Sara's tutorial
This is my fb page! I make random videos which can be useful to everyone...
লেবুর ভরি কতো করে কিনলেন??
18/02/2026
18/02/2026
May the month of Ramadan Heal us......🎇
18/02/2026
#অবিশ্বাস্য_বাস্তব_ঘটনা
একটা ৮ মাসের বাচ্চার সাথে কেউ এরকম করতে পারে?
তানিশার শরীরে সুস্থতার লক্ষণ আসতে থাকলেও তদন্ত থামেনি।
ডাক্তারি রিপোর্ট পরিষ্কার বলছে—এটা দুর্ঘটনা না, নৃ-শংস অপরাধ।
ডা. শফিক একদিন রফিককে ডেকে বললেন—
“আমরা মেডিকেল রিপোর্ট পুলিশকে দিয়েছি… এটা দুর্ঘটনা না… এটা অপরাধ।
তানিশার শরীরে শুধু আ-ঘাতই ছিল না, ছিল কাম-ড়ের দাগ।বুকে, হাতের কাছে, উরুতে,কণ্ঠনালী তেও
রফিক প্রথমে বুঝতে পারল না।বলতে গিয়ে ডা.শফিকের কন্ঠই কেপে উঠলো... আর ছোট্ট তানিশার কন্ঠনালী মানে মুখে ও গলার মধ্যে বী*র্যের ট্রেস পাওয়া গেছে....!
কী কইতেছেন ডাক্তার সাহেব?
আমরা সব রিপোর্ট পুলিশে দিয়ে দিয়েছি,পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে । কে করতে পারে? পরিবার? আত্মীয়? প্রতিবেশী?
আমার নিষ্পাপ পরী ডারে....! এমন জানোয়ার কেডা হইবো কন! আপনে ঠিক ঠাক দেখছেন তো?!
আমি বারবার রিচেক করেই শিওর হ'য়েছি। রফিক হাউমাউ করে কাদতে কাদতে মাথায় হাত দিয়া বসে পড়ে...কেডা করলো আমার এতো বড় সর্ব-নাশ!!!
প্রথমে সন্দেহের তালিকা ছোট ছিল না। কারণ তানিশাকে সবাই আদর করত। প্রতিবেশীরা সবাই কোলে নিত।তানিশা দেখতে ভারী মিষ্টি... স্বাস্থ্য ভালো গুলুমুলু টাইপের। যে কেউ দেখলেই কোলে নিতে চাইতো!
পুলিশ প্রতিবেশী সবাইকে জেরা করা শুরু করলো কেউ কিছুই বলতে পারলো না... তানিশার মায়ের কাছে সেদিনের ঘটনা কিভাবে কি হলো জানতে চাইলে বললো,
প্রতিদিন আমি রান্না-বান্না করতাম, পাশের বাসার রিনা সময় পাইলেই তানিশারে নিয়া যাইত। কিন্তু ওইদিন কামাল ভাই, মানে রিনার স্বামী, নিজেই তানিশারে নিয়া গেল। ওরা তানিশারে নিজের মাইয়ার মতো ভালোবাসে। ওদের দুইডা পোলা আছে, মাইয়্যা নাই।
আমি রান্না-বান্না শেষ কইরা ঘর মুছি, গোসল করি, প্রায় দেড় ঘণ্টা লাগলো। পরে যাই দেখি, ওদের বিছানায় তানিশা ঘুমাইয়া আছে। আমি কোলে তুলতে গিয়া দেখি, গা পুইরা গেছিলো জ্বরে, ঠোঁট নীল হইয়া গেছে। আমি একটা চিক্কুর দেই। পরে তানিশার বাপরে ফোন দিলাম, নিযা আইছে হাসপাতালে...।
তানিশার মায়ের জবানবন্দি শোনার পর পুলিশ রিনা আর তার স্বামীরে জেরা করে...
প্রথমে তো একেবারে অস্বীকার করে। আমি কিছু করি নাই… আমি তো নিজের মাইয়ার মতোই ভালোবাসতাম।
পরে পুলিশ ডিএনএ টেস্ট করে...রিপোর্ট ম্যাচ করতেই...আবার জিজ্ঞাসাবাদ করলে তখনও অস্বীকার করলে পুলিশ যখন ৩৬০° ডিগ্রি দেয় শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের চাপে, প্রমাণের সামনে সে স্বীকার করল।
সে বলল—আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি নাই… ওকে … কোলে নিলে শান্তি লাগত...
শুয়ো*রের বা-চ্চা... শিশুটার বয়স মাত্র ৮ মাস! ইচ্ছে মতো পুলিশ ওকে পি-টায়।
পুলিশি তদন্তে জানা যায়... বাচ্চা টার 😑আমার লিখতেও কান্না পাচ্ছে...মেয়ের মুখের. খারাপ কাজ করেছে ...( oral s-e-x)
ছি নাউজুবিল্লাহ 😑😰😥
এখন কাশিমপুর জেলে আছে সেই নরপ-শু....।
শিশুদের নিরাপত্তা শুধু অপরিচিত মানুষের থেকে না।
পরিচিত মানুষ থেকেও নিশ্চিত করতে হয়।
✔ যে কেউ আদর করে—তার মানে নিরাপদ না
✔ একা কারও কাছে শিশু রেখে যাওয়া উচিত না
✔ আচরণে অস্বাভাবিক কিছু দেখলে গুরুত্ব দিতে হবে
✔ শিশু কাঁদলে বা অস্বস্তি দেখালে কারণ খুঁজতে হবে
মায়ের intuition অনেক সময় সত্যি হয়।
সন্দেহ হলে অবহেলা করবেন না।
কারণ একটা মুহূর্তের অসাবধানতা—
একটা জীবনের ট্রমা হয়ে যেতে পারে।তানিশা এখনও পুরোপুরি সুস্থ না।তার সামনে দীর্ঘ চিকিৎসা।কিন্তু সে বেঁচে আছে।
এই ঘটনা ঘটেছে ঢাকা গাজীপুর কাশিমপুর এলাকায়... 😥 প্লিজ মেয়ে বাচ্চাকে সাবধানে রাখবেন,সে যেই হোক... বাপ-চাচা-দাদা-নানা-ফুপা-খালু-কাজিন যে-ই হোক প্লিজ চোখে চোখে রাখবেন। 😒 দূরের মানুষ এসে কারো ক্ষতি করে না, হাতেগোনা কিছু ছাড়া... পরিবার আত্মীয়-স্বজন-প্রতিবেশীদের মাধ্যমে এসব ঘটনা বেশি ঘটে।
゚viralシfypシ゚ #সাবধান #মেয়েবাবু
03/01/2026
#বেগম_খালেদাজিয়ার_জানাজায় একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম, মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশাল মিডিয়ায় সবাই তারেক রহমানের স্ত্রী সন্তানের কথা বলছে, জাইমা রহমানকে খালদাজিয়ার প্রতিচ্ছবি দেখাচ্ছে অথচ সবাইকি ভুলে গেছে, #খালেদাজিয়ার আরো একটি ছেলে ছিলো এবং তার স্ত্রী, সন্তানেরা এখনো আছে। ককোর দুই মেয়ের কথা কেউ নিউজ করতেছেনা। আসলে কেউ বেঁচে না থাকলে তার পরিবারের কথা সবাই ভুলে যায়। তাদের বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো আজ তারাও মিডিয়ায় অনেক আলোচিত হতো।
আসলে #বাবা_যে_হারায়_তার_অর্ধেক_পৃথিবী_হারিয়ে_যায়
#বাবা_হয়তো_সব_পারেনা_কিন্ত_তিনি_যা_পারেন_তা_কেউ_পারেনা।
02/01/2026
সন্তান লালন-পালনে মায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি: একজন সচেতন বাবা
একজন মা সন্তান জন্ম দেন কিন্তু একজন বাবা যদি মানসিকভাবে পাশে না থাকেন, তাহলে সেই মাতৃত্ব অনেক সময় ভয়ংকর একাকীত্বে পরিণত হয়।
সন্তান লালন-পালনের পথে মায়ের সবচেয়ে বড় সাপোর্ট হলো সন্তানের বাবা। এই একটা মানুষ যদি মায়ের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন, তার পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান, তাহলে প্যারেন্টিংয়ের এই কঠিন পথটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
নবজাতক আর কুসংস্কার: নীরব কিন্তু ভ*য়ংকর ঝুঁকি
নবজাতককে নিয়ে দাদি–নানি–ফুপু–খালাদের ভালবাসা আসে ঠিকই, কিন্তু তার সাথে আসে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে আনা কুসংস্কার।
“এভাবে ধরো না, নজর লাগবে”। “ডাক্তার কি জানে, আমরা তো এত বাচ্চা মানুষ করেছি” এখন কিছু হলেই ডাক্তার।“ওষুধ লাগবে না, এই তাবিজটা পরাও, পানি পরা খাওয়াও”। "আমরা খালি চিনি দিয়ে সুজি দিছি, নাদুসনুদুস বাচ্চা ছিল, আর এখন কত কিছু খাওয়ায়, চিকনা"। “কান্না করলে কোলে নিলে নষ্ট হবে”। আরো যে কত কিছু! এই কথাগুলো অনেক সময় শুধু বিরক্তিকর না, ভ*য়ানক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ভুল খাবার,ভুল চিকিৎসা,দেরিতে ডাক্তারের কাছে নেওয়া,শিশুর কান্না উপেক্ষা করা, নিউরো ডেভেলপমেন্ট নষ্ট করা আচরণ। সবকিছুই হয় “ভালো চাই” নামের মোড়কে।
এখানে বাবার ভূমিকা কেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
একজন মা অনেক সময় শারীরিকভাবে দুর্বল, মানসিকভাবে ক্লান্ত, সামাজিক চাপে চুপ করে যেতে বাধ্য কিন্তু একজন বাবা যদি তখন বলেন—“আমরা ডাক্তার যা বলেছেন সেটাই করবো”। “ওর মা যেভাবে চাইছে, সেভাবেই হবে”।“ভুল কিছু হলে আমি দায় নেব”
তখন মা সাহস পান, ভুল সিদ্ধান্ত থামে, শিশুটি নিরাপদ থাকে।
আর বাবা যখন নীরব দর্শক হয়ে যান, তখন কুসংস্কারই সিদ্ধান্ত নেয়। আর মা মেনে নিতে বাধ্য হন আর গলা তুললে, হয় ঝ*গড়া আর নাহয় মহা বি*পদ, যা ঘটে গেলো পাবনায়। নবজাতককে তার দাদি গরুর দুধের সুজি খাওয়াবে, সেই নিয়ে মায়ের সাথে ঝগ*ড়া লেগে গেলো, এক পর্যায়ে বাচ্চার বাবা নবজাতকে বাইরে ছু*রে মা*রেন, বাচ্চাটা ওখানেই শেষ।
নবজাতককে নিয়ে এসব আন্তাজের আবেগি মার্কা ঝামেলায় পরেননি এমন বাবা-মা কম পাওয়া যাবে।
সচেতন বাবা মানেই, মায়ের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা।
পরিবারে অপ্রয়োজনীয় চাপ ঠেকানো। বৈজ্ঞানিক প্যারেন্টিংকে প্রাধান্য দেওয়া। প্রয়োজনে “না” বলতে পারা। সন্তানকে নিরাপদ ভবিষ্যৎ দেওয়া। এটা পরিবার ভাঙা না এটা একটা শিশুকে বাঁচানো।
