Smart Shop

Smart Shop

Share

Smart shopping in best price We are starting with few products with exciting price range. Just wait few days.

Baby Health 28/06/2014

শিশুর ঘুমের সমস্যা ও তার সমাধান
(এই লেখাটিতে স্মার্টশপের কোন কৃতিত্ব নাই, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

ভাগ্যবতীর মধ্যে একজন না হন যার শিশু অল্প বয়স থেকেই পুরো রাত ঘুমায়, তাহলে আপনাকে কিছু পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে এবং প্রশিক্ষণ দিতে হবে যাতে আপনার শিশু বেশি সময় ঘুমায়। ঘুমের প্রশিক্ষণ, শিশুকে শিশুর অন্যান্য ঘুমজনিত সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের পরবর্তী আর্টিকেলটি দেখুন। নতুন বাবা-মা বা অভিভাবকদের জন্য শিশুকে ঘুম পাড়ানো একটি প্রতিবন্ধকতামূলক কাজ।

সমস্যাঃ আপনার শিশু রাতে অনেকবার ঘুম থেকে জেগে উঠে, আপনি ঘুমোতে পারেন না এবং বুঝতে পানের না কি করবেন।

আপনি কি করতে পারেনঃ

আপনার শিশুর ক্লান্ত হওয়ার/ক্লান্তিবোধ করার ইঙ্গিতগুলো জানুন।

৬-৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত বেশির ভাগ শিশু একটানা দু’ঘন্টার বেশি জেগে থাকতে পারে না। আপনি যদি এর থেকে বেশি সময় আপনার শিশুকে ঘুম না পাড়ান, সে অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে যাবে এবং ঘুমোতে সমস্যা করবে।

আপনার শিশুর ক্লান্তিবোধ করার ইঙ্গিতগুলো লক্ষ করুন। সে কি তার চোখ চলছে, কান টানছে অথবা অহেতুক হইচই করছে? আপনি যদি এগুলো বুঝতে পারেন বা ঘুমের ইঙ্গিত পান, তাকে ঘুম পাড়িয়ে দিন। আপনার ৬ষ্ঠ ঈন্দ্রিয় জাগ্রত হবে আপনার শিশুর ছন্দ এবং ধরন সম্পকে এবং আপনি তাৎক্ষণিক জেনে যাবেন কখন সে একটি ঘুমের জন্য প্রস্তুত।

শিশুকে দিন রাতের পার্থক্য শিক্ষা দিন । প্রথম কিছুদিন আপনি কিছুই করতে পারবেন না। কিন্তু যখন আপনার শিশুর বয়স ২ সপ্তাহ হয়ে যাবে, তখন আপনি তাকে দিন ও রাতের পার্থক্য বোঝাতে শুরু করতে পারেন।
যখন সে বুঝতে পারে এবং দিনের বেলা জেগে থাকে, তার সাথে যতটুকু সম্ভব কথাবার্তা বলুন, বাড়ি এবং তার ঘর আলোকিত ও উজ্জল রাখুন এবং স্বাভাবিকি ফোন বা গানের আওয়াজ নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যদি খাবার সময় ঘুমিয়ে পড়ে তাকে জাগিয়ে তুলুন।

রাতের বেলা, যখন সে জেগে থাকে তার সাথে বেশি খেলা করবেন না। আলো এবং শব্দের মাত্রা কম রাখুন এবং বেশি সময় তার সাথে কথা বলবেন না। সে আগে থেকেই যাতে বুঝতে পারে রাতের সময়টা ঘুমোনোর জন্য।

যখন আপনার শিশুর বয়স ৬-৮ সপ্তাহ হয়ে যাবে, তখন আপনি তাকে নিজের থেকে ঘুমোনোর সুযোগ দেয়া শুরু করতে পারেন। কিভাবে?

যখন তার ঘুম ঘুম ভাব আসবে কিন্তু জেগে থাকবে তখন তাকে শুইয়ে দিন কোলে, দোলনায় দোলান অথবা ঘুম পাড়ানোর জন্য আদর করুন। যত্ন নিন, এমনকি এই সদ্যজাত বয়সেও।

অভিভাবক/বাবা-মায়েরা মনে করেন এত অল্প বয়সে তারা কিছু করলে তা কোন প্রভাব ফেলে না, কিন্তু আসলে ফেলে। শিশুরা তাদের ঘুমের অভ্যাস শিখতে থাকে। গড়তে থাকে। আপনি যদি আপনার শিশুকে ৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত কোলে/ দোলনায় দুলিয়ে প্রতি রাতে ঘুম পাড়ান, তাহলে সে কেন পরবর্তীতে অন্য কিছু আশা করবে?

সবাই হয়তো এই পদ্ধতির সাথে একমত হবেন না। তবুও কিছু বাবা-মা তাদের শিশুদের ঘুম পাড়াতে কোলে, দোলনায় দোলাতে বা আদর দিতে পছন্দ করেন, কারণ তারা বিশ্বাস করেন এটিই স্বাভাবিক এবং প্রকৃতিপ্রদত্ত, তারা এটিতে আনন্দ পান এবং তাদের শিশুও এতে সতেজ হয়ে ওঠে এবং ভাল ঘুমায় । এ ধরনের অভিভাবকরা তাদের শিশুর সাথে রাতে কয়েকবার জেগে ওঠেন তাকে আবার ঘুম পাড়ানোর জন্য।

Photos 28/06/2014

গরমে শিশুদের সর্দি
(এই লেখাটিতে স্মার্টশপের কোন কৃতিত্ব নাই, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

অনেক গরম পড়েছে আর এই সময়টাতে হঠাৎ করে ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। হঠাত্ ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া, সর্দি জমে থাকার মতো উপসর্গ দেখা দিলে শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে দেয় ও বিরক্ত করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব উপসর্গ ভাইরাসের আক্রমণের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং এক সপ্তাহের মাথায় সেরে যায়। বর্তমানে ছোট্ট শিশু ও নবজাতকদের এ ধরনের সমস্যায় কোনো ওষুধ বা চিকিত্সার চেয়ে সাধারণ যত্নআত্তির দিকেই জোর দেওয়া হয়।

-আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়।
-একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন।
-ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না।
-দুই বছর বয়সের নিচে নাকের ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা নিষেধ।

Photos 28/06/2014

কোন খাবারগুলো শিশুর জন্য সবচেয়ে ভালো?
(এই লেখাটিতে স্মার্টশপের কোন কৃতিত্ব নাই, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

আপনার শিশুর হয়ত খুব ভালো রুচি রয়েছে, কিন্তু মনে রাখতে হবে তার খুব বেশী দাত নেই, তাই যেই খাবার দিন যেগুলো সহজেই তার মুখে গলে যায়। যখন সে একটু বড় হবে তখন তাকে দাত দিয়ে খাবার উপযোগী যে কোন খাবার দিতে পারবেন। মনে রাখবেন আপনার শিশু খাবারের রং, গন্ধ, ধরন সম্পর্কে জানছে যখন সে খাবার খাচ্ছে , তাই তাকে নানান ধরনের খাবার খেতে দিন। মিষ্ঠি জাতীয় খাবার যেমন, কেক অথবা কুকি, অথবা চিপস, চিজ শিশুকে খেতে দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপনার শিশুর এখন দরকার পুষ্টিকর খাবার শুধু ক্যালরি নয়। শিশুকে যা খেতে দিচ্ছেন তা যেন তার গলায় আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। শাক সবজী গুলো খুব ছোট ছোট করে কাটার পর তা খুব নরম করে রান্না করতে হবে যেন তা সহজেই গলে যাই।

আপনার শিশুর জন্য একটা আঙ্গুরও অনেক বড় এবং সেটা তার গলাই আটকে যাওয়ার ঝুকি রাখে। তার বয়সের উপযোগী খাবার পছন্দ করতে যেন ভুল না হয়। পূর্বে ধারনা করা হতো যে ডিম, মাছ শিশুকে দেয়া উচিত নয়, কারন এগুলো তার এলার্জি তৈরী করতে পারে। কিন্তু আধুনিক গবেষনায় এর স্বপক্ষে কোন প্রমান যাওয়া যায় নি।

তারপরও শিশুকে খাবার দেয়ার আগে ডাক্তাররা সাবধানতা অবলম্বন করার কথা বলেন। আপনার যদি মনে হয় যে, আপনার শিশু কোন কোন খাবারে এলার্জি হচ্ছে তাহলে একটা একটা করে নতুন খাবার খেতে দিন আর কোন এলার্জি হচ্ছে কিনা তা খেয়াল করুন।

Photos 28/06/2014

যেসব শিশুর বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন
(এই লেখাটিতে স্মার্টশপের কোন কৃতিত্ব নাই, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

প্রতি আটটি শিশুর মধ্যে একটি শিশুর হাসপাতালে বিশেষ যত্নের দরকার হয়। কোন কোন সময় এই প্রয়োজনটা দেখা দেয় জন্ম-পূর্ববর্তী ওয়ার্ডে, আবার কখনও বা বিশেষায়িত নবজাতক ওয়ার্ডে। যেকোনো বাবা-মায়ের জন্যই বিশেষায়িত কেন্দ্রে সন্তান প্রসব করা উদ্বেগের কারণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তে প্রয়োজনীয় তথ্য, যোগাযোগ ও সহায়তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। আর সব হাসপাতালেই এ ধরনের সেবা থাকে না। কাজেই এরকম দরকার পড়লে আপনাকে অন্য হাসপাতালে শিশুকে স্থানান্তর করাও জরুরি হতে পারে।

শিশুদের কেন দরকার হয় বিশেষ সেবার

বেশ কয়েকটি কারণেই শিশুকে নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হতে পারে:

নির্দ্দিষ্ট সময়ের আগেই জন্ম হলে - প্রতি ১০টি শিশুর একটির জন্ম হয় সময়ের আগে, আর ৩৪ সপ্তাহের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের শ্বাস-প্রশ্বাস, খাবার খাওয়ানো, উষ্ণতায় রাখাসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তার প্রয়োজন হয়।
সাধারণত অনেক ছোট হলে এবং জন্মের সময় ওজন কম হলে।
সংক্রমণ থাকলে।
মায়েদের সাধারণত ডায়াবেটিস থাকলে বা প্রসবে জটিলতা থাকলে কিছু সময়ের জন্য শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি।
জন্ডিস থাকলে।
কোন অপারেশন হলে বা অপারেশনের পূর্বে।

শিশুর সাথে যোগাযোগ

ইউনিটের পরিবেশ কিছুটা অদ্ভুত এবং জটিল মনে হতে পারে, বিশেষ করে আপনার শিশুকে যদি ইনকিউবেটরে রাখা হয় বা শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার কোন মেশিনে রাখা হয়। এক্ষেত্রে শিশুর মুখ এবং সারা শরীরের সাথে টিউব এবং তার জড়ানো থাকতে পারে। নার্সের কাছে জেনে নিতে পারেন, কেন এতোসবকিছু। কিভাবে আপনি আপনার শিশুর কোন সেবায় আসতে পারেন, আপনাকে তা দেখিয়ে দিতে বলুন কোন নার্সকে। যখন আপনার শিশুর অবস্থা স্বাভাবিক হবে, তখনই আপনি কেবল তাকে কোলে নিতে পারবেন। নার্সরা আপনাকে দেখিয়ে দেবেন, কিভাবে কোলে নিতে হবে সাবধানের সাথে এবং আপনার শিশু আপনার শরীরের সংস্পর্শে এসে দ্রুত ভাল হয়ে উঠতে শুরু করবে।

খাওয়ানো
শুরুতে আপনার শিশু হতে পারে খুব ছোট বা এতো দুর্বল যে সে নিজে থেকে খেতে পারবে না। এক্ষেত্রে আপনার কাছে বুকের দুধ চাওয়া হতে পারে, যা কিনা টিউবের সাহায্যে শিশুকে খাওয়ানো হবে। চিকন একটি টিউব তাদের নাক বা মুখ দিয়ে পাকস্থলীর সাথে সংযোগ করে দেওয়া হবে। এতে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। বুকের দুধের নিজস্ব বিশেষত্ব আছে, বিশেষ করে অসুস্থ এবং নির্দ্দিষ্ট সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য। কারণ এই দুধে আছে স্নেহ এবং মিনারেল। জন্মের সাথে সাথেই যদি আপনার শিশু বুকের দুধ না খেতে পারে, তবে একে ঠান্ডায় রেখে দেওয়া যেতে পারে এবং যখন তারা খাওয়ার উপযুক্ত হবে, কেবল তখনই তাদের দেওয়া হবে। আপনি যখন বাসায় যাবেন, তখন নার্সদের কাছে এই দুধ রেখে যেতে পারেন, তারাই তখন দিয়ে দেবেন। দুধের পরিমাণ বা গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগের কোন কারণ নেই। কোনো কোনো মায়ের কাছে এই বুকের দুধ দেওয়াটাই অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়। তাদের মনে হয় যে, তারা তাদের শিশুদের জন্য কিছু একটা করতে পারছেন।
এখানে দেখুন expressing your breast milk.

ইনকিউবেটর

যেসব শিশু খুবই ছোট হয় তাদেরকে শিশু খাটে রাখার চেয়ে ইনকিউবেটরে রাখাই শ্রেয়। কারণ এতে তারা উষ্ণ থাকে। এখানে থাকা অবস্থাতেও শিশুর সাথে আপনি নানাভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন। কিছু কিছু ইনকিউবেটরের ওপরের অংশটি খোলা থাকে। আপনার শিশুর ইনকিউবেটরে এমন সুযোগ না থাকলে আপনি সহজেই এর পাশ দিয়ে যে ছিদ্রটি আছে তাতে হাত ঢুকিয়ে দিতে পারবেন এবং শিশুকে স্পর্শ করতে পারবেন। আপনার শিশু একটু সুস্থ হলেই নার্সরা আপনাকে শিশুকে ইনকিউবেটর থেকে বের করে কোলে নিতে দেবেন এবং দেখিয়ে দেবেন কিভাবে শিশুকে কোলে নিবেনে। কিন্তু তার আগে আপনাকে কিছু বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আপনাকে খুব ভাল করে হাত ধুয়েই তারপর শিশুকে ধরতে পারবেন। এসময় আপনি আপনার শিশুর সাথে কথাও বলতে পারেন, এতে করে দুজনেরই লাভ হয়।

নবজাতক শিশুর যখন জন্ডিস হয়
সদ্যজাত শিশুর জন্ডিস হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। অনেকেরই হয়ে থাকে। কারণ তাদের যকৃত থাকে অপরিণত। গুরুতর জন্ডিসে আক্রান্ত শিশুদের ফটোথেরাপি দেওয়া হয়ে থাকে। শিশুটিকে কাপড় ছাড়া একটি খুব উজ্জ্বল আলোর নিচে রাখা হয়, সাধারণত তাদের চোখের ওপর খুব নরম জাতীয় মাস্ক দেওয়া হয় এবং ছেলে হলে অন্ডাশয় ঢেকে রাখা হয়। বিশেষ এই আলোকে জন্ডিসের অন্যতম কারণ কেমিক্যাল ভেঙ্গে দিতে সাহায্য করে। আপনার শিশুর এমন জন্ডিস হলে আপনার বিছানার পাশে রেখেই এই থেরাপি দেওয়া সম্ভব। এতে করে আপনারও আলাদা হতে হবে না। এই চিকিৎসা বেশ কয়েকদিন ধরেই চলতে পারে, মাঝে শুধু খাওয়ানোর জন্য সময় দেওয়া হবে। ফটোথেরাপি মেশিনের উষ্ণতায় শিশু পানিস্বল্পতায় যেন আক্রান্ত না হয় তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বুকের দুধ দিতে হবে। জন্ডিসের প্রকৃতি যদি ভয়াবহ আকার নেয়, তাহলে রক্ত পরিবর্তনের (ডায়ালাইসিস) প্রয়োজন হয়ে উঠতে পারে। (আপনার শিশুর শরীরের কিছু রক্ত নিয়ে সেখানে নতুন রক্ত দিতে হতে পারে)। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। কোনো কোনো শিশুর যকৃতের অসুখ থেকে জন্ডিস হয়। তার ক্ষেত্রে অন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ফটোথেরাপি শুরুর আগে যকৃতের অসুখের জন্য রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। নবজাতকের জন্ডিসের অন্যান্য চিকিৎসা সম্পর্কে আরও তথ্য জানুন।

দুই সপ্তাহ পর জন্ডিস আক্রান্ত শিশু
জন্মের পর থেকে অনেক শিশুর জন্ডিস দুই সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। আর অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রে তিন সপ্তাহও হতে পারে এই সময়টুকু। বুকের দুধ খায় এমন শিশুর ক্ষেত্রে এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা এবং এতে কোন ক্ষতি হয় না। আর বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করার এটা কোন কারণও নয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ পরও যদি জন্ডিস থাকে তবে ডাক্তার দেখানো অবশ্যই জরুরি। একদিন, বা দুদিনের মধ্যেই ডাক্তার দেখাতে হবে। বিশেষ করে আপনার শিশুর পায়খানা যদি চকের মতোন সাদা হয়, তাহলে দেরি করা উচিত হবে না। রক্ত পরীক্ষাতেই সব ধরা পড়বে। যদি এটা বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে সৃষ্ট জন্ডিস হয়ে থাকে, তবে তা আপনাআপনিই সেরে যাবে, কিন্তু অন্য ধরনের জন্ডিস হলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রতিবন্ধী শিশু

আপনার শিশু যদি কোন না কোনভাবে প্রতিবন্ধী (মানসিক/শারীরিক) হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সাথে আপনাকে পরিচিত হতে হবে। সেইসাথে অন্যদের বিশেষ করে শিশুর বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধব সবার অনুভূতির সাথেও আপনাকে মানিয়ে চলতে হবে। এই সময়ে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে আপনাকে অন্যদের সাথে আলোচনা করতে হবে, বলতে হবে আপনার কেমন লাগছে, আপনার শিশুর স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যত এসব কিছু নিয়েই আপনাকে কথা বলতে হবে। এ ব্যাপারে আপনাকে আপনার নার্স, শিশু বিশেষজ্ঞ বা স্বাস্থ্য পরিদর্শক যে কেউ সাহায্য করতে পারেন।

Photos 26/06/2014

ডায়পার কি কি ক্ষতি করছে আপনার সন্তানের।

Photos 23/06/2014

বর্ষায় শিশুর যত্ন
(এই লেখাটিতে স্মার্টশপের কোন কৃতিত্ব নাই, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

তীব্র গরমের পর বৃষ্টি নিয়ে আসে শান্তির পরশ। বর্ষা শুরু হয়ে গেছে। এই সময়ে পানিবহিত ও মশাবহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।তাই শিশুরা খুব সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।এই সময় শিশুর দরকার একটু বাড়তি যত্ন।
১. ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ এই সময়ে বেড়ে যায়।আপনার বাড়ির আশেপাশে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।ফুলের টব, এসি ও ওয়াটার কুলারে যাতে ১ দিনে বেশী পানি জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
২. বর্ষাকালে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বেড়ে যায়।বাইরের খোলা বা বাসি খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না । পানি অবশ্যই বিশুদ্ধ করে পান করুন।
৩. শিশুকে খাওয়ানোর আগে অবশ্যই হাত ভালভাবে ধুয়ে নিন এবং শিশুকেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
৪. বৃষ্টির কারনে ঘরের দেয়াল অনেক সময় ভেজা থাকে এতে করে ফাঙ্গাসের জন্ম হতে পারে যা থেকে শিশুর শ্বাসকস্ট বা অ্যাজমাও হতে পারে।তাই বৃষ্টির সময় দরজা জানালা বন্ধ রাখুন।
৫, বৃষ্টিতে ভিজে গেলে ভেজা স্থান দ্রুত মুছে ফেলুন এবং সম্ভব হলে শিশুকে গোসল করান।এতে শিশু সংক্রমনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

Photos from Smart Shop's post 21/06/2014
Photos from Smart Shop's post 21/06/2014

সহজ এক্সেরসাইজে ঝরিয়ে ফেলুন বাড়তি মেদ (Collected from internet)

কুরবানির ঈদের আনন্দই হল পরিবারের সবার সাথে পরোটা, চালের রুটি দিয়ে গরু খাসির মাংস খাওয়া। এতগুলো দিন প্রতিদিন মাংস খাওয়া মানেই হচ্ছে বাড়তি মেদ জমে যাওয়া। কিন্তু বাড়ি থেকে বের হয়ে জিমে বা হাঁটতে যেতেও ইচ্ছে হয় না। আসুন কিছু সহজ ফ্রি হ্যান্ড এক্সেরসাইজ জেনে নিই যেই এক্সেরসাইজগুলি সহজেই ঘরে বসে করতে পারবেন-
১) স্টেপ আপ
খুবই সহজ একটি এক্সেরসাইজ। যে কেউই এই এক্সেরসাইজটি করতে পারেন। ছবির মত এক্সেরসাইজটি করতে আলাদা করে স্টেপ বার কেনার কোন প্রয়োজন নেই। চাইলে আপনি সিঁড়ি বাইতে পারেন কিংবা কাঠের কোন পিড়ি বা ছোট টুলেও স্টেপ আপ এক্সেরসাইজটি করতে পারেন। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে করতে পারেন কিংবা আধা ঘণ্টা করে দুই সেশনেও করতে পারেন। ভালো ফল পেতে মাঝে মাঝে দুহাতে ২ টি এক কেজির ডাম্বেল নিয়েও এক্সেরসাইজটি করতে পারেন।
২) স্কোয়াটস
হিপ, থাই এবং পেটের মেদ কমানোর জন্য এই এক্সেরসাইজটি অনেক কাজে দেয়। ছবির মত সোজা হয়ে দাড়িয়ে হাঁটু বাকা করুন। এবং শরীরকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামিয়ে আনুন। হাঁটু এমনভাবে ভাঁজ করুন যেন হাঁটু পায়ের পাতার থেকে এগিয়ে না যায়। এভাবে ৩০ থেকে ৫০ বার করে করার চেষ্টা করুন।
৩) লাঞ্জেস
এটি মূলত থাই এবং হিপের এক্সেরসাইজ। এক পা সামনে হাঁটু ভাঁজ করে এগিয়ে সে পায়ে ভর দিয়ে বসার চেষ্টা করুন এবং এই সময় অন্য পা পেছনের দিকে মেলে রাখুন। আবার সোজা হয়ে দাড়িয়ে পুরো প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করুন।
৪) সুপারম্যান
দু হাত সোজা উপরের দিকে রেখে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর পেটের উপর ভর দিয়ে দুহাত এবং দু পা মেঝে থেকে উপরের দিকে উঠান। এই অবস্থায় কয়েক সেকেন্ড রেখে আবার পুরো শরীর ছেড়ে দিয়ে মেঝেতে শুয়ে পড়ুন।

Photos from Smart Shop's post 21/06/2014

ওজন কমানোর জন্য দুইটি সুস্বাদু সালাদের রেসিপি

ওজন কমানোর জন্য সালাদ খেতে হবে একথা আমাদের সবারই জানা। কিন্তু সালাদেরও থাকা চাই খাদ্য গুনাগুন এবং স্বাদ। আসুন জেনে নিই কিছু সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর সালাদের রেসিপি -
১) ছোলা এবং মিষ্টি কুমড়ার সালাদ
এই সালাদ শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটায় এবং এতে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং মিনারেলস।

যা যা লাগবেঃ

· দেড় কাপ ছোলার ডাল ( বানানোর আগে সিদ্ধ করে নিন)

· দেড় কাপ কিউব করে কাটা মিষ্টি কুমড়া

· আধা কাপ পালং শাকের পাতা

· ১/৪ কাপ লাল ক্যাপসিকাম কুচি

· ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল (এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল হলে ভাল হয়)

· ১ টেবিল চামচ মধু

· ১/৪ কাপ সাদা ভিনেগার

· ১/৪ কাপ ধনে পাতা কুচি

· লবন এবং গোলমরিচ স্বাদমত

প্রক্রিয়াঃ

ওভেনকে ২০০ ডিগ্রীতে প্রি হিটে রাখুন।

কিউব করে কাটা মিষ্টি কুমড়াকে একটা বোলে নিয়ে এর উপর ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং হালকা লবন ছিটিয়ে দিয়ে ১০ মিনিটের জন্য বেইক করুন।

ঠাণ্ডা হলে বেইক করা মিষ্টি কুমড়ার সাথে পালং শাক কুচি, ক্যাপসিকাম কুচি এবং ধনে পাতা কুচি মেশান। এরপর এর উপর ছোলার ডাল ছিটিয়ে দিন।

আরেকটি ছোট পাত্রে সাদা ভিনেগার এবং মধু মিশিয়ে নিন এবং পুরো সালাদের উপর মিশ্রণটি ছড়িয়ে দিন।

এরপর স্বাদমত লবন এবং সামান্য গোলমরিচ ছিটিয়ে দিন।

২) কারি চিকেন সালাদ রেসিপি
যা যা লাগবেঃ

· ৩/৪ কাপ ফ্যাট ফ্রি টক দই

· আধা কাপ আঙ্গুর কুচি

· ২ চা চামচ কারি পাউডার

· লেটুস পাতা এবং সবুজ ক্যাপসিকাম কুচি

· ২ কাপ সিদ্ধ চিকেন
প্রক্রিয়াঃ

প্রথমে চিকেনের ব্রেস্টের পিস নিয়ে ছোট ছোট করে পিস করুন।

এরপর পিস করা চিকেনকে সামান্য কিউব করে কাটা আদা, রসুন এবং লবন দিয়ে পানিতে সিদ্ধ করুন।

সিদ্ধ হয়ে এলে চিকেন পিস গুলিকে পানি ঝরিয়ে নিন।

একটি কাপে টক দই, কারি পাউডার, সামান্য লবন এবং আঙ্গুরের পিসগুলিকে ভাল করে মিশিয়ে নিন।

এরপর চিকেন পিস এবং টক দই মিশ্রণকে ভাল করে মিশিয়ে নিন।

লেটুস পাতা এবং একটা সবুজ ক্যাপসিকামের অর্ধেক কুচি করে নিয়ে একটি প্লেটে ছড়িয়ে দিন এবং এরপর চিকেন সালাদ ঢেলে দিন।

এর উপর চাইলে সামান্য লবন এবং গোলমরিচ ছিটিয়ে দিতে পারেন।

সালাদের গুনাগুন বাড়াতে ১ টেবিল চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলও সালাদের উপর ছড়িয়ে দিতে পারেন।

Photos 11/05/2014

আপনার সুইট বেবির জন্য কোন উপহার কেনার কথা ভাবছেন?
অনেক সুন্দর কিছু?
নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় কিছু?
সবার চেয়ে আলাদা কিছু?
সবাইকে চঁমকে দেয়ার মত কিছু?
অল্প বাজেটে আন্তর্জাতিক মানের কিছু?
হ্যা, আমরাই আপনার জন্য নিয়ে এসেছি বিশ্বমানের, বিশ্বখ্যাত INTEX Corporation এর তৈরি Baby Pool.
শিশুর জন্য উপহার হিসেবে এটাই হতে পারে আপনার সঠিক পছন্দ।
কারন বিশ্বমানের টেঁকসই Plastic Inflatable পন্য
ব্যবহার বিধি মেনে চললে কমপক্ষে ৩ বছর বা তার বেশি ব্যবহার করা যাবে।
দামঃ ৬০০ টাকা

যোগাযোগঃ রাসেল ০১৬৭১৪৩৩৮৫৯
Address : House-161, Road-11, Mirpur DOHS, Dhaka

Photos 11/05/2014

শিশুর জন্য কোন উপহার কেনার কথা ভাবছেন?
অনেক সুন্দর কিছু?
নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় কিছু?
সবার চেয়ে আলাদা কিছু?
সবাইকে চঁমকে দেয়ার মত কিছু?
অল্প বাজেটে আন্তর্জাতিক মানের কিছু?
হ্যা, আমরাই আপনার জন্য নিয়ে এসেছি বিশ্বমানের, বিশ্বখ্যাত INTEX Corporation এর তৈরি Baby Pool.
শিশুর জন্য উপহার হিসেবে এটাই হতে পারে আপনার সঠিক পছন্দ।
কারন বিশ্বমানের টেঁকসই Plastic Inflatable পন্য
ব্যবহার বিধি মেনে চললে কমপক্ষে ৩ বছর বা তার বেশি ব্যবহার করা যাবে।
দামঃ ৬০০ টাকা

যোগাযোগঃ রাসেল ০১৬৭১৪৩৩৮৫৯
Address : House-161, Road-11, Mirpur DOHS, Dhaka

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Mirpur
Dhaka
1216