Creato Cell
আপনার আবাসন ও কর্মস্থলের সৌন্দর্যের দায়িত্বটা আমাদের, আর পরিতৃপ্তি আপনার ।
13/05/2026
⛔ক্রিয়েটোসেল ব্রেকিং :
ইন্টেরিয়র প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটোসেল ইন্টেরিয়র আয়োজিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে ২ জন বিশিষ্ট ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে আমাদের কর্মী সদস্যদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই সঙ্গে ঝুকিঁপূর্ণ কাজে কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার করণীয় সম্পর্কেও বিশিষ্ট ডাক্তারবৃন্দ পরামর্শ প্রদান করেন।
সুস্থ ও দক্ষ কর্মী আমাদের সম্পদ এবং একটি ইন্টেরিয়র ফার্মের মূল শক্তিই হলো তার কর্মী। একটি সুন্দর ইন্টেরিয়র ডিজাইনের পিছনের কারিগরদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ক্রিয়েটোসেল ইন্টেরিয়র এই ব্যাপারে সবসময় সচেতন।
12/05/2026
ইন্টারনেট বা অন্য উৎস থেকে বাড়ির ডিজাইন কপি না করে নিজের সৃষ্টিশীলতাকে প্রাধান্য দিন।আপনার আইডিয়া অবশ্যই প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের সঙ্গে শেয়ার করে অন্দর সজ্জার বিষয়ে পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন একজন প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনার আপনার আইডিয়া ও রুচি কে প্রাধান্য দিয়ে বাজেটের মধ্যেই একটি ব্যালান্সড প্ল্যান দিতে পারে।
ইন্টেরিয়র কোন বিলাসিতা নয়, এটা আপনার জীবনধারার একটি অংশ। দিন শেষে আপনার আনন্দ, বিশ্রাম, আবেগ ও স্বস্তির জায়গা।
আনন্দময় হোক আপনার নিবাস।
11/05/2026
"ঘরের অভ্যন্তরীণ সজ্জা আংশিকভাবে সামাজিক হওয়ার ওপর সাফল্য লাভ করে।"
-নিকোলাস হ্যাসলাম।
সোনামণিদের অন্দর
আপনাদের বাড়িতে বাচ্চা যত ছোট হোক বা বড় হোক, তাদের প্রচুর জিনিসপত্র থাকবেই।
বই খাতা,রঙ,কাপড়চোপড়, খেলনা সব মিলিয়ে অনেক জিনিসপত্র। তাই বাচ্চাদের ঘরের ইন্টেরিয়র প্ল্যান করতে হবে সঠিকভাবে।
বাচ্চাদের ঘরের জানালা যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখতে হবে।সেখানে রঙিন পর্দার ব্যবস্থা করুন। খাটের ডিজাইনে স্টোরেজ যুক্ত করা যেতে পারে, তাতে পুরনো খেলনা, বইপত্র ইত্যাদি রাখা যেতে পারে বাচ্চার পছন্দের থিমের চাদর ও কুশন কভার ব্যবহার করুন। এতে করে ঘরটি আপনার বাচ্চার জন্য আনন্দময় হয়ে উঠবে।
আপনার বাচ্চার আঁকা ছবি ফ্রেম করে ওর ঘরের দেয়াল ডেকোরেট করতে পারেন। বাচ্চার হাতে বানানো ক্র্যাফট আইটেম একটি দেয়ালে কোলাজ করে লাগিয়ে দিলে খুব সুন্দর নান্দনিকতা আসবে।
দিনশেষে ঘরটি আপনার বাচ্চার কাছে প্রিয় জায়গা হয়ে উঠবে।
অপূর্ব খন্দকার এর
"নিজেই হয়ে যান ইন্টেরিয়র ডিজাইনার "
বই থেকে।
10/05/2026
রোজ গার্ডেন প্যালেস
বাংলাদেশের পুরান ঢাকায় অবস্থিত একটি অট্টালিকা ও বাগান। স্থাপনা টি পুরান ঢাকার টিকাটুলি এলাকার কে এম দাস লেনে , মতিঝিলের আধুনিক বাণিজ্যিক এলাকা এবং ঢাকার গোপীবাগ এলাকার বলধা গার্ডেনের কাছে অবস্থিত । অট্টালিকাটি নির্মাণ করেছিলেন একজন হিন্দু জমিদার হৃষিকেশ দাস। তিনি এই অট্টালিকায় এক দশক বসবাস করেন। ১৯২৭ সালে তিনি দেউলিয়া হয়ে যান এবং অট্টালিকাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের আরেক জমিদার বসুরউদ্দিন সরকারের কাছে বিক্রি করে দেন । পরবর্তীতে বসুরউদ্দিন সরকারের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার অট্টালিকাটি এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেয়। লজটির নিচতলায় ৩০ ফুট বাই ১৫ ফুট পরিমাপের একটি কেন্দ্রীয় হল সহ আটটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, এবং উপরের তলায় মাঝখানে ৪৫ ফুট বাই ১৫ ফুট পরিমাপের একটি বড় নাচের হল সহ আরও পাঁচটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। সমস্ত অ্যাপার্টমেন্টগুলো অভিজাত মোজাইক, অসংখ্য রঙিন স্কাইলাইট এবং দেয়ালের অলঙ্কার দিয়ে সজ্জিত। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি কাঠ, রঙিন বেলজিয়াম কাচ এবং লোহা দিয়ে তৈরি লতাপাতা ও পশুর অবয়ব দিয়ে অলঙ্কৃত। নাচের হলের উপরে একটি জাঁকজমকপূর্ণ গম্বুজ রয়েছে এবং নাচের বৃত্তটি জলপ্রপাত দ্বারা পরিবেষ্টিত। ছাদটি ফুলের নকশায় সজ্জিত এবং সবুজ আয়না দিয়ে অলঙ্কৃত। ছাদ থেকে লম্বা ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি ঝুলছে। নাচের ঘরের সামনে একটি জটিল নকশার সর্পিল সিঁড়ি ছাদে নিয়ে যায়। ভবনের পূর্ব দিকে পিছনে একটি বারান্দা এবং তিন খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, যা উপরের তলার সিঁড়ির দিকে নিয়ে যায়। মূলত বাগানে একটি আলংকারিক ফোয়ারা ছিল, যার কাঠামো এখনও বিদ্যমান। বাগানে বেশ কয়েকটি ধ্রুপদী মার্বেল মূর্তি রয়েছে , যদিও যে গোলাপ বাগানটির নামে অট্টালিকাটির নামকরণ হয়েছিল, সেটি এখন আর নেই।
এই স্থাপনাটি রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্য ও আভিজাত্য বহন করে। আর্কিটেক্ট ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গন এই স্থাপনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নগর নকশায় অবদান রাখছেন।
09/05/2026
আপনার বাড়িতে আপনার আত্মা প্রতিফলিত হওয়া উচিৎ।
- ভিনসেণ্ট ভ্যানগগ।
মাস্টার বেডের সাজ।
দিনশেষে নিজ বাড়িতে ফিরে নিজের মতো সময় কাটানোর একমাত্র জায়গা এই মাস্টার বেডরুম। আরামের ঘুম বা নিজের মতো সময় কাটাতে তাই মাস্টার বেডরুমে দিতে হবে মনের মতো প্রাণের ছোঁয়া। রুমের এক পাশে দেয়ালপ সুবিধাজনক জায়গায় একটি কম্বো কেবিনেট করে নিতে পারেন। তাতে ঘরের অনেক জায়গা বেঁচে যাবে।
দেয়ালে নিয়ে আসতে পারেন সুন্দর পেইন্টিং, স্মৃতিময় কিছু ছবি।সুন্দর ফ্রেমের কোলাজ করে রাখলে অন্য রকম ভালো লাগা তৈরি হবে।
বেডরুমের রঙ অন্য ঘরের তুলনায় একটু হালকা রাখা ভালো। তাতে ঘরে হালকা ও শান্ত মেজাজ তৈরি হবে। দেয়ালের সাথে মিলিয়ে বিছানার চাদর, কুশন কভারের কালার শেড ব্যবহার করা যেতে পারে
বেডের সামনে শতরঞ্জি রাখলে ভালো লাগবে।
অপূর্ব খন্দকার এর
"নিজেই হয়ে যান ইন্টেরিয়র ডিজাইনার"
বই থেকে...
08/05/2026
⛔ক্রিয়েটোসেল ব্রেকিং :
আগামীকাল ০৯.০৫.২০২৬ (শনিবার) ক্রিয়েটোসেল টিম যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। স্বনামধন্য ইলেট্রনিক ব্র্যান্ড এর শোরুম ভিজিট ও কর্পোরেট মিটিং এর জন্য, যেখানে ওই ব্র্যান্ডের দেশ জুড়ে সমস্ত শোরুম এর প্রজেক্ট ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও কন্সট্রাকশন করবে ক্রিয়েটোসেল ইন্টেরিয়র। শীঘ্রই এই প্রজেক্টের কাজগুলো শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
07/05/2026
আপনার বাড়ি আপনার সবচেয়ে আপন স্বস্তির জায়গা। তাকে আতিশয্যের মধ্যে না রেখে পরিমিত বোধ ও আপন রুচিশীলতায় সাজিয়ে - গুছিয়ে রাখুন।
ইন্টারনেট বা অন্য উৎস থেকে বাড়ির ডিজাইন কপি না করে নিজের সৃষ্টিশীলতাকে প্রাধান্য দিন।আপনার আইডিয়া অবশ্যই প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের সঙ্গে শেয়ার করে অন্দর সজ্জার বিষয়ে পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন একজন প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনার আপনার আইডিয়া ও রুচি কে প্রাধান্য দিয়ে বাজেটের মধ্যেই একটি ব্যালান্সড প্ল্যান দিতে পারে।
ইন্টেরিয়র কোন বিলাসিতা নয়, এটা আপনার জীবনধারার একটি অংশ। দিন শেষে আপনার আনন্দ, বিশ্রাম, আবেগ ও স্বস্তির জায়গা।
আনন্দময় হোক আপনার নিবাস।
06/05/2026
⛔ক্রিয়েটোসেল ব্রেকিং :
রাজধানী ঢাকার কাছে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর এ চলছে রেসিডেন্স ইন্টেরিয়র এর সাইট ভিজিট এর কাজ। ১২০০ স্কয়ারফিটের এই প্রজেক্ট ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও কন্সট্রাকশন করবে ক্রিয়েটোসেল ইন্টেরিয়র। শীগ্রই এই প্রজেক্টের কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
05/05/2026
আপনার ইন্টেরিয়র ডিজাইন এর One Stop সল্যুশন দরকার?
আমরা দিচ্ছি 3D ডিজাইন থেকে কন্সট্রাকশন পর্যন্ত কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ, সঠিক সময়ে কাজের সমাপ্তি। সঠিক জায়গার ব্যবহার করে আপনার কল্পনা প্রসূত চিন্তা কে বাস্তব সম্মত রুপ দান করি এবং আপনার কস্টের টাকার সঠিক মূল্যায়ন করি।
আমরা সৃষ্টিশীলতা কে প্রাধান্য দেই। গদবাধা কাজের বাইরে সৃজনশীলতায় আমাদের উৎসাহ, তাই আমরা ক্রিয়েটোসেল!!
জাস্ট নক করুন-
01711 453 800
কাজীপাড়া, মিরপুর
04/05/2026
অন্দর প্রবেশের করিডোর
" একটি ঘরের সজ্জা কখনই চোখকে এক জায়গায় বেঁধে রাখবে না।এটি আপনার দিকে তাকিয়ে হাসবে এবং কল্পনা তৈরি করবে"
- জুয়ান মনতোয়া।
ঘরের অন্দরে প্রবেশের পথ বা করিডোরটি আপনার রুচির পরিচয় বহন করবে। খুব সহজেই আপনি এ জায়গাটি সাজিয়ে তুলতে পারেন। ঘরে প্রবেশের এই অংশে আপনি আপনার পরিবারের জুতা গুলোর জন্য কেবিনেট রাখতে পারেন। কেবিনেটের ওপর ইনডোর প্ল্যান্ট, শোপিস রাখতে পারেন।দেয়ালে রাখতে পারেন সুদৃশ্য আয়না বা ফটো ফ্রেম।
দরজার ওপরে সিলিংয়ে উজ্জ্বল বাতি ব্যবহার করুন,তাতে বাইরের শোভাবর্ধন হবে।
দরজার পাশে সুন্দর ডিজাইনের নামফলক ব্যবহার করুন। সুন্দর নামফলক আপনার ব্যাক্তিত্বের প্রকাশ। টেরাকোটা বা কাঠের নামফলক সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটাবে।
অপূর্ব খন্দকার এর
"নিজেই হয়ে যান ইন্টেরিয়র ডিজাইনার "
বই থেকে...
03/05/2026
লালবাগ কেল্লা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পুরান শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন । এর নামটি এর পার্শ্ববর্তী এলাকা লালবাগ থেকে এসেছে, যার অর্থ লাল বাগান। লালবাগ শব্দটি মুঘল স্থাপত্যে লালচে এবং গোলাপী আভাকে বোঝায় । মূল কেল্লার নাম ছিল ঔরঙ্গাবাদ কেল্লা । এর নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ , সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র। পরবর্তিতে মুঘল বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান দুর্গটির নির্মাণ কাজের তত্ত্বাবধান করেন । শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পরে পরী বিবিকে দুর্গের ভিতরে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
দুর্গটি তিনটি ভবনের (মসজিদ, বিবি পরীর সমাধি ও দিওয়ান-ই-আম) সমন্বয়ে গঠিত, যার সাথে দুটি প্রবেশদ্বার এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গপ্রাচীরের একটি অংশ ছিল।
দক্ষিণ দিকের দুর্গ প্রাচীরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি বিশাল বুরুজ রয়েছে। দক্ষিণ দুর্গ প্রাচীরের উত্তরে ছিল ব্যবহারিক ভবন, আস্তাবল, প্রশাসনিক ব্লক, এবং এর পশ্চিম অংশে ঝর্ণা ও জলাধারের ব্যবস্থা সহ একটি সুন্দর ছাদ-বাগান ছিল। আবাসিক অংশটি পশ্চিম দুর্গ প্রাচীরের পূর্বে, প্রধানত মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ছিল।
দক্ষিণ দিকের দুর্গ প্রাচীরে নিয়মিত ব্যবধানে দুই তলা উচ্চতার পাঁচটি বুরুজ ছিল এবং পশ্চিম প্রাচীরে দুটি বুরুজ ছিল; সবচেয়ে বড়টি প্রধান দক্ষিণ ফটকের কাছে অবস্থিত। বুরুজগুলোতে একটি সুড়ঙ্গ ছিল।
দুর্গের কেন্দ্রীয় এলাকাটি তিনটি ভবন দ্বারা দখল করা আছে—পূর্বে দিওয়ান-ই-আম এবং হাম্মাম , পশ্চিমে মসজিদ এবং উভয়ের মাঝখানে পরি বিবির সমাধি—একই লাইনে, কিন্তু সমান দূরত্বে নয়। নিয়মিত ব্যবধানে ঝর্ণাসহ একটি জলপথ তিনটি ভবনকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে সংযুক্ত করে।
লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের একটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপন। এর স্থাপত্যশৈলী,বাগান ও পরিবেশ দেখলে মুঘল আমলের শিল্প সংস্কৃতি ও আর্কিটেকচারের সুস্পষ্ট ধারণা করা যায়। এটি শুধু মাত্র একটি ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র নয় মুঘল আর্কিটেকচারের এর জীবন্ত নিদর্শন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
445/1 Paris Furniture Road, North Kazipara, Mirpur
Dhaka
1216