PinkEver
Trusted Online Shopping for Girls in Bangladesh | Women Clothing | Hijab, Abaya, Gown, Borka, Dress
13/07/2017
ঘুরে আসুন মালিবাগ সমুদ্র সৈকত থেকে। ছুটির দিন সহ যেকোনো দিনেই প্রশান্তির জন্যে মালিবাগ বিচের সাথে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, পার্কি বিচ বা বাঁশ বাড়িয়া বিচের তুলনা করা অমূলক। হালকা রিফ্রেশমেন্টের জন্যে কম খরচে মালিবাগ বিচের বিকল্প হতে পারেনা।
21/05/2017
রাত ১১.৪৮ মিনিটে মহাখালী রাওয়া কনভেনশন হল থেকে ফোন আঃ মালেক ভাই আমাদের বিয়ের অনুস্টান শেযে ২০০ শত লোকের খাবার অবশিস্ট আছে , একমাত্র আপনিই পারেন ইহার সঠিক ব্যবস্থা করতে । মাত্র ঘুমিয়ে ছিলাম , আলহামদুলিল্লাহ বলে বিছানা থেকে উঠে আমার সহকর্মী ওয়াসিম , মুন , শামীম সরদার ও পারভেজ ভাইকে ফোন দিলাম । সবাইকে সময় দিলাম ২০ মিনিট । একসাথে সবাই জরিত হলাম উওরা হাউজবিল্ডিংয়ে । আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস খাবার প্যকেট করার পলিথিন ও ব্যগ নিয়ে আমি শামীম ও ওয়াসিম রওয়ানা দিলাম সিএনজি করে আর পারভেজ ভাই গেল তার মটর সাইকেল নিয়ে । মুন তিনটি গাড়ী পরির্তন করে আসছে মালিবাগ থেকে । পারভেজ ভাই আসছে টঙ্গী তার গাছ এলাকা থেকে । শামীম সরদার আসছে খীলক্ষেত লেকসিটি থেকে । গভীর রাত রাওয়া কনভেনশন হল কর্তৃপক্ষ আমাদের সময় দিল মাত্র ৩০ মিনিট । প্যকেট হল ২১৭ টি । খাবারের আইটেমে ছিল দেশী মুরগীর রোস্ট , খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী , টিক্কা কাবাব , জর্দ্দা মিস্টি , কাশ্মীরি স্পেশাল নান রুটি ও সালাত । দ্রুত প্যকেট করে রাত দেড়টায় চলে এলাম এয়ারর্পোট রেলস্টেশনে । এয়ারপোর্ট রেলস্টেশনে প্রতিরাত প্রায় দুই তিনশ ফকির , পাগল , পঙ্গু ও অসহায় মানুযগুলো অনাহারে বা অর্ধাহারে ঘুমিয়ে থাকে । অসহায় মানুযের বাস্তব চিত্রগুলো স্বচক্ষে না দেখলে বুজা যাবে না । একটা তৃপ্তির হাসি আমাদের চোখে মুখে ঢাকার শহরের ভি ভি আই পি খাবার আজকে ফকির মিচকিনরা খাবে । সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে প্যকেটগুলো দিলাম । আমরা শুধু বলেছি বিরিয়ানীর প্যকেট । ঘুমের ঘুরে প্যকেট গুলো নিল সবাই । প্রথমে বুজতে না পারলেও খাবার সময় অবশ্যই বুজবে কত সুসাধু খাবার । কারন প্রতিটা প্যকেটে ছিল ভরপুর মুরগী ও খাসীর মাংস । প্যকেটগুলো যখন রেলস্টেশনের একপ্রান্ত থেকে দিয়ে অন্য প্রান্ত শেয করে আমরা ফেরত আসি তখন আমরা দেখেছি অভুক্ত লোকগুলো ঘুম থেকে জেগে কত তৃপ্তির সহিত খাচ্ছে খাবারগুলো । কাজ শেয করে রাত ৩.৪৫ মিনিটে সবাই আসল আমার বাসায় , কারন এখন আর কারো বাসার গেট খুলবে না । সবাই ক্লান্ত কিন্তু অভুক্ত মানুযের খাবারের দৃশ্য গুলো চোখে বাসছিল বার বার।। রাত্রের বাকি সময়টা কাটালাম মনের খুব তৃপ্তি নিয়ে । সিএনজি ভাড়া সহ আমাদের খরচ হয়েছে ৬৭০/ টাকা । আমাদের এইসব পোগ্রামের খরচগুলো বহন করে আমাদের বড় ভাই Abu Taleb ভাই । সবার কাছে দোয়া চাই , এইসব কস্টকর কাজে মহান আল্লাহ যেন আমাদের শক্তি দেয় সহিবার ।
http://www.pinkever.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97/
আব্দুল মালেকের এক রাতের গল্প। রাত ১১.৪৮ মিনিটে মহাখালী রাওয়া কনভেনশন হল থেকে ফোন আঃ মালেক ভাই আমাদের বিয়ের অনুস্টান শেযে ২০০ শত লোকের খাবার অবশিস্ট আছে , একমাত্র আপনিই পারেন …
21/05/2017
http://www.pinkever.com/সেরা-৫-জন-মহিলা-সি-ই-ও/
বিশ্বের সেরা ৫ জন ক্ষমতাসীন মহিলা সি ই ও এর কথা জেনে নিন । বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক আলোচিত বিষয়সমূহের মধ্যে একটি হচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন। বহুল আলোচিত ৫ জন ক্ষমতাসীন মহিলা সি ই ও এর কথা জেনে নিন
13/05/2017
মা দিবস হল একটি সম্মান প্রদর্শন জনক অনুষ্ঠান যা মায়ের সন্মানে এবং মাতৃত্ব, মাতৃক ঋণপত্র, এবং সমাজে মায়েদের প্রভাবের জন্য উদযাপন করা হয়। এটি বিশ্বের অনেক অঞ্চলে বিভিন্ন দিনে, সাধারণত মার্চ, এপ্রিল বা মে উদযাপন করা হয়। এটি বাবা দিবসের অনুপূরক, যা পিতার সম্মান প্রদর্শন জনক অনুষ্ঠান। এই মা দিবসের ইতিহাস পর্যালোচনা করতে গেলে দেখা যায় যে, ১৯০৭ সালের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মারা যান আনা জার্ভিসের মা অ্যান জার্ভিস। তার একবছর পর ১৯০৮ সালের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার (১০ মে) সকালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফিটন শহরে অবস্থিত একটি চার্চ প্রথমবারের মতো দিনটি উদযাপন করলেন আনা। যেখানে তার মা এ্যান জার্ভিস রোববারে পড়াতেন। বিকেলে তার নিজের শহর ফিলাডেলফিয়ায় মা দিবস পালন করেন তিনি। এরপর আমেরিকার প্রত্যেকটি অঙ্গরাজ্যের সরকারের কাছে তিনি দিবসটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার অনুরোধ জানান। ১৯১২ সালেই আমেরিকার কিছু অঙ্গরাজ্যে দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা দেয়। আর ১৯১৪ সালে এসে উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবসের মর্যাদা দিয়ে সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ওইদিনটি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। ১৯৬২ সালে এই দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবসের স্বীকৃতি পায়। অ্যান মেরি রিভস জার্ভিসের মতো দেশজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সব মাকে স্বীকৃতি দিতে আনা জার্ভিস প্রচার শুরু করেন। সাত বছরের চেষ্টায় মা দিবস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। অন্য আরেক ইতিহাস থেকে জানা যায় মা দিবসের’প্রচলন শুরু হয় প্রথম প্রাচীন গ্রীসে। সেখানে প্রতি বসন্তকালে একটি দিন দেবতাদের মা ‘রিয়া’; যিনি ক্রোনাসের সহধর্মিনী তার উদ্দেশ্য উদযাপন করা হতো। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় ‘মা দিবস’ পালিত হতো বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে। রোমানরা পালন করতেন ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে, তারা দিনটিকে উৎসর্গ করেছিলেন ‘জুনো’র প্রতি। ষোল’শ শতাব্দী থেকে এই দিনটি যুক্তরাজ্যেও উদযাপন করা হয় ‘মাদারিং সানডে’ হিসেবে। ইস্টার সানডের ঠিক তিন সপ্তাহ আগের রোববারে এটি পালন করেন তারা। নরওয়েতে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় রোববারে, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, লেবাননে বসন্তের প্রথম দিন অর্থ্যাৎ ২১শে মার্চে এই দিনটি উদযাপিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে দিনটি পালন করা হয়। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় রোববার নরওয়েতে, মার্চের চতুর্থ রোববার আয়ারল্যান্ড, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাজ্যে। বাংলাদেশে দিবসটি মে মাসের দ্বিতীয় রোববারে পালন হয় '।
http://www.pinkever.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/
মা দিবসের ইতিহাস । মা দিবস কি ভাবে শুরু এবং কেন ? মা দিবস হল একটি সম্মান প্রদর্শন জনক অনুষ্ঠান যা মায়ের সন্মানে এবং মাতৃত্ব, মাতৃক ঋণপত্র, এবং সমাজে মায়েদের প্রভাবের জন্য উদযাপন করা হয়। এটি বিশ্বের অনেক …
07/05/2017
নারীদের একটি বিরাট অংশ বর্তমান সময়ে ঘর ছেড়ে বাইরে কাজে যাচ্ছেন।নারীরা তাদের সময়ের কিছু অংশ বাইরের কাজে আর বাকী কিছু অংশ ঘরের কাজে ভাগ করে নেন। তবে বেশিভাগ নারীরা এই সময় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে জটিলতায় ভোগেন। তার জন্য ঘর আর কাজ সামলানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। আর তার উপর আরো জটিল সমস্যা হল সমাজের কর্মজীবি নারীদের প্রতি সবার দৃষ্টিভঙ্গি । কর্মজীবি নারীদের প্রতিনিয়ত শত শত অভিযোগ এর সম্মুখীন হতে হয় যত কষ্ট আর ক্লান্তি সবকিছু তারা হাসিমাখা মুখের আড়ালে লুকিয়ে ফেলেন খুব নিপুণ ভাবে। সংসার এর শ্বাশুড়ির সাথে বনিবনা থেকে শুরু করে সংসার টিকিয়ে রাখতে না পারা , সন্তানের লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়া, তাদের মাদকাসক্ত হয়ে পড়া , মুখরোচক খাবার না বানাতে পারা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা, অফিসে কাজ এর বাইরে বেশী কাজ না করতে পারা,যৌন হয়রানীর শিকার আর সব থেকে বড় হয় সমস্যা সন্তান সম্ভাব্য নারীদের । এসব দোষ এর আখড়া হয়ে ওঠে ওই কর্মজীবি নারীরা। কর্মজীবি নারীদের আন্দোলনের জন্য নারী দিবস ঘোষিত হলেও আজ ও তাদের মুক্তি মেলেনি। সংসার আর কর্মক্ষেত্রে সকল অনিয়মের দায় এই নারীর ঘাড়ে চাপিয়ে বাকিরা দায়মুক্তি খোঁজে। অর্থনৈতিক কারনে নারীর বাইরের কাজ করাটা কেউ কেউ মেনে নিলেও সব স্বাধীনতা এখনোও তারা পুরোপুরি পেয়ে ওঠেনি। এখনো ও নারীদের অনেক বাধা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। কর্মস্থলে যেমন তেমন কিন্তু ঘরের মধ্যে নারীর আত্মসম্মানবোধ এখনো প্রতিষ্ঠিত হয় নি। “সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে “ কিন্তু সুখের সংসার গড়ার জন্য সমান দায়িত্ব পুরুষের ও নেওয়া লাগবে। কর্মজীবি নারীর স্বামীকে কখনো না কখনো পরিবার বা বন্ধুমহলের কটুক্তির শিকার হতে হয়। কোন পুরষ তার স্ত্রীর কাজকে সম্মান করলে বা তার মতামতের গুরুত্ত্ব দিলে বন্ধু সমাজে তাকে নিয়ে হাসি মশকরা শুরু হয়। যার ফলে পুরুষটি ভাবতে বাধ্য হয় সে কতটা অবহেলিত করে। যার ফলে এগুলো নারী পুরুষ উভয় এর ই যোগ্যতা আর অহমিকাকে আহত করে। কর্মজীবি নারীরা অনেক ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাদের প্রধান সমস্যা হল তারা কাজ আর পরিবার এর মাঝে একটা সামঞ্জস্যরাখতে হিমশিম খেয়ে যান। আর আবেগের তাড়নায় আরো বেশী ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। কাজের এর চাপে নিজেদের যত্ন নিতেও বেগ পেতে হয় কর্মজীবি নারীদের। কাজ আর বাসার সমস্যাগুলো নিয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় ভাবতে থাকেন ফলে তাদের স্বাভাবিক কাজ কর্মে ও অনেক মুশকিল পোহাতে হয়। নিজের পেশা আর ব্যাক্তগত জীবন নিয়ে পরিকল্পনা করার মত সুযোগ করে উঠতে পারেন না। কর্মজীবি নারীদের সমস্যা সমাধানের কিছু উপায় প্রথমত, নিজের আবেগগুলোকে প্রাধান্য দেয়া। আবেগের সাথে থাকা। নিজের কষ্টগুলো অনুভব করা। কী হচ্ছে তাতে মনোযোগ দেয়া। নিজের সাথে নিজে কথা বলা। নিজের শরীরের যত্ন নেয়া। শারীরিক ব্যায়াম বা কাজে ব্যস্ত থাকলে অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, রাগসহ সকল নেতিবাচক অনুভূতি থেকে দূরে থাকা যায়। নিজের পছন্দ অনুযায়ী সময় কাটানো। গল্পের বই পড়া, বিশ্রাম নেয়া, ঘুরতে যাওয়া, বন্ধুর সাথে সময় কাটানো। সর্বোপরি ইতিবাচক মনোভাবাপন্ন মানুষের সাথে সময় কাটানো। অফিসে বা বাসায় যে সমস্যাগুলো আয়ত্বের বাইরে, তা নিয়ে অতিরিক্ত ভাবার কিছু নেই। খুব গভীরে ঢুকে নিজের কষ্ট বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। খুব দ্রুত বা তাড়াহুড়ো করে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকা। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। একজন কর্মজীবি নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত শক্তিশালী। সর্বোপরি একজন কাউন্সেলরের সাথে দেখা করার বিষয়টি মাথায় রাখা যেতে পারে। একজন কাউন্সেলর ব্যক্তির ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারেন। একটি সময়সুচী তৈরি করুন যেটা ঘর আর কাজের মধ্যে যোগসুত্র তৈরি করবে। যদি আপনি আপনার সময় এর পুরোটাই বাইরের কাজ এ খরচ করে ফেলেন তবে এর বিরুপ প্রভাব আপনার উপর ই পড়বে। কর্মস্থল এ আপনার প্রাপ্তি আর কাজের সফলতা নিয়ে পরিবার এর সদস্যদের সাথে আলোচনা করুন। এতে একটা ভালো ভাবমূর্তি তৈরি হবে। নিজেকে কাজে এতো বেশী বিলিয়ে দেবেন না যাতে কাজ আপনার জীবন পরিচালিত করে। মাথায় রাখবেন জীবনের জন্য কাজ কাজের জন্য জীবন নয়। কাজের পাশাপাশি পরিবার প্রিয়মানুষ গুলোর খোজ খবর রাখুন তাহলেই কাজের মুল্যায়ন পাবেন। নিজের নমনীয়তা ধরে রাখুন যেমন অফিস এর চাপ ঘরে আনবেন না আর ঘরের চাপ অফিসে নিবেন না। দুই ক্ষেত্র কে দুই ভাবে বিবেচনা করুন। নিজের পেশা এবং ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে নিয়মিত পরিকল্পনা করুন।
http://www.pinkever.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/
কর্মজীবি নারীদের জিবনে যত সমস্যা ও সমাধানের কিছু উপায় নারীদের একটি বিরাট অংশ বর্তমান সময়ে ঘর ছেড়ে বাইরে কাজে যাচ্ছেন।নারীরা তাদের সময়ের কিছু অংশ বাইরের কাজে আর বাকী কিছু অংশ ঘরের কাজে ভাগ করে নেন।
03/05/2017
এখন ব্যায়াম করার বেশ কিছু ভালো জায়গা তৈরি হয়েছে যেখানে অর্থের বিনিময়ে আধুনিক ব্যায়ামের যন্ত্র ব্যবহার করে শরীর ফিট রাখা যায়। কিন্তু দশটা-পাঁচটা অফিস আর সাংসারিক বিড়ম্বনা সয়ে দৈনন্দিন রুটে জিম সংযোগ করতে অনেকেই হিমশিম খান।
ফলে দেখা যায়, জিমে যাওয়ার ব্যাপারটা কেবল মাসে মাসে জিম ভাড়া দেওয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে। আর তাই নিজেকে ফিট রাখতে সবচেয়ে কার্যকর হচ্ছে ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়াম। প্রতিদিন একটা ফ্রি সময়ে কিছুটা ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ প্রত্যেকেরই করা উচিত।
এতে আপনি শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই প্রফুল্ল থাকবেন। ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়ামের জন্য তেমন কোনো নিয়ম মেনে চলা দরকার হয় না। তবে ব্যায়ামের নিয়মগুলো একজন এক্সপার্ট থেকে জেনে নিন। বিস্তারিত নিচের লিঙ্কে
http://www.pinkever.com/free-hand-exercise-tips/
ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়াম কেন করবেন এবং করার উপকারিতা । প্রতিদিন একটা ফ্রি সময়ে কিছুটা ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ প্রত্যেকেরই করা উচিত। এতে আপনি শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই প্রফুল্ল থাকবেন।
02/05/2017
শরীর ভালো থাকলে যেমন কাজের স্পৃহা বাড়ে, তেমন মনও থাকে ফুরফুরে ও সতেজ। আর মন ভালো থাকলে সবকিছুই ভালো লাগে। তাছাড়া সুস্থ, সুন্দর ও ফিট শরীর সবারই কাম্য। তাইতো বলা হয় 'স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল'। স্বাস্থ্য ভালো তো সব ভালো। তবে সুস্থ থাকার জন্য সবাইকেই হতে হবে সচেতন, প্রতিদিন মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম। তাহলেই থাকবেন সুস্থ এবং হবেন সুন্দর দেহের অধিকারী।
সারাবছর নানা উপায়ে আমরা নিজেদের ফিট রাখার চেষ্টা করি। অনেক সময় সেটা মেনটেইন করা আমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ডায়েট কিংবা এক্সারসাইজের হিসাবটাও ভুল হয়ে যায়। এ সমস্যার সমাধান করা যায় ক্যালরি বার্নের মাধ্যমে। আর সেটার জন্য ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ হতে পারে একটি সহজ মাধ্যম।
এখন ব্যায়াম করার বেশ কিছু ভালো জায়গা তৈরি হয়েছে যেখানে অর্থের বিনিময়ে আধুনিক ব্যায়ামের যন্ত্র ব্যবহার করে শরীর ফিট রাখা যায়। কিন্তু দশটা-পাঁচটা অফিস আর সাংসারিক বিড়ম্বনা সয়ে দৈনন্দিন রুটে জিম সংযোগ করতে অনেকেই হিমশিম খান। ফলে দেখা যায়, জিমে যাওয়ার ব্যাপারটা কেবল মাসে মাসে জিম ভাড়া দেওয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে। আর তাই নিজেকে ফিট রাখতে সবচেয়ে কার্যকর হচ্ছে ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়াম। প্রতিদিন একটা ফ্রি সময়ে কিছুটা ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ প্রত্যেকেরই করা উচিত। এতে আপনি শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই প্রফুল্ল থাকবেন। ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়ামের জন্য তেমন কোনো নিয়ম মেনে চলা দরকার হয় না। তবে ব্যায়ামের নিয়মগুলো একজন এক্সপার্ট থেকে জেনে নিন।
নাচ, জগিং, সুইমিং, অ্যারোবিক্স, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা—সবই এক ধরনের ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ। এর মধ্য থেকে আপনার পছন্দের এক্সারসাইজটি বেছে নিন। ফ্রিহ্যান্ড করলে কোনো ইন্টারনাল বা এক্সাটারনাল ক্ষত হয় না, কারণ ফ্রিহ্যান্ডে কোনো ভারী এক্সারসাইজ ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এক্সারসাইজের মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায়। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ঘুমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। যোগাসন করার আগেও ওয়ার্মআপ করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে হার্ট এবং ফুসফুস ফাংশন ভালো হয়। ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজের মাধ্যমে খুব তাড়াতাড়ি ফিটনেস টার্গেট অ্যাচিভ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজের ফল দীর্ঘস্থায়ী। ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজের মধ্যে স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। ঘাড়, হাত, পায়ের জন্য উপযুক্ত বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ বেছে নিন। যারা নিয়মিত জিম করেন, তারা জিম শুরু করার আগে ওয়ার্মআপ করুন ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজের মাধ্যমে। যোগাসন করার আগেও ওয়ার্মআপ করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন।
উপকারিতা:
আরও পরতে লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ https://goo.gl/9zTDSF
http://www.pinkever.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8c%e0%a6%b6%e0%a6%b2/
নিজের ফিটনেস ধরে রাখার যত কলা কৌশল শরীর ভালো থাকলে যেমন বাড়ে কাজের স্পৃহা বাড়ে, তেমন মনও থাকে ফুরফুরে ও সতেজ। আর মন ভালো থাকলে সবকিছুই ভালো লাগে। তাছাড়া সুস্থ, সুন্দর ও ফিট …
29/04/2017
গ্রীষ্মের রৌদ্রদীপ্ত দিনে আপনি অনেক্ষন ধরে বাইরে ঘোরাঘুরি করেছেন আর তার ফলে আপনার রাত্রের শান্তিময় ঘুমের মাঝে অশান্তি সৃষ্টি করছে আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা বা মাথা ব্যাথা ? তাহলে আপনার জন্যে রয়েছে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস যা আপনার দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে আসবে। Read More https://goo.gl/HDkDxE
৫ টা বিষয় জানা থাকলে গরমে মাইগ্রেন ব্যাথা হবে না । - PinkEver গ্রীষ্মের রৌদ্রদীপ্ত দিনে আপনি অনেক্ষন ধরে বাইরে ঘোরাঘুরি করেছেন আর তার ফলে আপনার রাত্রের শান্তিময় ঘুমের মাঝে অশান্তি সৃষ্টি করছে আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা বা মাথা ব্যাথা …
23/04/2017
‘প্রথা ভেঙে কোনো কাজ করতে গেলে সবাই বাধা দেবে, এটাই স্বাভাবিক। চারপাশের মানুষ যতই বলুক তুমি পারবে না, সাফল্য ধরা দেবে ওই পা টেনে ধরা “না” কে না বলার মাধ্যমেই।’ বলছিল সালিহা রেহানাজ।
‘না’কে ‘না’ বলেই সাফল্য পেয়েছে এই কিশোরী। নারীর নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সালিহা উদ্ভাবন করেছে পরিবেশবান্ধব স্যানিটারি ন্যাপকিন। আর এই উদ্ভাবনের পথ ধরে সে অর্জন করেছে ‘গুগল সায়েন্স ফেয়ার ২০১৬’-এর ‘গ্লোবাল ফাইনালিস্ট’ খেতাব, যা তাকে আরও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। সালিহা থাকে থাইল্যান্ডে।
‘না’কে ‘না’ বলেই সাফল্য পেয়েছে সালিহা রেহানাজ – PinkEver Only One Platform for Women
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka