Everly
Full your dream with us by all authentic
কোন দেশে বাস করি 🙂
🌸✨ ত্বকের উজ্জ্বলতা এখন আপনার হাতে! ✨🌸
বাজারে অনেক সাবান আছে, কিন্তু White Aura Soap একদম আলাদা 💖
এর বিশেষ ফর্মুলা ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা ও কালচে ভাব দূর করে, এনে দেয় প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা 🌿
💧 ত্বক রাখে নরম ও মসৃণ
🌼 দাগ-ছোপ হালকা করে
🌞 রোদে পোড়া ত্বক পুনরুজ্জীবিত করে
💫 প্রতিদিনের ব্যবহারেই পার্থক্য বুঝবেন নিজের চোখে!
অনেকে ব্যবহার করে বলছেন —
👉 “ত্বক এখন আগের চেয়ে অনেক উজ্জ্বল ও ফর্সা!”
✨ এখনই অর্ডার করুন এবং নিজেই দেখুন জাদু!
📦 হোম ডেলিভারি সার্ভিস সারা বাংলাদেশে 🚚
#ত্বকেরযত্ন
08/10/2025
ইন্না-লিল্লাহ..শহিদুল আলমকে অ-পহ-র-ণ করেছে ই-স-রা-ই-লি দখলদার বাহিনী..আল্লাহ তাকে হেফাজত করুক।🥺🤲
08/10/2025
ইন্না-লিল্লাহ! শহিদুল আলমকে স্যারকে অপহরণ করেছে ই*স*রা*ই*ল দখলদার বাহিনী, মহান আল্লাহ তাকে হেফাজত করুক! 💔🥹🤲
08/09/2025
🩸 ডার্ক ফ্যান্টাসি সাইকো
রাতটা ছিল অস্বাভাবিক গরম। ঘরের জানালার বাইরে থেকে লালচে চাঁদের আলো এসে আমার বিছানায় পড়ছিল। আমি শুয়ে আছি আধো অন্ধকারে, গায়ে শুধু পাতলা একটা চাদর। হঠাৎ অনুভব করলাম কারও দৃষ্টি আমার শরীরের ওপর দিয়ে পিছলাচ্ছে। বুকের খাঁজ থেকে শুরু করে উরুর ভাঁজ পর্যন্ত সেই অদৃশ্য চোখ আমাকে নগ্ন করে ফেলছিল। আমার নিঃশ্বাস ঘন হয়ে উঠল। কারও আঙুল যেন অদৃশ্যভাবে আমার ঠোঁট ছুঁয়ে যাচ্ছিল— ধীরে ধীরে নামছিল বুকে, আরও নিচে। আমি কেঁপে উঠলাম, অথচ শরীরের ভেতর এক অদ্ভুত উত্তেজনা ছড়িয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, আমি একা নই—ঘরে কেউ আছে।
কিন্তু দরজা তালাবন্ধ, জানালা বন্ধ। তাহলে কে?
আমি ধীরে ধীরে উঠে বসলাম। বিছানার পাশে আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখলাম। অদ্ভুত ব্যাপার— আমি দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু আয়নার ভেতরের আমি নড়ছে না। চুলগুলো অগোছালো, ঠোঁটে হালকা একরকম অশ্লীল হাসি। যেন আমারই ছায়া আমাকে কামনা করছে।
—“তুই জেগে আছিস…”
আয়নার ভেতরের আমার ঠোঁট নড়ল, শব্দ বের হলো। গলার স্বরটা ঠিক আমার মতো, কিন্তু অনেক বেশি গভীর আর অন্ধকার।
আমি ভয়ে বিছানার চাদর জড়ালাম শরীরে। কিন্তু ভয়ের সঙ্গে সঙ্গে বুকের ভেতর একটা দমবন্ধ করা ইচ্ছে বাড়তে লাগল। আমারই প্রতিবিম্ব… আমার দিকে তাকিয়ে আছে যেন আমাকে ছিঁড়ে খাবে।
—“তুই তো চাইছিস, তাই না?”