মনে রাখবেন, আজ যে নবজাতক,কাল সে একজন মানুষ হবে। আপনি আজ যদি কুসংস্কারের কাছে হার মানেন,কাল সেই শিশুই তার মূল্য দেবে শরীরে, মনে কিংবা ভবিষ্যতে। তাই সচেতন হবেন। মেরুদণ্ডহীন হবেন না, নিজের সন্তানের উপর কিছু নেই।
সচেতন বাবা ও সচেতন মা মানেই সুস্থ প্রজন্ম।
ধন্যবাদ🙏
চলে গেলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আজ ভোর ৬টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি বিশাল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দেশের গণতন্ত্র রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তাঁর দীর্ঘ লড়াই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বারবার কারাবরণ আর নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি যেভাবে নিজের আদর্শে অবিচল ছিলেন, তা এক বিরল দৃষ্টান্ত।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং তাঁর পরিবার ও কোটি কোটি ভক্ত-অনুসারীদের এই শোক সইবার শক্তি দিন।
বিদায়, মাদার অফ ডেমোক্রেসি। আপনি বেঁচে থাকবেন দেশপ্রেমিক প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।
#বেগম_খালেদাজিয়া #খালেদাজিয়া ゚viralシfypシ゚viralシalシ
22/12/2025
না চাইতেও আদরের সেই বাচ্চাটাকে রেখে এভাবে পিঠ পাস ঘুরে ঘুমাতে হয় 🥲 যাদের দুটো সন্তান আছে তারাই শুধু এই কষ্টটা বুঝবে, এটা যে কত কষ্টের একটা মায়ের জন্য যে তার আগের বাচ্চাটাকে আগের মত আর যত্ন করতে পারেনা😭🥲
21/12/2025
মৃত্যু মানে আলো নিভে অন্ধকার হয়ে যাওয়া নয় বরং প্রদীপটা নিভিয়ে দেয়া কারণ ভোর হয়ে এসেছে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
゚viralシfypシ゚viralシalシ
21/12/2025
৫০০ ভোটেই খুশি হতে চাওয়া মানুষটার জা না জা য় অজস্র মানুষের ঢল, অশ্রু বিসর্জন; অথচ নেই কোনো র ক্তে র বন্ধন, নেই কোনো জানাশোনা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব। জমিনের বুকে দাঁড়িয়ে আরশের মালিকের পরিকল্পনা বোঝা মুশকিল। মানুষের হৃদয়ে জায়গা করতে লম্বা জীবনের বা সময়ের প্রয়োজন পড়ে না, কেবলমাত্র ছোট্ট একটা মুহূর্তই যথেষ্ট হয়ে যায় আলহামদুলিল্লাহ 🤍
12/11/2025
অনেক লোককে দেখেছি বউয়ের ব্যাপারে অভিযোগ করে যে,, বউ কথায় কথায় পুরোনো ঘটনা টেনে নিয়ে আসে..
ওইসব ঘটনা নিয়ে উঠতে বসতে ঝামেলা করে, একই প্যাচাল গত ১০-১৫ বা ২০ বছর ধরে পারতেছে।
নিজেদের কোয়ালিটি টাইমেও ওই পুরানো কোন ঘটনা টেনে এনে সময়টাকেই নষ্ট করে দেয়।
একে বারবার বলি, ওইসব অনেক আগের কথা.. ভুলে যাও.. মনে রেখো না.....
এটাই কারন আপনার বউয়ের ওই পুরোনো কারন বারবার সামনে এনে সারাদিন ঘেটর ঘেটর করার🙃
আপনি তাকে বলছেন ভুলে যেতে, কখনও কখনও ওই ঘটনায় ১% ও তার দোষ থাকলে সেটাকে মনে করাচ্ছেন বড় করে। বলছেন আপনি পরিস্থিতির শিকার ছিলেন!!
বিঃদ্রঃ আপনি পরিস্থিতির শিকার ছিলেন না। ওই ঘটনায় পক্ষপাতিত্ব আপনার চয়েস ছিলো।
কিন্তু কখনও সেই অতী পুরোনো ঘটনাটার পরিপূর্ণ সমাধান আপনি আজও করেন নাই।
সমাধান না করেই চাইছেন ভুলিয়ে দিতে। যেই ঘটনায় আপনার বউ ভিক্টিম ছিলো ওই ঘটনা আপনার জন্য ভোলা যতটা সহজ,, বউয়ের জন্য ততটাই কঠিন।
অনেক পুরোনো ঘটনা তো? মানে বিয়ের পর পরের কিছু ঘটনা। আপনার বউয়ের বয়স অনেক কম ছিলো, সরল ছিলো, কোমল মন ছিলো...
সেই কোমল মনে আপনি এবং আপনারা খুব যত্ন করে গভীর ক্ষত দিয়ে গভীর দাগ তৈরী করে দিয়েছেন। সেই দাগ কি আর এম্নেই উঠে!! ওই কোমল অন্তর তো এখন আর আগের মত কোমল নাই, শক্ত পাথরে পরিনত হয়েছে। পাথরের দাগ কি অতো সহজে ওঠে!!
ওইটা প্লাস্টিক সার্জারি করতে হবে। তা না করে নাপা আর ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দমানোর চেষ্টা করলে তো আর রোগমুক্তি মিলবে না।
তারচেয়ে ভয়াবহ হয় যখন ওই ক্ষতগুলো আপনি আর আপনারা বউয়ের প্রেগ্নেন্সি অথবা বাচ্চা ছোট থাকা কালীন অবস্থায় তৈরী করেন। তখন একটা মেয়ে তার জীবনের সবচেয়ে দূর্বল আর অসহায় অবস্থায় থাকে।
তখনকার দেয়া আঘাত সারা জীবন আগ্নেয়গিরির আগুন হয়ে তার অন্তরে জ্বলবে,, আর সেই আগুনে আপনার সংসার, আপনি আজীবন পুড়বেন।
পুরোনো ক্ষততে যখন তখন মলম লাগালেই হয়তো সেরে যেতো৷ কিন্তু সেই ক্ষতকে আপনি অযত্ন আর অবহেলায় ফেলে রেখে সেটাকে ক্যান্সারের রুপ দিয়েছেন।
তারপরেও আজও সেটার ট্রিটমেন্ট না করে দমিয়ে রেখে সুখী থাকতে চান বউ, বাচ্চা নিয়ে!!!!!!!!
এই একই চাওয়া সেই নতুন বউটার, নতুন বাচ্চার মা টার ছিলো৷ আপনাকে আর আপনার সন্তানকে নিয়ে সুখী হওয়ার চাহিদায় সে সুখ ভিক্ষা চাইতো।
আর আপনি পরিস্থিতির শিকার বলে, গায়ের জোরে, পুরুষত্ব দেখিয়ে, নিজের পরিবার, প্রয়োজনে বন্ধুবান্ধব মিলে বউকে দমন করতেন!!
বউ ছিলো একা ঢাল, তলোয়ার বিহীন এক মজলুম। আর আপনারা ছিলেন সদলবলে অস্ত্রসমেত আঘাতকারী।
এখন একবার নিজের দিকে তাকান। বউয়ের অন্তরের এই ক্যান্সার যেই দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সেটা শুকতে আপনার পরিবার বা বন্ধু কেও আপনার পাশে নেই। একা একা একটা ডাইনি নিয়ে সংসার করছেন।
যে ডাইনিটা একদিন মমতার হাত বাড়িয়েছিলো আপনাকে নিয়ে সুখী হওয়ার আশায়। কিন্তু আপনি তাকে প্রত্যাখ্যান করে আজকের এই ডাইনি, অতৃপ্ত আত্মার রুপ দিয়েছেন.......
゚ #বেশিরভাগ_পুরষ_মানুষগুলা_এমন_কেনো
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Dhaka
03/02/2026