Devdas

Devdas

Share

Digital Marketer and Business counselor and Motivational speaker.

07/06/2020

ভয় থাকার সরল কারণ হল আপনি জীবনটাকে বাঁচছেন না- আপনি আপনার মনের মধ্যে বাঁচছেন।

15/05/2020

বাসরঘরে ঢুকতেই বউ আমাকে সালাম করে জিজ্ঞেস করল, " কেমন আছেন ভাইয়া? "
ভাইয়া শব্দটা শুনে অবাক না হয়ে পারলাম না, ইচ্ছে করছিল দেয়ালে মাথা ঠুকে সুইসাইড খাই।

বিয়েটা করেছি পারিবারিকভাবে। বর্তমান যুগে বিয়ে করতে গেলে সবাই অল্পবয়সী মেয়ে খুঁজে, আমার বেলায়ও অন্যটা হয়নি। পারিবারিক মতামতে বিয়ে করলাম ক্লাস নাইনে পড়ুয়া এক সুন্দরী মেয়েকে। বাসর রাতে বউ আমাকে ভাই বলাতে একদম থ হয়ে গেলাম৷ প্রশ্ন করলাম, " আমাকে ভাই বলছো কেন? "
সে স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিল, " আপনার আম্মু আমাকে বলেছে, আজ থেকে উনাকে 'মা' বলে ডাকতে। "
" হ্যাঁ, এটাই তো স্বাভাবিক। মা'ই তো ডাকবে! "
বউ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, " তো আপনার মা যদি আমারও মা হয়, তাহলে তো আমরা ভাই-বোন তাইনা? "
বউয়ের যুক্তি দেখে দু-চোখ থেকে আবেগে আধা ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল৷ অধিক শোকে পাথর হয়ে খাটের এক কোণে বসে রইলাম।

" এই যে ভাইয়া, শোনেন! "
'ভাইয়া' ডাকটা শুনে দুঃখে আমার কলিজা ফেটে কিডনিতে গিয়ে লাগল। জন্ম থেকে এই পর্যন্ত যতটা মেয়ের প্রতি ক্রাশ খেয়েছি, সবগুলো মেয়েই আমাকে 'ভাইয়' ডেকে আমার প্রপোজ করাতে পানি ঢেলে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমার বউও ভাইয়া ডাকাটা বাদ দিলো না৷ এ জীবন রেখে কী লাভ! ইচ্ছে হচ্ছে মেয়েটাকে বিষ খাইয়ে আমি সুইসাইড করি৷ নিজেকে সামলে সাড়া দিয়ে বললাম, " হ্যাঁ, বলো বইনা৷ "
" একটা বিড়াল এনে দিবেন? "
বউয়ের মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে ওর দিকে মুখ ঘুরিয়ে বসে বললাম, " বিড়াল দিয়ে কী করবে শুনি? "
" ভাবী বলেছিল বাসর রাতে বিড়াল মারতে যেন ভুল না করি। "
একটা মানুষ কী করে এতোটা গাধীরাম হতে পারে চিন্তা করতে লাগলাম। চিন্তায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে আমার হাতে একটা ধাক্কা দিয়ে মাইশা বলল, " এনে দিন না একটা বিড়াল৷ "
ছলছল নয়নে ওর দিকে তাকালাম৷ মেয়েটার চেহারা বেশ মনোমুগ্ধকর, মায়া-মায়া ভাব আছে৷ কিন্তু মাথায় যে ঘিলু বলতে কিছু নেই সেটা আমার আর বুঝার বাকি রইল না। বললাম, " আচ্ছা ঠিক আছে, কালকে বাজার থেকে একটা বিড়ালের বাচ্চা এনে দিব তোমাকে। "
" কিন্তু ভাবি তো বলল, প্রথম রাতে বিড়াল মারতে৷ "
রেগে গিয়ে বললাম, " তো ভাবির বাড়ী থেকে একটা বিড়াল নিয়ে আসলেই পারতা, আমার মতো সাদাসিধে ছেলেটার সাথে কেন এমন করছো? "
বউ চুপচাপ শুয়ে পড়ল বিছানায়৷ বউয়ের কার্যকলাপ দেখে মনে হচ্ছে আজও আমাকে ব্যাচেলারদের মতো রাত কাটাতে হবে। সব ইচ্ছে মনের মধ্যে ধামাচাপা দিয়ে মাঝখানে একটা কোলবালিশ দিয়ে আমিও শুয়ে পড়লাম৷
মাঝরাতে বউ আমাদের মাঝের কোলবালিশটা সরিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, " ভাইয়া, আমার না খুব ভয় লাগছে। "
আমি কথা না বাড়িয়ে ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম, " মাঝরাতে এখানে ভূত আসে, আলাদা কাউকে দেখলেই ঝাপটে ধরে৷ ভালো করে জড়িয়ে ধরো আমাকে। "
আহ, কী রোমান্টিক অনুভূতি! মনে হচ্ছে এই বুঝি ব্যাচেলর লাইফটা কেটে গেল আমার।

বউয়ের মুখে ভাইয়া ডাক শুনতে শুনতে কান আমার ঝালাপালা। ছুটি থাকা সত্ত্বেও বেরিয়ে গেলাম অফিসের উদ্দেশ্যে। কিছুক্ষণ পরপর মাইশা আমাকে কল দিচ্ছে। রিসিভ করতেই বলছে, " বাসায় কখন আসবেন ভাইয়া? বাসার ফেরার পথে বিড়াল আনতে ভুলবেন না কিন্তু! আজকে যে করেই হোক বিড়াল মারতে হবে। "
কথায় কথায় ভাইয়া বলাটা বোধহয় মাইশার একটা বদ অভ্যাস৷ কিছু বলার সাহস হচ্ছিলো না কোনোবারই। শুধুমাত্র "হ্যাঁ" বলেই কল কেটে দিচ্ছি প্রতিবার।
বিকেলে যখন ক্যান্টিনে খাওয়াদাওয়া করে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম তখন আম্মুর কল। রিসিভ করতেই বললেন, " বাবা, মাইশা আমাকে শুধুশুধু প্রশ্ন করছে, ভাইয়া আসবে কখন? আসার পথে মাইশার ভাইয়াকে কল দিয়ে নিয়ে আসিস তো। "
আবেগে দুচোখ বেয়ে আঁড়াই ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল। " ঠিক আছে৷ " বলে কল কেটে দিলাম।

একটা খাঁচাতে বিড়ালের বাচ্চা নিয়ে বাসার কলিংবেলে হাত চাপলাম৷ দেখলাম মাইশা দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই মাইশা জোরে বলতে লাগল, " আম্মু, দেখো ভাইয়া এসেছে৷ "
হাত থেকে বিড়ালের খাঁচাটা রেখে ওর মুখ চেপে ধরলাম। সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে চোখগুলো এদিক-সেদিক ঘুরাছে৷ কিছু বলার চেষ্টাও করছে। মুখ চেপে ধরে টেনেহিঁচড়ে আমার রুমে নিয়ে গেলাম৷ বললাম, " তুমি আম্মুর সামনে আমাকে ভাইয়া ডাকবে না। "
" কেন! কী হয়েছে? আজ সারাদিন তো 'ভাইয়া' বলে আপনার কথাই বললাম৷ "
আবারও বললাম, " ঠিক আছে, কারোর সামনে আমাকে ভাইয়া ডাকবে না বুঝেছো? "
" আচ্ছা ঠিক আছে। "
শান্তভাবে আমার পাশে মাইশা বসে বিড়ালটা নিয়ে খেলা করছে। কিছুক্ষণ পর মাইশা বলল, " বিড়ালটা খুব কিউট, এটাকে আমি আর মারবো না। আদর করবো। "
আমি আর কিছু বললাম না।

প্রথমবার যখন শশুরবাড়িতে গেলাম। লক্ষ্য করলাম ভাবির সাথে বসে মাইশা কী যেন গুঁজুর-গুঁজুর করছে। আঁড়ি পেতে শোনার চেষ্টা করলাম। ভাবি বলছে, " কিরে! বিড়াল মারলি? "
মাইশা উত্তর দিলো, " উনি বিড়াল কিনে এনে দিয়েছিলেন, কিন্তু বিড়ালের বাচ্চাটা দেখে খুব মায়া হলো তাই এটাকে বাসাতেই রেখে দিয়েছি। "
দুঃখে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হলো। লক্ষ্য করলাম ভাবি মিটিমিটি হাসছে।
অল্প কিছুদিনের মধ্যে আমাদের সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠতায় পৌঁছালো৷ কিন্তু মাইশার মুখের ভাইয়া ডাকটা সরাতে পারলাম না আর৷ যাইহোক, ব্যাচেলর লাইফ থেকে তো মুক্তি পেলাম। তবে মেয়েটা আমাকে ছাড়া কিছু বুঝেনা কিন্তু, সবসময় পিঁছু পড়েই থাকে।

বিয়ের পাঁচ মাস যেতেই লক্ষ্য করলাম মাইশা ঘনঘন বমি করছে৷ আম্মুও কেমন জানি দুষ্টূমির নজরে আমার দিকে তাকায়৷ বেশ হাসিখুশি পরিবারের সবাই, কিন্তু কেমন জানি সবাই এড়িয়ে চলছে আমাকে৷ রাত হতে মাইশাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করলাম, " আচ্ছা, সবাই আমাকে এভাবে এড়িয়ে চলছে কেন? "
বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই, এরপর যা শুনলাম আমি তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। মাইশা মিটিমিটি হাসলো, আমার বুকে মুখ লোকালো। আস্তে করে বলল, " আপনি মামা হতে চলেছেন। "

11/05/2020
04/03/2020

আমরা ৪ কোটি ৮২ লাখ বেকার
কথাটা শুনতে অনেক খারাপ লাগে তাই না
আবার অনেকের ভালো ও লাগে যে আমার মতো
তা আরো ৪ কোটি আছে
একবার ভেবে দেখছেন এই বেকার হওয়ার জন্য শুধু
কি সরকার দায়ী দেশ দায়ী ?
আমাদের কি কোন কিছু করার নাই।
তোমরা ভুলে যাচ্ছ কেন তোমরা অসীম শক্তির অধিকারী
তোমরা সৃষ্টির শ্রেষ্ট জীব।
মানুষ এত উন্নত মস্তিষ্ক নিয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর যেইখানে
লক্ষ কোটি প্রাণী বেঁচে আছে ,
আমাদের সমস্যা আমরা নিজে
আমাদের মস্তিষ্ক দাস প্রথায় দীর্ঘদিন থাকার জন্য
আমরা আজও সেই দাস থেকে মুক্ত হতে পারি নাই।
আমাদের আজও চিন্তা ভাবনা কিভাবে দাস , চাকর কিংবা চাকরিজীবী হওয়া যায়।

29/02/2020

ভক্তি/ইবাদত /প্রার্থনা মানে কি
ভক্তি মানে প্রেম এর আর এক নাম
ভক্তিতে নিজের শরীর কে হারিয়ে ফেলা হয়
জীবন কে অসীমের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়
ভক্তিতে ভেদাভেদ থাকে না সব কিছু এক হয়ে যায়
তুমি আমি সব এক
যখন তোমাকে শরীর মন আত্মা এর অংশ হিসাবে পাওয়া যায়
তখন অনাবিল সুখ পাওয়া যায়
ভক্তি তে পরম শান্তি অনুভব করা যায়
ভক্তি এক মাত্র মুক্তির সহজ পথ

27/02/2020

টাকা পয়সা কারো সাথে যায় না
আপনারা জীবিত হওয়ার চেষ্টা করুন
আর ঘুম থেকে জেগে উঠুন

20/02/2020

আমার দেহ টা প্রকৃতির
কিন্তু আমার হৃদয় টা অন্য কোন জায়গা থেকে আসছে।
অনুভব হল জ্ঞান অনুভব জীবন।
আমি পৃথিবীর কেউ না.

20/02/2020

জীবনের অনুভব

জীবন কে অনুভব করতেই ভুলেই গেছি
মানুষ আর প্রাণী দের মাঝে পার্থক্য কি ?
মানুষ এর মন জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক আছে
কিন্তু আজ আমরা শুধু প্রাণীদের মত জীবন যাপন করি
শুধু কাম বাসনা এর জন্য বেঁচে আছি তাহলে আমরা মানুষ হলাম কখন
ত্যাগ এ প্রকৃত সুখ কিন্তু আজ আমরা ভুলে গেছি ত্যাগ করা।
আমরা এই শরীর না না এই নাম আর মানুষ আমরা ,
মানুষ এক অসাধারন জীবন অমূল্য জীবন কেউ কিনার মত সামর্থ করে না।
কিন্তু আজ আমরা নিজেদের বিক্রি করার জন পাগল হয়ে গেছি ,
যার দাম যত বেশি তার মান তত বেশি।
হা হা হা ফেইসবুক রিএক্ট দিলাম।
বিবেক কে জাগান ভিতর কে দেখার চেষ্টা করুন।
মানুষ এত উন্নত হয়ে বেঁচে থাকা এত কস্টকর না।
আর কত মায়া মোহ এর অন্ধকার এ ডুবে থাকবেন জেগে উঠুন।

28/01/2020

#পড়াশোনার #মনোযোগঃ
পড়া মনে রাখার ১০টি কৌশল
: #সুশান্ত পাল স্যার★★★

১. পড়তে বসার আগে ১০ মিনিট হাঁটা: পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, পড়ার পূর্বে ১০ মিনিটহাঁটলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা প্রায় ১০ শতাংশ পরিমাণ বেড়ে যায়। তাহলে একটু হাঁটা পরেই শুরু হোক পড়ালেখা।

২. পড়ার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করা: যে বিষয়টি পড়ব তার প্রতি আকর্ষণ জাগাতে হবে। কিংবা আকর্ষণীয় উপায়ে পড়ার চেষ্টাকরতে হবে। এতে পড়া সহজে মনে থাকবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ কোন কিছুর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করলে তা সহজেই মস্তিষ্কে মেমরি বা স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে যায় এবং তা স্মৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী হয়।

৩. কালারিং বা মার্কার পেন ব্যবহার করে দাগিয়ে
পড়া: আমাদের মধ্যে অনেকেই মার্ক করে বা দাগিয়ে পড়ে।
এটাও পড়া মনে রাখতে বেশ কার্যকর। মার্ক করার ফলে
কোন শব্দ বা বাক্যের প্রতি আকর্ষণ ও আগ্রহ বেড়ে যায়।
পাশাপাশি এর উপর ব্রেইনের ভিজ্যুয়ালিটি ইফেক্টও বেড়ে
যায় যা পড়াকে মনে রাখতে সহায়তা করে।নানা রঙের
হাইলাইটার ব্যবহার করা পড়াশোনায় মন আনতে অনেক
সাহায্য করতে পারে

৪. বেশি বেশি পড়া ও অনুশীলন করা: আমাদের ব্রেইন
ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি গুলোকে তখনই দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে
পরিণত করে যখনতা বারবার ইনপুট দেয়া হয়। বারবার ইনপুট
দেয়ার ফলে ব্রেইনের স্মৃতি গঠনের স্থানে গাঠনিক
পরিবর্তন হয় যা দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরীতে সাহায্য করে।
তাই বেশি বেশি পড়া ও অনুশীলন করা পড়া মনে রাখার
অন্যতম উপায়।

৫. লিখে লিখে বা ছবি এঁকে পড়ার অভ্যাস করা: কোন জিনিস
পড়ার সাথে সাথে লিখলে বা ছবি আঁকলে পড়ার প্রতি আগ্রহ
বেড়ে যায়। কারন নিউরো সায়েন্সের মতে, কিছু লিখলে বা
ছবি আঁকলে ব্রেইনের অধিকাংশ জায়গা উদ্দীপিত হয় এবং
ছবি বা লেখাটিকে স্থায়ী মেমরিতে রূপান্তরিত করে ফেলে।
ফলে পড়াটি মস্তিষ্কতে দীর্ঘস্থায়ী হয়। সাধারণভাবেও বুঝা
যায়, বইতে যেসব বিষয় ছবি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয় তাই
আমাদের বেশি মনে থাকে। পরীক্ষার সময়ও চোখের সামনে
বইয়ের ছবিটিই ভেসে উঠে। তাই লিখে বাছবি এঁকে পড়া অনেক
কার্যকর।

৬. কনসেপ্ট ট্রি ব্যবহার করে পড়া: কোন বিষয় পড়ার আগে
অধ্যায়গুলোকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে নিলে পড়তে সুবিধা
হয়। একে একটি গাছের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। গাছটিকে
একটি অধ্যায় বিবেচনা করে প্রতিটি পাতায় অংশ গুলোর
একটি করে সারমর্ম লিখে পড়লে পড়া মনে রাখতে সহজ হয়।
এ পদ্ধতিকে কনসেপ্ট ট্রি বলা হয়। পড়া মনে রাখতে এটি
বেশ কার্যকর।

৭. পড়ার জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করা: অনেকেরই ধারণা
সারাদিন-সারারাত পড়লেই পড়া বেশি মনে থাকে। এটা
নিতান্তই ভুল ধারণা। কারণ সবসময় আমাদের ব্রেইন
একইভাবেকাজ করতে পারে না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে,
বিকালের পর আমাদের ব্রেইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেতে
থাকে। তাই বিকালের পরে অর্থাৎ সন্ধ্যায় বা রাতে পড়া
বেশি কার্যকর হয়।

৮. নিমনিক তৈরী করা: আমাদের ব্রেইন আগোছালো জিনিস
মনে রাখতে পারে না। তাই কোন কিছু ছক বা টেবিল আকারে
সাজিয়ে নিলে কিংবা কবিতার ছন্দ বানিয়ে পড়লে তা সহজেই
মনে রাখা যায়। পড়া মনে রাখার এই কৌশল কে নিমনিক
(mnemonic) বলাহয়।

৯. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা
গেছে, ব্রেইন যেকোনইনফরমেশন বা তথ্যকে মেমরি বা
স্মৃতিতে পরিণত করে ঘুমানোর সময়। তাই পড়া মনে রাখার
জন্য পড়ালেখার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোও
জরুরি। সাধারণত একজন সুস্থ ব্যক্তির দিনে ৮ ঘন্টার মত
ঘুমানো উচিত। এর থেকে কম ঘুমালে পড়া মনে রাখার
ক্ষমতা কমে যায়।

১০. যা পড়েছি তা অন্যকে শেখানো: পড়া মনে রাখার জন্য
প্রাচীনকাল থেকেই এ পদ্ধতিটি বেশ জনপ্রিয়। নিজে যা
পড়েছি বা জেনেছি তা অন্যকে শেখানোর মাধ্যমে মস্তিষ্কে
আরো ভালোভাবে গেঁথে যায়। তাছাড়া অন্যকে শেখানোর
ফলে নিজের দক্ষতা প্রকাশ পায় এবং পড়াটি ভালভাবে
আয়ত্ত হয়েছে কিনা তাও বুঝা যায়।

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka
1209