Aklima Akter kakoly

Aklima Akter kakoly

Share

Digital creator

22/09/2025
14/11/2024

শুভ জন্মদিন যে নাটক গুলোর কারনে আমি তার ভক্ত
হুমায়ুন আহমেদ নাটক এর লিষ্ট
১.২৪ ক্যারেটম্যান
২.অাজ জরির বিয়ে
৩.অাবারও তিন জন
৫.অচিন বৃক্ষ
৬.অালাউদ্দিনের ফাঁসি
৭.অামি অাজ ভেজাবো চোখ সমুদ্রজলে
৮.অামরা তিন জন(টি মাস্টার)
৯.অংটি
১০.বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল
১১.চৌধুরি কামরুজ্জান এর মিত্যু চিন্তা
১২.নিশিকাব্য
১৩.পুষ্পকথা
১৪.চেরাগের দৈত্য
১৫.পিশাচ মকবুল
১৬.জহির কারিগর
১৭.জলে ভাসা পদ্ম
১৮.জুতার বাক্স
১৯.মিস্ডকল
২০.সংসার
২১.অন্তরার বাবা
২২.বিলাতি জামাই
২৩.বন বাতাসি
২৪.বনুর গল্প
২৫.বৃহন্নলা
২৬.নীমফুল
২৭.বুয়া বিলাস
২৮.চিপাভুত
২৯.চোর
৩০.চরনরেখা
৩১.এই বরষায়
৩২.একা
৩৩.একদিন হঠাৎ
৩৪.একটি অলৌকিক ভ্রমন কাহিনী
৩৫.এনায়েত অালীর ছাগল
৩৬.এসো
৩৭.এভারেস্ট ভয়
৩৮.গন্ধ
৩৯.গুড়ামরিচ পার্টি
৪০.হাবলংগের বাজারে
৪১.হামিদ মিয়ার ইজ্জত
৪২.হিমু
৪৩.এই বৈশাখে
৪৪.নুরুদ্দিন স্বর্নপদক
৪৫.ঘটনা সামান্য
৪৬.অঙ্গিল
৪৭.অগুন মজিদ
৪৮.দ্বিতীয় জন্ম
৪৯.মাটিন পিন্জিরার মাঝে
৫০.তাহারা
৫১.উট্ভট উট
৫২.আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রন
৫৩.জামাই রত্ন
৫৪.ওপেনটি বায়োস্কোপ
৫৫.বৃক্ষ মানব
৫৬.চন্দ্রগ্রহন
৫৭.প্রিয় পদরেখা
৫৮.রুপালী ঘন্টা
৫৯.একজন কৃতদাস
৬০.একি কান্ড
৬১.লীলাবতি
৬২.পিপিলিকা
৬৩.অাজ অামাদের ছুটি
৬৪.করোটি
৬৫.কুসুম
৬৬.অন্য ভুবনের ছেলে
৬৭.রহস্য
৬৮.জাদুকর
৬৯.যমুনার জল দেখতে কালো
৭০.যাত্রা
৭১.জীবন যাপন
৭২.জিন্দাকবর
৭৩.জলতরঙ্গ
৭৪.জনক
৭৫.জননী
৭৬.খোয়াব নগর
৭৭.কনে দেখা
৭৮.মায়াবতি
৭৯.মদিনা.
৮০.মৃত্যুর ওপারে
৮১. নাট্যকার হামিদ সাহেবের একদিন
৮২.নীল বোতাম
৮৩.নীলচুড়ি
৮৪.নিষাদ
৮৫.অনিশ্চত মেঘের যাত্রা
৮৬.অপরাহ্ন
৮৭.পাপ
৮৮.প্যাকেজ সংবাদ
৮৯.পক্ষিরাজ
৯০.প্রজেক্ট হিমালয়
৯১.রুপা
৯২.রুপকথা
৯৩.সমুদ্র বিলাস
৯৪.সম্পর্ক
৯৫.সপ্ন সঙ্গিনী
৯৬.জুতাবাবা
৯৭.তিন প্রহর
৯৮.তিথীর নীল তোয়ালে
৯৯.তৃতীয় নয়ন
১০০.তুরুপের তাস
১০১.ভালবাসা
১০২. হাবিবের সংসার
১০৩. মফিজ মিয়ার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র
১০৪.পাথর
১০৫.অনুসন্ধান
১০৬.চাদের অালোয় কয়েকজন যুবক
১০৭.চার দুকোনে চার
১০৮.ছেলেদেখা
১০৯.ফুসকা বিলাস
১১০.ইবলিশ
১১২.মিরার দিনরাত্রি
১১৩.মন্ত্রী
১১৪.নাট্যমঙ্গল
১১৫.সবাই গেছে বনে
১১৬.ভাইরাস
১১৭.অাজ রবিবার
১১৮.অয়োময়
১১৯.বহুব্রীহি
১২০.কালা কইতর
১২১.কোথাও কেউ নেই
১২২.নক্ষত্রের রাত
১২৩.অচিন রাগিনী
১২৪.সেদিন চৈত্রমাস
১২৫.সেইসব দিনরাত্রি
১২৬.সবুজ ছায়া
১২৭. যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন,
১২৮.ওয়াং পি
১২৯.বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল,
১৩০.অন্যভুবন,
১৩১.কবি,
১৩২.তারা তিনজন ঝামেলায় আছি,
১৩৩.তারা তিনজন এবং ঝুনু খালা,
১৩৩.জোছনার ফুল
১২৭.উড়ে যায় বক পক্ষি (most fvt)
১২৮. মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।

28/10/2024

সেকালটাই ছিল মজার কাল। সবেতেই মজা। বাড়িতে চোর পড়লেও মজা। চোরেরাও ছিল অন্যরকম। প্রকৃতই অভাবী ভালো মানুষ। পেটের দায়ে চোর। ছিচকে চোর। ঘটি, বাটি, গামছা, জামা, লোহার বালতি, তোলা উনুন, কেরোসিন তেলের বোতল, হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাইতেই সন্তুষ্ট। কোনওক্রমে রান্নাঘরে ঢুকতে পারলে সেই মাঝরাতেই হাপুসহুপুস করে খানিক পায়েস খেয়ে নিলে। কোনও ইজ্জত ছিল না তাদের। চরিত্রে আত্মসম্মান বোধটাই অনুপস্থিত।
সেকালের চোর ধরা পড়লে গণপিটুনিতে মরত না। ভোর হওয়ার আগেই চড়চাপড় দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হত। সে ছিল শান্তির কাল।

একদিন মাঝরাতে চোর এসেছে! জ্যাঠামশাইয়ের ঘরে। খাটের কাছে গিয়ে ঝুঁকে পড়ে দেখছে, ঘুম কতটা গভীর! জ্যাঠামশাইয়ের ভরাট মুখে অসাধারণ এক জোড়া গোঁফ ছিল, ইংরেজিতে। যাকে বলে, ‘।হ্যান্ডলবার মুস্ট্যাশ।’ গোঁফ জোড়া দেখে চোর মুগ্ধ। আলতো করে টেনেছে। জ্যাঠামশাই ঘুমোতে-ঘুমোতেই বলছেন—আসল, আসল। বিরক্ত না করে ডিবেতে কাশীর জর্দা দেওয়া পান আছে, দুটো খিলি মুখে পুরে চলে যা।
চোর বললে—কত্তা, রাতে খাওয়াই জোটেনি। শুধু-শুধু পান খেয়ে কী করব!
খুব রেগে গিয়ে জ্যাঠামশাই বলছেন—হতচ্ছাড়া! রাতের খাবারটাও জোটাতে পারিস না, চুরি করতে এসেছিস! বালিশের তলা থেকে একটা পাঁচ টাকার নোট বের করে চোরকে দিয়ে বললেন—নে ধর। পুরো ব্যাপারটাই হচ্ছে চোখ বুজিয়ে।
চোর বললে কত্তা, মাথাটা একটু তুলুন না, দেখি বালিশের তলায় আর কী আছে!
জ্যাঠামশাই বললেন—সমান দুভাগ করেছি। বউয়ের তবিল থেকে দশ ঝেড়েছিলুম, তোর পাঁচ আমার পাঁচ। একেবারে ন্যায়বিচার। ওই পাঁচ-ও দিতে পারি যদি আমার পা-দুটো টিপে দিস!
সে আমি দিচ্ছিখন। তোমার ঘরে খাবারদাবার কিচ্ছু নেই?
গাছপাকা দুটো আতা আছে তাকে। খবরদার ঘরের মেঝেতে বিচি ফেলবি না।
রাত আড়াইটের সময় আতা খেয়ে চোর পা টিপতে বসল। আবার জিগ্যেস করল কাল কী এই টাইমে আসব?
দুঃখ মেশানো গলায় জ্যাঠামশাই বললেন—সুখের দিনের আজই শেষ রাত্তির। কাল সকালেই ফিরে আসছেন বাপের বাড়ি থেকে। তুই বরং একটা কাজ করতে পারিস, এক ফাঁকে এসে বলে যেতে পারিস, টাকা দশটা তুই নিয়েছিস।
চোর বলল—মাপ করো কত্তা। মা ঠাকুরুনকে আমরা খুব চিনি। টাকা তুমি ফিরিয়ে নাও।
আর আতা!
কত্তা! সে তো খেয়ে ফেলেছি। এই লাইটারটা কাল চুরি করেছিলুম। তুমি রাখো। যা হয় কোরো।

আর একদিন এক চোর মাঠের ওপর দিয়ে দৌড়োচ্ছে, পেছন-পেছন আমার বলশালী কাকাবাবু ছুটছেন, ব্যায়ামবীর। তার পেছনে আমরা। ওপাশে চোর মুখ ঘুরিয়ে থমকে দাঁড়িয়েছে, এপাশে আমার কাকাবাবু। মাঝখানের ব্যবধান হাত পঞ্চাশ। এতক্ষণ হচ্ছিল দৌড়ের অলিম্পিক। এবার রেস্টলিং। দুজনেই দুজনকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে।
চোর বলছে–কী হল! হিম্মত থাকে এসে ধরো।
কাকাবাবু বললেন—হিম্মত থাকে তো তুই আয় না।
চোর বললে—কোনও দিন শুনেছ, চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে! চোর সবসময় পালায়, আর চোর পালালে তোমাদের বুদ্ধি বাড়ে।
- তা পালা, থামলি কেন হঠাৎ! চোর আর ছুঁচো এই দুটোকে আমি ধরি না। আমার ঘেন্না করে। নে নে, ছোট-ছোট।
- আর কত ছুটব! প্রায় এক মাইল হল, সেই গজার মোড় থেকে দৌড় শুরু হয়েছে।
কাকাবাবু বললেন—তুই তো ব্যাটা আচ্ছা অধার্মিক। চোরের ধর্মই হল পালানো।
- এতক্ষণে এটা তো বুঝেছ, আমি তোমার চেয়ে জোরে দৌড়োই। ইচ্ছে করলে পালাতে পারি।
- তা পালাচ্ছিস না কেন?
- কী করে পালাব? তোমাদের বাগানে কৃষ্ণকলির ঝোপে আমার মাল পড়ে আছে যে!
- তোর চোরাই মাল আমাদের বাগানে! নিয়ে যা, নিয়ে যা।
চোর আর কাকাবাবু দুজনে গল্প করতে-করতে ফিরে এলেন, যেন হলায়-গলায় বন্ধু। দাওয়ায় বসে কাকাবাবু বললেন—আয় বোস, একটু জিরিয়ে নেওয়া যাক। দৌড়টা বেশ ভালোই হল কী বল? তামাক সাজতে পারিস?
- তা আর পারি না!
- যা, ওইধারে সব আছে। টিকে, দেশলাই, দুটো-কো, অম্বুরি তামাক। ভালো করে সেজে আন।
দুজনে আয়েস করে তামাক খেতে লাগলেন। ওদিকে ভোর হতে শুরু করেছে।

এই চোর কালু কিছুদিনের মধ্যেই কাকাবাবুর ব্যবসায় কাকাবাবুর ডান হাত হয়ে গেলেন। আরামবাগে। কাকাবাবুর বিরাট কাপড়ের আড়ত। কালীবাবু বিশ্বাসী ম্যানেজার। ভীষণ খাঁটিয়ে।
বেশ কিছুদিন পরে কাকাবাবু বললেন কালু, এইবার একটি ভালো মেয়ে দেখে তোর বিয়ে দেবো।
কালু বলল—আবার! ওই চক্করে আর পা দিচ্ছি না।
- সে কী রে! বিয়ে করিছিলি? বউ কোথায়?
- চুরি হয়ে গেছে।
এখন তাই ভাবি, এই হাইটেক যুগে এইরকম সৎ চোর আর দেখতে পাওয়া যাবে না। আর রসিক গৃহস্থ!

আমার দাদু, চোরের কাঁঠাল কাঁধে করে চোরের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে এসেছেন !!!!

লেখক-- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।
#বন্ধন

20/10/2024

দেখতে সুন্দর ভিতরটা জানোয়ারের চেয়ে অধম।😡😡
এতোটা নীচ ও মানুষ হতে পারে? ছিহ😡😡😡😡

07/10/2024

আলাপচারিতা

মাস্টার সাব, আছেন কেমন?
এই তো আল্লায় রাখছে যেমন।
কই যাইতাছেন, ইশকুলে?
বাজছে কয়টা দেন বলে।
বাজছে তো ভাই পৌণে নয়।
এতো সকাল ক্যামনে কী হয়!
ক্লাস কয়টায় করেন শুরু?
নয়টা হইতে,হাসেন গুরু।
ছুটি দেন কোন বেলা?
সাড়ে চারটায় লাগাই তালা।
টিফিন টুফিন খাইন নাকি?
ছয় টাকাতে যেমন থাকি।
ইশকুলেতে আছেন কয়জন?
আমি সহ আছি তিন জন।
অফিস গেলে ক্যামনে চলে?
এই কথাটা কে বলে!
বাসার সবাই ভালো তো?
টানাটানির নিরব ক্ষত।
সহজ করে বলেন কথা!
মানের কাঠির দারুণ ব্যথা,
নামের দামে আছি পড়ে
দাম পাই না ভাই পরিসরে।
বেতন যা পাইন চলে কি না?
মাস থাকতেই ঘটে দেনা।
শুনলে এসব দুঃখ হয়
শিক্ষকেরা তো তুচ্ছ নয়!
দুঃখ করে লাভ কী বলুন
সময় হলো এবার চলুন।

কলমে : Nahida Akter Runa ( একজন শিক্ষক♥️)

🍁


🌿

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka