Look back Muslim
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Look back Muslim, Digital creator, New York, NY.
*উম্মাহাতুল মু'মিনিনদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন*
যাইনাব বিনতে জাহাস (রা)। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর স্ত্রীদের বলেছিলেন, "তোমাদের মাঝে যার হাত সবচেয়ে বেশি লম্বা সে-ই সবার আগে মারা যাবে।" উনি এর দ্বারা বুঝিয়েছেন যে সবচেয়ে বেশি দানশীল। পরে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পরে তাঁর স্ত্রীদের মাঝে সবার আগে যাইনাব (রা) মারা যান।
*উনি কেমন বিস্ময়কর দানশীল ছিলেন তার একটি উদাহরণ দিচ্ছি।* হযরত ওমর (রা) এর শাসনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীরা সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রীয় ভাতা পেতেন। এর পরিমাণ ছিল বছরে ১২ হাজার দিরহাম! সে সময়ে এটি ছিল বিশাল অংকের অর্থ। এমন অর্থ পাওয়া ছিল রীতিমত সৌভাগ্যের ব্যাপার।
তো, যাইনাবকে ১২ হাজার দিরহাম প্রদান করা হয়। তার সামনে এগুলো ঢেলে দেওয়া হয়। স্বর্ণ মুদ্রার বিশাল এক স্তূপ! এটা দেখে তিনি বলতে লাগলেন-- "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। সুবহানাল্লাহিল আজিম। আল্লাহ আমাদের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।" এরপর তিনি সমস্ত অর্থগুলো পাড়া প্রতিবেশী সবার মাঝে বণ্টন করে দিলেন। অমুক বাড়িতে এই পরিমাণ, তমুক বাড়িতে ঐ পরিমাণ...। এভাবে শেষ পর্যন্ত আর একটি মুদ্রাও বাকি থাকলো না। ১২ হাজার মুদ্রার বিশাল এই স্তূপ নিঃশেষ হয়ে গেলো।
ওমর (রা) এটা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি যাইনাবের বাড়িতে এলেন। দরজায় নক করে বললেন, আমি শুনেছি যে আপনি সমস্ত অর্থগুলো দান করে দিয়েছেন। এই যে আমি আপনার জন্য আরও এক হাজার মুদ্রা নিয়ে এসেছি।
বলুন তো, যাইনাব এই নতুন এক হাজার মুদ্রা দিয়ে কী করলেন? তিনি এই এক হাজারও দান করে দিলেন। এরপর তিনি আল্লাহর কাছে দুয়া করেন- "ও আল্লাহ! পরের বছর আমি যেন এই মুদ্রাগুলো আর না দেখি।
" কারণ, *টাকা-পয়সা একটি বড় ফিতনা।* কল্পনা করুন, কেউ আপনাকে এখন এক কোটি টাকা দিলো। আপনি এই টাকা দিয়ে কী করবেন? আল্লাহর প্রশংসা করুন যে, আল্লাহ আপনাকে এমন বড় পরিমাণের টাকা দিয়ে পরীক্ষা করছেন না।
তো, পরের বছর অর্থ প্রদানের সময় হওয়ার পূর্বেই যাইনাব (রা) মৃত্যুবরণ করেন। ওমর (রা) তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান। যাইনাব তাঁর নামাজ রোজার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। আয়েশা (রা) নিজেই বলেছেন-"আমি যাইনাবের চেয়ে বেশি মুত্তাকী আর কাউকে দেখিনি।"
-ড. ইয়াসির কাদির আলোচনা থেকে
____`কঠিন জামানায়`
05/25/2025
ঈমান হোক পর্বতসম, নিয়ত হোক স্বচ্ছ
(একটি সত্য ঘটনা)
একজন লিবিয়ান যুবক, নাম তার আমের, সৌদি আরব যাচ্ছিল হজ করার জন্য।
যেইমাত্র সে এয়ারপোর্টে পৌঁছালো, তার নাম নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা তাকে বলল:
“একটু অপেক্ষা করো, আমরা চেষ্টা করছি সমস্যাটা সমাধান করতে।”
এই সময়ে অন্য সব হাজিরা তাদের প্রক্রিয়া শেষ করে প্লেনে উঠে পড়ল, আর প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর সমস্যা ঠিক হয়… কিন্তু পাইলট দরজা খুলতে রাজি হল না। প্লেন চলতে শুরু করল এবং আমেরকে ফেলে রেখে উড়ে গেল!
অফিসার তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল:
“মন খারাপ কোরো না, হয়তো এটা তোমার কপালে ছিল না।”
কিন্তু আমেরের ছিল অটল বিশ্বাস। সে উত্তর দিল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
হঠাৎ… খবর এলো, প্লেনটিতে যান্ত্রিক সমস্যা হয়েছে এবং তা ফিরে আসছে!
প্লেন ফিরে এলো, মেরামত করা হলো… কিন্তু তাও পাইলট আমেরের জন্য দরজা খুলতে রাজি হল না।
অফিসার আবার বলল:
“হয়তো তোমার ভাগ্যে নেই।”
কিন্তু আমের ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, স্থির ও দৃঢ়চেতা। সে বলল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
প্লেন আবার উড়ে গেল… কিছুক্ষণ পর আরেকটি খবর এলো:
প্লেনে আবারও সমস্যা হয়েছে!
এবার নিজেই পাইলট বললেন:
“আমি আর উড়ব না, যতক্ষণ না আমের প্লেনে ওঠে।”
শেষ পর্যন্ত… আমের প্লেনে উঠল, সৌদি এয়ারপোর্ট থেকে সে একটি ভিডিও করল —
তার আনন্দ ছিল বর্ণনার বাইরে!
“আল-কাহّহার” — এটি আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের একটি।
এর অর্থ:
তিনি কারণগুলোকেও পরাস্ত করেন।
আপনার জন্য সব নিয়ম ভেঙে দিতে পারেন, কেবল আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য।
তাই “কীভাবে”, “কখন” — এসব নিয়ে বেশি চিন্তা কোরো না…
যতক্ষণ তোমার বিশ্বাস থাকে যে আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান,
বিশ্বাস করো…
তিনি পরিস্থিতি উল্টে দেবেন, তোমার পথ সহজ করে দেবেন,
এমনকি অসম্ভবকেও বাস্তবে রূপ দেবেন।
শর্ত একটাই:
নিয়ত হোক পবিত্র, আর ঈমান হোক অটল।
শায়েখ আবু বকর হাফিঃ র পোস্ট থেকে নেওয়া।
ইয়ে/মে/ন থেকে তেল আবিবে
উপহার পাঠাচ্ছে।
আল্লাহু আকবর ☝️
একটু পরে কনফার্ম হবেন
কতজনের অক্কা-পাবার টিকেট হল....!
আলহামদুলিল্লাহ।
কতত দিন পর বৃষ্টি। গত এই দুইদিন ধরে আল্লাহর রহমত বয়ে আনুক এই বৃষ্টি।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
দরুদ মাখা হোক শুক্রবার।
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদ।
05/15/2025
এটি নামিবিয়া, যেখানে মরুভূমি সমুদ্রের সাথে মিলিত হয়েছে। সুবাহানআল্লাহ☝️
জুম্মার নামাজ শেষ। গরমে ঘামছি আর বাহিরে অনেক রোধ, যাই হোক আমার কলিজার টুকরো "মা" এর কবর জিয়ারত করতেই হবে ইনশাআল্লাহ ☝️ তাতে যত রোধ, গরম থাকুক। সেই মুহূর্ত নামাজ শেষে নিচে নেমেই দেখি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হচ্ছে।
05/03/2025
ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট। ❤️
মানবতার শত্রুরা আজ ভোর রাতে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রসাদের অতি নিকটে হামলা চালায়, প্রেসিডেন্ট আহমাদ আশ শারা তার মাত্র এক ঘন্টা পূর্বে প্রাসাদ থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে যান। প্রেসিডেন্টের পোশাক খুলে যুদ্ধের পোশাক পড়েন। সেখান থেকে নিজের টুইটার এ্যাকাউন্টে লেখেন,
”نحن لا نريد الحرب ولكن ان فرضت علينا جعلناها كصلاة العصر، لا شفع فيها ولا وتر“
" আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু আমাদের উপর যুদ্ধ চাপানো হলে আমরা তা বানিয়ে ফেলবো আসরের নামাজের মতো — না শুফআ, না উতরা"
না শুফআ, না উতরা– এই কথায় বোঝানো হয়েছে– আমরা নিজেদের থেকে যুদ্ধ শুরু করবো না, কিন্তু যদি বাধ্য করা হয়, তাহলে কঠিন, সোজাসাপ্টা জবাব দেব। কোনো ছাড় বা দয়া থাকবে না।
"আসরের নামাজ" এখানে প্রতীক — যাতে না আছে শুফআ (জোড় সুন্নাত), না উতরা (বেজোড় সুন্নত), আছে শুধু ফরজ — যেমন জবাবও হবে শুধু প্রয়োজনের মতো, কড়া ও সরাসরি।
04/23/2025
সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া চা ওয়ালা Narendra Modi
কাশ্মীরের নাটকটা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই!
ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনকে থামানোর জন্য এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করতে কাশ্মীরে একটি জ ঙ্গি নাটক সাজানো হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩২ জন টুরিস্টকে এই নাটকের ব লি দেওয়া হয়েছে।
এই নাটকটি মঞ্চস্থ করতে স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah নিজে কাশ্মীরে গিয়েছেন। নাটকটি এমন সময় সাজানো হয়েছে যখন নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
এই ঘটনার পর যাতে সৌদি প্রশাসন মুসলমানদের পক্ষে কথা না বলে, বরং ভারত তথা হিন্দুদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। তাই এই নাটক এমন সময়ে করা হয়েছে।
এখন ভারতে মুসলিম নি ধ নে র মাত্রা বহু গুণে বেড়ে যাবে।
ইতিমধ্যে দেখলাম আমাদের দেশের মিডিয়া গুলে ঢালাও ভাবে জঙ্গি হামলা বলে চালিয়ে দিচ্ছে,
আবার বর্তমান বিশ্বের সব থেকে বড় গা'-'দ্দার মুসলমানদের র-'ক্ত'-'ক্ষয়ী Donald J. Trump এই ঘটনার নিন্দা জানায়।
যেখানে ট্রাম্পের হুকমে ফি'-'লি'-'স্তিন মুসলিম নিরীহ নারী শিশু উপর প্রতি মিনিটে বো'-'মা হাম'-লা করে যাচ্ছে।
সর্বোপরি বলতে পারি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের,
দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব।
তারা ঐক্য হয়ে গেছে
আমরা কি ঐক্য হতে পেরেছি...?
04/23/2025
২২ এপ্রিল | এক কণ্ঠের জন্ম—যা এখনো বাতাসে জ্বলে ওঠে আগুন হয়ে!
১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে, এক শিশুর কান্না পৃথিবীকে আলতো করে ছুঁয়েছিল।
কে জানতো, সেই কণ্ঠ একদিন দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিধর সাম্রাজ্যকে ভীত করবে!
কে জানতো, সেই কণ্ঠ হবে সত্য ও তাকওয়ার আগুনঝরা শ্লোগান?
ড. আনওয়ার আল-আওলাকি (রহিমাহুল্লাহ)।
নিউ মেক্সিকোতে জন্মানো এক আ_মেরিকান নাগরিক,কিন্তু হৃদয়ে বহন করতেন উম্মাহর জ্বালা, আর কণ্ঠে ছিল মদিনার ইমান।
তিনি এমন ব্যাক্তি ছিলেন যিনি মডারেট স্যাকুলার মেরিকার মিম্বারে দাঁড়িয়ে গলা টান করে বলতেন—
“আল্লাহর আইনই হবে শাসনব্যবস্থা,
এই উম্মাহ জাগবেই,
আর জালিমরা কাঁপবেই।”
তিনি কেবল বক্তা ছিলেন না, ছিলেন জ্ঞানী এক দাঈ—যার কণ্ঠে ছিল সিরাহ, যার চিন্তায় ছিল হিকমাহ,যার হৃদয়ে ছিল উম্মাহর কান্না।
তিনি জিহাদের ব্যাখ্যা দিতেন যুক্তি দিয়ে,
ইখলাস শেখাতেন সাহাবীদের ভাষায়,
আর আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করতেন
পশ্চিমা সভ্যতার হৃদয়ে দাঁড়িয়ে।
এই দাওয়াত ছিল এতটাই বিপদজনক
যে মেরিকা তাকে "word is more dangerous than weapon" আখ্যা দিয়েছিল।
তারা জানতো,
তাকে জেলে রাখা যাবে না,
তাকে থামানো যাবে না,
তাকে ভয় দেখানো যাবে না—
তাকে একমাত্র মেরে ফেললেই থামানো সম্ভব।
তাই ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর
ইয়েমেনের আকাশে পাঠানো হলো ড্রোন।
একজন নাগরিকের উপর নিজ (আমেরিকা) দেশেরই আকাশ থেকে বিচারবহির্ভূত হত্যা।
কারণ?
তিনি আল্লাহর দিকে ডাকতেন,
জুলুমের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতেন,
মুসলমানদের ঘুম ভাঙাতেন।
তাকে মেরে তারা ভাবলো আওয়াজ নিঃশব্দ হবে,
কিন্তু না, তার আওয়াজ আজো তরুণদের মনে আগুন তোলে,
তার চিন্তা আজো উম্মাহর দিকনির্দেশনা।
আল্লাহ তাকে শহিদ হিসেবে কবুল করুন।
04/23/2025
খবর হওয়ার কথা ছিল এটা,
খবর হয়ে গেল কাশ্মীর হামলা!
বন্ধুদেশের প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে গেলেন। বিমানের সিড়িতে পা রেখে সামনে দেখতে পেলেন- তার সম্মানে লাল গালিচা বিছানো হয়নি, বিছানো হয়েছে পুরনো পার্পেল কার্পেট। তার জন্য আরও সারপ্রাইজ ছিল। সিড়ি বেয়ে নেমে তিনি দেখতে পেলেন- তাকে রিসিভ করতে MBS আসেননি, এমনকি ঐ প্রদেশের গভর্নরও আসেননি, এসেছেন একজন ডেপুটি গভর্নর। তিনি যখন ভাবছেন- সামনে আর কী কী সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে! তখন নাটক সাজালো,নিজ সেনাবাহিনী দিয়ে হত্যা চালিয়ে দোষ দিলেন নিরীহ মুসলিমদের উপরে ,কাশ্মীরের হয়ে গেল নারকীয় হামলা, মুসলিম নিধনে আরো সহজ ভূমিকা রাখবে এই নাটক । তিনি দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর MBS এর সাথে মিটিং করে দুই দিনের সফর আধাবেলায় সমাপ্ত করে দেশে ফিরে ইজ্জৎ বাঁচালেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
New York, NY