Superb Software

Superb Software

Share

Superb Software provides Web Design, Graphic Design,
Online Training, IT Consultancy, Software design and development etc.

07/05/2020

Need a data collector
Role: Data Collection / Data entry
Core skills: Good research skills, experience with Google Docs (or Excel)
Level: Entry level
Full-time / freelance / Internships (UK based) roles

Superb Software 17/04/2020

ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার উপায়
Visit our Website (click)-> https://sites.google.com/view/superb-software
You can join Online ( voice / video call ) Classes for Training Courses-
Freelancing
Graphic Design
MS Office
Web Design
Windows 7/8/10/Vista etc.
Programming in C, C++, Java
Linux
ICT Consultancy
SQL
Networking.
C #
Search Engine Optimization etc.
Call / WhatsApp / sms - 01792131972

ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে চান অনেকে। কিন্তু কোন কাজ করবেন তা বুঝতে পারেন না। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে- আপনি যে কাজটা ভালো পারেন সেটি খুব ভালো করে শিখে নিন। কারণ ক্লায়েন্ট বা যে কাজ দেবে সে আপনাকে ওই দক্ষতার সঙ্গে কাজটি করে দিলে তারপর টাকা দেবে। অনলাইনে কাজের সুবিধা হচ্ছে আপনাকে বাধা ধরা অফিসের নিয়ম মানতে হবে না। তো কোন কাজগুলো করে আয় করতে পারেন-

ফ্রিল্যান্সিং
অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেন। কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয় যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। এসব সাইটের মধ্য ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আনা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে মানুষের কেনাকাটার জন্য এখন আর বাইরে বের হওয়ার প্রয়োজন নেই। বাসা বা অফিসে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ই কমার্স সাইট থেকে কেনাকাটা করতে পারেন। অনলাইনে অর্ডারকৃত পণ্য ক্রেতার হাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছে দেয় ইকমার্স প্রতিষ্ঠান। ই কমার্স সাইটগুলো তাদের পণ্যের প্রসারের উদ্দেশ্যে অ্যাফিলিয়েট সুবিধা দিয়ে থাকে। আর মার্কেটাররা এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে নিজেরা মার্কেটিং করে আয় করে। এটাই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। সহজে বলা যায়, আপনি অনলাইনে কোনো পণ্য বিক্রি করতে চাইলে সে প্রতিষ্ঠান আপনাকে তাদের পণ্যের একটা লিংক দিবে। আপনার দেয়া লিংকের মাধ্যমে কোন গ্রাহক যদি তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকে এবং পণ্য ক্রয় করে, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠান আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দেবে। এই কমিশনের মাধ্যমে অর্থ আয় করার মাধ্যকেই বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

ডাটা এন্ট্রি
ডাটা এন্ট্রির কাজ করে অনেক তরুন এবং যুবক তাদের ভাগ্য বদলে ফেলেছে। অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছে, অনেকে তার চাইতেও বেশিকিছু অর্জন করেছে।অনেক চাকুরীজীবি চাকুরীর পাশাপাশি ডাটা এন্ট্রির কাজ করে অতিরিক্ত উপার্যন করছে। অনেকে ডাটাএন্ট্রি জগতে যথেষ্ট পরিচিতি পাওয়ায় ও দক্ষতা অর্জন করায় পার্টটাইম কাজ করে মাসে যখন লক্ষাধিক টাকা উপার্যন করছে।

গ্রাফিকস ডিজাইন
যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক্সের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হল-
১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন ৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকোন ডিজাইন ১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।

ইউটিউব
যাঁরা ব্লগ লিখে আয় করতে স্বচ্ছন্দ নন তারা ক্যামেরার সাহায্য নিয়ে ভিডিও থেকে আয় করতে পারেন। এ জন্য অবশ্য সৃজনশীল আর ভালো সম্পাদনা জানতে হবে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি সে বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। বিষয়টি অনেকটাই ব্লগের মতো। তবে, এ ক্ষেত্রে কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে।

অনুবাদ
ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সে দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজ দাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদ কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন।

ওয়েব ডিজাইন
এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ীরা প্রযুক্তিপ্রেমী নয়। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটির গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা ও হালনাগাদের জন্যও ওয়েব ডিজাইনারকে দরকার পড়ে। ফলে ডিজাইনারকে বসে থাকতে হয় না। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে।

কনটেন্ট রাইটিং
যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন তাদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

ভারচুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
ভারচুয়াল সহকারীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। ঘণ্টাপ্রতি আয়ও বেশি। বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এখন। ভারচুয়াল অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেও চালানো যায়। বিভিন্ন দক্ষতার ভিত্তিতে ভারচুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফোন কল, ইমেইল যোগাযোগ, ইন্টারনাল রিসার্চ, ডাটা এন্ট্রি, এডিটিং, রাইটিং, ব্লগ, গ্রাফিকস, টেক সাপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার মতো কাজ থাকে।

নিজের ব্লগ
অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে স্বচ্ছ আর কার্যকরী উপায় হচ্ছে নিজের ব্লগ তৈরি। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়।

অনলাইন টিউটর
কোনো বিষয়ে যদি আপনার পারদর্শিতা থাকে তবে অনলাইনে সে বিষয়ে শিক্ষা দিতে পারেন। অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। একবার নির্বাচিত হলে গেলে ওয়েবিনার পরিচালক হিসেবে অনলাইন শেসন পরিচালনা করতে পারেন। দক্ষতা বাড়লে এ ক্ষেত্র থেকে অনেক আয় করার সুযোগ আছে।
Juwel, B.Sc in CSE, M.Sc in CSE
Programmer, Ministry of PT&IT
Agargaon, Dhaka-1207.

Superb Software ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার উপায় Registration Online Training Courses Contact us About us

10/07/2019
Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Agargaon
Dhaka