Gen Alpha

Gen Alpha

Share

ফলো দিয়ে যুক্ত হয়ে যান “জেন-আলফা” জেনারেশনের সাথে...

18/05/2026

For every ten Griezmanns who “made the mistake” of joining Barcelona, there will always be one ‘Lewa’ ; enough to take Barcelona where they belong. And he’ll leave not with regrets, but with a piece of every culer’s heart.

We never had enough of you and we never got to show you enough gratitude. You mean nothing less than the world for us Mr. Goalski.

Sempre Barça 💜❤️

18/05/2026

স্কুলের বাচ্চাদের জন্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল সরকার। এর জন্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটও পাশ করেছে। অথচ এসব খাবারের বেশিরভাগই বাসি এবং পঁচা।

যে পাউরুটি দেয়া হয় সেটাতেও ফাঙ্গাস থাকে। এমনকি ওজন বেশি দেখাতে ভিজা পাউরুটিই দিয়ে দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে। ফাঙ্গাস থাকায় রুটি থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হয় , পোকা জমে থাকে।

রুটির সাথে যে ডিম দেয়া হয় সেগুলোও প্রায়ই নষ্ট থাকে। এমনকি ডিমের ওজনেও কম দেয়া হয়।

নিয়ম হচ্ছে ৬০ গ্রাম ওজনের ডিম দেয়া। অথচ মাত্র ৪০ গ্রাম ওজনের ছোট ডিম দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে যাতে বাকি টাকা ঠিকাদাররা চুরি করতে পারে।

শুধুমাত্র ডিম থেকেই প্রতিদিন ওরা ৩০ লাখ টাকা মেরে দেয়। সপ্তাহে মারে আড়াই কোটি টাকা।

কলাও কম ওজনের কাঁচা দিয়ে দেয়। কলা কাঁচা হওয়ায় বাচ্চারা ঠিকমতো খেতে পারে না। বাচ্চারা আফসোস করে বলেছে- কলা কষ্টি হওয়ায় একটু মুখে দিয়েই ফেলে দিতে হয়।

এসব নষ্ট এবং কাঁচা কলা দিয়ে ২ কোটি টাকার বেশি পকেটে ঢুকাচ্ছে ওরা।

শুধু রুটি কিংবা কলা থেকেই না এভাবে বাচ্চাদের প্রায় সব খাবারই পঁচা ,বাসি দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ভরছে ওরা। আর প্রতি মাসে চুরি করছে ৬৮ কোটি টাকা।

আই রিপিট ৬৮ কোটি টাকা!

আগের সরকার চুরি করতো টেন্ডার থেকে, রাস্তাঘাটের বাজেট থেকে। আর এখনকার বিএনপি সরকারের লোকজন চুরি করছে মাসুম বাচ্চাদের খাবার থেকে। ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে না ওরা।

স্কুলের বাচ্চারা বয়সে ছোট। ওরা ফাঙ্গাস কিংবা কেমিক্যাল তেমন একটা বুঝে না। মনের আনন্দেই সেসব খাবার খেতে নেয়।

অথচ এসব খাবার খেয়েই এখন পর্যন্ত ৩০০ বাচ্চা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চাপাইনবাবঞ্জের শুধুমাত্র এক স্কুলেরই ২০ টা বাচ্চা দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল।

ডাক্তাররাও জানিয়েছে স্কুলের এসব পঁচা বাসি খাবার খেলে বাচ্চাদের ডায়রিয়া ,আলসার, হেপাটাইটিস রোগ হতে পারে। এমনকি রেগুলার এসব খেলে লিভার পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মানে আপনার সুস্থ ,সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর আক্রান্ত হয়ে পড়বে মরণব্যাধি রোগে।

এখন ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট হয়েছে। কিছুদিন পর সেটা নাকি বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি করা হবে। কারণ বাজেট যত বেশি চুরি করার সুবিধাটাও তত বেশি।

স্কুলের বাচ্চাদেরকে এসব পঁচা বাসি খাবার দিয়ে টাকা চুরি করার কথা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে এমপি, মন্ত্রীরাও জানে কিন্তু কিচ্ছু বলে না কারণ ভাগের টাকা তাদের পকেটেও যায়।

সেই টাকায় তারা ঠিকই তাদের বাচ্চাকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ায়, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ায় অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাদের কপালে পঁচা ,বাসি খাবারই জুটে।

ঠিকাদাররাও এই চুরির টাকা দিয়ে বাড়ি কিনে, গাড়ি কিনে। সাধারণ জনগণের বাচ্চারা মরলে মরুক ,ওদের নিজের বাচ্চারা ভালো থাকলেই চলে।

আপনার বাচ্চাকে যত বেশি পঁচা খাবার খাওয়ানো যাবে তত বেশি চুরির টাকা ওদের পকেটে ঢুকবে।

স্কুলে বাচ্চাকে দুপুরের খাবার দেয়ায় আপনি হয়তো খুশি হচ্ছেন, একটু আনন্দিত হচ্ছেন অথচ এসব পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে আপনার সুস্থ-সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়বে, লিভার নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনি আপনার সুস্থ বাচ্চাটাকে স্কুলে পাঠাচ্ছেন পড়াশোনা করতে অথচ দিনশেষে ওরা আপনার বাচ্চাকে ফেরত পাঠাচ্ছে আলসার, লিভার নষ্টের মতো মরণব্যাধি রোগী বানিয়ে!

- Ibrahim Khalil Shawon

18/05/2026

একটা মায়ের এই লেখাটা পড়ে সত্যি বলতে বুকটা হুহু করে উঠলো… 💔
একজন মা কতটা অসহায় হলে এভাবে নিজের কষ্ট লিখে প্রকাশ করে, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝবে না।

১১ মাসের একটা বাচ্চা…
যে বয়সে সবচেয়ে বেশি দরকার যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আর নিরাপদ খাবার—
সেই বয়সেই তাকে রাত-বিরাতে বাইরে নিয়ে যাওয়া, কোলে নিয়ে সিগারেট খাওয়া, চিপস-চকলেট-প্যাকেট জুস খাওয়ানো… এগুলো কেমন ভালোবাসা?

একজন মা বারবার নিষেধ করছে, কাঁদছে, বুঝাচ্ছে—
“ভাইরাস ছড়াচ্ছে, বাচ্চার ক্ষতি হবে…”
কিন্তু কেউ শুনছে না।
বরং লুকিয়ে লুকিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে!

সবচেয়ে কষ্টের জায়গা হলো,
মায়ের ভয়টাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়েছে।
বাচ্চাটা এখন ডায়রিয়ায় অসুস্থ, যে বাচ্চা হাঁটতে পারতো সে এখন বসেও থাকতে পারছে না…
একজন মায়ের বুকের ভেতর তখন কী ঝড় যায়, সেটা ভাষায় বোঝানো সম্ভব না। 💔

আমাদের সমাজে একটা অদ্ভুত ব্যাপার আছে—
অনেকেই ভাবে বাচ্চাকে আদর মানেই চকলেট, চিপস, জুস হাতে ধরিয়ে দেওয়া।
কিন্তু আদর মানে তো তার সুস্থতা নিশ্চিত করা, তার ক্ষতি না করা।

বিশেষ করে এখন, চারদিকে হামসহ কত রোগ ছড়িয়ে আছে…
ছোট্ট একটা শিশুর ইমিউনিটি কতটা নাজুক, সেটা বুঝেও যারা এমন করে, তাদের এই “অতিরিক্ত আদর” আসলে ভয়ংকর অবহেলা।

একজন মা তার সন্তানের জন্য নিজের ক্যারিয়ার, ঘুম, স্বস্তি—সবকিছু ত্যাগ করে।
তাই অন্তত তার কথাটুকু শুনুন।
কারণ মায়ের চেয়ে সন্তানের ভালো আর কেউ কখনো বুঝে না। ❤️

18/05/2026

একটা ছেলের আশায় একে একে জন্ম নিলো ৯টি মেয়ে…

চারপাশের মানুষ তখন শুধু তিরস্কারই করেছে।
কেউ বলেছে, “এত মেয়ে!”
কেউ আবার আমার স্বামীকে পর্যন্ত বলেছে আমাকে তালাক দিতে।

কিন্তু মানুষটা কখনো আমার হাত ছাড়েনি।
বরং প্রতিবারই বলেছে,
“আল্লাহ যা দিয়েছেন, সেটাই আমার নিয়ামত।” ❤️

আজ সময় বদলেছে…
আজ সেই ৯ মেয়েই আমার সবচেয়ে বড় গর্ব।

এক মেয়ে আর্মিতে দেশের সেবা করছে,
এক মেয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছে,
এক মেয়ে কলেজ শিক্ষক,
দুই মেয়ে ইউনিভার্সিটির শিক্ষক,
আর তিন মেয়ে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

যে মানুষগুলো একসময় কটূ কথা বলেছিল,
আজ তারাই আমাকে “রত্নগর্ভা মা” বলে ডাকে।

আসলে সন্তান ছেলে না মেয়ে—এটা নয়,
সঠিক ভালোবাসা, শিক্ষা আর মূল্যবোধই একজন মাকে সত্যিকারের সম্মান এনে দেয়। ❤️

18/05/2026

আজকে আবারও একখান ঐতিহাসিক কমেডি উপহার দিলেন পাটওয়ারী! 🤣

ইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনেই দাঁড়িয়ে বলে দিলেন—
“জাতীয় নির্বাচনে যা করছেন করছেন, লোকাল ইলেকশনে এইগুলা কইরেন না!”

মানে, জাতীয় নির্বাচন নাকি ট্রেইলার ছিল, আসল সিনেমা এখনও বাকি!
আর সেই সিনেমার “পরিণতি” কেমন হতে পারে, সেটারও ছোটখাটো টিজার দেখাইলেন।

এর আগেও নির্বাচনের দিনের সন্ধ্যার পরের ঘটনা নিয়ে এমন এক স্টেটমেন্ট দিছেন, পাবলিক হাসবো না কাঁদবো বুঝে উঠতে পারে নাই।

তিনি বললেন—
“যখন আফরোজা আব্বাস বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সামনে ৫-৬ হাজার লোক এনেছিল, আমি ডাক দিলে সেখানে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ লোক আসতো।”

এইখানে সাধারণ মানুষের একটা ছোট্ট প্রশ্ন—
তাইলে আনলেন না ক্যান? 😶

এরপরই এন্ট্রি নিল “মানবিক পাটওয়ারী” চরিত্র।

“আনলে সেখানে রক্তাক্ত মারামারি হতো, লাশ পড়ত। হাসপাতালে যে বাবার ছেলে মারা যেত, তাকে আমি জবাব দিতে পারতাম না। তাই সরে এসেছি।”

মানে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবার—
১ লাখ লোক রেডি ছিল, কিন্তু মানবতার স্বার্থে বাসায় বসাই রাখা হইছে! 🙂

তবে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তিনি আবারও দিলেন। বললেন—
“ইনশাআল্লাহ, এটার বিচার বাংলাদেশে হবে। এই নির্বাচন কমিশনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের বিচার ভবিষ্যতে করবো।”

সবচেয়ে মজার অংশ হইলো, এতসব আগুনঝরা বক্তব্যের পর বিএনপি-জামায়াত নেতাদের নিয়ে সেই ইসির কর্মকর্তাদের সাথেই আবার হাসিমুখে ছবি তুললেন! 📸

আর সেই ছবিতে সিইসির মুখের এক্সপ্রেশন দেখে মনে হচ্ছিল—
“ভাই, তুমি কি আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতেছো, নাকি আমাদের সাথেই আছো—একটু ক্লিয়ার করো!” 😭

মনে মনে হয়তো উনিও বলতেছিলেন—
“তোর জ্বালায় আর বাঁচলাম না রে পাটওয়ারী!” 🤣

18/05/2026

প্রথম আলোর স্যাটায়ারের সৌন্দর্যটাই আলাদা।
তারা কাউকে সরাসরি আক্রমণ করে না—শুধু এমনভাবে নাম বদলায়, যেন ব্যঙ্গটা নিজেই হেঁটে এসে থাপ্পড় মেরে যায়।

তারেক রহমানকে বানায় —
“তারেক রহমান।”

ডা. শফিকুর রহমানকে বানায় —
“চুমু-শফিক।”

আর নাহিদ ইসলাম?
ওনার ভাগ্যে জোটে —
“নাহিদ সাহেব।”

এইটাই তো আসল স্যাটায়ার!
যাকে “আব্বা” না ডাকলে চাকরি, সুবিধা, কিংবা পিঠের ছাল—কোনোটাই নিরাপদ না, তাকে “আব্বা” ডাকাটাই সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গ।

প্রথম আলোর আনিসুল হকও একসময় শেখ হাসিনাকে নিয়ে স্যাটায়ারের বই লিখেছিলেন। নামই ছিল—
“হাচু আপা, তোমার আব্বাকে কি আমি আব্বা ডাকতে পারি?”

এই এক লাইনের মধ্যেই পুরো রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক্স-রে করে ফেলেছিলেন তিনি।
কারণ এই দেশে অনেকেই আদর্শে না, টিকে থাকার স্বার্থে “আব্বা” ডাকে।
আর স্যাটায়ার তখনই সফল হয়, যখন মানুষ হাসতে হাসতে নিজের চারপাশের বাস্তবতাটা চিনে ফেলে।

Photos from Stories with Shakil's post 18/05/2026

“One left for glory, while the other gave up glory for the club.” 💜

18/05/2026

যাকে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে, সে যদি একদিন হাত ছেড়ে দেয়—তাহলে সেই মানুষটা কোথায় যায়?

আমি বলছিলাম রাজশাহীর মেয়ে উম্মে হাবিবা মীমের কথা।

ক্লাস নাইনে থাকতেই ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন তিনি। অনেক স্বপ্ন ছিল—একটা সুন্দর সংসার, ভালোবাসায় ভরা জীবন। কিন্তু সেই স্বপ্ন খুব বেশি দিন টেকেনি।

বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। এরপর থেকেই শুরু হয় শারীরিক জটিলতা—রক্তবমি, নাক-কান-চোখ দিয়ে রক্ত পড়া। পরে ডাক্তাররা জানান, এটি এক বিরল ধরনের ব্লাড ক্যান্সার।

একদিকে কঠিন রোগের লড়াই, অন্যদিকে জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাত—প্রিয় মানুষটির বিচ্ছেদ। শুধু বিচ্ছেদই নয়, বিচ্ছেদের মাত্র ১৮ দিনের মাথায় সেই মানুষটি আবারও বিয়ে করেন।

একজন মানুষের বয়স, স্বপ্ন, আর ভরসা—সবকিছু যেন একসাথে ভেঙে পড়ে। এমন সময় মানুষ সাধারণত সবচেয়ে বেশি ভেঙে যায়, সবচেয়ে বেশি চায় পাশে কাউকে। কিন্তু সেই সময়ই যদি সবচেয়ে আপন মানুষটি দূরে সরে যায়, তখন কষ্টটা আর ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

তবুও মীম ভেঙে পড়েননি।

তিনি বলেন—
“আমি বাঁচতে চাই। মানুষের সহযোগিতায় যদি আমি বাঁচি, এটা আমার জন্য সৌভাগ্য হবে।”

এমন কথাই একজন ভাঙা মানুষের ভেতর থেকেও আশার আলো দেখায়।

মীমের মতো মানুষেরা সত্যিই হারিয়ে যাক না—তারা আবারও শক্ত হয়ে ফিরে আসুক, এটাই কামনা ❤️

18/05/2026

আমি অবাক হয়ে যাই, এনসিপি এখন পর্যন্ত শাহাদাতকে নিয়ে কোনো কর্মসূচি দেয়নি!

হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী তিনি মেয়র হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—হাইকোর্ট কি কখনো নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে পারে? কোর্ট সর্বোচ্চ আগের ফলাফল বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে পারে, কিন্তু জনগণের রায় দেওয়ার ক্ষমতা কোর্টের আছে কি?

নির্বাচনের পর হিসাব করলে তার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এরপরও তিনি মেয়র পদে আছেন। আবার বলা হচ্ছে, “আমি না থাকলে নগর এতিম হয়ে যাবে, তাই দায়িত্বে আছি।”

এটা সত্যিই হাস্যকর।

এরপর তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—নির্বাচিত সরকার বিএনপি তার কাজে কোনোভাবে ইন্টারফেয়ার করছে না, এবং এখনো পর্যন্ত তাকে অপসারণও করা হয়নি।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি কার্যত নির্বাচন ছাড়া মেয়রের পদ ধরে রেখেছেন। অথচ কেউ কেউ বলছে, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী তিনি বৈধভাবে আছেন।

আবার তিনি প্রশ্ন তুলছেন—হাইকোর্ট কি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে পারে? বিষয়টি এখানেই বিতর্কিত হয়ে যাচ্ছে।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এনসিপি থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া বা কর্মসূচি দেখা যায়নি। কেন্দ্র থেকেও এ নিয়ে কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামে গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে। রাতে এনসিপি কর্মীদের গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। সেখানে “টু-লেট” টাঙানো হয়েছে। আজ সিএমপির মাধ্যমে সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এরপর আজ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা আবার গ্রাফিতি আঁকতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং টানাহেঁচড়া করে হেনস্তার ঘটনাও ঘটে।

প্রশ্ন হচ্ছে—পুলিশ দিয়ে গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? এর উদ্দেশ্য কী? এটি কি শুধুই ক্ষমতার প্রদর্শন ছাড়া আর কিছু?

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—এই বিষয়ে এনসিপি কেন কোনো কর্মসূচি দিচ্ছে না? গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে যদি এমন অবস্থান তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—তা ভাবার বিষয়।

18/05/2026

আবারও দারুণ রাজনৈতিক চাল খেললেন হাসনাত!

যাদের গায়ে লাগছে, তাদের কাছে এটা হয়তো “গেম”। কিন্তু বাস্তবে জনপ্রতিনিধির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা তো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব।

হাসনাত বললেন,
“আমার কাছে যত টাকাই বরাদ্দ আসুক, সেই টাকার হিসাব আমি দেই। গত মাসে সরকার থেকে আমাকে ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে জনগণের জন্য। আমি কাকে, কীভাবে দেব—সেটা আমার সিদ্ধান্ত, কিন্তু হিসাব আমি দেবই।”

এরপর তিনি জনতার দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন—
“আপনাদের এমপি কি এই হিসাব দেয়?”

সমস্বরে উত্তর এলো—
“না!”

এই এক প্রশ্নেই তিনি আসলে বড় একটা বিষয় সামনে এনে দিলেন। এখন এলাকার সচেতন মানুষ তাদের এমপিদের কাছেও একই প্রশ্ন তুলবে—
“হিসাব দেন।”

এর আগেও একটা খেজুরের হিসাব নিয়ে তিনি অনেক জনপ্রতিনিধিকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। এবার সরাসরি টাকার হিসাবের প্রসঙ্গ তুললেন।

সময়টা এখন অনেস্ট হওয়ার।
সময়টা মানুষের জন্য সত্যিকারের কাজ করার।

17/05/2026

এই ছবিটা খুব পছন্দ হয়েছে।

এখানে নাহিদ, রাকিব, মাহফুজ, মাসুদ, জুনায়েদ, রিফাত সবাই পাশাপাশি দাঁড়িয়েছে।

এদের মধ্যে কত বিচিত্র মতাদর্শ আছে! কত দলের লোক!

কিন্তু এক বিন্দুতে সবাই মিলে গেছে - জুলাই। সেই ঐক্য আবার দেখা গেছে।

কারিনা কায়সার তার প্রাপ্য সম্মান পেয়েছেন। জুলাইয়ের পক্ষের সবাই এভাবে সম্মানিত হবেন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka
Dhaka