Advocate Apon Sarker Rasel

Advocate Apon Sarker Rasel

Share

আইনী সহযোগিতা ও পরামর্শ

14/10/2025

শেখ হাসিনার এলাকায় মামুনুক হক এমপি প্রার্থী � জামানত নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবো তো?�

08/07/2025

আচ্ছালামুয়ালাইকুম

23/10/2024

আগে মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর চেতনা বিক্রি হইতো, এখন বিক্রি করা হচ্ছে ২৪ এর বিপ্লবের চেতনা। এই দেশে চেতনার ব্যবসা কখনো বন্ধ হবেনা

12/10/2024

বাংলা সিনেমায় শাবানা যখন সেলাই মেশিন ঘুরাতে ঘুরাতে ১০ মিনিট পরেই গার্মেন্টেসের মালিক হয়ে যেত তখন তো কেউ কিছু বলতেন না! আর আজ স্বাধীন বাংলাদেশে ২ মাসের ব্যবধানে কেউ বেকার থেকে গাড়ি বাড়ির মালিক হলে, ২ মাসের ব্যবধানে ফেরিওয়ালা থেকে মক্কায় হজ, মদিনায় জেয়ারত-জেদ্দায় ঘুরতে গেলেই বুঝি সমস্যা! সিনেমা যে বাস্তবে ধরা দিয়েছে ম্যাধাবী মুরিব্বির দেশে- এ পরিবর্তনের জন্য হলেও ধন্যবাদ দেয়া যেতেই পারে!

12/10/2024

বাঙালি যখন হেলিকপ্টার বানায়, আমি তখন খুবই আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা দেখি।

প্রথম হেলিকপ্টার বানাতে দেখি বছর দশেক আগে। খুলনা বা বাগেরহাট বা অন্য কোনো প্রত্যন্ত এক গ্রামে, এক কিশোর হেলিকপ্টার বানিয়েছেন। সেটা নিয়ে লোকাল মিডিয়ায় তখন সাংঘাতিক হৈ চৈ। একটা টেম্পুর মাথায় সিলিং ফ্যান উল্টা করে লাগানো হয়েছে। সুইচ দিলে সেই সিলিং ফ্যান ঘুরছে। টেম্পুর গায়ে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের লোগো। লোগোর পাশে পরিষ্কার লেখা : বাংলাদেশ হেলিকপ্টার, মেকার: হানিফ।

হাজার হাজার মানুষ সেটা দেখতে এসেছে। সাংবাদিকরা আবেগঘন গলায় সেই হেলিক্পটারের বর্ণনা দিচ্ছে। ফেসবুকে সেই ভিডিও শেয়ার দিচ্ছেন লাখ খানেক মানুষ। সবার কথা একটাই, বাঙালি আসলে মেধাবী। শুধু বাংলাদেশে জন্মানোর কারণে তার মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ইউরোপ আমেরিকা হলে এই বাঙালি ফাটিয়ে দিতো।

সর্বশেষ হেলিকপ্টার বানানো দেখলাম দিন তিনেক আগে। স্টিলের রড দিয়ে হেলিকপ্টারের মতো একটা বডি বানানো হয়েছে। মাথার উপর দুই ব্লেডের পাখা। হেলিকপ্টারের মেকার নিজেই পাইলটের সিটে বসে সুইচ দিয়ে পাখা চালু করলেন। হাজার হাজার মানুষ হাততালি দিলো। সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন, হেলিকপ্টারে বসার সিট একটা কেন?

পাইলট কাম হেলিকপ্টার মেকার উত্তর দিলেন, টাকার অভাবে একটা সিট রাখছি। সরকারি সাহায্য পেলে দশ সিট বসাতে পারবো।

ভিডিওতে হাজারো বাঙালির কমেন্ট, ইউরোপ আমেরিকা হলে ... শুধু বাংলাদেশ বলে আমরা আগাতে পারছি না ...

তবে এবার নতুন ধরণের কিছু কমেন্ট চোখে পড়লো। একজন লিখেছে, প্রায়ই দেখি আপনারা হেলিকপ্টার বানান। কিন্তু এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান? বিষয়টা কী?

আসল প্রশ্ন এটাই। হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান। দেখতে হেলিকপ্টারের মতো, উপরে পাখাও ঘুরে, বডির গায়ে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা হেলিকপ্টার। তবুও কেন এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ???

বাংলাদেশে যখন কেউ সংস্কারের কথা বলে, তখন আমার এইসব হেলিকপ্টারের কথা মনে পড়ে।

সংস্কারের কথা প্রথম জোরেশোরে শুনি এক এগারোর সময়। দেশে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। বিচার বিভাগ পৃথক হবে। স্বাধীন জুডিশিয়াল হবে। হ্যান হবে, ত্যান হবে। শেষমেষ যেটা হলো, সেটা হচ্ছে একটা হেলিকপ্টার। বাংলা হেলিকপ্টার। এই বস্তুর ঘুরন্ত পাখা আছে, বডি আছে এমনকি লেখাও আছে যে এই যন্ত্রটি হেলিকপ্টার। কিন্তু এটি উড়ে না।

আমাদের অনেকেরই ধারণা, সিস্টেম বদলালেই বোধহয় পরিবর্তন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা যারা বড় হয়েছি, তারা জানি, শুধু সিস্টেম দিয়ে কোনো পরিবর্তন আসে না। ভালো সিস্টেমের মধ্যে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ, সৎ, বুদ্ধিমান ও দরদী মানুষ দরকার।

ষোল বছর পর আবারো সংস্কার শব্দটা উজ্জ্বল হয়ে জাতির সামনে এসেছে। এবার নাকি আমূল সংস্কার হবে। এরই দুই মাস পার হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, আমি এবারো জোরেশোরে একটা হেলিকপ্টারের নির্মাণের আয়োজন দেখছি। আমি দুঃখিত এই কথাটি বলার জন্য। সত্যি দুঃখিত।

আপনাদের নিয়ত নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আপনারা আন্তরিকতা নিয়েও আমার কোনো দ্বিধা নেই। আপনাদের অনেককেই আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি।

শুধু এই পছন্দের তাগিদে বলি। আর হেলিকপ্টার বানায়েন না।

এই দেশের মানুষরা ক্লান্ত। তারা সত্যিকারের ম্যাজিক চায়। সত্যিকারের হেলিকপ্টার চায়, যেটা সত্যি সত্যি উড়ে।

08/10/2024

বলেছিল সেভেন সিস্টার খেয়ে দিবে এখন বলতেছে ভারত ছাড়া চলতে পারব না 😁😁😁

08/10/2024

এইটা কিনতে পারেন। নামেই বোঝা যায় জিনিস কেমন হবে।😁😁😁

07/10/2024

আপনাদের অবৈধ ক্ষমতার জোরে যাকে আজ বরখাস্ত করলেন, মনে রাখবেন....
এই "তাপসী তাবাসসুম উর্মিকে" একদিন সর্বোচ্চ সম্মানিত করা হবে এই বাংলাদেশের মাটিতে ইনশাআল্লাহ ।🇧🇩

07/10/2024

শেয়ার বাজার ধ্বসের নতুন দরবেশ বাবা বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু

07/10/2024

কেউ কেউ সরকারি চাকরির জন্য
দেশ বিক্রি করে;

আর ঊর্মিরা দেশের জন্য সরকারি চাকরি ছুঁড়ে মারে।।

01/10/2024

We who were not involved in any corruption, looting and nepotism when the previous party was in power, give the responsibility of Awami League to those who will be able to make the party stand as a big factor in the parliament in the next election, inshallah.

30/09/2024

ফ্ল্যট বুকিং দেয়ার পর কি করবেন?
Advocate Md. Mozammel Hoque (অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক)
01830-168668 আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র

নীচের বিষয়গুলো খেয়াল রেখে, একজন ক্রেতা ফ্ল্যাট বুকিং দিলে বা কিনলে, ঠকে যাবার সম্ভাবনা নেই:-

০১। যেদিন ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, সেদিন টুকেন মানি হিসেবে ৫০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাবেন না। যদি মনস্থির করেই থাকেন, অমুক প্রজেক্ট থেকে ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, তাহলে, তাদের কাছ থেকে নেয়া অমুক প্রজেক্টর ব্রশিয়্যরের শেষের পৃষ্ঠায় Terms & Condition এ দেখে নিন, কত % টাকা দিলে "নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন" করবে। যার সাথে ফ্ল্যাটের ব্যাপারে সমস্ত আলাপ হয়েছে, তাকে বলে দিন যে, আপনি কবে যাচ্ছেন অফিসে এবং ডাউন পেমেন্টের সব টাকাই পে- অর্ডার ( কি নামে করবেন তা টার্মস এন্ড কন্ডিশনে লেখা আছে) করে নিয়ে যাবেন। তাকে আরো জানিয়ে দিন, উল্লেখিত প্রজেক্টের সকল লিগ্যাল পেপারস যেন এক সেট ফটোকপি করে রাখে।

০২। লিগ্যাল পেপারসে আপনি যা যা দেখবেন:-

* কোম্পানীর সাথে জমির মালিকের চুক্তিপত্র। (এটি অনেক ডেভেলপার দিতে চায় না, আপনি যেভাবেই হোক, তা আদায় করে নেবেন)।
* Power of Attorney এর ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের মূল দলিলের ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের সিটি জরীপ + আর.এস অনুযায়ী নামজারী পর্চা, জমাভাগ, ডি.সি.আর (ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ) ও খাজনার রশিদ।
* বায়া দলিল ( মূল মালিকের আগে কারা কারা এ জমির মালিক ছিল, তাদের দলিল) গুলোর ফটোকপি।
* সকল পর্চা ( ঢাকা মহানগর পর্চা, আর.এস পর্চা, সি.এস পর্চা, এস,এ পর্চা) এর ফটোকপি।
* আপ টু ডেট খাজনার রশিদ।
* সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স এর ফটোকপি।
* রাজউকের প্ল্যান পাসের কপির ফটোকপি। (যদি পারেন কিছু টাকা দিয়ে রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নকসাটিরও ফটোকপি নিয়ে নেবেন। এটি অনেক বড় একটি নক্সা, তাই ডেভেলপার ফটোকপি করিয়ে রাখে না। আপনি নীলক্ষেত বা দৈনিক বাংলার মোড়ে অনেক দোকান পাবেন, সেখান থেকে করিয়ে আনাবেন - প্রয়োজনে।

০৩। যদি ২ নং উল্লেখিত লিগ্যাল পেপারের কোন একটি না থাকে, তাহলে আপনাকে ফ্ল্যাট বুকিং না দেয়াই ভাল। যে কাগজটি নেই, সেটি ডেভেলপার জোগাড় করে যেদিন আপনাকে দিতে পারবে, সেদিনই ফ্ল্যাট বুকিং দিন।

০৪। যদি বুকিং মানি হিসেবে আপনি " ডাউন পেমেন্ট" করবেন বলে ঠিক করে রাখেন, তাহলে সেই ডাউন পেমেন্ট করার আগেই "আপনার সাথে ডেভেলপারের যে "দ্বি-পক্ষীয় চুক্তিটি" হবে" তার একটি নমূনা কপি দিতে বলেন। অধিকাংশ যেভেলপারই সেই চুক্তির কপিটি ইংরেজীতে করে। আপনি ইংরেজীতে ততটা দক্ষ না হলে, তাদেরকে বলুন, " বাংলা ফরম্যাটের চুক্তিনামা দিতে। কারন, ডেভেলপার ইংরেজী চুক্তিনামার অনেক টার্মসেই টেকনিক্যাল বা খুব সুক্ষভাবে কিছু ফাঁক ফুকর রাখে, যা ফ্ল্যাটক্রেতা ধরতে পারেনা। পরবর্তীতে সমস্যা হলে, সেই টার্মসটির কারনে ফ্ল্যাটক্রেতা কিছুই করতে পারে না।

০৫। বাংলায় বা ইংরেজীতে, যে কোন ফরম্যাটের চুক্তিনামার নমূনা কপি আপনাকে দিক না কেন, আপনি নিম্নে উল্লেখিত শর্তগুলো চুক্তিনামায় উল্লেখ আছে কি না তা দেখে নিনঃ-

* চুক্তিনামায় আপনার এবং ডেভেলপারের কর্তাব্যক্তির (যার সাথে জমির মালিকের চুক্তি ও আম-মোক্তার নামা হয়েছে) নাম, বাবা মার নাম,স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার উল্লেখ করেছে কিনা দেখুন।
* রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নাম্বার সহ তারিখটি উল্লেখ আছে কি না দেখুন।
* যেদিন চুক্তি হচ্ছে, সেদিনের তারিখটি উল্লেখ আছে কিনা।
* ফ্ল্যাটের( ফ্ল্যাট মূল্য+ কার পার্কিং মূল্য (যদি কার পার্কিং কিনতে চান)+ ইউটিলিটি বা অন্যান্য কোন মূল্য) মূল্য ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না, তা দেখুন। সবগুলোর আলাদা আলাদা দাম দর করে থাকলে, চুক্তিতেও আলাদাভাবে লিখে সর্বমোট দাম লিখতে বলবেন।
* চুক্তিপত্রে আপনার সাথে আলোচনা করে কিস্তির টাকা কিভাবে দেবেন, তা ঠিক হয়ে থাকলে, সেইভাবে লেখা আছে কি না দেখুন।
* ফ্ল্যাটটি কবে আপনাকে হস্তান্তর করা হবে, সেটির নির্দিষ্ট তারিখ ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না দেখুন।
* জমির মালিকের সাথে ডেভেলপারের চুক্তিপত্রে প্রজেক্ট টি বসবাস উপযোগী করে কবে হস্তান্তর করা হবে, সেই তারিখের, সাথে আপনাকে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের তারিখের মিল আছে কি না, তা খেয়াল করুন। যদি মিল না থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করুন।
* আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করতে পারলে, সেই তারিখের পর ফ্ল্যাটভাড়া আপনাকে কত করে দেবে, তা উল্লেখ আছে কি না দেখুন। যদি তা উল্লেখ না থাকে, তাহলে তা আলোচনা করে বসিয়ে নিন। তবে, এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, চুক্তি অনুযায়ী আপনি সঠিক সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধের পরেই ফ্ল্যাটভাড়া পেতে পারেন।
* চুক্তিতে " ফ্ল্যাট মালিক সমিতির" জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধরা হয়। সেটি কত তা খেয়াল করুন এবং সকলের চুক্তিপত্রে উক্ত টাকার পরিমান একই আছে কি না জেনে নিন।
* তফসিলে আপনার ফ্ল্যাট নং, কত তলায়,কোন্ পার্শ্বে - তা ঠিকমত উল্লেখ আছে কি না দেখুন।

০৬। ডেভেলপারের সাথে চুক্তিনামায় অবশ্যই " Feature & Amenities" অর্থ্যাৎ ডেভেলপার আপনার ক্রয়কৃত ফ্ল্যাটে কি কি নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করবে তা থাকতে হবে। বাংলায় হলে ভাল। সেগুলো ভালভাবে পড়ে তারপর চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

০৭। চুক্তিনামার শেষে, ডেভেলপারের ছাপানো ব্র্যশিয়্যার (যেটি দেখে আপনি ফ্ল্যাটটি বুকিং দিচ্ছেন, সেটিও "চুক্তিনামার একটি অংশ" -এ কথাটি যেন চু্ক্তিনামায় থাকে। অনেক সময়ই ডেভেলপার তার নিজ স্বার্থে ব্র্যশিয়্যার পরিবর্তন করে। তখন আপনাকে বিপাকে পড়তে হতে পারে।

০৮। একটি বিষয় খেয়াল রেখে চুক্তিনামায় কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল দেয়া উচিৎ। তা হলো, কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ কাজ চলছে কিনা। সেটি তদারকি করা খুবই প্রয়োজন। আপনি চুক্তিনামা অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করে যাচ্ছেন, কিন্তু ডেভেলপার সেই অনুপাতে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে না-- তাতে আপনি এক সময় বিপদে পড়তে পারেন। অধিকাংশ ডেভেলপার এক প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটায়। তাতে কোন অসুবিধা নেই যদি দেখেন আপনার বুকিংকৃত প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ সিডিউল অনুযায়ী হচ্ছে।

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka