Reasonable

Reasonable

Share

Lifestyle

27/01/2026

রণজিৎ দাশের একটা কবিতা আছে-আমরা নিখুঁত নই।কবিতাটা এমন-

আমরা নিখুঁত নই। একটা ঘাসফড়িং নিখুঁত, একটা সন্ধ্যাতারা নিখুঁত, একটা বৃষ্টির ফোঁটা নিখুঁত। নিখুঁত একটা বসন্তের রাত। কিন্তু আমরা জন্ম থেকেই পঙ্গু, বেঢপ, মূর্খ এবং দিশাহারা। আমরা ধূর্ত, জালিয়াত, ভঙ্গুর, ভিখারি। আমরা জন্মাই শুধু ভুল স্বপ্নে ভুল কামে ভুল শহরে হেঁটে নিজেদের ধ্বংস করার জন্য, ভুল মানুষকে ভালবেসে এবং আঘাত পেয়ে, বুক ভেঙে মরে যাওয়ার জন্য। শুধু, সবশেষে টের পাই, আমাদের ভুলগুলি কি মারাত্মক নিখুঁত।

যদিও শুধু বাহ্যিক অবয়ব এই কবিতার সারকথা নয়।কিন্তু আমি বাহ্যিকতার কথাই বলছি।
আমরা কেউই নিখুঁত নই,আমাদের অসম্পূর্ণতা,খুঁত কিছু মানুষ বারবার ধরিয়ে দিতে চায়।আবার কেউ কেউ,এসে বলে যে তোমার এই খুঁতটুকুই তোমাকে তুমি করে।তুমি সুন্দর যেমন তুমি আছো তেমনই।

সম্প্রতি রানী মুখার্জির ক্যারিয়ারের ত্রিশবছর উপলক্ষ্যে এক আয়োজনে রানীর হোস্ট ছিলেন কারান জোহর।রানীর প্রথম সিনেমা রানী ডাবিং করেননি।প্রযোজকরা সিদ্ধান্তে রানীর ডাবিং করেছেন অন্য কেউ।রানী মেনে নিয়েছেন।তিনি জানতেন তার ভাঙা গলা। নতুন ছিলেন বলে খারাপলাগাটুকুও প্রকাশ করতে পারেননি।

তারপর কারান জোহর কুচ কুচ হোতা হ্যায় বানাচ্ছেন।একদিন এসে রানীকে জিজ্ঞেস করলেন -আচ্ছা তোমার কি নিজের ভয়েসে ডাবিং করতে অসুবিধা আছে?তোমার প্রথম ছবিতে তুমি ডাবিং করোনি কেন?
রানি উত্তর দিয়েছিলেন,প্রথম ছবিতেও তিনি ডাবিং করেছেন তার কোনো অসুবিধা নেই।
কারান তখন বলেছিলেন-ডান,আই লাভ ইউর ভয়েস।

এইটুকু বলে ত্রিশ বছর পর রানী কেঁদে ফেললেন।বলতে থাকলেন,সেদিন তুমি না হলে আমার বহু সিনেমায় হয়তো আমার কন্ঠ থাকতোনা,আমি নিজের কন্ঠ তোমার জন্যই পেলাম!

আমি হঠাৎ করে দেখলাম,এতো বড় মানুষের সামনে থেকে সমস্ত পর্দা সরে গেছে।সেই ছোট্ট রানী যাকে একদিন পৃথিবী তার খুঁতটুকু ধরে আঘাত করতে চেয়েছিলো।সেই রানী নত হচ্ছেন তার কাছে যে মানুষটা সব ঠেলে বলেছে -তুমি সুন্দর,তুমি যেমন।

যে তাকে তার মতো করে দেখেছে,তার খুঁতটুকুকে বলেছে -সুন্দর!

দিন কেটে গেছে,উপশম হয়েছে হয়তো কিছু ,হয়তো আজও দাগটুকু থেকে গেছে তেমন'ই।

এতো সাফল্য,এতো অর্জন এই ব্যথা ভোলাতে পারেনি বলেই রানী অই মঞ্চে কেঁদে ফেলেছেন।স্মৃতিটুকু কেবল উদারতার কিংবা কৃতজ্ঞতার নয়,নিজের অন্তস্থিত ব্যথারও।

দুনিয়াতে অনেক লোক অনেক কথা বলে।কিন্তু সেই একজনের বড় দরকার যার ছোট্ট কথায় মানুষ এতোটা সাহস পায় যে একটা মানুষের সমস্ত অস্তিত্ব তো বটেই সে পুরো ইতিহাস পাল্টে দেয় নিজেরই।

আমরা কেউ নিখুঁত নই।
শুধু দেখবার জন্য একটা নিরেট,নিখুঁত,উদার চোখ যে লাগে!

22/01/2026

"বাসর রাতের ময়মনসিংগা স্বামী-স্ত্রীর secret কথপোকথন"

*স্ত্রী -আফনি বিড়ি কাইন.?

*স্বামী - হুম কাই.!

*স্ত্রী -কয়ডা কাইন.?

*স্বমী-০৫টা কাই.!

*স্ত্রী - কয় টেয়া কইরা.?

*স্বামী -১২ টেয়া.!

*স্ত্রী - কয় বছর দইরা কাইন.?

*স্বামী -০৭ বছর দইরা.!
*স্ত্রী - আফনি পতিদিন ০৫ টা বিড়ি কাইন ১২ টেয়া দামের তাইলে অয় ১২×০৫=৬০ টেয়া,মাসে অয় ৬০×৩০=১৮০০ টেয়া, বছরে অয় ১৮০০×১২=২১৬০০ টেয়া, আর ০৭ বছরে অয় ২১৬০০×০৭=১৫১২০০ টেয়া দেখছেন কতলা টেয়া.?
এই টেয়ার বিড়ি না কাইয়া টেয়া জমাইলে আজগা আফনের একটা ফুন্ডা (বাইক) তাকতো বুজ্জেন.!
*স্বামী - তুমি বিড়ি কাও.?
*স্ত্রী - না কাই না.!
*স্বামী - তাইলে তোমার ফুন্ডাটা একটু দেও, আমি ইট্টু গুইরা আয়ী আর একটা বিড়ি কাইয়া আয়ী.!!

07/01/2026

When a crow isn’t feeling well, it heads straight for an anthill.

Not for food. For treatment.

It ruffles its feathers, spreads its wings, and lets the ants swarm over its body. As the ants move through the feathers, they release formic acid, which helps clear out bacteria, mites, and parasites. This behavior is known as anting.

Some crows even pick up ants and rub them directly into their feathers, using them like medicine.

Copy

18/12/2025

প্রথম ঝলকেই ছবিটা অনেককে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে।
কেউ কেউ হয়তো চোখ সরিয়ে নেবেন।

কিন্তু এক মুহূর্ত থামুন—
কারণ এটি কোনো ভয়ের গল্প নয়,
এটি মানবতার সবচেয়ে গভীর এক বিস্ময়ের দরজা।

আপনি যা দেখছেন, তা একজন মৃত দাতার মুখের ত্বক ও নরম টিস্যু—
অত্যন্ত সতর্কতা ও সম্মানের সঙ্গে প্রস্তুত করা,
একটি ফেস ট্রান্সপ্লান্টের জন্য।

ভয়ংকর নয়—এটি এক নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি।

ফেস ট্রান্সপ্লান্ট: যেখানে বিজ্ঞান ছুঁয়ে যায় মানবিকতা

যখন ভয়াবহ দুর্ঘটনা, আগুনে পুড়ে যাওয়া বা জটিল রোগ
কারও মুখের সব পরিচয় মুছে দেয়,
তখন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান দেয় এক অসম্ভবকে সম্ভব করার সুযোগ।

দাতার ত্বক, পেশি, রক্তনালী, স্নায়ু—
কখনো কখনো হাড়ও—
একত্রে প্রতিস্থাপন করে তৈরি হয় একটি নতুন মুখ,
একটি নতুন শুরু।

এই অলৌকিক কাজের নেপথ্যে থাকেন—

🔬 মাইক্রোসার্জনরা, যারা চুলের চেয়েও পাতলা রক্তনালী জোড়া লাগান
🧠 স্নায়ু বিশেষজ্ঞরা, যারা মুখে ফিরিয়ে আনেন অনুভূতি ও নড়াচড়া
🛠️ পুনর্গঠন সার্জনরা, যারা এমনভাবে সব সাজান
যাতে মানুষটি আবার কথা বলতে পারে, খেতে পারে,
চোখ বন্ধ করতে পারে—এমনকি হাসতেও পারে

দাতা: যিনি মৃত্যুর পরও হারিয়ে যান না

একজন দাতা শুধু টিস্যু দেন না—
তিনি দিয়ে যান সম্ভাবনা, সম্মান, আর একটি নতুন জীবন।
মৃত্যুর পরও তাঁর দান
অন্য একজন মানুষের মুখে ফিরিয়ে আনে স্বাভাবিকতা ও হাসি।

প্রাপক: অন্ধকার পেরিয়ে আলোতে ফেরা

প্রাপকের জন্য এটি কেবল সার্জারি নয়—
এটি লুকিয়ে থাকার জীবন থেকে বেরিয়ে আসা,
আয়নায় নিজের দিকে তাকানোর সাহস পাওয়া,
মানুষের ভিড়ে আবার নিজেকে মানুষ মনে করার সুযোগ।

এই ছবিটি ভয় সৃষ্টি করে না।
এটি আশা জাগায়।

এটি মনে করিয়ে দেয়—

আমাদের শেষটাও কারও নতুন শুরু হতে পারে।

Jammu and Kashmir's armless archer and Paralympics medallist Sheetal Devi edged out quadruple amputee Payal Nag of Odisha to win the gold in a much anticipated clash of the Khelo India Para Games here on Sunday.
In the battle between two teenagers, defending champion Sheetal came from behind to successfully bag her second gold medal of the Games at the Jawaharlal Nehru Stadium.
Pitted 17-year-old Payal, Sheetal, 18, triumphed 109-103 in their cot
Payal doesn't have all the four limbs as she lost them due to electrocution when she was a child, and she shoots with prosthetic legs.
The sunny conditions at the national capital didn't deter the competitive spirit of the archers as 40-year-old Rakesh Kumar and the 30-en gold medal match while Haryana's Pooja won ound gold med7 while Payal beoubl
Payal, however, lost the upper hand in the third round where she shot a 7 for the first time and Sheetal got back to her consistent best ofd 10s. The deciding fifth rou medal for India ra Games.
"Eae arrows with two devices in my prosthetic legs roblem adjusting but I still reached the final despite the discomfort and also there was a lot of windy conditions today. But I am happy to have competed in the final and got the silver," sd.
As per her coach Kuldeep Vedwan, Payal got a new dev

Copy

18/12/2025

ডুবে যাওয়া জাহাজে ৩ দিন বেঁচে ছিলেন তিনি!

সমুদ্রে ডুবে যাবার পরও বেঁচে থাকার ইতিহাসে এক অন্যতম বিস্ময়কর ঘটনা এটি। নাইজেরিয়ার উপকূলে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজের ভেতর প্রায় তিন দিন বেঁচে ছিলেন ছবির এই ব্যক্তি।

ঘটনাটি ঘটে ২০১৩ সালের মে মাসে। ১২ জন নাবিক নিয়ে একটি টাগবোট নাইজেরিয়ার উপকূলের উত্তাল সমুদ্রে চলাচল করছিল। জাহাজটি একটি তেলবাহী ট্যাংকার টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ একটি শক্তিশালী ঢেউ আঘাত হানে। টানার দড়ি ছিঁড়ে যায়, এবং মুহূর্তের মধ্যেই টাগবোটটি উল্টে ডুবে যেতে শুরু করে।

জাহাজটির রাঁধুনি হ্যারিসন ওকেনে তখন বাথরুমে ছিলেন। অন্য অধিকাংশ নাবিক নিজ নিজ কেবিনে তালাবদ্ধ অবস্থায় ঘুমাচ্ছিলেন। ওই এলাকায় জলদস্যুদের হুমকির কারণে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কেবিনগুলো বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রাখা হতো। কিন্তু সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাই শেষ পর্যন্ত তাঁদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্ধকারে ওকেনে বাথরুম থেকে ছিটকে পড়েন, তখন তাঁর পরনে ছিল শুধু একটি আন্ডারওয়্যার। চারদিক ছিল সম্পূর্ণ অন্ধকার। ছোট জায়গার ভেতরে তিনি একদিক থেকে আরেকদিকে আছড়ে পড়ছিলেন। তবে ভাগ্যের জোরে তিনি ইঞ্জিনিয়ারদের অফিস রুমে পৌঁছাতে পারেন, যেখানে একটি ছোট এয়ারপকেট ছিল।

ততক্ষণে জাহাজটি প্রায় ১০০ ফুট গভীরে, সমুদ্রের তলদেশে, উল্টো হয়ে স্থির হয়ে গেছে। খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই, ঠান্ডা ও ভেজা পরিবেশে অক্সিজেন দ্রুত কমে আসছিল। এমন অবস্থায় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ছিল না বললেই চলে।

তবু একের পর এক কাকতালীয় ঘটনায় ওকেনে বেঁচে যান। ওই রুমে তিনি একটি কোকাকোলার বোতল এবং দুটি ছোট ফ্ল্যাশলাইট লাগানো একটি লাইফ জ্যাকেট খুঁজে পান। তবে চারপাশে হাঙর বা মাছ তার সহকর্মীদের দেহ খাবার শব্দ শুনে তিনি ক্রমেই আশা হারাতে শুরু করেন।

পদার্থবিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, মানুষের প্রতিদিন প্রায় ৩৫০ ঘনফুট বাতাস প্রয়োজন। কিন্তু সমুদ্রতলের চাপের কারণে ওই এয়ারপকেটটি স্বাভাবিকের প্রায় চার গুণ বেশি সংকুচিত ছিল। সেই বাতাস ওকেনেকে প্রায় ৬০ ঘণ্টা বা আড়াই দিন বাঁচিয়ে রাখার মতো অক্সিজেন সরবরাহ করতে পেরেছিল।

আরেকটি বড় বিপদ ছিল কার্বন ডাই–অক্সাইড। এই গ্যাস ৫ শতাংশ মাত্রায় পৌঁছালে মানুষের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। ওকেনে শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছিল। তবে তিনি নিজের অজান্তেই পানির ওপর নাড়া দিচ্ছিলেন, ফলে পানির সংস্পর্শের ক্ষেত্রফল বাড়ে, এবং কার্বন ডাই–অক্সাইড পানিতে শোষিত হতে থাকে। এতে গ্যাসের মাত্রা প্রাণঘাতী পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

হাইপোথার্মিয়াও ছিল বড় হুমকি। শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে গেলে মানুষ দ্রুত অচেতন হয়ে পড়ে। কিন্তু ওকেনে একটি ম্যাট্রেস দিয়ে ছোট একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন, যা তাঁকে পানির ওপরে রাখতে সাহায্য করে। শরীর সরাসরি ঠান্ডা পানিতে থাকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হতো।

প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী ডাইভাররা ধ্বংসাবশেষের ভেতরে একজন মানুষের হাত নড়তে দেখেন। তারা তখন মৃতদেহ খুঁজছিলেন এবং ইতোমধ্যে চারটি লাশ উদ্ধার করেছিলেন। এই দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করা হয়।

অবশেষে ওকেনেকে ডিকমপ্রেশন চেম্বারে করে উপরে তোলা হয়। তিনি তখনও জানতেন না কত সময় কেটে গেছে। পরে তিনি জানান, উপরে উঠে আকাশের তারা দেখে তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো এক দিন পানিতে ছিলেন। ডিকমপ্রেশন চেম্বার থেকে বের হওয়ার পরই জানতে পারেন, তিনি দুই দিনেরও বেশি সময় সমুদ্রের নিচে ছিলেন!
সংগৃহীত

18/12/2025

১৯৮৫ সালে শারবত গুলা হয়ে ওঠেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের সবচেয়ে আইকনিক ছবির প্রতীক। এক বছর আগে, ১৯৮৪ সালে, তিনি ছিলেন একটি শরণার্থী ক্যাম্পের স্কুলছাত্রী। সেই সময় স্টিভ ম্যাককারি নামের এক আলোকচিত্রী তার নিখুঁত, অন্যমনস্ক চোখে তাকানো মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেন। ছবিটি তোলার সময় ম্যাককারি তার নাম পর্যন্ত জানতে পারেননি। কিন্তু সেই ছবি যখন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের কভারে প্রকাশিত হয়, তখনই তা হয়ে ওঠে পত্রিকাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি।

পরবর্তী দশকে বহুবার শারবত গুলাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেও ম্যাককারি ব্যর্থ হন। অবশেষে ২০০২ সালের জানুয়ারিতে, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর একটি অনুসন্ধানী দল আফগানিস্তানের এক অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় তাকে খুঁজে বের করে। স্টিভ ম্যাককারিও সেই সময় আফগানিস্তানে যান তাকে আবার দেখার জন্য।

ততদিনে শারবত গুলা বিবাহিত এবং তিন কন্যার জননী। অবাক করার মতো বিষয় হলো- ২০০২ সালের আগপর্যন্ত তিনি কখনোই ‘আফগান গার্ল’ নামে বিশ্ববিখ্যাত সেই ছবি দেখেননি। ছবিটি প্রথমবার তার সামনে আনা হলে তিনি নির্বাক হয়ে যান।

এরপর দীর্ঘ সময় পার হয়ে যায়। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে ক্ষমতার পালাবদলের পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে রোমে পৌঁছান। তখন তার বয়স ৪৯ বছর। ইতালির সরকার জানায়, আফগান নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার একটি বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শারবত গুলাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যম জানায়, ইতালির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির বিশেষ উদ্যোগে তাকে শরণার্থী মর্যাদা দেওয়া হয়।
(সংগৃহীত)

05/12/2025
Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka