Islamic knowledge
To get Islamic tips everyday please follow our Page
ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় শিরক বলা হয়, কোনো জিনিসকে আল্লাহর সত্তা, গুণ অথবা কোনো কর্মের সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে। অন্যভাবে বলা যায়- আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করাকে শিরক বলা হয়। আর মুশরিক অর্থ- যে আল্লাহর ক্ষমতায় অন্য কারো অংশীদারিত্ব সাব্যস্ত করল।
আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে অংশীদার সাব্যস্ত করার ব্যাপারে নিষেধ কোরআনে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন লোকমান উপদেশস্বরূপ তার ছেলেকে বলল- হে ছেলে! আল্লাহর সাথে শরিক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সাথে শরিক করা মহা অন্যায়।’ (সূরা লোকমান, আয়াত, ১৩)
হিংসা-বিদ্বেষ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটায়। হিংসা হিংসুককে তিলে তিলে ক্ষয় করে। হিংসার কারণে একজন মানুষকে উপর থেকে সহজ-স্বাভাবিক দেখালেও সে ভেতরে ভেতরে অশান্তিতে পুড়তে থাকে। এর প্রভাবে দুর্বিষহ হয়ে উঠে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন।
দ্বিনের পথে বাধা দানকারীরা যত কৌশল অবলম্বন করুক, তারা যতই প্রভাবশালী হোক, একসময় ব্যর্থ হতে হবে। পরাজয়ের মালা তাদের গলায় পরতেই হবে। এটা মহান আল্লাহর ঘোষণা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা কুফরি করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, আল্লাহ তাদের সব কর্ম ব্যর্থ করে দেন।’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত : ১)
দ্বীনের পথে বাধা, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা মূলতঃ শয়তানী কাজ। মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে শয়তান এ কাজ করে আসছে। প্রথম মানব ও প্রথম নবী আদম (আঃ) থেকে অদ্যাবধি শয়তানের এ কাজ অব্যাহত আছে। শয়তানের সাথে সাথে কিছু মানুষও দ্বীনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
শালীন ও সুন্দর পোশাকের ক্ষেত্রে আল্লাহ নারী ও পুরুষে কোনো তারতম্য করেননি; বরং উভয়কে তা মান্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। যারা লজ্জা ও শালীনতার এই সীমা অমান্য করবে, আল্লাহ তাদের শয়তানের প্ররোচনার শিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইসলাম পোশাক-পরিচ্ছদের বিষয়ে নীতিমালা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যা অনুসরণ করে মানুষ পোশাকের কল্যাণ লাভ করতে পারে এবং পোশাকের অকল্যাণ থেকে রক্ষা পেতে পারে।
ইসলাম একটি আরবী শব্দ। শব্দটির অভিধানিক অর্থ অনুগত হওয়া, আত্মসমর্পন করা, আনুগত্য করা। ইসলামের পারিভাষিক সংজ্ঞা হলো- আল্লাহর অনুগত হওয়া, আনুগত্য করা ও তার নিকট পূর্ণ আত্মসমর্পন করা। বিনা দ্বিধায় আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা এবং তার দেওয়া বিধান অনুসারে জীবন যাপন করা নামই ইসলাম।
হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা আগের জাতিগুলোর কাছে জুমার মর্যাদা অজ্ঞাত রাখেন। তাই ইহুদিরা শনিবার নির্ধারণ করে। আর খ্রিস্টানরা রবিবার নির্ধারণ করে। অতঃপর আমরা আসি।আমাদের কাছে তিনি জুমার দিনের মর্যাদা প্রকাশ করেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৫৬)
নবী করিম (সা.)-এর কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন। অতঃপর কায়মনোবাক্যে আল্লাহ তায়ালার নিকট স্বীয় প্রয়োজনের সমাধানের জন্য প্রার্থনা করতেন। এটাই ছিল নবীজির প্রয়োজন মেটানোর অনুপম আদর্শ। একইভাবে নবীজি (সা.) উম্মতদের নামাজ পড়ার মাধ্যমে নিজ নিজ সমস্যা সমাধানের জন্য আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনার শিক্ষা দিয়েছেন। Allah hu akbar
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে বিভিন্ন সময় বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন। অনেক সময় গুনাহের কাফফারা হিসেবেও বিপদ অবতীর্ণ হয়। তবে বান্দার কর্তব্য হচ্ছে, বিপদে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে আমল, তওবা ও ইস্তেগফার বাড়িয়ে দেওয়া। নবীজি (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে বিপদের সময় নামাজের আমল শিক্ষা দিয়েছেন। এ নামাজকে ‘সালাতুল হাজত’ বলা হয়। সালাত অর্থ নামাজ, আর হাজত অর্থ প্রয়োজন। সুতরাং মূল অর্থ হলো ‘প্রয়োজনের মুহূর্তের নামাজ’। আর ইসলামী পরিভাষায় বান্দার যেকোনো বিপদ মুক্তির জন্য বা সমস্যা সমাধানে দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করাকে সালাতুল হাজত বলে। এ নামাজের সংখ্যা দুই রাকাত এবং তা পড়া মুস্তাহাব।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে নারী-পুরুষের অবাধ চ্যাটিং সম্পর্কে ইসলামের বিধান কী? বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ফেক আইডির কারণে অসংখ্য অঘটন ঘটছে। মানুষের ব্যক্তিগত পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সাইবার অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka