Team Farhad Multimedia
Photography; Model Agency; Music Video; Short Flim/Advertisement Theam Maker/Drama/Film Production House; Acting Training; Event Organizer, YouTube promote
25/08/2024
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অনেক অনেক অভিনন্দন। জয়ের নায়ক সেই বুড়োরা-ই। তবে, নবীনদের অগ্রগতি অসাধারণ। এতো চাপের মধ্যেও সাকিবের প্রফেশনাল ক্রিকেট টেম্পারম্যান্ট ছিলো ক্রিকেট ইতিহাসের সফল ক্রিকেটারদের মতোই। বরং কিছুটা বেশি। সকল-কে অভিনন্দন।
15/08/2024
আমার এই অবুঝ মনটায় কি যে করতে চায় 🤔
কি করা যায় বলুন-তো আপনারা..................?
বিঃদ্রঃ অশালীন ভাষা ব্যাতিত ব্যাতিক্রমী মতামত দেওয়ার স্বাধীনতা সবার আছে।
14/06/2024
সুবর্ণা মুস্তফাকে অপি করিম প্রশ্ন করেছিলেন___
আচ্ছা, হুমায়ূন ফরিদীর সাথে আপনি বাইশ বছর তার সহধর্মিণী ছিলেন, হঠাৎ কী হয়েছিল যে আপনারা আলাদা হয়ে গেলেন?
সুবর্ণা মুস্তফা ছোট্ট করে উত্তর দিয়েছিলেন__বন্ধুত্বটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল! তারপর আস্তে করে বলেছিলেন__ হুমায়ূন ফরিদী যেহেতু আমাদের মাঝে আর নেই, কাজেই আমি আর বলতে চাই না এর চেয়ে বেশি কিছুই। কারণ যদি আমি বলি তাহলে ওর কথা বলার জায়গাটা নেই!
আমি অবাক হয়ে দেখেছিলাম নিজের প্রাক্তনকেও কীভাবে সম্মান করতে হয়!
এই সম্মানটা আসে কীভাবে জানেন?
বন্ধুত্ব থেকে!
কারিনা কাপুরের কাছে আরবাজ খানের সাথে সদ্য ডিভোর্স হওয়ার পর ' বলিউড সুপারস্টার মালাইকা অরোরা বলেছিলেন- “ডিভোর্স হওয়ার আগের রাতেও আমরা আলোচনা করেছিলাম, আমরা কি একসাথে থাকতে পারি, শুধরে নিতে পারি নিজেদেরকে? তারপর দেখলাম- না, সম্ভব না! বাট উই স্টিল হ্যাভ গুড ফ্রেন্ডশিপ!”
দুটো সাক্ষাৎকারেই একটা জায়গায় মিল পেয়েছিলাম। মালাইকা আর সুবর্ণা দুজনেই বলেছিলেন- কাছে থেকে সম্মান হারিয়ে ফেলার চেয়ে দূরে গিয়ে সম্মান রাখাটা বেশি সম্মানের!
তারা সেই স্বামীরূপী প্রেমিককে মিস করেননি, মিস করেছেন বন্ধুত্বের সম্পর্কটা! মিস করেছেন বন্ধুত্বের বন্ধনটা।
মানুষ আসলে প্রেমিক প্রেমিকা খোঁজে না, মানুষ খোঁজে বন্ধু। প্রেমিকের কাছে প্রাক্তন প্রেমিকের কথা যতটা না সহজে বলা যায়, তারচেয়ে বলা যায় বন্ধুর কাছে!
এজন্য কেউ যখন সুবর্ণার মতো বাইশ বছরের সম্পর্ক, মালাইকার মতো ষোলো বছরের সংসার ছেড়ে যায় তখন আমরা ভাবি- আর একটু সহ্য করা যেতো না? কিন্তু কীসের অভাবে কেউ ছেড়ে যায় সব তা বুঝি না! তিক্ত হলেও সত্য- প্রেমিক ছাড়া একজীবন বেঁচে থাকা যায়, বন্ধু ছাড়া যায় না!
এজন্য প্রেমিকের এগিয়ে দেয়া হাতে হাত রেখেও আমরা খুঁজে বেড়াই সেই বন্ধুটিকে যাকে বলা যায় প্রথম প্রেম ভাঙ্গার কষ্ট, প্রথম চুমুর অনুভূতি, প্রথম স্পর্শের আবেগ। আমাদের জানাতে ভালো লাগে আমাদের অনূভুতিগুলো আসলে কেমন!
আমি বুঝেছিলাম প্রাক্তনের কথা শুনতে শুনতে তার সাথে স্বস্তির সাথে থাকা যায়! জীবনে প্রেম ছাড়া বেঁচে থাকা কঠিন না, কঠিন একজন কাছের বন্ধু ছাড়া বেঁচে থাকাটা! স্ত্রী/স্বামী যদি বন্ধু হয়, তাহলে সংসার জীবনে অশান্তি আসার প্রশ্নই আসেনা। খুনসুটি, ঝগড়া আর অশান্তি এক নয়।
আপনি হয়তো বলবেন দিনশেষে মানুষ আকাশের মতো একা। কিন্তু আমি বলবো মানুষ আকাশের মতো একা হলেও আকাশজুড়ে ভেসে থাকা মেঘদলের মতো দোকা! আকাশ নিজের জন্য মেঘ খুঁজে পেলে আপনি একজন বন্ধু পাবেন না কেন?
সব শেষে বলা যায়, সংসার জীবনের সাথে বন্ধুত্বের ভালোবাসা না হলে পুরো জীবন-টা পরিপূর্ণ ও সুন্দর মনে হয় না। বেঁচে থাকুন বন্ধুত্বের ভালোবাসায়। বেঁচে থাকুক ভালোবাসায় বন্ধুত্ব-------
🖋️📷 সংগৃহীত 🖌️ Farhadul Islam
21/02/2024
#আন্তর্জাতিক_মাতৃভাষা_দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি- Team Farhad ও সংশ্লিষ্ট সকল সকলের পক্ষ হতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।
✪ ভাষার বিকৃতিকারী ও নিজেকে জ্ঞানী প্রমানে ব্যস্ত সকল জ্ঞান পাপীর প্রতি বিনীত অনুরোধ-
'ক্ষমা চেয়ে নিন সকল শহীদদের কাছে। নিজেদের শুধরে নিয়ে, সঠিক ভাষা ব্যবহার করে সম্মান দিতে শিখুন সম্মান পেতে সকলের'।
10/06/2023
কয়লা উত্তোলনের কাজ চলমান.....
কয়লা উঠলেই বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে আশাকরি।
29/06/2022
❝এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব.. মনে থাকবে?❞
একুশ বছরের তরুণী ক্যাথরিন বাংলাদেশে এসেছিলেন নিজের পিএইচডি ডিগ্রির একটা কোর্স করার জন্য। বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তিনি নিজেও চেয়েছিলেন শিক্ষক হতে। যে বিষয়ে ক্যাথরিন পড়ছিলেন, সেটার নাম ডেভেলপমেন্ট ইকোনমি। এক বছরের জন্য উন্নয়নশীল কোন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে থিসিস করতে হবে, সেদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং গতিপ্রকৃতি নিয়ে। ক্যাথরিন বেছে নিলেন বাংলাদেশকে। ১৯৮৬ সালে ঢাকার বিমানে চড়ার মুহূর্তে ক্যাথেরিনের কল্পনাতেও ছিল না, যেখানে তিনি যাচ্ছেন, সেই দেশ, সেদেশের মানুষজনের সাথে তার একটা আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যাবে, মায়ার বন্ধনটা তিনি কাটাতে পারবেন না কখনও।
বাংলাদেশে আসার পরে ঘটনাক্রমে আহমেদ ছফার সঙ্গে পরিচয় হলো ক্যাথরিনের। স্পষ্টভাষী এবং প্রখর বুদ্ধিমত্তার এই মানুষটির বাগ্মিতায় ক্যাথরিন মুগ্ধ। ছফার বাসাটাকে আশেপাশের লোকজন বলতো পাগলের আড্ডা। কারণ সারাদিন নানা কিসিমের লোকজন আসছে সেখানে, খাওয়াদাওয়া হচ্ছে, তর্ক জমছে, আড্ডা বাড়ছে- সেই পাগলের আড্ডার নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠলেন ক্যাথরিন।
ক্যাথরিনের জন্ম আর বেড়ে ওঠা আমেরিকার শিকাগোতে। তার পরিবারটা ভীষণ বনেদি, অজস্র ইতিহাস আর ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে তাদের পরিবারের সঙ্গে। ক্যাথরিনের দাদার বাবা ছিলেন বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট, পেরুর ইনকা সভ্যতার অজস্র নিদর্শন আবিস্কার করেছিলেন তিনি, অভিযান চালিয়েছিলেন আমাজনের গহীন রেইন ফরেস্টে। ইন্ডিয়ানা জোন্স নামের সিনেমাও বানানো হয়েছে তার জীবনকাহিনী অবলম্বনে। পরিবারের সদস্যরা সবাই ছিলেন ভীষণ উচ্চশিক্ষিত। কেউ প্রফেসর, কেউ বিজ্ঞানী, কেউবা ডাক্তার- কেউ আবার আবিস্কার আর গবেষণায় মত্ত। ক্যাথরিন জানতেন, তাকেও পড়ালেখাতেই মন দিতে হবে, সেভাবে তিনি এগিয়েও যাচ্ছিলেন। মিশনে বাধ সাধলো তার বাংলাদেশ অধ্যায়।
আহমদ ছফা একদিন ক্যাথরিনকে পরিচয় করিয়ে দিলেন লম্বাটে এক যুবকের সঙ্গে, বললেন, 'ক্যাথরিন, মিট মাই ফ্রেন্ড তারেক। হি ইজ এ ফিল্মমেকার।' 'নাইস টু মিট ইউ' বলে হাত মেলালেন ক্যাথরিন, সেদিন ভাবতেও পারেননি, তারেক মাসুদ নামের এই মানুষটার সাথে তার জীবনের গল্পটা জড়িয়ে যাবে ওতপ্রোতভাবে, সাত সাগর তেরো নদীর এপাড়ের এক অজানা তরুণকে তিনি ভালোবেসে ফেলবেন হৃদয়ের সবটুকু অনুভূতি উজাড় করে দিয়ে।
ছোটবেলা থেকেই চিত্রাঙ্কনের প্রতি ক্যাথরিনের ঝোঁক ছিল। নিজেও আঁকাআঁকি করতেন। তারেক মাসুদ তখন কিংবদন্তী চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ওপর একটা ডকুমেন্টরি বানাচ্ছেন, নাম আদম সুরত। সেটার কাজের জন্য আজ ঢাকা, কাল নড়াইল দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। তারেক মাসুদ ঢাকায় এলে তার সঙ্গে দেখা হয় ক্যাথরিনের, রাত বাড়ে, আড্ডা জমে। তারেক মাসুদ খুব ভালো রান্না করতে পারেন, তার হাতের রান্না খেয়ে ক্যাথরিনের মুগ্ধতা বাড়ে। আহমদ ছফা খানিকটা টের পান সেটা। এটা সেটা অজুহাত দিয়ে তিনি উঠে যান আড্ডা থেকে, দুজনকে সুযোগ দেন নিজেদের জেনে নেয়ার, বুঝে নেয়ার।
তবে সংস্কৃতি আলাদা হবার কারণেই কিনা, ছফা উঠে গেলে দুজনই একটু আড়ষ্ট হয়ে যান। আহমদ ছফার নজর এড়ালো না সেটাও। তিনি দুজনের সাথেই মজা করেন। ক্যাথরিনকে বলেন, 'ডু ইউ নো, তারেক রিয়েলি লাইকস ইউ!' আর তারেক মাসুদকে বলেন, 'ক্যাথরিন তো তোমার প্রেমে হাবুডুবু খাইতেছে মিয়া, কি জাদু করলা!' লজ্জা পেয়ে দুজনই প্রসঙ্গটা সন্তর্পণে এড়িয়ে যান। ছফা একদিন ক্যাথরিনকে প্রস্তাব দিলেন, 'আর্টের প্রতি তোমার এত আগ্রহ, তুমি তো তারেকের ডকুমেন্টরিতে কাজ করতে পারো?' ক্যাথরিন আকাশ থেকে পড়লেন। ফিল্ম নিয়ে তার কোন জানাশোনা নেই, আগ্রহও নেই খুব একটা। তারেকের মুখে এসএম সুলতানের বৈচিত্র্যময় জীবনের গল্প শুনতে তার ভালো লাগে সত্যি, কিন্ত এই প্রোজেক্টে কিভাবে অবদান রাখবেন তিনি?
উত্তর দিলেন তারেকই, বললেন, 'আমাদের তো এডিটিং শুরু হয়েছে, তুমি চাইলে সাবটাইটেলের কাজে আমাকে সাহায্য করতে পারো।' ক্যাথরিন সানন্দে রাজী হলেন। শুরু হলো অন্যরকম একটা দুনিয়ায় ক্যাথরিনের পথচলা। আদম সুরতের কাজ করতে করতেই কখন যে ফিল্ম আর তারেক- দুটোর প্রেমেই পড়ে গেছেন, সেটা জানেন না ক্যাথরিন। ভনিতা না করে তারেককে খুলে বললেন তিনি সবটা। তারেক জানালেন, ক্যাথরিনকেও তিনি বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু ভাবেন। প্রণয়ের সূত্রপাত হলো দুজনের মধ্যে। তবে সেটা পরিণয়ে গড়ালো খুব অদ্ভুতভাবেই।
১৯৮৮ সালের কথা, ক্যাথরিন বাংলাদেশে এসেছেন দু'বছর হয়ে গেছে তখন। এতসব কাণ্ডের মধ্যে ক্যাথরিনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল দুইবার, প্রতিবারই রিনিউ করানো হয়েছে। তৃতীয়বার আর অনুমতি মিললো না, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করেন না ক্যাথরিন, সেখান থেকে ছাড়পত্র মিললো না। উদ্দেশ্য ছাড়া অকারণে তো অন্য একটা দেশে পড়ে থাকতে পারবে না কেউ। উপায়ন্তর না দেখে তারেক বললেন, 'তোমার যদি আপত্তি না থাকে, চলো আমরা বিয়ে করে ফেলি। তাহলে ভিসা-পাসপোর্টের ঝামেলায় আর যেতে হবে না, আমার স্ত্রী হিসেবে বৈধভাবেই তুমি বাংলাদেশে থাকতে পারবে।'
ক্যাথরিন রাজী হলেন এক কথায়। পরিবারের কাউকে জানালেন না, এক দুপুরে রিক্সায় চড়ে চলে গেলেন পল্টনের এক ম্যারেজ রেজিস্ট্রার অফিসে, কোর্ট ম্যারেজ করতে। সেখানে গিয়ে শুনলেন বিয়ে করতে ছবি লাগবে, বের হয়ে স্টুডিও খুঁজে বের করলেন, ছবি তুলে সেগুলো ওয়াশ করে ফিরতে ফিরতে বিকেল গড়িয়ে গেল। কোন আয়োজন ছিল না, পরিকল্পনাও তো ছিল না, এক কাপ চা'ও খাওয়াতে পারেননি সেদিন কাউকে, এমনই অনাড়ম্বর একটা অবস্থা ছিল। বিয়ের কথা বাড়িতে জানাননি তারেক মাসুদও। ক্যাথরিন পরে চিঠি লিখে পরিবারকে জানিয়েছেন বিয়ের কথা। তারেক মাসুদের পরিবারে জানানোর পরে তারা মন খারাপ করেছে, তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে মেনেও নিয়েছে সবকিছু।
পরের দুই যুগ এই দম্পতি হাতে হাত ধরে ছুটে বেড়িয়েছেন গোটা দেশজুড়ে। ডকুমেন্টরি বানিয়েছেন, সিনেমা বানিয়েছেন, গল্পের জন্য, শুটিং স্পট খোঁজার জন্য ঘুরেছেন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। ধীরে ধীরে সিনেমা জিনিসটা বুঝতে শিখেছেন ক্যাথরিন, পরিচয় হয়েছে তারেকের অন্যান্য নির্মাতা এবং কলাকূশলী বন্ধুদের সঙ্গে। যোগাযোগের প্রয়োজনে নিজ তাগিদেই বাংলা ভাষাটা রপ্ত করেছেন ক্যথেরিন, যাতে তার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কেউ বিড়ম্বনায় না পড়ে। শীতের দেশের মানুষ তিনি, ঢাকার গরমে হাঁসফাস করতেন, তার ওপর শুটিংয়ের কাজে তাকে ছুটতে হতো তপ্ত রোদের মধ্যে, গ্রামে গঞ্জে। কোনদিন এক বিন্দু অভিযোগ করেননি তিনি, সহ্য করেছেন সব, মানিয়ে নিয়েছেন।
একটা ইন্টারভিউতে ক্যাথরিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই যে এমন দূরদেশে পড়ে আছেন বাবা-মা-ভাইকে ছেড়ে, পরিবেশ, আবহাওয়া, খাবার, ভাষা- সবই তো অচেনা প্রায়। খারাপ লাগে না? ক্যাথরিন চটজলদি জবাব দিয়েছিলেন, 'খারাপ লাগবে কেন? আমি তো আমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে আছি। এদেশের কত মানুষ বিদেশে কাজ করে, একা থাকে, পাঁচ-সাত বছরে একবার দেশে আসে, তাদের বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান সবাই এখানে। তবুও তারা থাকছেন না বিদেশে? আমি তো তাদের চেয়ে ভালো আছি, আমার স্বামী আমার পাশে আছেন। চাইলেই আমি আমেরিকায় যেতে পারছি বাবা-মায়ের কাছে। খারাপ থাকার কারণ নেই।'
ক্যাথরিন মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। তারেক মাসুদের সাথে পরিচয়ের পরেই বাঙালীর স্বাধীনতা সংগ্রামের এই গৌরবের অধ্যায়টা সম্পর্কে জেনেছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারেক মাসুদের বয়স ছিল কম, যুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি তিনি। পরিণত বয়সে তাই তিনি ক্যামেরা নিয়ে যুদ্ধ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধকে নিজের আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলেছেন সেলুলয়েডে। তারেকের সঙ্গে থাকতে থাকতে, মুক্তির গান, মুক্তির কথা বা মাটির ময়নায় কাজ করতে করতে মুক্তিযুদ্ধ বড্ড আপন হয়ে গেছে ক্যাথরিনেরও। ভীনদেশ থেকে আসা এই তরুণী তার হৃদয় দিয়ে যেভাবে ত্রিশ লাখ শহীদ বা দুই লক্ষ বীরাঙ্গনার আত্মত্যাগকে অনুভব করেছেন, আমি বাজি রেখে বলতে পারি, কোটি কোটি বঙ্গসন্তান মুক্তিযুদ্ধকে ক্যাথেরিনের মতো করেও কখনও অনুভব করার চেষ্টা করেনি।
তারেক মাসুদ এবং ক্যাথরিন মাসুদ- দুজনের মধ্যে মিল ছিল প্রচুর। স্বভাবে, অভ্যাসে, ভালোলাগায়, মন্দ লাগায়। আবার কিছু অমিলও ছিল, যেখানে তারা একে অন্যের পরিপূরক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। খেয়ালি, ইমোশনাল তারেক মাসুদকে আগলে রেখেছিলেন ক্যাথেরিন। যেসব সাহসী নির্মাণ তারেক মাসুদের হাত থেকে বেরিয়ে আসছিল, হুমকি দেয়া হচ্ছিল প্রতিনিয়ত, সিনেমা হল নিচ্ছিল না তার সিনেমা। ক্যাথরিন তখন স্বামীর কাঁধে ভরসার হাত রেখেছেন। টাকা পয়সা যা আয় করেছেন, সব সিনেমার পেছনে ঢেলেছেন, বাসা ভাড়া বাকি পড়েছে, পরনের কাপর পুরনো হয়েছে, সেসবকে পাত্তা না দিয়ে দুজনে মিলে ছুটেছেন শহরে শহরে, প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন, দর্শকের কাছে নিয়ে গেছেন সিনেমাকে। রূপকথার গল্পের মতোই ছিল তাদের বিচরণ।
তারপর তেরোই আগস্টের দিনটা এলো। কাগজের ফুল সিনেমার শুটিং স্পট দেখতে মানিকগঞ্জ গিয়েছিলেন সবাই। ফেরার পথে তাদের মাইক্রোবাসের ড্রাইভার একটা গাড়িকে ওভারটেক করতে গেলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলো অপরপাশ থেকে আসা একটা বাসের সঙ্গে। নিকষ কালো অন্ধকার নেমে এলো ক্যাথরিনের সামনে। হাসপাতালে যখন জ্ঞান ফিরলো, তখন জানতে পারলেন তার ভালোবাসার মানুষটা আর নেই, মারা গেছেন তারেক মাসুদ। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ফিরে এলেন ক্যাথরিন, ছোট্ট বাচ্চাটার জন্য তাকে যে বেঁচে থাকতেই হতো!
ক্যাথরিন এখন আমেরিকায় থাকেন, তাদের সন্তান সেখানে পড়াশোনা করছেন। তবে নিয়ম করে তিনি প্রতি বছর বাংলাদেশে আসেন। এদেশের একটা মানুষকে তিনি সর্বস্ব উজাড় করে ভালোবেসেছিলেন। নিয়তি তার কাছ থেকে মানুষটাকে কেড়ে নিয়েছে। তার স্মৃতিগুলো তো কেড়ে নিতে পারেনি। রাজধানী শহরজুড়ে, দেশের আনাচেকানাচে তারেকের স্মৃতি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে এসে ক্যাথরিন সেসব জায়গায় যান, বন্ধুদের আড্ডায় যোগ দেন। তার মনে হয়, ছায়ার মতো তারেক মাসুদ যেন তার পাশে আছেন, এক্ষুণি তার হাত ধরে চিরচেনা হাসিটা দেবেন, কিন্ত কাঙ্ক্ষিত সেই স্পর্শটা পাওয়া হয়না ক্যাথরিনের।
এই দেশ, এদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তারেক মাসুদকে হারিয়েছে, তার মতো গুণী নির্মাতার অভাব কখনও পূরণ হবে না। ১৩ই আগস্টের দিনটাতে সবাই তারেক মাসুদকে স্মরণ করে। আমি আজ ক্যাথরিন মাসুদকে স্মরণ করলাম, যিনি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারিয়েছেন, যিনি ভালোবাসার মানুষটাকে হারিয়ে ফেলেছেন চিরতরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাখা মাইক্রোটার ধ্বংসস্তুপের সামনে দাঁড়ানো ক্যাথরিনের ছবিটা আমি দেখি, ক্যাথরিন হয়তো মনে মনে আরণ্যক বসুর কবিতা আবৃত্তি করেন- 'এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব...' আমি তার কষ্ট, শূন্যতা, তার যন্ত্রণাটা উপভোগ করতে পারি না, তবু আমার হৃদয় অদ্ভুত রকমের একটা হাহাকারে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ক্যাথরিন মাসুদ, এদেশের কেউ না হয়েও যিনি দেশটাকে আমাদের মতোই ভালোবেসেছেন, আপন করে নিয়েছেন, সেই মানুষটার ব্যথায় মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক...
📑সাইদুজ্জামান আহাদ
| ঢাকা, টিএসসির মোড়ে এই মাইক্রোবাসের ধ্বংসস্তুপটি আমরা সবাই দেখি কিন্তু পেছনের গল্পটি কতজনের জানা? 🖋️📷 collected
17/02/2022
বাংলা চলচ্চিত্রের সুপারষ্টার
এস এম আসলাম তালুকদার মান্না ভাই এর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
Team Farhad Multimedia
16/02/2022
#বাপ্পি_লাহিড়ী'র পিতা অপরেশ লাহিড়ীর জন্ম বাংলাদেশের পাবনা জেলার সুজানগরের তাতীবন্দে।
এখনো লাহিড়ী বাড়িতে বাপ্পি লাহিড়ী'র কিছু আত্মীয়স্বজন বসবাস করেন।
২০১৮ সালে শেকড়ের টানে এসেছিলেন বাপ্পি লাহিড়ী।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ ( ) এর থিম সং এর কম্পোজারও তিনি।
সংগীতের জাদুকর বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে Team Farhad Multimedia ও সংশ্লিষ্ট সকলের গভীর শ্রদ্ধা।
11/01/2022
বাংলাদেশ ক্রিকেটে আশরাফুল এক গৌরবের নাম।
টেস্ট ক্রিকেটের (১৮৭৭-২০২২) ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরী,
দেশের হয়ে তিন ফরম্যাটে দ্রুততম ফিফটি (টেস্টে ২৬ বল, ওয়ানডেতে ২১ বল ও টি-টোয়েন্টিতে ২০ বল),
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সময়ের হিসেবে ২য় দ্রুততম ফিফটি (২৭ মিনিট, মিসবাহ ২৪ মিনিট),
অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, উইন্ডিজ, শ্রীলংকা, নিউজিল্যান্ড সহ ৯টি দেশের বিপক্ষে প্রথম জয়ে প্রত্যক্ষ অবদান,
ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ম্যাচে মাত্র ২৯ রান করে ম্যাচসেরা হওয়া।
পরবর্তীতে এসকল রেকর্ড ভেঙ্গে গেলেও এই সব অবদানের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেটে তো অবশ্যই; বিশ্ব ক্রিকেটেই চির অমর হয়ে থাকবেন #মোহাম্মদ_আশরাফুল।
-সংগৃহীত
13/05/2021
Eid Mubarak
Eid Mubarak
12/02/2021
Today is the glorious 1st year of Bangladesh U-19 ICC Championship.
Congratulations again to the tiger from Team Farhad
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Road 03 Mohammdadia Housing Society
Dhaka
1207