Advocate Mehedi Hasan Raju

Advocate Mehedi Hasan Raju

Share

একবার সফল হয়ে দেখো,
সবাই তোমার ব্যর্থতার গল্প ভুলে যাবে।

14/06/2026

আয়কর রিটার্ন সময় মত দাখিল করুন।
যে কোন বিষয়ে সহায়তার প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

এডভোকেট,
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

Photos from Advocate Mehedi Hasan Raju's post 09/06/2026

"যদি আমরা আইনকে সম্মান করতে চাই, তবে প্রথমে আইনকে সম্মানজনক হতে হবে।"

এডভোকেট ,
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

Photos from Advocate Mehedi Hasan Raju's post 07/06/2026

ঈদের পর আবারো কর্মস্থলে..!!

এডভোকেট,
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

05/06/2026

🇧🇩অর্পিত সম্পত্তি বা "শত্রু সম্পত্তি" (Enemy Property) প্রত্যর্পণ আইনের অধীনে নিজের পৈতৃক জায়গা কিভাবে সরকারের কাছ থেকে অবমুক্ত করতে হয়? চলুন জেনে নিই।
=================================

🇧🇩বাংলাদেশ বা ভারতীয় উপমহাদেশে অর্পিত সম্পত্তি বা **"শত্রু সম্পত্তি" (Enemy Property)** সংক্রান্ত আইন ও তার অধীনে পৈতৃক জমি অবমুক্ত করার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা ও আইনি ধাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বাংলাদেশে মূলত **"অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১"** (এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালের সংশোধনী) এর অধীনে এই অবমুক্তির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

🇧🇩সরকারের কাছ থেকে অর্পিত সম্পত্তি (যা তালিকাভুক্ত) অবমুক্ত করে নিজের পৈতৃক জায়গায় মালিকানা ফিরে পাওয়ার আইনি প্রক্রিয়াটি নিচে ধারাবাহিক ধাপ অনুযায়ী আলোচনা করা হলো

🇧🇩 ১. সম্পত্তির তালিকা যাচাইকরণ (ক বা খ তফসিল)
প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে আপনার পৈতৃক সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তির কোন তালিকায় রয়েছে। আইন অনুযায়ী এই সম্পত্তিকে দুটি তফসিলে ভাগ করা হয়েছিল:

🇧🇩'ক' তফসিল:** যে সম্পত্তিগুলো সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে বা ডিসি (Deputy Commissioner) অফিসের অধীনে রয়েছে।

🇧🇩'খ' তফসিল:** যে সম্পত্তিগুলো সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেই, কিন্তু গেজেটে ভুলবশত অর্পিত হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিল। *(উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের সংশোধনী আইন অনুযায়ী 'খ' তফসিলভুক্ত সম্পত্তিগুলো পাইকারি হারে অবমুক্ত করা হয়েছে। ফলে এগুলো এখন আর অর্পিত সম্পত্তি নয়, সাধারণ জমি হিসেবেই গণ্য হবে এবং প্রচলিত ভূমি অফিসে নামজারি করা যাবে)*।

🇧🇩গুরুত্বপূর্ণ:** যদি আপনার জমিটি **'ক' তফসিলভুক্ত** হয়ে থাকে, তবেই কেবল আপনাকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা করে এটি অবমুক্ত করতে হবে।

🇧🇩 ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ
আবেদন বা মামলা করার জন্য আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে সম্পত্তিটি প্রকৃতপক্ষে আপনার পূর্বপুরুষদের এবং এটি ভুলবশত বা বেআইনিভাবে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রধান দলিলগুলো হলো:

🇧🇩* মূল মালিকের (দাদা/বাবা) মালিকানা দলিল (C.S, S.A, R.S খতিয়ান বা বায়া দলিল)।

🇧🇩 * মূল মালিকের ওয়ারিশান সনদ (উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট), যা প্রমাণ করবে আপনিই এই জায়গার বৈধ অংশীদার।

🇧🇩 * মূল মালিকের বাংলাদেশ ত্যাগের সময়কাল বা তিনি যে এদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন এবং এদেশেই মারা গেছেন তার প্রমাণ (যেমন: মৃত্যু সনদ, ভোটার তালিকা ইত্যাদি)।

🇧🇩* সম্পত্তিটি যে গেজেটের মাধ্যমে 'ক' তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সেই গেজেটের কপি।

🇧🇩 ৩. অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের
যদি সম্পত্তি 'ক' তফসিলভুক্ত হয়, তবে জেলা পর্যায়ে গঠিত **"অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালে"** (যা সাধারণত যুগ্ম জেলা জজ আদালত) নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন বা আরজি দাখিল করতে হবে।

👉 1. আরজি বা মামলা দাখিল
আইনজীবীর মাধ্যমে
প্রয়োজনীয় সব দলিল ও প্রমাণের সারসংক্ষেপ দিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা (Suit) দায়ের করতে হবে। সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক (DC) এখানে বিবাদী হবেন।

👉2. সাক্ষ্য ও শুনানি
আদালতের কার্যক্রম
আদালতে আপনার দাখিল করা দলিলের সত্যতা যাচাই করা হবে। আপনাকে বা আপনার আইনজীবীকে প্রমাণ করতে হবে যে ১৯৬৫ বা ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন সময়ে মূল মালিক দেশ ত্যাগ করেননি অথবা সম্পত্তিটি শত্রু সম্পত্তি ঘোষণার আইনি শর্ত পূরণ করে না।

👉3. রায় ও ডিক্রি লাভ
চূড়ান্ত আদেশ
আদালত আপনার সমস্ত প্রমাণে সন্তুষ্ট হলে সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বা অবমুক্ত করার পক্ষে রায় ও ডিক্রি (Decree) প্রদান করবেন।

👉৪. রায়ের পর করণীয় ও নামজারি (Mutation)
আদালত থেকে আপনার পক্ষে ডিক্রি বা আদেশ জারির পর কাজ শেষ হয়ে যায় না। জমিটি সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে নিচের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হয়:

👉আপিল পিরিয়ড যাচাই:** ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষ সাধারণত **"অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপিল ট্রাইব্যুনালে"** আপিল করতে পারে। সরকার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল না করলে বা আপিলেও আপনি জয়ী হলে রায়টি চূড়ান্ত হয়।

👉ডিক্রি জারি ও ডিসি অফিসের কার্যধারা:** চূড়ান্ত ডিক্রির কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের (DC) রাজস্ব শাখায় আবেদন করতে হবে যেন সরকারি রেকর্ড থেকে এই জমির 'অর্পিত' তকমা মুছে ফেলা হয়।

👉সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড অফিসে নামজারি:** ডিসি অফিসের নির্দেশের পর স্থানীয় ভূমি অফিসে গিয়ে ডিক্রি অনুযায়ী জমিটি নিজের বা ওয়ারিশদের নামে **নামজারি (Mutation)** এবং ডিসি খতিয়ান কেটে নতুন হোল্ডিং বা খাজনার রসিদ বা দাখিলা কাটতে হবে।

👉🇧🇩সতর্কতা ও আইনি পরামর্শ:** অর্পিত সম্পত্তির মামলা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দলিলপত্রের সূক্ষ্ম যাচাই-বাছাইয়ের ওপর নির্ভরশীল। যেহেতু প্রত্যর্পণ আইনে আবেদনের নির্দিষ্ট সময়সীমা (Limitation) রয়েছে এবং আইনগুলো প্রায়শই সংশোধিত হয়, তাই ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করার আগে একজন অভিজ্ঞ দেওয়ানি ও ভূমি আইন বিশেষজ্ঞ (Civil Lawyer) এর মাধ্যমে আপনার দলিলপত্র স্ক্রুটিনি (Scrutiny) করিয়ে নেওয়া জরুরি।

ধন্যবাদান্তে
-------------
এ্যাডভোকেট ,
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

04/06/2026

মৃত ব্যক্তির ২ কন্যা, স্ত্রী, বাবা, মা, ভাই,বোন বেঁচে আছে। কে কতটুকু পাবে।।চলুন জেনে নিই।
=================================
🇧🇩 ইসলামী শরিয়াহ্ এবং বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন, ঋণ পরিশোধ এবং বৈধ অসিয়ত (যদি থাকে) পূরণের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।

🇧🇩আপনার উল্লেখ করা ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও হিস্যা নিচে দেওয়া হলো:

🇧🇩১. বাবা ও মায়ের অংশ
মৃত ব্যক্তির সন্তান (তা ছেলে হোক বা মেয়ে) জীবিত থাকলে, বাবা এবং মা প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট অংশ (Sharer) হিসেবে সম্পত্তি পাবেন।
👉মা পাবেন: মোট সম্পত্তির ১/৬ অংশ (বা ১৬.৬৭%)।
👉বাবা পাবেন: মোট সম্পত্তির ১/৬ অংশ (বা ১৬.৬৭%)।
🇧🇩২. স্ত্রীর অংশ
মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান জীবিত থাকলে, স্ত্রী মোট সম্পত্তির ১/৮ অংশ (বা ১২.৫%) পাবেন। যেহেতু এখানে কন্যা সন্তান রয়েছে, তাই স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ।
🇧🇩৩. কন্যাদের অংশ
যদি মৃত ব্যক্তির কোনো ছেলে না থাকে এবং কেবল একাধিক (২ বা তার বেশি) কন্যা থাকে, তবে সব কন্যারা যৌথভাবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ (বা ৬৬.৬৭%) পাবেন। এই ২/৩ অংশ ২ কন্যার মধ্যে সমান দুই ভাগে ভাগ হবে (অর্থাৎ প্রত্যেকে পাবেন মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ করে)।

🇧🇩৪. ভাই ও বোনের অংশ (তারা কিছুই পাবেন না)
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের নিয়ম অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির পিতা অথবা কোনো পুরুষ অধস্তন বংশধর (যেমন: পুত্র, পৌত্র) জীবিত থাকলে, ভাই ও বোনেরা সম্পত্তি থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হন (Excluded হন)। যেহেতু এখানে মৃত ব্যক্তির বাবা জীবিত আছেন, তাই মৃত ব্যক্তির ভাই ও বোন কোনো সম্পত্তি পাবেন না।

ধন্যবাদান্তে
-------------
এ্যাডভোকেট
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

03/06/2026

ব্যাংকের নমিনী মানে কি টাকার মালিক? ভুল ধারণা ভাঙুন!

অনেকেই মনে করেন, ব্যাংকে ছেলেকে নমিনী করেছি মানে সব টাকা ছেলেই পাবে। স্ত্রী-মেয়েরা বঞ্চিত হবে।

আইন কী বলে?
নমিনী মালিক নন, তিনি শুধু জিম্মাদার। তার কাজ হলো টাকা তুলে সব ওয়ারিশের মধ্যে ফারায়েজ অনুযায়ী ভাগ করে দেওয়া।

নমিনী টাকা না দিলে কী করবেন?
ওয়ারিশান সার্টিফিকেট নিয়ে ব্যাংকে অভিযোগ করুন
সাকসেশন মামলা করুন। কোর্ট সরাসরি আপনার ভাগ আপনাকে দিয়ে দিবে।

মনে রাখবেন ,নমিনী হলো পিয়ন। চিঠি তার হাতে আসে, কিন্তু চিঠির মালিক সে নয়।
টাকা মেরে দিলে নমিনীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা যাবে ।

মেহেদী হাসান রাজু ,
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/ নড়াইল।

28/05/2026

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা
" ঈদ মোবারক "

25/05/2026

♦️ অনেকেই প্রশ্ন করেন যে, চেকের মামলায় সাজা খাটলেই কি চেকে উল্লেখিত টাকার দায় শেষ হয়ে যায়?

✅ না। অনেকের ধারণা, চেক ডিজঅনার বা এনআই অ্যাক্ট (NI Act) মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করলেই আর চেকের টাকা পরিশোধ করতে হয় না। প্রকৃতপক্ষে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আইন অনুযায়ী, সাজা ভোগ করলেও পাওনাদারের টাকা পরিশোধের দায় থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায় না।

🔻 কেন দায় শেষ হয় না?

✅ কারাদণ্ড ও জরিমানা এক বিষয় নয়
আদালত সাধারণত কারাদণ্ডের পাশাপাশি চেকের সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি অর্থ জরিমানা হিসেবে আদায়ের নির্দেশ দেন। তাই কারাদণ্ড ভোগ করা মানে শুধু ফৌজদারি শাস্তি ভোগ করা; কিন্তু চেকের অর্থ পরিশোধের দায় বহাল থাকে।

✅ পাওনাদারের অর্থ আদায়ের অধিকার বহাল থাকে
সাজা ভোগের পরও পাওনাদার চাইলে দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট (Money Suit) দায়ের করে বকেয়া টাকা আদায়ের আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

✅ সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের বিধান রয়েছে
জরিমানার অর্থ বা পাওনা আদায়ের জন্য আদালত আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক কিংবা নিলামের আদেশ দিতে পারেন।

⚠️ তাই চেক প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বদা সতর্ক থাকুন।
কারাদণ্ড কোনোভাবেই পাওনা টাকা পরিশোধের বিকল্প নয়; বরং আইনি দায় ও আর্থিক দায়—দুইটিই বহাল থাকে।

22/05/2026

আমি এডভোকেট মেহেদী হাসান রাজু ,
আমি রামিসার বিপক্ষে কোর্টে দাড়াবো না।

রামিশার বিপক্ষে কোন আইনজীবী যেনো না দাড়ায়, আমি সেই অনুরোধ করছি।

Photos from Advocate Mehedi Hasan Raju's post 21/05/2026

সপ্তাহের শেষ দিনের কর্ম ব্যস্ততার মাঝে...!!

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka
1000