আয়নার আমি ধীরে ধীরে তার জামা খুলে ফেলল। আমার চোখ আটকে গেল বুকের দিকে। ঠিক আমার শরীর, কিন্তু যেন আরও নিখুঁত, আরও লোভনীয়।
ঘর হঠাৎ অন্ধকার হয়ে গেল। শুধু আয়নার ভেতরের আমি দাঁড়িয়ে রইল রক্তলাল চোখ নিয়ে।
তারপর ধীরে ধীরে হাত বাড়িয়ে দিল। অবিশ্বাস্যভাবে সেই হাত আয়নার ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো— ঠাণ্ডা, ভেজা আঙুল আমার গলায় ছুঁয়ে গেল। আমি হাঁপাতে লাগলাম, শরীরের ভেতর জ্বালা আর কাঁপুনি মিশে যাচ্ছিল।
—“তুই আমার।”
হঠাৎ আলো নিভে গেল পুরো। আমি চিৎকার করতে চাইলাম কিন্তু গলা থেকে শব্দ বের হলো না। বিছানার ওপর পড়ে গেলাম আমি, আর আয়নার হাত টেনে নিয়ে গেল আমাকে ভেতরে।
---
চোখ খুলে দেখি আমি এক অচেনা জগতে। আকাশ রক্তলাল, মাটির গন্ধ পোড়া মাংসের মতো। চারপাশে গাছের বদলে দাঁড়িয়ে আছে মানুষের হাড় দিয়ে বানানো টাওয়ার। বাতাসে কান্নার শব্দ, আর কোথাও থেকে ভেসে আসছে চিৎকার।
আয়নার ভেতরের “আমি” দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে। এবার আর একেবারে আলাদা লাগছে না। তার চোখে কামনা, আবার নিষ্ঠুরতা।
—“এটাই আসল দুনিয়া। তুই তোকে যতটা চিনিস, আমি তার চেয়েও গভীরে আছি।”
সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এলো। আমি পিছিয়ে গেলাম, কিন্তু পায়ের নিচে নরম কিছু চাপা পড়ল। নিচে তাকাতেই দেখি, মানুষের মুখ গলে যাচ্ছে মাটির মতো। তারা আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করছে—
—“ফিরিস না… একবার ঢুকলে আর ফেরত যাওয়া যায় না…”
আমার শরীর শিউরে উঠল। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমি পালাচ্ছি না। বরং ওর দিকে তাকিয়েই দাঁড়িয়ে আছি। যেন কোথাও গভীরে আমি এই নিষিদ্ধ স্পর্শ চাইছিলাম।
সে আমার কানে ফিসফিস করে বলল—
—“তুই যতটা কামনা লুকিয়ে রাখিস, আমি তার সবকিছু। আমাকে চাইলে তুই চিরকাল বেঁচে থাকবি, কিন্তু অন্য রূপে।”
তারপর সে ঠোঁট চেপে ধরল আমার ঠোঁটে। এক মুহূর্তে বুঝলাম— এ চুমু মানবীয় নয়। ঠান্ডা, কিন্তু ভিতরটা পুড়িয়ে দিচ্ছে। চারপাশে আগুন জ্বলে উঠল, হাড়ের টাওয়ারগুলো থেকে মানুষের কান্না আরও জোরে শোনা গেল।
আমি কেঁপে উঠলাম, কিন্তু ঠোঁট সরাতে পারলাম না। শরীরের প্রতিটি রক্তবিন্দু যেন বিস্ফোরিত হতে চাইছিল।
হঠাৎ দেখি, আমার বুক ফেটে বেরিয়ে আসছে কালো ধোঁয়া। ধোঁয়ার ভেতর অদ্ভুত আকৃতি— শিংওয়ালা ছায়া, রক্তমাখা ডানা।
আয়নার আমি হাসল।
—“তুই ভেবেছিলি তুই মানুষ? তুই আসলে আমারই টুকরো।”
আমার চিৎকার চারপাশের নরকের অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
---
চলবে
পার্ট ১
ডার্ক ফ্যান্টাসি সাইকো
08/09/2025
কায়েন আরিফ ঘুম ভাঙার পর প্রথম যা অনুভব করল — তা হলো **শীতল বিছানার চাদরে তার গরম শরীরের ছাপ**।
আর তারপর — **তার ছায়া নেই**।
নগ্ন হয়ে উঠে দাঁড়ানোর সময় — সে দেখল জানালার আলো তার পিঠে, কোমরে, পায়ের রেখায় পড়ছে… কিন্তু **মেঝেতে কোনো কালো ছবি নেই**।
কোনো ছায়া নেই।
শুধু তার দেহ — আলোয় ভেজা, উষ্ণ, প্রাণবন্ত… কিন্তু অসম্পূর্ণ।
ফোনে নোটিফিকেশন:
“Shadow Disconnected. Reconnect at The Mirror Gate — before THEY find you.”
কায়েন হাসল। বাড়ির আয়নার সামনে দাঁড়াল — নগ্ন, অপরাজেয়, নিজের দেহের প্রতিটি রেখা চেনা।
কিন্তু আয়নায় — **শুধু সে নিজে**।
তার পিছনে কোনো কালো আভা নেই।
কোনো অনুসরণকারী নেই।
কোনো নীরব সঙ্গী নেই।
“তুমি কি জানো তোমার ছায়া কোথায়?” — বলে হঠাৎ পিছন থেকে এক মেয়ের কণ্ঠ।
কায়েন ঘুরে দাঁড়াল — দরজায় এক অপরিচিতা, কালো চুল, লাল ঠোঁট, চোখে এমন এক দৃষ্টি যেন সে কায়েনের ত্বকের নিচে পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছে।
“তোমার ছায়া তোমার জন্য মরতে যাচ্ছে,” সে বলল, “আর তুমি এখনো নিজের শরীরের সৌন্দর্য দেখছ?”
কায়েন কিছু বলতে পারল না।
কারণ মেয়েটির কথার মধ্যে ছিল **যৌনতা, ভয়, প্রলোভন, আর এক গভীর সত্য** — যা তার রক্তে কাঁপন তৈরি করল।
সে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল — শহর স্বাভাবিক। গাড়ি, মানুষ, হৈ-চৈ।
কিন্তু সে জানে — **সবকিছু ভুল**।
কারণ তার ছায়া যদি না থাকে — তাহলে সে আর স্বাভাবিক মানুষ নয়।
সে এখন **অসম্পূর্ণ অস্তিত্ব** — যে কোনো মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
মেয়েটি কাছে এল — তার হাত কায়েনের বুকে স্পর্শ করল।
“এই গরম… এই নাড়ির স্পন্দন… এটা তোমার ছায়ার জন্য বাঁচছে,” সে ফিসফিস করে বলল। “সে তোমার শরীরের প্রতিটি ইঞ্চি চেনে — কোথায় তুমি সংবেদনশীল, কোথায় তুমি কাঁপো, কোথায় তুমি ভাঙো… সে তোমার প্রতিটি গোপন ইচ্ছা জানে।”
কায়েন শ্বাস নিতে ভুলে গেল।
“কে তুমি?” — সে শুধু এটুকু বলতে পারল।
“আমি? আমি হলাম ‘লুমিনা’ — ছায়াপথের দূত। আর তুমি? তুমি হলে ‘শ্যাডোওয়াকার’ — যে নিজের ছায়াকে হারিয়ে ফেলেছ, কিন্তু তাকে ফিরে পেতে হবে — নয়তো এই জগৎ ধ্বংস হবে।”
“কেন ধ্বংস হবে?” — কায়েন জিজ্ঞেস করল, কণ্ঠ শুকনো।
“কারণ,” লুমিনা তার কানের পাশে মুখ নিয়ে ফিসফিস করল, “তোমার ছায়া শুধু তোমার অনুসরণকারী নয় — সে তোমার **অন্য আত্মা**। তোমার অন্ধকারের অংশ। আর যখন আলো আর অন্ধকার বিচ্ছিন্ন হয় — তখন বিশ্বের ভারসাম্য ভেঙে পড়ে।”
কায়েন নিজেকে সামলাতে পারছিল না।
তার দেহ জ্বলছিল — লজ্জা, কৌতূহল, আকাঙ্ক্ষা, ভয় — সব মিলিয়ে।
লুমিনা তার কোমরে হাত বুলিয়ে দিল — “চলো। তোমাকে ‘অ্যালকেমিস্ট আর্কাইভস’-এ নিয়ে যাই। সেখানে তুমি পাবে ম্যাপ — যেটা তোমাকে নিয়ে যাবে ‘মিরর গেট’-এ। সেখানেই তোমার ছায়া অপেক্ষা করছে।”
রাত নামতেই কায়েন পৌঁছাল লাইব্রেরিতে — পুরনো, ধুলোমাখা, গন্ধ কাঠ, মোমবাতি আর… কিছু একটা **প্রাচীন যৌন রহস্যের**।
লাইব্রেরিয়ান — এক বৃদ্ধ যার চোখে আগুন — কায়েনকে দেখে হাসলেন।
“অবশেষে এসেছ, শ্যাডোওয়াকার। তোমার ছায়া তোমার জন্য অপেক্ষা করছে — অন্য পাশে।”
তিনি কায়েনকে একটা পুরনো ম্যাপ দিলেন — যাতে আঁকা ছিল একটা গুপ্ত পথ, যা শহরের নিচে লুকানো এক মিরর গেটে নিয়ে যাবে।
“শুধু ছায়াহীনরাই সেখানে প্রবেশ করতে পারে,” তিনি বললেন। “কিন্তু সতর্ক থাকো — সেখানে যাওয়া মানে তোমার পুরনো জীবন শেষ। নতুন জীবন শুরু হবে — যেখানে তুমি শুধু মানুষ নও, তুমি একটি ‘ব্রিজ’।”
“ব্রিজ? কীসের মধ্যে?” — কায়েন জিজ্ঞেস করল।
“মানুষ আর ছায়ার মধ্যে,” তিনি বললেন। “তুমি হলে সেই শেষ শ্যাডোওয়াকার — যে দুই জগতের মধ্যে সেতু হয়ে দাঁড়াবে।”
কায়েন ম্যাপ নিয়ে বের হলো।
শহরের নিচের সিঁড়ি — যা কেউ দেখে না — সে খুঁজে পেল।
সিঁড়ি নেমে যেতে যেতে তার হৃদস্পন্দন বেড়ে যাচ্ছিল।
শেষ সিঁড়িতে পৌঁছে সে দেখল — **একটা বিশাল আয়না**।
কিন্তু তাতে তার প্রতিবিম্ব নেই।
শুধু অন্ধকার।
সে হাত বাড়াল।
আয়নার পৃষ্ঠ তরল হয়ে গেল।
সে পা দিল ভিতরে।
পরের মুহূর্তে — সে দাঁড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত জগতে।
আকাশ নীল-কালো, মেঘের বদলে ভাসছে কালির ফোঁটা।
মাটি কাঁচের মতো স্বচ্ছ, নিচে দেখা যাচ্ছে শহরের উল্টো প্রতিবিম্ব।
আর তার সামনে দাঁড়িয়ে — **তার নিজের ছায়া**।
কিন্তু সে তার মতো নয়।
সে কথা বলতে পারে।
সে হাসতে পারে।
সে তার চেয়ে বেশি জানে।
“তুমি শেষ পর্যন্ত এসেছ,” কায়েনের ছায়া বলল। “কিন্তু আমি তোমার ছায়া নই। আমি তোমার ‘অন্য অর্ধেক’ — যে অংশটা তুমি ভুলে গিয়েছিলে। তুমি যখন শিশু ছিলে, তখন আমরা বিভক্ত হয়েছিলাম। তুমি বেঁচে থাকার জন্য আমাকে ত্যাগ করেছিলে। কিন্তু এখন সময় এসেছে — আবার মিলিত হওয়ার।”
কায়েন জিজ্ঞেস করল, “কেন? কী হবে আমাদের মিলিত হলে?”
ছায়া হাসল। “তখন তুমি জানতে পারবে — তুমি কেন জন্মেছিলে। কেন তোমার ছায়া হারিয়ে গিয়েছিল। আর... কেন তুমিই একমাত্র যে ‘The Eclipse War’ থামাতে পারবে।”
“ইক্লিপস ওয়ার?” কায়েন চমকে উঠল।
“হ্যাঁ,” ছায়া বলল। “যখন আলো আর অন্ধকার একসাথে ধ্বংস হতে চায় — তখন শুধু একজন ‘অখণ্ড মানুষ’ তাদের থামাতে পারে। আর সেই মানুষ হলে তুমি — যদি আমাকে গ্রহণ করো।”
কায়েন দ্বিধাগ্রস্ত।
কিন্তু তার হৃদয় বলছে — এটাই সত্যি।
সে যে কিছু হারিয়েছে, তা এই ছায়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে।
সে হাত বাড়াল।
ছায়াও হাত বাড়াল।
তাদের হাত মিলিত হওয়ার মুহূর্তে — এক বিশাল আলোর ঝলকানি ছড়িয়ে পড়ল।
কায়েন অনুভব করল — কিছু একটা ফিরে আসছে।
কিছু একটা পূর্ণ হচ্ছে।
কিন্তু তারপরই — **আকাশ ফাটল ধরল**।
কালো ঘোড়সওয়াররা নেমে এল মেঘ থেকে।
তাদের চোখে জ্বলছে লাল আগুন।
তারা চিৎকার করে বলল, “শ্যাডোওয়াকার! তুমি ফিরে এসেছ! কিন্তু আজ তোমাকে মরতে হবে — নয়তো আমাদের যুদ্ধ থামবে না!”
তার ছায়া তাকে ঠেলে দিল পিছনে।
“দৌড়াও! এখনো সময় নেই! তুমি প্রস্তুত নও!”
কায়েন দৌড়াল।
পিছনে শব্দ — তার ছায়া যুদ্ধ করছে তাদের সাথে।
সে শুনতে পেল তার চিৎকার —
“পাঁচটি গেট পার হও! প্রতিটিতে তোমাকে নিজেকে খুঁজে পেতে হবে! শেষ গেটে আমরা আবার মিলব!”
কায়েন দৌড়াতে লাগল — অজানা জগতের মধ্যে দিয়ে।
তার হৃদয় ধড়াস করছে।
সে জানে না কী অপেক্ষা করছে তার জন্য।
কিন্তু সে জানে — **সে ফিরবে না**।
কারণ সে হলো শ্যাডোওয়াকার।
আর শ্যাডোওয়াকাররা কখনো পিছু হটে না।
সে শুধু একবার পিছন ফিরে তাকাল —
তার ছায়া শেষ আলো জ্বালিয়ে তাদের আটকাচ্ছে।
সে তার দিকে তাকিয়ে শেষ কথাটা বলল —
“আমি তোমাকে ভালোবাসি। কারণ আমি তুমি।”
কায়েন চোখ বুজল।
আর দৌড়াতে লাগল — **প্রথম গেটের দিকে**।
---
---
---
+++--
চলবে....
#ছায়াপথের_যুদ্ধ
পার্ট ১
06/09/2025
“পবিত্র ঈদ এ মিলাদ উন নবীর শুভেচ্ছা” 🌹🌹🌹
নবীকে ভালবাসেন যারা শুধু তারা বলেন আজকে আমাদের নবীর কততম জন্ম দিন...??
#মিলাদ_উন_নবী
#নবীজির_জন্মদিন
22/07/2025
Name: ariyan
কালকে রাত ৩ টায় মারা গেছেন ওর কান্না গুলো হয়তো বাজবে সবসময় !!
21/07/2025
Rafsi Akter Rafi
Class:Four
Code:2357
Milestone school& collage
খালপার ২নম্বর ব্রিজ
আর তেমন কিছু বলতে পারতেছে নাহ
রাফির মা-বাবার কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করোন।
বর্তমানে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আছে।
আল্লাহ তুমি হেফাজত করো।💔💔
আজকে উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের মাঠে বিমান বিদ্ধস্ত 💔
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka