Jarif & Raha
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jarif & Raha, Grocers, shahjadpur, Dhaka.
মেয়েদের জীবনে এমন একটা ফেইজ আসে যখন সে অন্য কারো ভ্যালিডেশন চায়না। একসময় মেয়েরা বোঝে, তার জন্ম অন্য কারো এটেনশন বা এপ্রিসিয়েশন পাওয়ার চেষ্টা করতে করতে নষ্ট করার জন্যও হয়নি। তার কনফিডেন্স, মেন্টাল পিস , তার পছন্দ অপছন্দ সব কিছুর কন্ট্রোল শুধু এবং শুধুমাত্র তার হাতে।
এসব বুঝতে একটু সময় লাগে, কারণ মেয়েরা মায়ের জাত। এদের অন্তর প্রয়োজনের থেকে বেশী কোমল। এরা কোমলতা দিয়ে, মায়া দিয়ে অনেক জটিলতার সমাধান করতে চায়। কিন্তু পৃথিবী ব্রুটাল জায়গা। এখানে মায়াকে দূর্বলতা মনে করা হয় আর সরলতাকে বোকামি।
জীবনে বেশ কয়েকবার মায়া দেখিয়ে ধরা খাওয়ার পরে তারা বোঝে, সে এমন কারো পেছনে এফোর্ট দিয়েছে যে তাঁকে ডিজার্ভই করে না।
আর এই জিনিস একবার বুঝে ফেলার পর
She doesn’t walk the same way anymore.
Her steps become firmer.
Her voice becomes clearer.
Her boundaries become non negotiable.
সে একসময় বোঝে, তার স্ট্যান্ডার্ড এর সাথে ম্যাচ করে না এমন কোন জিনিস লাইফে রাখাই যাবে না।
তাই একটা সময় সে আর ইমপ্রেস করতে চায় না, সে এক্সপ্রেস করে। সে প্লিজ করে না, চুজ করে।
সে রিয়েলাইজ করে, সম্পর্কে কম ভালবাসা থাকলে বা না থাকলেও অসুবিধা নাই, কিন্তু রেস্পেক্ট ১০০ পারসেন্ট থাকতে হবে ভাই। এই বিষয়ে কোন মুলামুলির অপশনই নাই।
এরপরের ফেইজ আরও অসাধারণ,
একটা সময় আসে যখন মেয়েরা আর কথা বলে না, তর্ক করে না, কাঁদে না, অধিকার চায়না, এমনকি সম্মানও চায়না।
না তারা যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছে বলে না,
কারন ততদিনে সে বুঝে ফেলে,
অপাত্রে ভালোবাসা দান করা তো পরের কথা, অপাত্রে একটা শব্দও ব্যয় করতে হয় না………..❤️
13/11/2025
আমার এক বান্ধবী তার হাজবেন্ডকে নাকি প্রায়ই Extra marital affair বিষয়ক একটা হুশিয়ারি দেয়। বলে,
- দেখ, আমি জানি আজকাল মানুষের কোন বিশ্বাস নাই। তোমারও যেকোন মুহূর্তে পা পিছলে যেতে পারে।
কিন্তু পিছলানোর আগে মনে রাখবা, সেই মেয়ের যেন ক্লাস থাকে। তাকে অবশ্যই আমার থেকে classy, আমার থেকে বেশী educated, যোগ্য হতে হবে। কোন এয়রা গ্যায়রার সাথে প্রেম করে আমাকে লজ্জায় ফেলবা না।
খবর্দার, কেউ যেন বলতে না পারে, তোমারে ছেড়ে এটা কি ধরসে?
হাস্যকর শোনালেও কথাটা খুব গভীর কিন্তু।
কেউ ছেড়ে গেছে it Matters.
কার জন্য বা কার সাথে গেছে it matters more.
সম্ভবত নিজের থেকে অযোগ্য কারো জন্য কেউ চিট করলে/ছেড়ে গেলে মানুষের আরো বেশী চিটেড লাগে......
অতএব চিটিং করলেও পার্টনারের সম্মানটা রাখা উচিত।
কিন্তু সমস্যা হলো, বেশীর ভাগ পুরুষ, সবচেয়ে আনন্দ পায় শিক্ষিত, সেলফ ডিপেন্ডেন্ট, বুদ্ধিমতী পার্টনারকে ঠকিয়ে। এবং যার সাথে জড়ায় সে বেশীরভাগ সময়ই তার বউ এর থেকে অযোগ্য কেউ হয়।
আনফরচুনেটলি, তারা এটা বোঝে না যে, যোগ্য নারীরা তাদের ভ্যালুয়েবল এনার্জি তাদেরই সবচেয়ে কাছের মানুষকে সন্দেহ করে নষ্ট করে না।
বরং তারা তাদের সমস্ত এনার্জি দিয়ে ভালোবাসে, পাশে থাকে, দায়িত্ব নেয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে চায়। আর বিশ্বাস করে, তার স্বামী বা পার্টনারও ঠিক এরকমই ভাবেন।
তাই আচমকা এইরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়লে কিছু সময়ের জন্য বুদ্ধিমতী নারীরাও এলোমেলো হয়ে যান, স্যু*সাইড করতে চান, কান্নাকাটি করেন, রিয়েকশন দেন।
তারপর, একটা সময় রিয়েলাইজ করেন, যে মানুষটার জন্য তার এত এত কষ্ট হচ্ছে, আসলে, সেই এই সব ডিজার্ভই করে না।
রিয়েলাইজ করেন, এইরকম বিশেষ ধরণের পুরুষের মধ্যে মধ্যে দুইটা জিনিস খুব চরম মাত্রায় থাকে।
একটা হলো পাহাড় সম “মেইল ইগো” তার সাথে নিজের মন গড়া “ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স”।
তারপর সে তার সেই মেইল ইগোকে স্যাটিসফাই করতে তারা নিজের থেকেও মূর্খ, ইনফেরিওর কাউকে খুঁজে নেয়………🙂
এই যে মানুষ দুঃখ দিতে দক্ষ ভীষণ, সেও জানুক আমি এখন হাসতে জানি, শ্যাওলা জমা পুকুর জুড়ে আমিও এখন রোদের মতো ভাসতে জানি।
08/09/2025
"নির্লজ্জ ও বেহায়া হয়েও যাকে আপনি অন্তরে ধরে রাখতে পারেন নাই, তার প্রতি আপনার বিশাল অবহেলা জন্মাক।
এরই নাম বেঁচে থাকা। "
28/10/2024
সফল হতে চান ❓❓❓
২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে।
প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা-
যারা আপনার চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে
বেশি পরিশ্রমী।এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না।
শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।
only your results are rewarded,not your efforts!!!!
আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!
আপনি বাড়তি কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি।শুধু ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।
আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।
নজরুলের প্রবন্ধ গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হওয়া যায় না।কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া যাবে না।সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।
স্টুডেন্ট লাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়।কেরিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায় মহা উৎসাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।
সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি?
আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর।
শুধু 'ওহ শিট','সরি বেবি','চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন চলবেন না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে গাড়িটা করে ইউনিভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?
একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে হয়।জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে লিখতে হলে
আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?"এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি
বলি,"অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্।সরি!"
রিপ্লাই আসে,"কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না। কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্ন ভাবে দিই।
আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি তাকে দেখে হাসতেন।এখন সময় এসেছে, আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।
জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলেন,যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন।
মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়!
কষ্ট করুন,লক্ষ্য ঠিক রাখুন,ব্যর্থ হবেন
কিন্তু থামবেন না,এগিয়ে যান--
১০০০ বার ব্যর্থ হলে তা থেকে ১০০০টা
শিক্ষা নিন,তারপর সফলতা পান।
23/10/2024
লেখাটা ভয়ঙ্কর সুন্দর!💜
"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির একটা ছেলের মারা যাওয়ার খবর দেখে হুট করেই মনে হলো, মৃত্যু ছাড়া আমাদের আসলে নিজের বলতে আছেটা কী?
এই ছেলেটা গ্র্যাজুয়েশন করেছে। বিয়ে করেছে। দুইটা বাচ্চা আছে। বৌ আছে। ৪১ তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েছে। ৪৩ তমর ভাইবাও দিয়ে ফেলেছে।
এই এতো এতো স্ট্রাগল, এতো এতো পরিশ্রম এক মুহূর্তে শূণ্য হয়ে গেল, ছেলেটার তাহলে নিজের বলে থাকলো কী?
ভালো ক্যারিয়ার, অসম্ভব পরিশ্রম করে তিলে তিলে গড়ে তোলা ক্যারিয়ার, এই ক্যারিয়ারটাও কি আসলে আমার নিজের? না তো। এই ক্যারিয়ারে মায়ের ভাগ আছে, বাপের ভাগ আছে, ভাইয়ের লেখাপড়া আছে, বোনের বিয়ে আছে, বৌ এর শখ আছে, বাচ্চার দুধ আর খেলনাও আছে।
এবং এই একটা ক্যারিয়ার বানানোর জন্য মানুষরে সবকিছুই ছাড়তে হয়। লিটারালি সবকিছুই। টাকার ব্যাপারটা তো আছেই, সময়ের ব্যাপারটাও খুব ভাইটাল। চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে বহু ছেলেমেয়ে ট্যুর দেওয়া ছেড়ে দেয়, বই পড়া ছেড়ে দেয়, প্রেম করা ছেড়ে দেয়, রেস্টুরেন্টে খাওয়া ছেড়ে দেয়, এমনকি অনেকে তো ইবাদত পর্যন্ত করতে পারে না।
একবার এক ভাইরে রাতের বেলা অনেক নামাজ পড়ার কারণ জিজ্ঞেস করে জানছিলাম, সারাদিন ল্যাবে কাজের ঠেলায় নামাজটা পর্যন্ত পড়তে পারেন নাই। খাওয়া তো দূরের কথা। মলিন হাসি মুখে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ধনী হইতে চাই না ভাই, শুধু এতোটুকু অবসর চাই, যতটুকু অবসর পাইলে আমি একটু শান্তিমতো নামাজটা পড়তে পারি।
কেউ সরারাত ফোন নিয়ে রাতে দাঁড়াইয়া থাকে, বাপ অসুস্থ, বাপের কাছে যাইতে পারে না। শুধুমাত্র একটা ক্যারিয়ারের জন্য। একটা ব্রাইট ফিউচারের জন্য।
সমস্যা হলো, ফিউচার প্ল্যানে আমরা সবকিছুই ইনক্লুড করি, শুধু মৃত্যুটা ছাড়া। আমাদের প্ল্যানে পরিবার থাকে, প্রেমিকা থাকে, গাড়ি থাকে, বাড়ি থাকে, বাট মৃত্যুটা থাকে না।
অথচ মৃত্যুটাকে প্ল্যানে রাখতে পারলেই কিন্তু আমার আপনার অনেক প্রায়োরিটি লিস্ট চেঞ্জ হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিন ট্যুরটা দিয়ে ফেলা যাবে, ওয়্যার এন্ড পিসটা পড়ে ফেলার সময় হবে, তাহাজ্জুদ পড়ার সময়টাও বের করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন, মৃত্যু ওয়েট করতেসে। আপনার হাতে খুব বেশি সময় নাই।
না, আমি নিজে বোহেমিয়ান টাইপ মানুষ না, আপনাকেও বাউন্ডুলে হতে বলতেসি না। বরং পরিবারকে আমরা ওউন করবো, ভালোবাসবো, দায়িত্ব পালন করবো, সবটাই করবো।
সাথে সাথে ওউন করে নিবো আমাদের দুর্বলতাকেও, আমাদের মৃত্যুকেও।
তখন দেখবেন, কিছু কাজ যেইটা আপনি একান্তই আপনার বলে অবহেলায় ফেলে রেখেছেন, কাজটা আপনার করা হয়ে যাবে। মৃত্যু আপনার পরিবারের পাশাপাশি আপনাকেও আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।
জীবন নিয়ে প্ল্যান করার সময় একটা জিনিস মাথায় রাইখেন, জীবনটা আপনার না। এইখানে আপনার ভাগ কম। আপনার জীবন আপনার চোখের সামনেই ভাগ করে নেবে আপনার পরিবার, আপনার বন্ধু বা আপনার আত্মীয়রা।
বাট মৃত্যুটা আপনার একান্তই নিজের। আপনার মৃত্যুর ভাগটা কেউ নেবে না, ঐটা আপনাকেই নিতে হবে। তাই, যে কোন প্ল্যানে জীবনের আগে মৃত্যুর কথাটা থাকা চাই। কষ্ট করতে করতে নিজেরে যন্ত্র করে ফেলার আগে মনে থাকা চাই কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের লেখা দুইটা লাইন,
"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
#সংগৃহীত
বছরের সবচেয়ে সুন্দর সময়…বাতাসে শীত শীত গন্ধ, কিন্তু ঠান্ডা পড়ে নাই। রাতের বেলা শিশিরে গাছের পাতা ধুয়ে যায়, কিন্তু কুয়াশাতে সব ঢেকে যায় না এখনো।
সবচেয়ে সুন্দর এই সময়ের বিকালগুলা। ঠান্ডা গরম কিছু নাই, স্নিগ্ধ নির্মল বাতাস। হাঁটতে বের হইলে রাস্তাঘাট, গাছপালা, নদী সবকিছু যেন বলতে থাকে, শীত আসতেছে, শীত আসতেছে…..❤️
- সংগৃহীত
30/09/2024
আলহামদুলিল্লাহ
30/09/2024
শুনলাম, অনেক বৃষ্টি হচ্ছে তোমার শহরে!
তুমি কিন্তু ভিজো না বৃষ্টিতে।
যদি তোমার ভুল ধারণা ধুয়ে যায়, তখন অনেক মনে পড়বে আমাকে..!!
🙂🌸
চিটাগাং গিয়েছি ... শুটকি কিনব বলে একটা দোকানে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম,,,,
“এটার দাম কতো?’
‘সাসশো’
“কতো ... সাতশো ??”
‘উহু ... একদাম সাসশো’
“কতো? চারশো??”
‘‘বাই সিম্পল খতা বুজেন না? খাগজ খলম এনে লিকে দিতে হবে নাকি যে?'
.. ইচ্ছে হচ্ছিলো, শুটকি রেখে এই কিউট বান্দাটারে কোলে করে ঢাকা নিয়ে আসি
শুধু চিটাগাং না... বাংলাদেশের যে প্রান্তেই যান; একবার তো সিলেটে যেয়ে একজন আমাকে বলছে, "আফনারে আমি বালাফাই... অন্য কেউরর লগে মাততাম ফারিনা"
.. বুঝলাম না, প্রথম পরিচয়েই মাতামাতির কি আছে 😑
দিনাজপুরের লোক, অপরিচিতদের তুই করে বলে... কিন্তু বাক্যের শেষে যেয়ে আপনিতে ফিরে আসে
“কিরে তুই হামার বাড়িত আইসলেন না”
ময়মনসিংহের মানুষ তো কথায় কথায় ইংলিশ বলে; “বাড়িত গেস লাইন??”
অন্য কেউ হয়ত হুট করে শুনলে ভাব্বে তার বাসার Gas line নিয়ে কোন প্রশ্ন করা হচ্ছে
কিন্তু আদতে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে 'বাড়ি গিয়েছিলেন?'
..একবার ‘ইঞ্জেকশান ভয় পায়’ এমন কিশোরগঞ্জের একজনকে জোরপূর্বক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো;
ডাক্তারঃ আপনার সমস্যা কি?
রোগীঃ মাতা বেদ্না। এইবাই বালা ঐয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না
ডাক্তারঃ আর কোন সমস্যা?
রোগীঃ শইল্ল জ্বর। বরি খাইলেই বালা অইয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না
ডাক্তারঃ বাথরুম ঠিকমত হয়? বেশী নরম না তো?
রোগীঃ অয় মানে, কি কইন ?!! মিল্লা মারলে আইন্নের কফাল ফাইট্টা যাইবো ... এরুম শক্ত ! ইঞ্জিশন লাকতো না।
..নোয়াখালীর মানুষ নিয়ে কথা বলা শুরু করলে লেখা শেষ করা যাবে না... সামান্য পানি, তাদের কাছে honey 😋
মনে আছে কয়েকদিন আগে বরিশালের লঞ্চের ডাইনিং রুমে এক ওয়েটারকে বললাম, “তরকারী এনে দেন তো এক বাটি”
সে উত্তর দিলো, ‘ট্যাংগা শালুনের হুররা চুক্কা’
আমি মুখ চোখা করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম তার দিকে... মনে মনে ভাবছি এটা কি কোড ল্যাংগুয়েজ? আলফা রোমিও টেঙ্গ টাইপ?
পরে শুনলাম তারা তেতুলকে বলে ট্যাংগা, তরকারির ঝোলকে বলে শালুনের হুররা আর টককে বলে চুক্কা
হোম পেইজে দেখলাম UNESCO has declared the Bengali language to be the sweetest language of the world.
আসলেই ব্যাপারটা সঠিক নাকি জানি না... না সঠিক না হওয়ার কোনও কারণ অবশ্য নেই
শুধু দেশের মাটিতে না, বিদেশের মাটিতেও আমরা এটা ধরে রাখতে পেরেছি
কয়েকদিন আগে ইংল্যান্ডে থাকে এমন এক বাসায় দাওয়াত খেতে গেলাম... তারা সিলেটি
সেই বাসার পিচ্চি বাচ্চার জন্য আমি কিছু প্ল্যাস্টিকের তেলাপোকা নিয়ে গেলাম
সে সেটা দেখেই বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড”
আমি তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনে মুগ্ধ... একদম ব্রিটিশ টান
আমি আবার তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনার জন্য ওকে তেলাপোকা গুলো দেখালাম
সে আবার বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড... আমি বুইফাই,,,,😜
Copied.
আমি খুব একটা মানুষের সমালোচনার আশেপাশে থাকিনা। অন্যের সফলতায় জ্ব'লি না। আমি কারো পরনিন্দায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক নয়। কোনো মানুষকে অহেতুক জাজ করা আমার ডিকশনারীতে নাই। না কারোর ক্ষতি চাই, না কারোর পেছনে লাগি। আমার নিজস্ব একটা ছোট্ট জগত আছে। সেই জগতে গুটিকয়েক নিজের মানুষের সাথেই নিজের মতো করে থাকি।
আমি শান্তিতে থাকতে ভালোবাসি। শান্তি পাবো এমন ভাবে চলার চেষ্টা করি। প্রয়োজনে জীবনে মানুষ কম থাকুক অথবা এক্কেবারেই না থাকুক তাও ভালো। কিন্তু যাদের উপস্থিতিতে আমার জীবন বিঘ্নিত হবে অশান্তি তৈরী হবে, আমার সময়ের অবমূল্যায়ন হবে এমন মানুষ এমন সঙ্গ আমার কোনোদিনও চাই না!'
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Shahjadpur
Dhaka
1212