Mou-Rong Foundation
100% charity government approved organization.
17/04/2026
✨ #ফিরে_দেখা_কিছুমিছু 🥰 | পর্ব–২
২০২১ সালের এক ভালোবাসায় ভরা গল্প… 💫
কিছুমিছু’র জন্মদিন উপলক্ষে ৭ জন মডারেটর ঠিক করলেন —
সবাই একই রকম শাড়ি পরবেন! 👗✨
কিন্তু বাস্তবতা?
কেউ কলকাতায়, কেউ নিউইয়র্কে, কেউ আমস্টারডামে,
আর কয়েকজন ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে… 🌍
দূরত্ব ছিল, কিন্তু মন ছিল এক জায়গায়। ❤️
শেষ পর্যন্ত সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে একই রঙের শাড়ি পরে ছবি তুললেন,
আর সেই ছবিগুলো একত্র হয়ে তৈরি হলো —
এক ফ্রেমে বাঁধা এক অসাধারণ ভালোবাসার গল্প। 📸✨
কিছু স্মৃতি সময়ের সাথে ম্লান হয়ে যায়,
আর কিছু স্মৃতি… হাজার স্মৃতির মাঝেও আলাদা করে জ্বলে। 🌟
এই ছবিটি তেমনই এক উজ্জ্বল স্মৃতি।
📸 ছবিতে (ডান দিক থেকে):
সন্দীপা মনি চ্যাটার্জী, জেরীন কামাল, নাসরিন সুলতানা,
তাজ তানিয়া, পামেলা ইসলাম, তামান্না ফেরদৌস শাম্মী ও শাম্মী আলদিন।
আয়োজন করেছেন - জেরীন কামাল ও শাম্মী আলদিন।
🎂 কিছুমিছু’র জন্মদিন (২৮ এপ্রিল) উপলক্ষে এই ছোট্ট স্মৃতিচারণ —
ভালোবাসা, বন্ধন আর একসাথে থাকার এক অনন্য উদাহরণ। 💖
📜 কবির ভাষায় —
“দূরত্ব যতই হোক, হৃদয়ের টানেই মানুষ এক হয়,
ছবির ফ্রেমে নয়, বন্ধনে বাঁধা থাকে সত্যিকারের পরিচয়…” ✨
#কিছুমিছু #ফিরেদেখা #স্মৃতিচারণ #বন্ধন #ভালোবাসা
শুভ জন্মদিন🌷
23/03/2026
🎙️ কুদ্দুস জ্বীন ও কিছুমিছুর বিশেষ সাক্ষাৎকার
কুদ্দুস জ্বীন:
কিছুমিছু, আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাই। সময় হবে?
কিছুমিছু:
অবশ্যই হবে! কথা বলতেই তো আমরা আছি। বলুন 🙂
কুদ্দুস জ্বীন:
দুনিয়ার অবস্থা দেখছেন তো—
আমেরিকা বলছে ইরানের সাথে কথা বলবে না,
ইরান বলছে আমেরিকার সাথে কথা বলবে না,
স্পেন বলছে আমেরিকার সাথে কথা নাই,
আমেরিকা আবার বলছে ইউরোপের সাথেও কথা বলবে না!
রাশিয়া বলছে—আমার কারো সাথে কথা বলার দরকার নেই,
চীন বলছে—আমার তো বলারই কিছু নেই!
তাই ভাবলাম, অন্তত আমরা তো কথা বলতে পারি 😄
কিছুমিছু:
হ্যাঁ, আমরা অন্তত কথা বলবো! বলুন, কী জানতে চান?
কুদ্দুস জ্বীন:
এখন সবচেয়ে বড় বিষয়—যুদ্ধ। ইরান-আমেরিকা সংঘাতের ভবিষ্যৎ কী দেখছেন?
কিছুমিছু:
খোলাখুলি বলি—ভালো কিছু দেখছি না।
ইরান যে ৫টি শর্ত দিয়েছে, তার মধ্যে অন্তত দুইটি আমেরিকা কোনোদিন মানবে না—
১) মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্পূর্ণ সরে যাওয়া
২) ক্ষতিপূরণ দেওয়া
এই দুইটা শর্তই আমেরিকার জন্য প্রায় অসম্ভব।
কুদ্দুস জ্বীন:
তাহলে সমাধান কী? দুই পক্ষের আসল লক্ষ্য কী?
কিছুমিছু:
ইরান সম্ভবত যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চায়।
তেলের দাম যদি ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছে যায়—তাহলে পুরো বিশ্ব কেঁপে উঠবে।
এতে আমেরিকার ভেতরেও চাপ তৈরি হবে, এমনকি রাজনৈতিক পরিবর্তনও আসতে পারে।
কারণ সাধারণ মানুষ এই অর্থনৈতিক চাপ মেনে নেবে না।
ইরানের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে—তাদের হাতে কিছু “তুরুপের তাস” আছে:
হরমুজ প্রণালী
বিশাল তেল ও গ্যাস রিজার্ভ
শক্তিশালী মিসাইল ভাণ্ডার
অন্যদিকে, আমেরিকা এমন এক অবস্থায়—যেখানে তারা মান-সম্মান বজায় রেখে বেরিয়ে যেতে চায়।
কুদ্দুস জ্বীন:
যদি বড় কোনো আক্রমণ হয়?
কিছুমিছু:
ইরান অনেক আগে থেকেই এই ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।
তাদের সামনে এখন দুইটাই পথ—
নতুন পরাশক্তি হিসেবে উঠে আসা,
অথবা পুরোপুরি ভেঙে পড়া।
আর ইরানকে সম্পূর্ণ শেষ করতে হলে আমেরিকাকে যে মূল্য দিতে হবে—
তা হয়তো আমেরিকাও কল্পনা করতে চায় না।
কুদ্দুস জ্বীন:
আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কী হবে? এই “পাটাপুতার ঘষা”-তে কি আমরা টিকে থাকবো?
কিছুমিছু:
যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, কষ্ট তত বাড়বে।
বাড়বে জ্বালানির দাম, জীবনযাত্রার খরচ—
সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।
কুদ্দুস জ্বীন:
সমাধান তাহলে কার হাতে?
কিছুমিছু:
শান্তিপূর্ণ সমাধান আনতে পারে ইউরোপ।
তাদেরই এগিয়ে আসতে হবে—
কারণ এই যুদ্ধের ক্ষতি তারাও সমানভাবে ভোগ করছে।
কুদ্দুস জ্বীন:
চীন আর রাশিয়ার ভূমিকা?
কিছুমিছু:
এই যুদ্ধে তারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে।
তাই তাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ সমাধান আশা করা—
কিছুটা সরলতা বলা যায়।
কুদ্দুস জ্বীন:
তাহলে আশা ইউরোপেই?
কিছুমিছু:
হ্যাঁ—ইউরোপের সুবুদ্ধিই এখন বড় ভরসা।
কুদ্দুস জ্বীন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ কিছুমিছু।
আশা করি, দুনিয়া আবার “কথা বলা” শিখবে… যুদ্ধ নয়।
#কুদ্দুস_জ্বীন #কিছুমিছু #সাক্ষাৎকার
#ব্যঙ্গ #রাজনীতি #বিশ্ব_পরিস্থিতি #যুদ্ধ
17/03/2026
#কুদ্দুস_জ্বীন
😄📱
23/12/2025
ঘৃণা ছড়ায় কেন জানেন?
ঘৃণা ছড়ায় অজ্ঞতা আর জ্ঞানের অভাবে।
যে সমাজে মূর্খতার আধিক্য, সেখানে ঘৃণা ছড়ায় সবচেয়ে দ্রুত।
একটি অশিক্ষিত সমাজকে খুব সহজেই ঘৃণার বিষে ধ্বংস করে দেওয়া যায়।”
একবার মিশরের এক খ্যাতনামা সাহিত্যিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলে, আদালতে খুনিকে প্রশ্ন করা হয়—
“তুমি তাকে হত্যা করলে কেন?”
খুনি উত্তর দেয়—
“তার ইমান নেই।”
আদালত আবার জানতে চান—
“তুমি কীভাবে জানলে তার ইমান নেই?”
খুনি বলে—
“তিনি যে বইগুলো লিখেছেন, তা দেখলেই বোঝা যায়।”
কৌতূহলী হয়ে আদালত পুনরায় প্রশ্ন করেন—
“কোন বই পড়ে তোমার এমন মনে হলো? বলো।”
খুনি নীরব থাকে।
আদালত আবার জিজ্ঞেস করেন—
“তুমি নিজে কোন বই পড়েছ?”
এবার খুনি মাথা নিচু করে বলে—
“আমি পড়তে জানি না।”
এই ঘটনাই আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—
আজ ঘৃণা কেন বাড়ছে।
কারণ আমাদের সমাজে সত্যিকারের শিক্ষার ভয়াবহ অভাব॥
#শিক্ষা #সচেতনতা #ঘৃণারবিরুদ্ধে #অজ্ঞতাইঘৃণারমূল #বইপড়ুন #মানবিকসমাজ #উদ্ধৃতি #চিন্তারখোরাক #জ্ঞানেরআলো #সমাজচিন্তা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Website
Address
Pallabi Extension G14
Dhaka
1216