Mahmud
বি এ ম্যাস্কুলিন ম্যান
16/04/2026
আপন নীতিতে অটল থাকুন।
কেউ যখন দৃঢ় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয় এবং আপন নীতিতে অটল থাকে, তা তার জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যেমন সুদ ও ঘুষ গ্রহণ না করা আপনার নীতি। অতএব, আপনার চারপাশের লোকেরা নাম পরিবর্তন করে হাদিয়া, মুনাফা, বখশিশ , কমিশনের নামে আপনাকে তা গেলাতে চাইলে আপনি আপনার নীতিতে অটল থাকুন।
আবার একজন আদর্শ স্বামীর সাথে মিথ্যা না বলা অনেক স্ত্রীর নীতি। সুতরাং অন্যরা যতই মিথ্যাকে কার্যকর বলে অভিহিত করুক, পরিস্থিতির দাবি বলে প্রচারিত করুক, স্বামীর সাথে মিথ্যা বলাকে নির্দোষ মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করুক—স্ত্রীর কর্তব্য হলো আপন নীতিতে অটল থাকা।
নীতিতে অটল ব্যক্তির সঙ্গীরা যদিও কখনো মুখে মুখে তার নিন্দা ও সমালোচনা করে, সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলে না বলে গালি দেয়, কিন্তু তাদের মন-মানসিকতার সার্বিক অনুভূতি হলো—আমাদের এ বন্ধু একজন আদর্শ মানুষ। নিজ মত ও পথে অটল একজন সাহসী মানুষ।
আর তাই দেখবেন, কোনো বিপদে পড়লে তারা সাধারণত তার কাছেই আশ্রয় খোঁজে। ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যায় তার সঙ্গেই পরামর্শ করে। অন্য সঙ্গীদের চেয়ে তাকে অধিক গুরুত্ব দেয়।
এ কথা কেবল পুরুষ, মহিলা বা কোনো বিশেষ শ্রেণীর ক্ষেত্রে নয়, বরং সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে সত্য। অতএব আপনি আপন নীতিতে অটল থাকুন। কখনোই নীতি হতে বিচ্যুত হবেন না। আজ কিংবা কাল একসময় অবশ্যই অন্যরা আপনাকে স্বীকৃতি দেবে। আপনাকে তাদের হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে স্থান দেবে।
#মাহমুদ #বাস্তবতা #পুরুষত্ব #সেল্ফরেস্পেক্ট
সময় তোমার অনুকূলে না হলে নীরবে সয়ে যাও। নিজেকে সময়ের অনুগামী করে নাও
11/08/2025
ট্রেনে আসার সময় এক লোককে দেখলাম জনে জনে জিজ্ঞেস করছে, জুতা কালি করাবেন? পায়ের দিকে অসহায় চোখে তাকিয়ে খুঁজছেন, কাকে বলা যায়, কাকে প্রস্তাব দেওয়া যায়।
কখনো কাস্টমার মিলছে, তখন শুরু হয় দামাদামি। বাইরে যেখানে বেশি দাম নেয়, ট্রেনের ভেতরে সবাই চান কমে করাতে।
শেষে বিশ টাকায় ঠিক হলো দাম। লোকটার মুখে ফুটে উঠলো এক টুকরো হাসি। আনন্দে বসে পড়লেন জুতা হাতে।
যাত্রী আর হকাররা যাতায়াতের সময় অনিচ্ছায় লাথি মে*রে যাচ্ছেন শরীরে। তিনি যেন নিজেকে ছোট করে ফেলছেন, গুটিয়ে নিচ্ছেন শরীর।
কেউ কেউ ধমক দিয়ে বলছেন, দূরে গিয়ে বসেন। ধমক খেয়েও লোকটা সাহেবের দিকে তাকিয়ে হাসছেন।
আমার অদ্ভুত লাগে, ধমক খেয়েও মানুষ কীভাবে হাসতে পারে! জুতা কালি শেষ করে দুই হাতে এগিয়ে দিলেন মালিকের দিকে।
মনে হলো, মালিক সন্তুষ্ট নন। বললেন, আরেকটু কালি দেন। লোকটা বিনা প্রশ্নে আরও যত্ন করে কালি করে দিলেন।
তারপর বিশ টাকার নোট হাতে নিয়ে খুশি মনে এগিয়ে গেলেন। সম্ভবত অন্য কোনো ধমকের দিকে। আমার চোখ ভরে উঠলো। পরিবারের জন্য মানুষ কত কষ্টই না করে!
©
05/08/2025
এমন করে কেন?
অ্যাঁ?
যে যুবক বয়সে নারী আসক্তি থেকে দূর থাকতে পারবে। সে জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।
পুরুষ হওয়ার চেষ্টা করুন ভাই।
28/02/2025
আপনার নিজের জন্য কি ছয়টা মাস সময় হবে?
একবার ভেবে দেখুন। শুধু ছয় মাস। খুব বেশি না।
এই ছয় মাসে নিজের জীবনের অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সরিয়ে রেখে শুধুমাত্র নিজের জন্য সময় দিবেন।
কী করবেন এই সময়ে? নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলবেন।
আমরা প্রায়ই বলি, “সময় পাই না।” কিন্তু সত্যি কি পাই না, নাকি সময়টা এমন কাজে নষ্ট করি, যেগুলো থেকে আমাদের জীবনে কিছুই যোগ হয় না?
ফালতু আড্ডা, অর্থহীন দুশ্চিন্তা, কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করা—এসব বাদ দিলে দেখবেন, আপনার হাতে কত সময় পড়ে থাকে।
চলুন, ছয় মাসের জন্য একটা নতুন পরিকল্পনা করি। এই পরিকল্পনা যদি মেনে চলতে পারেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একেবারে অন্য রকম হয়ে যাবে।
১. ফালতু আড্ডাকে ‘না’ বলুন।
বন্ধু ফোন দিয়ে বলল, “চল, টো টো করে ঘুরি, আড্ডা দিই।” আপনি জানেন, সেই আড্ডা থেকে কোনো কাজের কথা উঠবে না, শুধু সময় নষ্ট। এখন কী করবেন?
বিনয়ের সঙ্গে বলুন, “না রে ভাই, আজ পারব না।” প্রথমে কঠিন লাগবে, কিন্তু একবার চেষ্টা করে দেখুন। প্রতিবার না বলার পর যখন দেখবেন আপনার সময়টা সৃজনশীল কাজে যাচ্ছে, তখন গর্ব অনুভব করবেন।
২. নিজের স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিন।
আপনার কোনো স্বপ্ন আছে, তাই না? হয়তো একটা বই লেখা, নতুন কোনো স্কিল শেখা, বা একটা ব্যবসা শুরু করা। কিন্তু দিনের শেষে সময় আর এনার্জি না থাকায় সেটাকে দমিয়ে রাখেন। এবার সেই স্বপ্নের দিকে সময় দিন।
ছোট ছোট অংশে ভাগ করে প্রতিদিন কাজ করুন। ছয় মাস পরে যখন দেখবেন, আপনার কাজ এগিয়ে গেছে, তখন নিজেকে ধন্যবাদ দিবেন।
৩. যে পরিবেশ আপনাকে গ্রো করতে দেয় না তা থেকে বের হয়ে আসুন।
আপনার আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে, যারা সবসময় শুধু নেগেটিভ কথা বলে, আপনাকে হতাশ করে? কিংবা এমন পরিবেশ যেখানে বসে শুধু সময় নষ্ট হয়?
এই ছয় মাসের জন্য তাদের থেকে দূরে থাকুন। নিজেকে এমন মানুষের সঙ্গে যুক্ত করুন, যারা আপনাকে উৎসাহ দেয়, অনুপ্রাণিত করে।
৪. দৈনন্দিন কাজগুলো গুছিয়ে নিন।
দিনের কাজগুলোর একটা তালিকা করুন। সকালে উঠে ভাবুন, “আজ কী কী করব?” আর সেটা সময়মতো শেষ করুন।
রাতের শেষে যখন দেখবেন, আপনার সব কাজ শেষ হয়েছে, তখন একটা আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। আর সেই আত্মবিশ্বাস আপনাকে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৫. নিজের শরীরের যত্ন নিন।
এটা খুব জরুরি। আপনার শরীর যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে কোনো কাজই এগোবে না। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।
আর মনের যত্ন নিতে প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট ধ্যান করুন। দেখবেন, আপনার মন শান্ত থাকবে, আর কাজে মনোযোগ আরও বাড়বে।
৬. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নিন।
ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম—এগুলো যতটুকু দরকার ততটুকুই ব্যবহার করুন। এই ছয় মাসে ঠিক করুন, দিনে এক ঘণ্টার বেশি এদের পেছনে সময় দেবেন না।
এই সময়টা বরং কিছু শিখতে ব্যয় করুন। একটা অনলাইন কোর্স করতে পারেন, বা একটা নতুন বই পড়া শুরু করতে পারেন।
৭. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন।
নতুন কিছু শেখা মানেই নতুন দরজা খোলা। ছয় মাসের জন্য একটা পরিকল্পনা করুন। প্রতিদিন একটা নতুন স্কিল শেখার চেষ্টা করুন। হয়তো এটা কুকিং, হয়তো ডিজিটাল মার্কেটিং, কিংবা কোনো নতুন ভাষা।
ছয় মাস পরে দেখবেন, আপনি নিজেই একটা সম্পদে পরিণত হয়েছেন।
ভাবুন তো, ছয় মাস পরে আপনি কোথায় দাঁড়াবেন?
ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়। কিন্তু এই সময়টা যদি ঠিকমতো ব্যবহার করেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একদম নতুন মোড় নেবে। আপনি হয়তো নিজের স্বপ্নের একদম কাছে পৌঁছে যাবেন।
জীবনটা ছোট।
কিন্তু আমরা এটাকে আরও ছোট করি অপ্রয়োজনীয় কাজে।
ছয় মাসের জন্য নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণ নিন।
নিজের স্বপ্ন, নিজের লক্ষ্য, নিজের ভবিষ্যতের জন্য সময় দিন।
ছয় মাস পর যখন আয়নায় নিজেকে দেখবেন, তখন একজন বদলে যাওয়া মানুষকে দেখতে পাবেন—আর সেই মানুষটি হবে আপনারই আপডেটেড ভার্সন।
তো? এই ছয় মাসের যাত্রা শুরু করবেন কবে?
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হয়তো আজ থেকেই শুরু হতে পারে।
please like and comment
15/12/2024
উপকার করবেন? বানোয়াট ধ ষ ক মামলা খেয়ে জীবন শেষ করে দেবে না গ্যারেন্টি আছে?
পুরুষ দের এই ধরনের মানসিকতা গড়ে ওঠার পেছনে দায়ী সিম্প লেখক- কবি, এবং বলিউডি সিম্পিং চটকদার সিনেমা। আর বাস্তবে মারা খাচ্ছে পুরুষ গুলো!!
এই ধরণের ফ্যান্টাসী ছেলেদের ব্যাপক মাত্রায় ঘিরে ধরেছে। দীর্ঘকাল ধরে একাকীত্বে ভোগার কারণে তারা ভেবে নিচ্ছে, সাধারণ কেউ তো আসবে না বরং আমি লাইফে ভাঙ্গাচোরা কাউকে খুঁজি। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা গেছে, কিংবা বয়ফ্রেন্ড ছ্যাকা দিয়েছে, বা লাইফে বড় কোনো দুর্ঘটনায় পড়েছে - এরকম কাউকে একটু স্বস্তি দিতে চাচ্ছে। এজন্য মেয়েটা ব্যাভিচারী হলেও কোনো সমস্যা নেই। নিজের অজান্তেই হার্ডকোর সিম্পে পরিণত হচ্ছে।
কোনো নারীকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলে, বা অসহায় বা অন্যায় অবস্থায় সাহায্য করলে সে কৃতজ্ঞতাবশতঃ ছেলেটার প্রতি আকৃষ্ট হবে - এরকমটা হয় না।
একটা কমন ফ্যান্টাসী হলো, একটা বে*শ্যার মত অসহায় যেহেতু কমই আছে, আমি গিয়ে তাকে ভালো একটা লাইফ দেবো, আর সে সারা জীবনের মত আমার হবে।
পুরো দুনিয়ার সব দেশের জন্য এটা অনেক কমন একটা ফ্যান্টাসী। আমাদের পরিচিত একজন তাইওয়ানিজ মেয়ে খুব পছন্দ করত। চেয়েছিল সেখানকার এক দেহব্যবসায়ীকে বিয়ে করে দেশে আনবে, নতুন লাইফ দেবে। বাংলাদেশীরা যেহেতু বিদেশীদের পছন্দ করে- একদম রানীর মত করে রাখবে।
দুর্ভাগ্যবশতঃ এধরণের কেইসে ৯৯% সম্ভাবনা হলো একটা স্থিতিশীল অবস্থা আসলে ওই নারী তার উদ্ধারকারীকে ছেড়ে চলে যাবে।
অনেক কেইস আছে এরকম।
নিচে একটা মর্মান্তিক ঘটনা পড়ুন।
লেসলি পিটারসন নামে এক মেয়েকে দেখে দয়া হয় তরুণ স্কট এস্পিওনেসার। অবশ্য হবারই কথা, লেসলি ২২ বছরী এক সুন্দরী। কিন্তু অত্যন্ত অসহায়, থাকার জায়গা নেই, রাস্তায় থাকে। আর শরীর বেঁচে খাবার খরচ জোগাড় করে।
স্কট তাকে আশ্রয় দেয়। নিজের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে দেয়, খেতে দেয় এবং পার্লারে পর্যন্ত পাঠায়। তার মায়ের বাসায় পাঠায়। মোটকথা তার জীবন পালটে দেয়।
আচ্ছা, এরপর কী ঘটতে পারে? লেসলির তো স্কটের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার কথা তাই না? এটা দেশি-সিম্প-ফেসবুক-লেখকের লেখা উপন্যাস হলে আমরা হয়ত দুজনের বিয়ে হতে দেখতাম।
কিন্তু না। লেসলি যায় পুলিশের কাছে। অভিযোগ দেয় স্কট তাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে আটকে রেখে দশজন কাস্টমারের হাতে তুলে দিয়েছে।
পুলিশ স্কটের কোনো কথাই শোনে না। আদালতে প্রমাণ করে ছাড়ে সব অভিযোগ। স্কটের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয় (৩৫ বছর)।
এলাকাবাসী, আত্মীয়-বন্ধুদের কাছে স্কট পরিচিত হয় ধর্ষক নামে। এরমধ্যে ঘটে আরেক করুণ ঘটনা। ছেলের এমন অধঃপতন দেখে তার মা আত্মহত্যা করেন। স্কট তখন জেলে।
হঠাত একদিন ঘটনা বদলে যায়। লেসলি ১০ জন কাস্টমারের কথা বলেছিল না? সে উকিলের কাছে স্বীকার করে সেটা বানিয়ে বলেছিল। তারপর তদন্ত হয়। এলাকাবাসী সাক্ষ্য দেয় লেসলিকে আটকে রাখা দুরের কথা, লেসলি সবসময়ই ঘরে-বাইরে আসা যাওয়া করত। ইভেন ওই রেইপ কেসও বানানো।
আবার শুনানীতে স্কট নির্দোষ প্রমাণিত হয়। ১৯ মাস জেল খাটার পর মুক্তি পায়।
কিন্তু ফেরত পায়নি সেই ১৯ মাস, কিংবা তার মা-কে। সমাজের চোখে এখনো সে ধর্ষক।
দুটো ব্যাপারঃ
১- বে।। শ্যাকে পুনর্বাসন করে মহাপুরুষ হবেন, দুনিয়া এরকম না।
২- এরকম মিথ্যা অভিযোগে কত পুরুষের জীবন শেষ হয়েছে? সেসব গল্প আরেকদিন বলা হবে।
15/11/2024
সফল পুরুষ হয়েও শান্তি নাই দেখি :
"আমি আমার প্রাক্তন স্ত্রী ম্যাকেঞ্জির কাছে $৩৮ বিলিয়নেরও বেশি নগদ অর্থ এবং অ্যামাজনের ৩৫% শেয়ার হারিয়েছি। তখন আমার সম্পদের মূল্য প্রায় $৭৬ বিলিয়ন ছিল।" __ জেফ বেজোস
"আমি কখনোই আবার বিয়ে করার ভুল করতে পারব না। আমি আমার প্রাক্তন স্ত্রী ম্যাকেঞ্জির সাথে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিবাহিত ছিলাম, কিন্তু হঠাৎ একদিন সে আমাকে জানায় যে সে আমাদের বিরক্তিকর বিবাহ জীবন নিয়ে ক্লান্ত এবং সে ডিভোর্স চায়। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য কিছু করা সম্ভব কি না, তখন সে জানালো যে আমি যদি তাকে আমার $৭৬ বিলিয়ন সম্পদের অর্ধেক এবং আমার কোম্পানি অ্যামাজনের ৫০% শেয়ার দিতে পারি, তবে সে বিবেচনা করবে। আমি তাকে ডিভোর্স ফাইল না করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপরও সে ডিভোর্স ফাইল করার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন আমি বুঝতে পারি যে যদি আমি তাকে তার চাওয়া সম্পদের অর্ধেক দেই, তবুও সে পরবর্তীতে ডিভোর্স দেবে এবং আমি যা অবশিষ্ট রাখব তার অর্ধেক নিয়ে নেবে। তাই আমি তাকে এটি করতে দেই। যখন আমরা আদালতে যাই, আমার আইনজীবী তার কাছে আমার সম্পদের অর্ধেক এবং অ্যামাজনের ৩৫% শেয়ার দেওয়ার বিষয়ে কাজ করতে সক্ষম হয়। যদি সে ২৫ বছর বিয়ের পর আমার সাথে এটি করতে পারে, তবে এটি মানে বিবাহ পুরুষদের জন্য নয়। আমি আর কখনো বিয়ে করব না কারণ আমি নারীদের ক্ষমতায়নের সংস্থা নই।" ~ জেফ বেজোস
জেফ বেজোস এবং তার প্রাক্তন স্ত্রী ম্যাকেঞ্জির ডিভোর্সটি সর্বকালের দ্বিতীয় ব্যয়বহুল ডিভোর্স হিসেবে স্থান পেয়েছে, যেখানে এই বহু-বিলিয়নিয়ার তার স্ত্রীকে $৩৮ বিলিয়নেরও বেশি নগদ এবং অ্যামাজনের ৩৫% শেয়ার প্রদান করেছেন।
জীবনের অনেক অধ্যায় আছে। একটা খারাপ অধ্যায় যেন আপনার জীবনের পুরো বইটা শেষ না করে দেয়।
গৌতম বুদ্ধ
07/11/2024
সাব্বাস বেটা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka