Casper Entertainment Ltd.

Casper Entertainment Ltd.

Share

Friendly ghost is a host.

Photos 14/10/2013

পেদা টিং টিং

রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার, পর্যটন ঘাট ও রাংগামাটি বিভিন্ন স্থান থেকে স্পীড বোট ও নৌ-যানে করে সহজেই যাওয়া যায়। কাপ্তাই হ্রদের চারিদিকে কেবল পাহাড় আর হ্রদ, যেন প্রকৃতির মাঝে আপিন এক আগন্তুক মাত্র। বুনো প্রকৃতি ছাড়া আর কিছুই আশা করা যায় না এখানে। কিন্তু আপনি অবাক হবেন যখন চলতি পথে কোন একটি টিলার উপর দেখবেন পেদা টিং টিং এবং চাং পাং। এমন এক পরিবেশে যেখানে আপনি এক গ্লাস খাবার পানি পাবেন না, সেখানে এই দুইটি রেষ্টুরেন্ট আপনার জন্য চা, কফি আর চিকেন ফ্রাই নিয়ে অপেক্ষা করছে। সত্যিই হতবাক করার মত ব্যাপার। এছাড়াও এখানে পাবেন স্থানীয় খাবার "বিগল বিচি", "কচি বাঁশের তরকারী", "কেবাং"। পেদা টিং টিং একটা চাকমা শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হচ্ছে পেট টান টান। অর্থাৎ মারাত্মকভাবে খাওয়ার পর পেটের যে টান টান অবস্থা থাকে, সেটাকেই বলা হয় পেদা টিং টিং। রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাত্র ৪-৫ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের ভসমান একটি পাহাড়ে অবসথিত এই পর্যটন সংস্থা। এখানে রেস্তোরা, কটেজ, নৌবিহার ব্যবস্থা, সেগুন বাগান ও অসংখ্য বানর রয়েছে। ইচ্ছে করলে মনোজ্ঞ কোন অনুষ্ঠানও আয়োজন করা যায়। শুধু তাই নয় আপনি চাইলে রাত্রিযাপনও করতে পারবেন। এখানে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি কক্ষ সদৃশ ঘর।

Photos 12/10/2013

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে

চট্টগ্রাম বদ্দারহাট হতে বাস যোগে কাপ্তাই যেতে হবে। কাপ্তাই বিপিডিবি রিসিভসন গেইট হতে অনুমতি নিয়ে স্পিলওয়ে দেখতে যেতে হবে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে রাংগামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান। ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬০ সালে শেষ হয়। ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে। বাধের সুরক্ষা এবং উজানের অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৬টি জল কপাট যুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈঘ্য একটি জল নির্গমন পথ বা স্পিলওয়ে রাখা হয়। এই স্পিলেওয়ের প্রতি সেকেন্ডে পানি নির্গমনের ক্ষমতা ৫,২৫,০০০ কিউসেক ফুট।

Photos 09/10/2013

মহেশখালী দ্বীপ,কক্সবাজার।

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। এ জায়গাটি মূলত বিখ্যাত এখানকার আদিনাথ মন্দিরের জন্য। আঁকাবাঁকা সিঁড়ি ভেঙ্গে আদিনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠলেই পাওয়া যাবে বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। এ দ্বীপের দক্ষিণে রয়েছে বিস্তীর্ণ সাগর আর পশ্চিমে বিশাল বিশাল পাহাড়। এছাড়া এখানে আছে খুবই মনোরম একটি বৌদ্ধ মন্দির। মহেশখালীতে থাকার তেমন ভালো কোন ব্যবস্থা নেই। তবে সেটা কোন সমস্যাই না। কেননা কক্সবাজার থেকে সকালে গিয়ে এ দ্বীপটি ভালো করে দেখে আবার বিকেলের মধ্যেই ফেরা সম্ভব। কক্সবাজার ট্রলার ঘাট থেকে মহেশখালী যেতে পারেন স্পিড বোট অথবা ইঞ্জিন বোটে। স্পিড বোটে লাগেবে ১৫ মিনিট আর ইঞ্জিন বোটে প্রায় ১ ঘন্টা। ভাড়া যথাক্রমে ১৫০ ও ৩০ টাকা।

Photos 08/10/2013

ইনানী সমুদ্র সৈকত,কক্সবাজার।

হিমছড়ি ছাড়িয়ে প্রায় আট কিলোমিটার পুবে আরেক আকর্ষণীয় সৈকত
ইনানী। এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ পাথুরে সৈকত। সমুদ্র থেকে ভেসে এসে এখানকার ভেলাভূমিতে জমা হয়েছে প্রচুর প্রবাল পাথর। এখানে এলে মিল খুঁজে পাওয়া যায় সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতের সঙ্গে। পরিষ্কার পানির জন্য জায়গাটি পর্যটকদের কাছে সমুদ্রস্নানের জন্য উৎকৃষ্ট বলে বিবেচিত। রিজার্ভ জীপ নিলে লাগবে ১৮০০-২৫০০ টাকা। একটি জীপে ১০-১৫জন অনায়াসেই ঘুরে আসা যায়। দু তিন জন হলে ব্যাটারি চালিত রিকশা নিয়েও যেতে পারেন। সারাদিনের জন্য সে ক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ৮০০-১০০০টাকা।

Photos 07/10/2013

হিমছড়ি,কক্সবাজার।

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এক সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি। এখানকার সৈকতের চেয়েও আকর্ষণীয় হলো এর ভ্রমণ পথ। সৈকত লাগোয়া আকাশ ছোঁয়া পাহাড় এখানের অন্যতম আকর্ষণ। হিমছড়ির পাহাড়ের হিম শীতল ঝরণাও বেশ আকর্ষণীয়। কক্সবাজার সৈকত থেকে সবসময়ই খোলা জীপ ছাড়ে হিমছড়ির উদ্দেশ্যে। জনপ্রতি ভাড়া ৫০-৭০ টাকা। আর রিজার্ভ নিলে লাগবে ১২০০-১৫০০ টাকা। এছাড়া রিকশা করেও যাওয়া যায় হিমছড়িতে। যাওয়া আসার ভাড়া লাগবে ১৫০-২৫০ টাকা। আর ব্যাটারি চালিত রিকশায় গেলে যাওয়া আসার ভাড়া পড়বে ৪০০-৬০০ টাকা।

Photos 07/10/2013

লাবনী পয়েন্ট,কক্সবাজার।

কক্সবাজার শহর থেকে নৈকট্যের কারণে লাবণী বীচ কক্সবাজারের প্রধান সমুদ্র সৈকত বলে বিবেচনা করা হয়। নানারকম জিনিসের পসরা সাজিয়ে সৈকত সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ছোট বড় অনেক দোকান যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এছাড়া এখানে পর্যটকদের জন্য গড়ে উঠেছে ঝিনুক মার্কেট। সীমান্তপথে মিয়ানমার (পূর্ব নাম - বার্মা), থাইল্যান্ড, চীন প্রভৃতি দেশ থেকে আসা বাহারি জিনিসপত্র নিয়ে গড়ে উঠেছে এই মার্কেট।

Photos 07/10/2013

রাঙ্গামাটির সুবলং-এর পাহাড়ি ঝর্ণা ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এসব ঝর্ণার নির্মল জলধারা পর্যটকদের হৃদয়ে এক ভিন্ন অনুভূতির কাঁপন তোলে। বরকল উপজেলায় ছোট-বড় ৮টি ঝর্ণা রয়েছে। তম্মধ্যে ভরা বর্ষা মৌসুমে মূল ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উচু থেকে নীচে আচড়ে পড়ে এবং অপূর্ব সুরের মুর্ছনায় পর্যটকদের সযতনে মুগ্ধ করে। এ অপরূপ দৃশ্য সচক্ষে না দেখলে কল্পনায় সে ছবি অাঁকা কী সম্ভব? বর্তমানে এ এলাকায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক কিছু স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। রাংগামাটি সদর হতে সুবলং এর দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।

Photos 07/10/2013

কক্সবাজার

ইতিহাসঃ
কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে বিট্রিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে । কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এক্ট ১৭৭৩ জারি হওয়ার পর ওয়ারেন্ট হোস্টিঙ বাঙলার গভর্ণর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তখন হিরাম কক্স পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। তার ‍অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি ‍বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এর নাম দেয়া হয় কক্স সাহেবের বাজার।

Photos 06/10/2013

অনিন্দ্যসুন্দর কক্সবাজার

বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, সারি সারি ঝাউবন, সৈকতে আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ। সকালবেলা দিগন্তে জলরাশি ভেদকরে রক্তবর্ণের থালার মতো সূর্য। অস্তের সময় দিগন্তের চারিদিকে আরো বেশি স্বপ্নিল রঙ মেখে সে বিদায় জানায়। এসব সৌন্দর্যের পসরা নিয়েই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে রচনা করেছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।

প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী বলা হয় এ জায়গাটিকে। সড়কপথে ঢাকা থেকে প্রায় সাড়ে চারশ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নয়নাভিরাম এ সমুদ্র সৈকত। এখানকার সমুদ্রের পানিতে গোসল, সূর্যাস্তের মনোহারা দৃশ্য দেখেও ভালো লাগবে।

কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণের শুরুটা হতে পারে লাবনী পয়েন্ট থেকে। লাবনী বিচ ধরে হেঁটে হেঁটে পূর্ব দিকে সোজা চলে যাওয়া যায় হিমছড়ির দিকে। যতোই সামনে এগুবেন ততোই সুন্দর এ সৈকত। সকাল বেলা বের হলে এ সৌন্দর্যের সাথে বাড়তি পাওনা হবে নানান বয়সী জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য। শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়, কক্সবাজার শহরের বৌদ্ধ মন্দির, বার্মিজ মার্কেট, হিলটপ রেস্টহাউস ইত্যাদি কক্সবাজার ভ্রমণের অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান। কক্সবাজার শহরের জাদি পাহাড়ের উপরে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির। শহরের যে কোন জায়গা থেকেই রিকশায় আসা যায় এখানে। সান বাঁধানো সিঁড়ি ভেঙ্গে জাদির পাহাড়ের উপরে উঠলে সাদা রঙের এসব বৌদ্ধ প্যাগোডা দেখে ভালো লাগবে। এই পাহাড়ের উপর থেকে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থান দেখতে পাওয়া যায়। শহরের আরেক জায়গায় রয়েছে অগ্ব্বমেধ্যা কেয়াং নামে আরেকটি বৌদ্ধ প্যাগোডা। কাঠের তৈরি প্রাচীন এ বৌদ্ধ মন্দিরটি দেখে আসতে ভুলবেন না। কক্সবাজারে থাকার জন্য এখন অনেক আধুনিক হোটেল মোটেল রয়েছে।

Photos 05/10/2013

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার উপায় :

ঢাকা সদরঘাট থেকে ২ বা ৩ টি লঞ্চ এ পটুয়াখালী যাওয়া যায় ।

লঞ্চ ছাড়ার সময় : ৫.৩০pm,৬.৩০pmএবং ৭.০০ pm
পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাটে আগমনের সময় : পরের দিন সকালে ৬.০০ am
লঞ্চের নাম : সুন্দরবন, সৈকত, সাত্তার খান, আঁচল।
ভাড়া: কেবিন (একক) ৩৫০ টাকা, (ডাবল)৬০০-৭০০ টাকা (ভিআইপি-এসি)১৫০০ এবং ডেক ভাড়া ১৫০ টাকা।

আপনি পটুয়াখালী এসে পৌঁছলে, আপনি কাছাকাছি কোন হোটেলে আপনার ব্রেকফাস্ট সেরে নিতে পারেন এবং রিকশা করে বাস স্ট্যান্ড যেতে হবে। বাস এ করে ৩.৫ -৫ ঘণ্টার মধ্যে আপনি কুয়াকাটা পৌছতে পারবেন । লোকাল বাস ভাড়া ৬০ টাকা এবং ডিরেক্ট বাস ভাড়া ৮০ টাকা।

আপনি সরাসরি বাস এ করেও কুয়াকাটা যেতে পারেন।

BRTC বাস সার্ভিস রাতে সায়াদাবাদ বাস টার্মিনাল সরাসরি থেকে ছেড়ে যায়। কুয়াকাটা পৌঁছাতে ১২ ঘন্টা সময় লাগে।

সাকুরা পরিবহন করে আপনি ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি কুয়াকাটা যেতে পারেন। ছাড়ার সময় রাত ১০pm এবং ভাড়া ৪৫০ টাকার মত লাগবে।

এছাড়াও আপনি বারিশাল-পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা, যেতে পারেন।

Photos 05/10/2013

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত,বরিশাল।

স্থানীয়ভাবে কুয়াকাটা সাগর কন্যা নামে পরিচিত । চিত্রানুগ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বালুকাময় সৈকত , নীল আকাশ, চিরহরিত বন, জলের বিপুল বিস্তারের চমৎকার সমন্বয় সত্যিই আকর্ষণীয়।

একটি শান্ত পরিবেশে বঙ্গোপসাগরে জলের ক্রমবর্ধমান গতিধারা এবং রক্তাভ সূর্যের পূর্ণ অস্ত প্রদানের অনন্য সৌন্দর্য দৃশ্য কুয়াকাটাকে বিশ্বের অনন্য সৈকত হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে ।

কুয়াকাটা একটি কুমারী সৈকত যা ভ্রমণশীল শীতের পাখির জন্য আশ্রয়স্থল , নারকেল গাছ , নীল সাগরে বালুকাময় সৈকত , বন , রঙিন পাল উড়িয়ে নৌকার চলাচল ,মাছ ধরা প্রতিটি দর্শকের হৃদয়কে স্পর্শ করবে এবং চোখের জন্য পরিপূর্ণ উপভোগ্য করে তুলবে । রাখাইন উপজাতীয় পরিবার ও শত বছর পুরোনো বৌদ্ধ মন্দির প্রাচীন ঐতিহ্যকে বহন করে। এখানে ঐতিহ্যবাহী মেলাও অনুষ্ঠিত হয়।

সামগ্রিক সৌন্দর্যের এই সব অতিরিক্ত অফার কুয়াকাটাকে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

Photos 04/10/2013

মহাস্থানগড়, বগুড়া ।

মহাস্থানগড় বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো জনবসতির ধ্বংসাবশেষ। বগুড়ার মূল শহরের ১৮ কিলোমিটার দূরে বগুড়া ও রংপুর সড়কের করতোয়া নদীর তীরে এর অবস্থান। প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি এই স্থানটি ছিলো একদা বাংলার রাজধানী । তখন এলাকাটির নাম ছিলো পৌন্ড্রবর্ধন । মাটির নিচ থেকে বের হয়ে আসা অত্যন্ত মজবুত কাঠামোর এই প্রাচীন জানিয়ে দেয় কতোটা মজবুত ও সুন্দর ছিল সেই নগরী। দৈর্ঘ্যে প্রায়-৫ হাজার ফুট, প্রস্থে সাড়ে চার হাজার ফুট, ভূমি থেকে উচ্চতা প্রায় ৪৫ থেকে ৪৬ ফুট। মহাস্থানগড়ের ইতিহাস থেকে জানা যায়, বেশ কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও অন্য সামন্তরাজাদের রাজধানী ছিল।

মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে ভাসুবিহার নামের গ্রামটিতে পা দিলে চোখে পড়বে এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ধ্বংসের চিহ্ন।

মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৪কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে গোকুলের গ্রামে সমতলভূমি থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট উঁচু এই বিহার বেহুলার বাসরঘর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে সাধারণের মুখে মুখে। কিংবদন্তী ক্রমে মহাস্থানগড়ের কাছে নদীর ধারের এক বটতলা পরিচিতি পেয়েছে শীলাদেবীর ঘাট হিসেবে। জনশ্রুতি আছে, রাজা পরশুরাম যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর তার অনিন্দ্যসুন্দরী কন্যা শীলাদেবী আপন মর্যাদা রক্ষায় করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে জীবন বিসর্জন দেন। সেই থেকে আজ তা শীলাদেবীর ঘাট।
এছাড়ও দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে মাজার শরীফ,কালীদহ সাগর,মিউজিয়াম,জিউৎকুন্ড ।

Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Mirpur
Dhaka
1207