Sujan Supantha

Sujan Supantha

Share

Writer, Poet & Journalist

13/11/2025

সপ্তম ঋতু পেরিয়ে তোমাকে জানি। দেখি, কে যেন অচিন অন্ধকার থেকে চোখের ভেতর ফেলে যাচ্ছে বুকচেরা আলো। আলোর ভেতর দেখি ভোর, জবাকুঁড়ি; দেখি পিউকাঁহা মুখ। বলছে, গলে যাও। সমস্ত সুন্দরের চোখে জল হও; নদী হও। পেরিয়ে যাও। জলের ওপর আরও স্বচ্ছ জল হয়ে পেরিয়ে যাও আনমনা মন। আর চারপাশ করে রাখো বিভূতিভূষণ।

■ সপ্তম ঋতু পেরিয়ে উড়ছে ময়ূর ■
প্রথম আলোয় বিস্তারিত পড়ার লিংক প্রথম কমেন্টে

12/11/2025

❑ ডানাঅলা লেখা ও প্রথম আলোয় আস্থা

প্রথম আলোর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উৎসব চলছে। আর এ নিয়ে চাকরি না–হওয়ার সময় থেকে এ পর্যন্ত প্রথম আলোতে আমার বয়স ১৭ বছর। তরুণ হতে এখনো কিছুটা বাকি। এই দৃশ্য দেখে বুকের আড়াল থেকে মুচকি হাসছে হাফপ্যান্ট–হাফশার্ট আর খালি পা–এর সেই কিশোর শাকঅলা। সে আমার বুকের ভেতর লুকিয়ে থাকে। জানিয়েছে—স্মৃতি রেখে মুছে গেছে তার গাল বেয়ে নেমে যাওয়া চোখের জলের দাগ। উড়িয়ে দিয়েছে দেশলাই বাক্সে ধরে রাখা সব জোনাকির আলো। এই আনন্দে সহপাঠী এক কিশোরী সাইকেলের পেছনে বসিয়ে তাকে আজ নিয়ে যাবে পুল পেরিয়ে মরমহাওয়ার দিকে…

■ বিস্তারিত পড়ার লিংক প্রথম কমেন্টে

Photos from Sujan Supantha's post 26/08/2025

কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের চিঠি, স্মারক আর এই ছবি একটা সকালকে অসম্ভব সুন্দর করে দিল। ভালোবাসা জানবেন আনিস ভাই ❤️❤️❤️

19/06/2025

প্রিয় শহর ও ঘর কেউ ছেড়ে আসা মানে প্রিয়বালার মতো খানিকটা নাম পড়ে থাকল পাঠশালায়, খানিকটা নাম ভেসে গেছে কান্নায়, খানিকটা সীমান্তের পথে, খানিকটা নাম জুড়ে আছে টবে সাজানো গাছের পাতায়, আর দেশছাড়া মানুষের খানিকটা নাম লিখে দিতে হবে ইমিগ্রেশন খাতায়।

❑ বিস্তারিত পড়ার লিংক প্রথম মন্তব্যে...

25/02/2025

'এইরূপে প্রেম ফোটে' বই নিয়ে নেলসনের প্রতিক্রিয়া

❑ দমচাপা রোদে বসে কবি কী দেখেন
@ নেলসন

একটা রোদের ফালি হয়তো আলগোছে ঢুকে পড়ছে জানালা ডিঙিয়ে। একটা কোনো কয়েন অহেতুকই বাঁই বাঁই করে ঘুরছে তার সমস্ত শক্তি দিয়ে। আর এক ফালি রোদকে ঠিকরে ছড়িয়ে দিচ্ছে আনাচ–কানাচ। কিংবা একটা কোনো হাঁপরের গল্পই হতে পারে এটা, যে দম ছাড়লেই গনগনে লালের দেখা মেলে অন্ধ কয়লার চোখে।
মানুষও তো এমনই। এমনই তার স্বভাব। কেউ আলো ফেরিওয়ালা হয়, কেউ–বা আগুনের। অথবা সবাই সবটা। শুধু ক্ষণের অপেক্ষা। সেখানে দেশ ও দ্বেষ কখনো কখনো মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়—‘অথচ দমচাপা রোদে থইথই আলোর বদলে ঢুকে গেল দিশাহীন দ্বেষের সুর।’ প্রশ্ন জাগে—রোদও তবে দমচাপা হতে পারে! অভিজ্ঞতা বলে হয়। এমনকি বৃষ্টিও হতে পারে। এমনকি শীতও। সুজন সুপান্থ কবিতা লেখেন। গদ্য ধাঁচ হোক, কিংবা কবিতার ছোট ছোট পঙ্ক্তিবিন্যাশ, তিনি কবিতাই উপহার দেন আমাদের।
বইটির নামে চোখ আটকে কিছুক্ষণ বসে থাকতে হয়। ‘এইরূপে প্রেম ফোটে’। কত বিচিত্র ভাবনা আসে। ফুলের মতোই তো হবে নাকি? যদিও মাথায় জমাট দৃশ্য এবং প্রচল ভাষ্যগুলো বলে যায়—ফোটার ধর্ম তো বোমারও আছে। কী জানি! প্রমিত–অপ্রমিত মিলে–মিশে একাকার হয়ে যায় এই এক নামের সীথানে দাঁড়িয়ে।
মিছিলেও প্রেমের দেখা তো মেলে। এই কিছুদিন আগের ওলট পালট করা অতিদীর্ঘ দিবসগুলো জানিয়ে গিয়েছিল—প্রেমের বিনাশী বিন্যাস। অথচ, মানুষ আত্মমগ্ন। আর রাষ্ট্র শেষতক সেই ব্যক্তির একার ধ্যানের দরজায় কড়া নেড়ে যায়, করে তাণ্ডবনৃত্যও। অথচ মানুষ ধ্যানও ভাঙে।
সুজন সুপান্থ মানুষের একেবারে ভিতর উঠোনের পা রাখতে ভালোবাসেন। একটা হাহাকার জমাট হয়ে থাকে তার শব্দের ভাঁজে ভাঁজে। গৃহবাসী মানুষের বুকে চেপে থাকা পাথর, তার মনের গহীনে উড়বার অপেক্ষায় থাকা পাখিটি কিংবা তার প্রায় ঝরে যাওয়া পালকটি তার কবিতার উপকরণ।
ঘরে ঘুরে তিনি ঢুকে পড়েন সেই শৈশব ও তার আলপথ ধরে ম্যাজিশিয়ানের তাঁবুতে। সেখানে থাকে ক্ষুধা নিবারণী অনুপান। সেখানে চাওয়া ও পাওয়ার মাঝখানে মৃদু কিন্তু অবাক চোখের সেতুবন্ধ আমাদের নজরে আসে। আমরা তার সাথে সাথে সেই সব ভেতর বাড়িতে ঘুরে আসি।
নিখোঁজ মানুষের, রাষ্ট্রীয় মারণাস্ত্রে শুধু সংখ্যা বনে যাওয়া মানুষের খাতা থেকে তিনি টুকে রাখেন দিনলিপির মতো এক একটা চরিত্র। এক একটা দৃশ্য। যেন এই মানুষেরা মানুষ নয় আর। সুজন সুপান্থ লিখছেন—‘তবু এইসব মানুষের মুখ হারিয়ে যাওয়া দেশের মাতৃধারার গল্প শোনায়।’
আমরা সেই মাতৃধারার গল্পের পূর্ণ বৃত্তটি সম্পন্নের আকাঙ্ক্ষায় বসে থাকি। না, সে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয় না। থমকে যায়। এ এক অনিঃশেষ উপক্রমণিকা যেন। অনেকটা হেঁয়ালির মতো। কবি সেই হেঁয়ালির কোনো সামাধান দিতে রাজি নন। ফলে আমাদের অপেক্ষা ফুরোয় না। যেমনটা এই দেশে, এই জনপদে। একটা নিপাট, ঝঞ্ঝাটহীন, ক্ষুধা ও পীড়নহীন যাপনের হদিস কখনো মেলে না। আশা জাগে। মিলিয়ে যায় আবার। ফের মানুষ আশার খোঁজে নামে। এ যেন এক পৌনপুনিক বাস্তবতার ঘানি। বিজয় আসে, কিন্তু মুক্তি? নৈব নৈব চ। বিজয়ের সাথে সাথে আসে বিজয়ের ব্যাপারীরাও। সুজন সুপান্থ এই অপ্রতিহত বাস্তবতার কথাই বলে যান।

☘️🍀☘️🍀
এইরূপে প্রেম ফোটে
স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন ( Swapno71 Prokashon, Dhaka )
স্টল নম্বর: ৭৫৩

20/02/2025

‘এইরূপে প্রেম ফোটে’ নিয়ে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক।

📮এইরূপে প্রেম ফোটে

স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন
বইমেলায় স্টল নম্বর: ৭৫৩

14/02/2025

এইরূপে প্রেম ফোটে

‘এই নির্জীব সময়ের বুকে তুমি এনে দাও প্রেমের স্পন্দ; চাই একবার শুধু একবার, হোক সব্বার চোখ এই প্রেমে অন্ধ।’

কী রূপে ফোটে তবে এই প্রেম?—উড়ে চলা এই রহস্যের উত্তরীয় জড়িয়ে দেখুন, কীভাবে প্রেমিক-প্রেমিকার হাত ধরে নিশ্চিন্তে পেরিয়ে যাচ্ছেন বড় রাস্তার জেব্রাক্রসিং…

এই বসন্ত ও প্রেমের দিনে প্রিয়জনকে বই উপহার দিন। প্রেমের বই উপহার দিন। ‘এইরূপে প্রেম ফোটে’ উপহার দিন।

❑ এইরূপে প্রেম ফোটে
স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন
বইমেলায় স্টল নম্বর—৭৫৩।

শুভ বসন্ত 💐
হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ❤

বইমেলায় সুজন সুপান্থ’র ‘এইরূপে প্রেম ফোটে’ 11/02/2025

‘এইরূপে প্রেম ফোটে’

স্বপ্ন’৭১ প্রকাশন
স্টল নম্বর: ৭৫৩

বইমেলায় সুজন সুপান্থ’র ‘এইরূপে প্রেম ফোটে’ উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ১২:২৫ এবারের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ পেয়েছে সুজন সুপান্থ’র কব.....

02/02/2025

যে রূপেই আসো তুমি প্রেম, এসো ফোটো; চোখ খালি করে খুলে রেখেছি বৃক্ষদুয়ার, তুমি বিস্তারিত হও, ফুটে থাকো কুসুমের মতো পাশে।।


কবিতার বই ‘এইরূপে প্রেম ফোটে’ আসছে বইমেলায়। প্রকাশের দায়িত্ব নিয়েছে স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন। প্রচ্ছদ করেছেন মাহফুজ রহমান। তো দেখা যাক, কী রূপে ফোটে প্রেম! সেই অপেক্ষায়...

#এইরূপে_প্রেম_ফোটে
প্রচ্ছদ: Mahhfuz Rahmaan
প্রকাশক: Swapno71 Prokashon, Dhaka
স্টল নম্বর: ৭৫৩

Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka