Abdullah idrish

Abdullah idrish

Share

দপ্তর সম্পাদকঃখাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশ, [email protected]

11/05/2026

# #জাতীয়_স্বেচ্ছাসেবক_কমিউনিটি_এর_আনুষ্ঠানিক_যাত্রা_শুরু # #

আজ ১১ মে ২০২৬ সোমবার বেলা ১১ টায় জামিআ ইসলামিয়া আশরাফুল উলুম ছনটেক মহিলা দপ্তরে স্থানীয় উলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জামিআ ফারুকীয়ার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামীম মাওলানা মুফতি ওমর ফারুক ইবনে আলী ।

উক্ত সভায় উলামায়ে কেরামের বিভিন্ন আলোচনার মধ্য দিয়ে রাসুল সা এর সমাজ সেবা মূলক কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদেরকে সমাজ সেবা মূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে অদম্য স্পৃহা ব্যক্ত করেন ।এবং সকলের সর্বসম্মতিক্রমে একটি নামের উপর ঐক্যমত পোষন করেন যা #জাতীয়_স্বেচ্ছাসেবক_কমিউনিটি # নামে জি এস কে G.S.K নির্বাচন করা হয়।

সর্ব সম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয় নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি মুখলিছুর রহমান কাছেমীকে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন আল্লামা মুফতি আমজাদ হোসাইন হামজা সাবেক নাজেমে তালিমাত বি বাড়িয়া দারুল আরকাম মাদ্রাসা বর্তমান উস্তাজুল উলুমিশ শরইয়্যাহ মানারুল উলুম আফিয়া বাড়ি লক্ষিপুর।

অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে ইনশাআল্লাহ

03/05/2026

ঢাকার সেগুনবাগিচার খতিব ও প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী Abdul Qayum Sobhani নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী আমীর নির্বাচিত
হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মজলিসে শুরার অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানীকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী আমীর হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এর পূর্বে তিনি দলে নায়েবে আমীর ছিলেন।
গত (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আমীর মাওলানা সারোয়ার কামাল আজিজী এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব মুসা বিন ইযহার। বর্ষিয়ান আলেম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী ঢাকা মহানগর হেফাজতের সাবেক আমির ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুয়তের নায়েবে আমির। তার নেতৃত্বে দলটি আরো বেগবান ও গতিশীল হোক এই প্রত্যাশা করছি।

27/04/2026

কোনো মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও বরকতময় কাজ। এটি শুরু করার আগে সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক বা অবকাঠামোগত কোনো জটিলতা না হয়।
মাদ্রাসা শুরু করার আগে যে প্রধান প্রস্তুতিগুলো নিতে হয়, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. নিয়ত ও লক্ষ্য নির্ধারণ
খাঁটি নিয়ত: শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি এবং দ্বীনের খেদমতের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: মাদ্রাসাটি নুরানী, নাযেরা, হিফয নাকি কিতাব বিভাগ (দাখিল/আলিম) বা কওমী ধারার হবে, তা নির্ধারণ করতে হবে।
২. সঠিক পরামর্শ ও তত্ত্বাবধান (শূরা)
স্থানীয় বা স্বনামধন্য হক্কানী আলেম-ওলামাদের পরামর্শ নিয়ে একটি মজলিসে শূরা (উপদেষ্টা পরিষদ) গঠন করতে হবে।
মাদ্রাসার প্রশাসনিক ও রুহানী উন্নতির জন্য অভিজ্ঞ পৃষ্ঠপোষক বা মুরুব্বি নির্ধারণ করতে হবে [১.১.১]।
৩. জমি ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি
জমি নিশ্চিতকরণ: মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত জমি প্রয়োজন। জমি অবশ্যই সম্পূর্ণ দায়মুক্ত (ঋণ বা মামলাহীন) হতে হবে এবং তা ওয়াকফ বা মাদ্রাসার নামে দলিলের ব্যবস্থা করতে হবে।
ভবন নির্মাণ: শ্রেণি কক্ষ, শিক্ষক কক্ষ, অফিস কক্ষ এবং আবাসিক মাদ্রাসা হলে ছাত্রদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নিশ্চিত করতে হবে।
সুযোগ-সুবিধা: বিশুদ্ধ পানি, বাথরুম, অজুখানা এবং খেলার মাঠের ব্যবস্থা থাকতে হবে [১.৪.৪]।
৪. পরিচালনা কমিটি গঠন
ম্যানেজিং কমিটি: মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য একটি দক্ষ ও দ্বীনদার ম্যানেজিং কমিটি বা 'মজলিসে আমেলা' গঠন করতে হবে [১.১.১]।
মুহতামিম/প্রধান শিক্ষক: যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং তাকওয়াবান একজন মুহতামিম বা অধ্যক্ষ নিয়োগ করতে হবে।
৫. শিক্ষক নিয়োগ ও কারিকুলাম
যোগ্য শিক্ষক: কওমী মাদ্রাসার ক্ষেত্রে দাওরায়ে হাদিস বা উচ্চতর ডিগ্রীধারী এবং আলিয়া মাদ্রাসার ক্ষেত্রে বিএমইবি (BMEB) অনুমোদিত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
পাঠ্যসূচি নির্ধারণ: নূরানী পদ্ধতি, বেফাক বা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সিলেবাস প্রস্তুত করতে হবে।
৬. প্রশাসনিক ও আইনি প্রস্তুতি (বাংলাদেশে)
সরকারি অনুমোদন: আলিয়া ধারার হলে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে 'স্থাপন অনুমতি' ও 'পাঠদান অনুমতি' নিতে হবে [১.৩.১]।
জমির কাগজ: জমির অখন্ডতা, মালিকানা সম্পর্কে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে [১.৩.২]।
কওমী বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন: কওমী মাদ্রাসা হলে সংশ্লিষ্ট বোর্ড (যেমন- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ) থেকে রেজিস্ট্রেশন বা অনুমোদন নিতে হবে [১.৪.৫]।
পরিদর্শন: স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিদর্শন প্রতিবেদন (Inspection Report) প্রস্তুত করতে হবে।
৭. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
তহবিল: প্রাথমিক খরচের জন্য স্থায়ী তহবিলের ব্যবস্থা করতে হবে।
আয়-ব্যয়: মাদ্রাসার নিয়মিত খরচের জন্য যাকাত, সদকা, কুরবানির চামড়া বা দান-অনুদানের সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে।
৮. নাম ও গঠনতন্ত্র প্রণয়ন
নামকরণ: মাদ্রাসার একটি সুন্দর ও অর্থবহ নাম নির্ধারণ করতে হবে।
গঠনতন্ত্র (Constitution): মাদ্রাসা পরিচালনার যাবতীয় নিয়ম-কানুন, কমিটির দায়িত্ব, শিক্ষকদের অধিকার ও ছাত্রদের শৃঙ্খলা নিয়ে একটি লিখিত গঠনতন্ত্র তৈরি করতে হবে [১.৫.৫]।
মাদ্রাসা স্থাপনের আগে এই প্রস্তুতিগুলো নিলে প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্ব এবং শিক্ষার গুণমান বজায় রাখা সহজ হয়।

Photos from Khedmate Khalq Media's post 19/03/2026
12/03/2026

আজ রাতই শবে কদর

আজ বৃহস্পতিবার ২৩তম রজনী। আজ একদিকে যেমন বেজোড় রাত আবার অন্যদিকে জুমার রাতও বটে । আজকে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।

📌 ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি রহ.তাঁর বিখ্যাত কিতাব "লাতায়েফুল মাআ'রিফ"-এ ইবনে হুবাইরা রহ.থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন:
“যখন জুমার রাত কোনো বেজোড় রাতের সাথে মিলিত হয়, তখন সেটি লাইলাতুল কদর হওয়ার আশা অন্য রাতগুলোর তুলনায় বেশি হয়।”।

📌 ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন:
“যদি জুমার রাত শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর কোনো একটি রাতের সাথে মিলিত হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ সেটি লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়।”

📌 শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বায রহ বলেছেন- যে কিছু আলেম বলেন:
“যদি বেজোড় রাতগুলোর কোনো একটি রাত জুমার রাতের সাথে মিলে যায়, তবে সেটি বেশি গুরুত্ববহ এবং লাইলাতুল কদরের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।”

এবং একই কথা শায়খুল কুরআন ওয়াল হাদিস আল্লামা মুফতি যারওয়ালী খান সাহেব রহ.ও উল্লেখ করেছেন।

সুতরাং আমাদের উচিত এই রাতগুলোর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া, বিশেষ করে এই রাতে ইবাদত, দোয়া এবং নেক আমলে বেশি পরিশ্রম করা।

আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে লাইলাতুল কদরের রাতে ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Afm akram

18/02/2026

সামনে কার পদত্যাগ

জামাত এবং বিএনপর সাথে জোট করায় কওমী আলেমদের উদেশ্য করে যা বললেন শায়খে যাত্রাবাড়ী | Mahmudul Hasan 17/02/2026

জামাত এবং বিএনপর সাথে জোট করায় কওমী আলেমদের উদেশ্য করে যা বললেন শায়খে যাত্রাবাড়ী | Mahmudul Hasan জামাত এবং বিএনপর সাথে জোট করায় কওমী আলেমদের উদেশ্য করে যা বললেন শায়খে যাত্রাবাড়ী | Mahmudul Hasan

16/02/2026

সাধারণত ধর্ম ভিত্তিক দল গুলো বায়তুল মোকাররম এর গেট থেকে বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে প্রোগ্রাম করে। প্রথমত নেতা কর্মীদের নামাজের ব্যবস্থা থাকে দ্বিতীয়ত ধর্ম ভিত্তিক দলের কথা বার্তা দাবী দাওয়া মুসল্লিরা বেশি শুনবে গুরুত্ব দিবে। প্রেস ক্লাবের সামনে রাস্তা ঘাটে অন্য কোথাও শ্রোতা জমানো কঠিন । এখন এগারো দলে সকল শ্রেণীর লোক আছে এমন কি মেয়েরাও আছে মেয়েরাও মিছিলে যোগদান করেন ফলে ধর্ম ভিত্তিক দল যেসব কারনে বায়তুল মোকাররম থেকে প্রোগ্রাম করে বর্তমান এগারো দলে সেই সব কারন নাই ফলে পার্টি অফিস বা অন্য কোথাও প্রোগ্রাম করা উচিত।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Jatrabari. Dhaka
Dhaka
CHIRMAN