Simeen Hussain Rimi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Simeen Hussain Rimi, Politician, Dhaka.
24/07/2023
আমরা অসহায় মানুষের প্রতি আরও মানবিক হই, আরও সহানুভুতিশীল হই। এমন মানুষের অনেক কষ্ট, তাদের পাশে দাড়াই। যে শিশুটিকে বঙ্গতাজের জন্মদিনে হুইলচেয়ার টিতে বসালাম, কথা বলতে পারে না সে, চলতেও পারে না। কিন্তু হুইলচেয়ারে বসে তার মুখ জুড়ে হাসি। সে বুঝতে পেরেছে, এটি তার নিশ্চিন্ত নিরাপদ আশ্রয়। আল্লাহ আমাদের সহায়, আমরা ভালোর জন্য চেষ্টা করেই যাব।
24/07/2023
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদের ৯৮ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ২৪ জুলাই ২০২৩, সোমবার বিকেল ৫টায় সেমিনার হলে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি প্রচার করা হব। ফেসবুক পেজ এর লিংক:
https://www.facebook.com/liberationwarmuseum.official
তিনি ছিলেন এক টাকার প্রধানমন্ত্রী। একাত্তরে এক টাকা বেতন নেয়া মানুষটি পরিবারের সাথে না থেকে কলকাতা থিয়েটার রোডের অফিসের মেঝেতে ঘুমাতেন। এই ঐতিহাসিক বাড়িটি কা'র জানেন? বাঙালি ঋষি শ্রী অরবিন্দের পিতার। এখন তো মনে হয় দার্শনিকও ঋষি শ্রী অরবিন্দের বাড়িতে ছিলেন রাজনীতির ঋষি পুরুষ তাজউদ্দীন আহমদ।
এই যে অচল রাজনীতি, আদর্শহীনতা, রুচির দুর্ভিক্ষ এর অনেক কিছু নিজ থেকেই পালাতো। হতেই পারতো না এসব, যদি....
যদি আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের কাহিনী তুলে ধরতো।
যদি,, সৈয়দ নজরুল ইসলাম তাজউদ্দীন আহমদ, কামরুজ্জামান ও মনসুর আলীর কথা সে ভাবে বলা হতো।
যদি তাজউদ্দীন আহমদের একাত্তর ও অসাম্প্রদায়িকতা সরকারী দল বহন করতো।
কোনটাই করা হয় নি। বরং একপেশে সমাজ ও রাজনীতিতে তাজউদ্দীন এক অচেনা অজানা নিভৃতচারী। যাঁকে নতুন প্রজন্ম জানেই না। তাদের কেউ জানায় না।
মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এই মানুষটি বলতে গেলে একাই লড়াই করেছিলেন।
একাত্তরের শুরুতে পাকিস্তানিরা গোল টেবিল বৈঠক ও আলোচনার নামে সময় নষ্ট করছিলো।ভেতরে ভেতরে বাঙালি নিধনের ব্লু প্রিন্ট তখন রেডি। ইয়াহিয়ার সাথে বৈঠকে থাকতেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। ঝানু বদমেজাজি ও জমিদার পুত্র। ভুট্টো বলেছিলেন, শেখ মুজিবকে তাও বোঝানো যায়, কিন্তু সাদা হাফ হাতা শার্টের লোকটা কেন থাকে সাথে? Very difficult to convince him. স্বাধীনতা ও মুক্তি র প্রশ্নে এমন ছিলেন আপোসহীন যুক্তিবাদী ছিলেন তিনি। তাঁকে ঘায়েল করা সহজ ছিল না।
একাত্তরে ভারতেও মতভেদ ছিলো।একদল চাইতো না তাদের দেশ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। তখনকার বাজপেয়িরা চাইতেন সিকিমের মতোএর দখল নিক ভারত। এমন বাস্তবতায় একাত্তরের অক্টোবর মাসে ইন্দিরা গান্ধী ইউরোপ ও আমেরিকা ট্যুরে যাবার সময় ইঙ্গিত দিলেন, এবার এসপার বা ওসপার। দরকার হলে সামরিক এ্যকশানে যাবেন তাঁরা। ব্যস। অতি উৎসাহী আওয়ামী লীগাররা নেমে পড়লো প্রচারে। খন্দকার মোশতাক গংও চুপ থাকলো না। তারা চাইলো বিদেশ গিয়ে পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশানের ঘোষণা দিতে। সে সময় কঠিন হাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একা সামাল দিয়েছিলেন তিনি। এবং ইন্দিরা গান্ধী জানিয়ে দিয়েছিলেন, কারো সাথে কথা হবে না কেবল এই একটি মাত্র মানুষকেই তাঁরা জানাবেন, কি হচ্ছে বা এরপর কি হতে পারে।
কলকাতায় যখন নেতারা বিলাসও বিনোদনে ব্যস্ত তিনি তখন একটি রাতও স্ত্রী পরিবারের সাথে কাটান নি। সোহেল তাজ তখন শিশু। তার অসুস্থতার সময় আগে ছুটেছেন ক্যাম্পে। অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের দেখ ভাল করতে। বিনিময়ে তখনকার নেতাদের কেউ কেউ একরাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসেছিল তাঁকে হত্যা করবে বলে।
তিনি মৃত্যুকে পরোয়া করতেন না। তাই দল যখন তাঁকে একা করে দিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু অনেক দূরে, তখনও তিনি আদর্শ ও আনুগত্যের জন্য জান দিতে দেরী করেন নি। বরং জেলখানায় সহবন্দী কামরুজ্জামান সাহেব যখন গোলাগুলির শব্দে ভীত হতবিহ্বল তখন শান্ত কন্ঠে বলেছিলেন, যান অজু করে নামাজটা পড়ে আসেন। মৃত্যুর জন্য এমন শান্ত অপেক্ষা বাঙালির জীবনে বিরল।
বায়াত্তুরের ১১ জানুয়ারী তিনি বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের সংগ্রাম হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িকতার লড়াই। তাই পার্লামেন্টারি শাসনই ভালো। এবং তিনি সরে যাচ্ছেন তাঁর পদ থেকে।
বঙ্গবন্ধুকে জানাতে চেয়েছিলেন নয় মাসের অভিজ্ঞতা ও শত্রু মিত্রের আসল চেহারা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সময় হয় নি শোনার। তাঁর ঘরে বাইরে অগণন দর্শণার্থী আর নেতাদের ভীড়ে একসময় হারিয়ে গেলেন তাজউদ্দীন। সে কথা কোনদিন বলার সুযোগ পান নি । বলতে পারলে ও বঙ্গবন্ধু জানতে পারলে হয়তো দেশ ও সমাজের চেহারা হতো একেবারে অন্য ধরণের। কিন্তু মোশতাকেরা তা হতে দেয় নি। আজও দেয় না।
একাত্তর, মুক্তিযুদ্ধ ও তিনি একক, অভিন্ন।
ইতিহাসে মহাভারতের এই অর্জুনের নাম তাজউদ্দীন আহমেদ। যিনি বেঁচে থাকলে, যাঁকে চর্চা করলে ও যাঁর পথ অনুসরণ করলে দল সমৃদ্ধ হয় জাতি হয়ে উঠতে পারে মেধাবী।
সবকিছু একমুখী সমাজ ও দেশে তিনি উপেক্ষিত থাকবেন এটাই তো নিয়ম।
শুভ জন্মদিন,প্রিয় নেতা, বঙ্গবন্ধুর সারথী, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, যিনি বলতে পারেন,মুছে যাক আমার নাম তবু থাকুক বাংলাদেশ।
সত্যি কি তাঁর নাম মুছে গেছে? না হৃদয়ও ইতিহাসে জ্বলজ্বল করছে??
লিখেছেন আজয় দাসগুপ্ত। ফেসবুক থেকে পাওয়া।
23/07/2023
একটা মোটা ফ্রেমের চশমা আর বাংলাদেশ | কবিতাঃ রবীন আহসান | আবৃত্তিঃ নাজমুল আহসান একটা মোটা ফ্রেমের চশমা আর বাংলাদেশ!- রবীন আহসানতিনি খুব কম কথা বলা মানুষ! কিন্তু স্থির! চোখে একটা মোটা ফ্রেমের চশমা ...
23/07/2023
| SHAYAN - Tajuddin -(gaan) Shayaner gane gane Sroddhanjoli - Facebook Version - #জীবনমুখী Subscribe my channel: https://smarturl.it/followShayanAbout SHAYANFarzana Wahid, commonly known as Shayan by the people who app...
23/07/2023
https://ekattor.tv/news/article?article_id=48246
বই জীবনকে সুন্দর ও আলোকিত করে: এমপি রিমি জাতীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিমিন হোসেন রিমি বলেছেন, পৃথিবীকে অশুভ মানুষের দখল থেকে মুক...
23/07/2023
https://mzamin.com/news.php?news=65992
তাজউদ্দীন আহমদ, কেন তাকে মনে রাখবো... ১৯৭২ সালের আগস্ট মাসে ঢাকা সদর (উত্তর) মহকুমার এসডিও হিসেবে পোস্টিং পান শাহরিয়ার জেড ইকবাল। ঢাকা সদর (উত্তর) মহকুম.....
23/07/2023
স্মরণ ও বিস্মরণে তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঘটে যায় এক নৃশংস, পৈশাচিক ঘটনা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Dhaka