★স্ত্রী কর্তৃক তালাক দিলে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে নাঃ-
আমাদের সমাজের একটা বিশাল অংশ মনে করেন যদি স্ত্রী নিজে তালাক দেয় তাহলে স্বামীকে দেনমোহর দিতে হয় না।
এজন‍্য অনেক মামলায় দেখি স্ত্রীকে স্বামী অনেক টর্চার করে যেনো স্ত্রী নিজে স্বামীকে তালাক দিয়ে চলে যায় এবং স্বামীকে দেনমোহর দিতে না হয়।
অনেক মামলাতেই স্বামী বলেন- স‍্যার স্ত্রী নিজে সংসার করতে চায় না বা স্ত্রী নিজে তালাক দিয়েছে তাই সেতো কোনো দেনমোহর পাবেনা। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
সঠিক বিষয় হচ্ছে তালাকের সাথে দেনমোহরের কোন সম্পর্কই নাই। দেনমোহর হচ্ছে বিয়ের পূর্ব শর্ত। তালাক যেই দিক না কেনো স্ত্রী তার দেনমোহর পাবেন । স্বামী বিয়ে করেছে তাই সে স্ত্রীকে দেনমোহর দিবেন। উত্তম ছিল যদি বিয়ের আসরেই দেনমোহর পরিশোধ করে দিতো।
কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেনমোহর বকেয়া রাখা হয়।তাই অপরিশোধিত দেনমোহর স্ত্রীর নিকট স্বামীর একটি ঋণ যা সে পরিশোধ করতে বাধ্য।
বিয়ের পর যদি একদিনও সংসার না হয় কিংবা স্ত্রীর সাথে স্বামীর দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন না হয় তাহলে স্ত্রী তার দেনমোহরের অর্ধেক অংশ পাবে এবং যদি সংসার হয়ে থাকে তাহলে স্ত্রী ধার্যকৃত সম্পূর্ণ দেনমোহর পেতে হকদার।

★★ স্বামী স্ত্রী উভয়ে তালাকের কাগজে স্বাক্ষর না করলে তালাক হয় কিনাঃ-
অনেকেই মনে করেন স্বামী-স্ত্রী দুজন তালাকনামায় স্বাক্ষর না করলে তালাক হয়না অর্থাৎ একজনের স্বাক্ষরে তালাক হয় না।
অনেক মামলায় মেয়েকে বলতে শুনেছি স্যার ওতো একতরফা তালাক দিয়েছে তালাকের কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় নাই তাহলে তালাক হলো কিভাবে।
মূলত তালাক দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা হচ্ছে স্বামীর, স্বামী তালাক দেওয়ার ক্ষমতা স্ত্রীকে অর্পণ করলে স্ত্রীও তালাক দিতে পারে যা ‘তালাক ই তাওফীজ’ নামে পরিচিত । সেক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী একজন তালাক দিলেই হবে।
স্বামী একতরফাভাবে স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে আবার স্ত্রীও একতরফাভাবে তা স্বামীকে তালাক দিতে পারে।
তালাক কার্যকর হওয়ার জন‍্য স্বামী স্ত্রী দুজনের সম্মতি বা স্বাক্ষরের প্রয়োজন নাই।
৯৯% তালাক মূলত একতরফাভাবেই হয়ে থাকে।
১% এর মত তালাক উভয়ের সম্মতিতে হয়ে থাকে যেটাকে খোলা তালাক (mutual divorce) বলে।

((তালাক আল্লাহর কাছে অপছন্দের একটি কাজ))

01/04/2026

নতুন-পুরাতন সকল দলিল অনলাইনে খুঁজে বের করার উপায়।।

দলিল অনলাইনে বের করার প্রক্রিয়া:-
১️⃣ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করুন

দলিল তল্লাশি করার আগে নিচের তথ্যগুলো জেনে নিন। এগুলো দলিল খুঁজতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে:

· 📌 জমির দাগ নম্বর (CS, SA, RS, BS দাগ নিশ্চিত করুন)
· 📌 মৌজার নাম
· 📌 জেলা ও উপজেলার নাম
· 📌 সম্ভাব্য সাল (যে সালে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল)
· 📌 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম এবং তাদের পিতার নাম
· 📌 খতিয়ান নম্বর

২️⃣ অনলাইনে তথ্য অনুসন্ধান করুন

নিচের সরকারি ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে জমির তথ্য ও দলিল অনুসন্ধান করতে পারেন:

🌐 রেজিস্ট্রেশন অধিদপ্তর: registration . gov . bd
🌐 ভূমি মন্ত্রণালয়: land . gov . bd
🌐 ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর: dlrms . land . gov . bd

📱 অনলাইনে তথ্য অনুসন্ধানের নিয়ম:

1. ওয়েবসাইটে গিয়ে "রেকর্ড ম্যাপ" বা "ই-পর্চা" সেকশনে ক্লিক করুন।
2. বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজার নাম নির্বাচন করুন।
3. 📌 দাগ নম্বর বা খতিয়ান নম্বর দিয়ে সার্চ দিন।
4. খতিয়ান নম্বর, মালিকের নাম, জমির পরিমাণ, জমির ধরন ইত্যাদি তথ্য স্ক্রিনে দেখতে পাবেন।
5. অনেক ক্ষেত্রে দলিলের স্ক্যান কপি থাকলে সেটিও দেখা যাবে।

৩️⃣ দলিলের সত্যায়িত কপি (নকল) পাওয়ার নিয়ম

যদি অনলাইনে দলিলের পূর্ণাঙ্গ কপি না পান, তাহলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

📌 ধাপ ১: থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি)

· দলিল হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি করুন।
· জিডিতে দলিল নম্বর, সাল, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম ও জমির বিবরণ উল্লেখ করুন।
· 📄 জিডির কপি সংরক্ষণ করে রাখুন।

📌 ধাপ ২: তল্লাশি ও পরিদর্শনের আবেদন

· রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ৩৬ নং ফরমে তল্লাশি ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করুন।
· তল্লাশির মাধ্যমে রেজিস্ট্রি অফিসে আপনার কাঙ্ক্ষিত দলিল আছে কিনা নিশ্চিত হন।
· 💰 তল্লাশি ফি পরিশোধ করুন।

📌 ধাপ ৩: দলিলের নকলের জন্য আবেদন

· তল্লাশির পর দলিল পাওয়া গেলে ৩৭ নং ফরমে দলিলের নকলের জন্য আবেদন করুন।
· একটি আবেদনপত্রে শুধুমাত্র একটি দলিলের জন্য আবেদন করা যায়।

৪️⃣ কোথায় আবেদন করবেন

দলিলের বয়সের উপর নির্ভর করে কোথায় আবেদন করতে হবে:

দলিলের বয়স কোথায় আবেদন করবেন
🆕 ৫-৬ বছরের কম সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
📜 অনেক বছর পুরনো জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের জেলা রেকর্ড রুম

৫️⃣ ফি

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা অনুযায়ী, দলিলের নকল পেতে ফি পরিশোধ করতে হবে:

· 📝 বাংলায় লিখিত দলিলের জন্য: প্রতি ১০০ শব্দে ১০ টাকা
· 📝 ইংরেজিতে লিখিত দলিলের জন্য: প্রতি ১০০ শব্দে ১৫ টাকা

৬️⃣ বিকল্প পদ্ধতি

যদি দলিল নম্বর না জানেন, তাহলে নিচের তথ্যগুলো দিয়ে তল্লাশি করুন:

· 👤 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম
· 👤 দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম
· 📌 মৌজা ও দাগ নম্বর
· 📅 সম্ভাব্য সাল

এই তথ্যগুলো দিয়ে সূচিবহি (ইন্ডেক্স রেজিস্টার) তল্লাশি করে দলিল নম্বর বের করুন, তারপর নকলের জন্য আবেদন করুন।

⚠️ সতর্কতা

দলিল তল্লাশি ও নকল সংগ্রহের প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায়, একজন অভিজ্ঞ দলিল লেখক বা আইনজীবীর মাধ্যমে কাজটি করানো উত্তম। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সহায়তা নিন। 💼

আশা করি এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনি খুব সহজেই পুরাতন দলিলের সত্যায়িত কপি পেতে সক্ষম হবেন। 🏡📑

18/03/2026

নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল ২০০০ (শেষ সংশোধিত ২০২৫)
ধারা ১০ এর ৩ উপধারা এই বিষয় ভিত্তির উপরে কতদিন মামলা চলমান থাকে এবং বাদী ও সাক্ষী দীর্ঘ বছর ধরে কোর্ট এ উপস্থিত না হলে এর সমাধান কি?

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী (যে ট্রাইব্যুনালে এই মামলা চলে), মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার বিধান আছে। আপনার প্রশ্নের বিষয়টি সহজভাবে নিচে ব্যাখ্যা করছি।

১️⃣ মামলা কতদিন চলার কথা
এই আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী—
চার্জ গঠন (Charge Framing) হওয়ার পর থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার কথা।
অর্থাৎ আইনের উদ্দেশ্য হলো ৬ মাসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করা।

কিন্তু বাস্তবে বিভিন্ন কারণে (সাক্ষী না আসা, তারিখ নেওয়া, তদন্ত দেরি ইত্যাদি) অনেক মামলা বছরের পর বছর চলতে থাকে।

২️⃣ বাদী বা সাক্ষী দীর্ঘদিন কোর্টে না এলে কী হয়
যদি বাদী বা প্রসিকিউশনের সাক্ষীরা বারবার কোর্টে উপস্থিত না হয়, তখন আদালত কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে পারে—

(১) সমন / ওয়ারেন্ট
কোর্ট প্রথমে
সমন (Summon)
পরে বাধ্যতামূলক হাজিরার ওয়ারেন্ট
জারি করতে পারে।

(২) সাক্ষ্য বাতিল (Witness dropped)
অনেকবার না এলে আদালত বলতে পারে

➡️ “সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না” (Witness dropped)।

(৩) প্রসিকিউশন এভিডেন্স বন্ধ
যদি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী না আসে, আদালত

➡️ Prosecution evidence closed ঘোষণা করতে পারে।

(৪) আসামির খালাস (Acquittal)
যদি বাদী ও সাক্ষীরা প্রমাণ দিতে না আসে, তখন
➡️ সন্দেহের সুবিধায় আসামি খালাস পেতে পারে।

৩️⃣ যদি মামলা অনেক বছর ধরে ঝুলে থাকে।


✅সমাধান

যদি মামলাটি ৫-১০ বছর ধরে চলমান থাকে এবং বাদী বা সাক্ষী উপস্থিত না হয়, তখন আসামি পক্ষ থেকে কয়েকটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়—

1️⃣ High Court এ 561A (CrPC) এ মামলা quash করার আবেদন।

2️⃣ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন (Petition for early disposal)।

3️⃣ সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে prosecution evidence বন্ধ করার আবেদন।

4️⃣ Acquittal / Discharge আবেদন।

✅ সংক্ষেপে:

আইনে বিচার শেষ করার সময়: ১৮০ দিন
কিন্তু বাস্তবে সাক্ষী না আসলে মামলা অনেক বছর চলতে পারে।
দীর্ঘদিন বাদী/সাক্ষী না এলে আসামি পক্ষ evidence close বা খালাসের আবেদন করতে পারে।

15/03/2026

বাংলাদেশের ভুমি আইনে দলিল বড় নাকি রেকর্ড বড়?

জমির মালিকানা প্রমাণে আমাদের দেশে দলিল আর রেকর্ড (খতিয়ান/পর্চা) – দুটোই গুরুত্বপূর্ণ, তবে দুটির কাজ আলাদা।

১️⃣ দলিল (Deed)

দলিল হলো জমির আইনগত মালিকানা হস্তান্তরের মূল প্রমাণপত্র।

জমি কেনা-বেচা, দান, উত্তরাধিকার ইত্যাদি সবকিছু দলিলের মাধ্যমে হয়।

এটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি করতে হয় (Registration Act অনুসারে)।

দলিল ছাড়া মালিকানা প্রমাণ করা প্রায় অসম্ভব।

তবে শুধু দলিল থাকলেই হবে না—দলিলের ভিত্তিতে জমি আপনার নামে রেকর্ড/নামজারী করাতে হবে।

২️⃣ রেকর্ড / খতিয়ান (Record of Rights)

রেকর্ড হলো সরকারি জরিপে তৈরি মালিকানা ও দখলের তালিকা।

এটি দেখায়, বর্তমানে কে জমি ভোগ করছে এবং খাজনা/কর দিচ্ছে।

রেকর্ড আদালতে সহায়ক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তবে ভুল জরিপের কারণে রেকর্ডে ভুল নামও থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র রেকর্ড দিয়ে মালিকানা প্রমাণ করা যায় না।

⚖️ কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

দলিলই হলো মালিকানা প্রমাণের প্রধান কাগজ।

রেকর্ড হলো সহায়ক নথি, যা দখল ও ভোগদখল প্রমাণ করে।

আদালতে জমির মালিকানা প্রমাণ করতে হলে সাধারণত—
✅ দলিল + ✅ দখল + ✅ সঠিক রেকর্ড — এই তিনটি একসাথে লাগবে।

💡 সহজভাবে মনে রাখুন
দলিল = জমি কীভাবে পেলেন বা কিভাবে মালিক হলেন তার প্রমাণ,
রেকর্ড = সরকারী তালিকায় দখলকার হিসেবে জমি কার নামে আছে তার প্রমাণ।

জমি প্রকৃতপক্ষে আপনার তখনই, যখন—
দলিল আছে + দখল আছে + রেকর্ড আপনার নামে।

11/03/2026

কখন গ্রেফতার হয়ঃ

🇧🇩 বাংলাদেশের আইন রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত গ্রেফতার করে থাকে।

🔲 কখন গ্রেফতার করতে পারে-

➡️পুলিশের নিকট যদি কোন ব্যক্তির নামে আদালতে ওয়ারেন্ট থাকে তাহলে গ্রেফতার করতে পারে।

➡️তবে ওয়ারেন্ট ছাড়াও পুলিশ Cr.P.C আইনের 54 ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে যদি-
🔶️কোন ব্যক্তি জঘন্য অপরাধমূলক কাজ করেছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকে,
🔶️যে অপরাধে পুলিশ সরাসরি মামলা নিয়ে তদন্ত করতে পারে (যেমন- চুরি, ডাকাতি, মারামারি, খুন, ধর্ষণ) সেই ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করতে পারে।
✅সুতরাং আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা FIR হলে অথবা আপনার নামে আদালত হতে ওয়ারেন্ট ইস্যু হলে পুলিশ কর্তৃক অ্যারেস্ট এড়িয়ে চলুন এবং আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন দিন।
তানভীর আহমেদ (সজীব)
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
মোবাইল-০১৭১৩৩০৫১৩৮।

06/03/2026

অনেকেই খুব টেনশানে আছেন কারণ তারা জানে না বিদেশে থাকা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব কিনা???

#হ্যা সম্ভব!!!

বিদেশ থাকা অবস্থায় কোনো প্রকার পাওয়ার অব এ্যটর্নি ছাড়া মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশের আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলোঃ-

Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
ধারা ৭ এ এর বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে।

➡️ নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

★ ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

★ ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

★ ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

➡️ 📂 প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

★ ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

★ ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

➡️ যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
➡️ আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⚠️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

➡️ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

➡️ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

05/02/2026

Last working day of the week.

30/01/2026

সিরাজগঞ্জ যাচ্ছি।

29/01/2026

প্রচার না করে করা ভালো কাজই সবচেয়ে পবিত্র, কারণ সেখানে থাকে শুধু নিয়ত, কোনো স্বার্থ নয়।

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka