Daily Update
Update Yourself With Daily Update
18/05/2026
Hasnat Abdullah
16/05/2026
ব্রাজিলের ছেলেদের বাসের ভেতর উদ্দাম নাচ, ঘরের মাঠে মেক্সিকোর মেয়েদের ট্রফি উঁচিয়ে ধরা আর বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড দল ‘ইউটু’র সুরের মূর্ছনায় মেক্সিকোয় উৎসবের রং ছড়িয়েই শেষ হলো ‘স্ট্রিট চাইল্ড ওয়ার্ল্ড কাপ’। ফুটবল ও সংগীতের এই মেলবন্ধনে মেক্সিকো সিটি যেন মেতে উঠেছিল দারুণ উৎসবে।
৬ মে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টের পঞ্চম আসরে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশের ২৮টি দলের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুরা অংশ নেয়। গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটির উপকণ্ঠ টেক্সকোকোয় টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনালে বাড়তি দ্যুতি ছড়ায় আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত রক ব্যান্ড ‘ইউটু’। ছেলেদের ‘শিল্ড’ ফাইনালের আগে টস করতে মাঠে নেমেছিলেন ব্যান্ডের ড্রামার ল্যারি মুলেন জুনিয়র। আর সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে তরুণদের এই লড়াইয়ে তালি দিয়ে উৎসাহ জোগান বোনো, দ্য এজ ও অ্যাডাম ক্লেটনের মতো তারকারা। খেলা চলাকালে ইউটু ব্যান্ডের গায়ক বোনো দর্শকদের তরুণ ফুটবলারদের দিকে মনোযোগ দিতে ইশারাও করেন।
‘স্ট্রিট চাইল্ড ইউনাইটেড’–এর প্রধান নির্বাহী ও সহপ্রতিষ্ঠাতা জন রো বলেন, ‘এটি স্ট্রিট চাইল্ড ওয়ার্ল্ড কাপের পঞ্চম আসর। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বমঞ্চে এই সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা। নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করা, শিক্ষার অধিকার, সহিংসতা থেকে সুরক্ষা ও লিঙ্গ সমতার মতো দাবিগুলো নিয়ে তারা কথা বলছে।’
জন রো যোগ করেন, ‘বিশ্বকাপের আবহেই আমরা তাদের এই ফুটবল বিশ্বকাপের আমন্ত্রণ জানাই। এর একমাত্র লক্ষ্য বিশ্ব গণমাধ্যমের নজর কাড়া, যাতে এই শিশুরা নিজেদের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের জীবনে একটি স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়।’
16/05/2026
স্বামীকে হত্যার পর টুকরো টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা
শরীয়তপুরের চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে রড দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর মরদেহ ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে রাখার অভিযোগ উঠেছে আসমা আক্তার নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। তিন দিন পর মরদেহের অংশ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়ে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে গিয়ে দুর্গন্ধে স্থানীয়দের সন্দেহ জাগে। পরে পুলিশকে খবর দিলে গ্রেপ্তার হন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদে সব কিছু স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আসমা।
জানা গেছে, পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা আসমা আক্তারের সঙ্গে শরীয়তপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদ এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের পরিচয় হয়েছিল মোবাইল ফোনে। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রায় আট বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এটি দুজনের জন্যই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। বিয়ের পর জিয়া সরদার আসমাকে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় রাখেন।
গত বছর জিয়া সরদার দেশে ফিরলে দুজনে মিলে চন্দ্রপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে। সেই কলহের জেরে চলতি মাসের ১২ মে রাতে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসমা স্বামী জিয়া সরদারের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে জিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান।
মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে আসমা এরপর ছুরি দিয়ে দেহটি কয়েক টুকরো করেন এবং হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখেন। তিন দিন পর, শুক্রবার সন্ধ্যায় অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রাম থেকে মরদেহের একটি অংশ বস্তায় ভরে আটং এলাকার বৃক্ষতলায় ফেলে আসেন। নিহতের চার হাত-পা ফেলা হয় নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীরে, যেগুলো পরে নড়িয়া থানা পুলিশ উদ্ধার করে।
এরপর দেহের মাংসের অংশ নিয়ে আসমা যান শহরের পালং এলাকায় তার পুরনো ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার ফ্রিজে রাখতে। কিন্তু তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। পুলিশ এসে আসমাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি সব কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে নয়টার দিকে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়।
নিহত জিয়া সরদারের আত্মীয় শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, ‘আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালীন ওই নারীকে বিয়ে করেন। ভাই দেশে আসার পর আলাদা একটি জায়গায় বাসাভাড়া নিয়ে থাকতো। কিছুক্ষণ আগে খবর পেয়েছি ভাইকে নাকি ওই নারী হত্যা করে ড্রামে ভরে মরদেহ ফেলে রেখেছে। ঘটনাস্থলে এসে দেখি সত্যিই এমনটা হয়েছে। পুলিশ ওই নারীকে আটক করেছে। আমি অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
অভিযুক্ত আসমা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করতো। ১২ মে রাতে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এতো জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে মরদেহ টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দেই। আমি একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এই ঘটনা কীভাবে ঘটে গেলো বুঝতে পারিনি।’
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘আসমা তার স্বামী জিয়া সরদারকে হত্যার পর মরদেহের হাত-পা টুকরো করে মাংস আলাদা করে ফেলে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ড্রামে ভরে অটোতে করে মরদেহের বিভিন্ন অংশ কয়েকটি জায়গায় ফেলে রাখেন। পরে মাংসগুলো তার সাবেক ভাড়াবাসায় ফ্রিজে রাখতে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বরে কল দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ড্রাম খুলে বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে সব কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, সে ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’
News collection from ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৯
16/05/2026
ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান! 🇧🇩
চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লায় বিএনপি নেতা-কর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় এবং ভালোবাসায় সিক্ত হলেন দেশনায়ক তারেক রহমান।
দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে—জনগণের ভালোবাসাই আমাদের আসল শক্তি।
02/04/2026
গরু মাংস ব্যান করা দরকার।এত টেস্ট কেন।সব দোষ গরুর মাংসের
#নিউজ
19/01/2026
এগুলা এনসিপি না এগুলা সন্ত্রাস
19/01/2026
এবার কি তাহলে নাহিদ পাটোয়ারীর পর তারেক রহমান সোকজ খাবেন?
#নির্বাচন
#তারেকরহমান
22/12/2025
এই নির্বাচনের যতগুলা নারী প্রার্থী আছে তার মধ্যে সবথেকে সুন্দর স্নিগ্ধ দেখতে তাসনুভা জেবিন।মাশাল্লাহ!
#এনসিপি
#তাসনুভাজেবিন
কেমন কেমন লাগে! আর এই কেমন কেমন লাগা থেকে কতকিছু বলা হয়না :(
27/04/2024
মায়েরা সন্তান জন্মদানের পর পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বা প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতায় ভোগেন।কিন্তু জানেন কি, সন্তান জন্মের পর এই বিষণ্নতায় ভোগেন বাবারাও?বৈশ্বিক চালচিত্রে ৮ থেকে ১৩ শতাংশ বাবা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বা প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতার ঝুঁকিতে আছেন।
শুধু তা-ই নয়, এই বিষণ্নতার কারণে বাবাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ছাপ পড়ে বাবা-মা-সন্তানের ত্রিভুজ সম্পর্কে। যদিও বর্তমানে, বিশেষ করে আমাদের দেশে বাবাদের প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারটি একেবারেই উপেক্ষিত। শুধু তা-ই নয়, শিশুটি যখন মায়ের গর্ভে বেড়ে উঠছে, তখনো কিন্তু বাবারা বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন, যা তাঁদের মানসিক সুস্বাস্থ্যের একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। কিন্তু মুশকিল হলো, আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ পুরুষকে তাঁর ভয় বা দুঃখজনিত আবেগ প্রকাশের অনুমতি দেয় না।
I know most boys feel restricted when expressing their thoughts and opinions. Let's talk to break this taboo and create an environment where everyone can express themselves without any fear. By the way, I came across an amazing article on this topic published by Ajker Patrika. Have a look!
মায়েদের পাশাপাশি প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতায় বাবারাও ভোগেন গর্ভকাল থেকে সন্তান প্রসবের এই দীর্ঘ সময়ে মায়েরা নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য় দিয়ে যান। ফলে মায়ের...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka