Muhammad Raj For Humanity
Serving Humanity in Gaza • Sudan • Bangladesh
Call/Imo/whatsapp- 008801406970907
13/05/2026
বাঙালিরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় শত্রু। ইতিহাস তাই বলে।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন। পলাশীর আম্রকাননে এক যুবক নবাব দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর সেনাবাহিনী নিয়ে। বয়স মাত্র ২৪ বছর। নাম সিরাজউদ্দৌলা। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। তাঁর হাতে ছিলো ৫০ হাজার সৈন্য, অপর প্রান্তে রবার্ট ক্লাইভের মাত্র ৩ হাজার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্য।
যুদ্ধের ফলাফল কী হওয়ার কথা ছিলো? সিরাজের নিশ্চিত বিজয়। কিন্তু কী হলো? বাংলা পরবর্তী ১৯০ বছর পরাধীনতার অন্ধকারে ডুবে গেলো।
কেন? কারণ ইংরেজরা সিরাজকে হারায়নি। সিরাজকে হারিয়েছে তাঁর নিজের লোকেরা।
মীরজাফর। সিরাজের প্রধান সেনাপতি, যাঁর হাতে ছিলো অর্ধেক সৈন্যবাহিনী। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে রইলেন। একটি গুলিও ছুড়লেন না। রায়দুর্লভ আরেক সেনাপতি, তিনিও নীরব। ইয়ার লতিফ তৃতীয় বিশ্বাসঘাতক। উমিচাঁদ, জগৎ শেঠ, রাজা রাজবল্লভ ব্যবসায়ী ও আমলা শ্রেণী মিলে গোপন চুক্তি করেছিলো ইংরেজদের সাথে। নবাবের পতনের বিনিময়ে নিজেদের জন্য ক্ষমতা ও সম্পদ।
মাত্র কয়েক ঘণ্টায় যুদ্ধ শেষ। সিরাজ পালিয়ে গেলেন। মুর্শিদাবাদে ধরা পড়লেন। আর সেই মীরজাফরের ছেলে মীরন তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করলো। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের রক্তে রঞ্জিত হলো বাঙালিরই হাত। ইংরেজরা শুধু পরিকল্পনা করেছিলো, কাজটি করেছিলো বাঙালিরাই।
এই কাহিনী শেষ নয়, শুরু মাত্র।
১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা পেলাম রক্তের সাগর পেরিয়ে। কিন্তু কারা বিরোধিতা করেছিলো? কারা রাজাকার, আলবদর, আল-শামস হয়েছিলো? কারা নিজের মা-বোনকে শত্রুর হাতে তুলে দিয়েছিলো? বাঙালিরাই। তিরিশ লাখ শহীদের রক্ত যাদের হাতে ঝরেছে, তাদের অধিকাংশ ছিলো এই মাটিরই সন্তান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। যাঁর নেতৃত্বে স্বাধীনতা এসেছিলো, সেই শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলেন নিজ বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে। স্ত্রী, সন্তান, এমনকি ছোট্ট রাসেলকেও ছাড়া হলো না। কে করলো? কোনো বিদেশি শক্তি নয়। বাঙালি সেনা অফিসারদের একটি দল। ট্রিগার টিপেছিলো বাঙালির আঙুল।
এরপর ইতিহাসের আরেক করুণ অধ্যায়।
১৯৮১ সালের ৩০ মে। চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শাহাদাত বরণ করলেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম শহীদ জিয়াউর রহমান। কে ছিলেন এই মহান নেতা? যিনি ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। যিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক হয়ে রণাঙ্গনে অসীম সাহসিকতায় যুদ্ধ করেছিলেন। যিনি স্বাধীনতা পরবর্তী দেশকে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছিলেন। যিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যিনি কৃষি, শিল্প ও জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিয়েছিলেন। যিনি গাজী হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন, আবার শহীদ হয়ে অমর হয়ে গেলেন।
আর শুধু এই দুজন নয়। জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান কারাগারের ভেতরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিলো ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর। যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকার চালিয়েছিলেন, তাঁদেরকেও হত্যা করলো নিজেদেরই লোকেরা।
ইতিহাস কি এখানেই থামলো? না। ইতিহাস আরও রক্ত চাইলো।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট। কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছিলো ছাত্র-জনতা। নিরস্ত্র, খালি হাতে, বুকে শুধু দেশের স্বপ্ন। সরকারের নির্দেশে চলেছিলো নির্বিচার গুলি। সেই গুলিও চালিয়েছিলো বাঙালি পুলিশ, বাঙালি বিজিবি, বাঙালি র্যাব। বাঙালির বুকে গুলি চালিয়েছিলো বাঙালিরাই।
১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদ দুই হাত মেলে দাঁড়িয়েছিলেন গুলির সামনে। সেই দৃশ্য সারা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলো। তাঁকে কে গুলি করলো? কোনো ভারতীয় নয়, কোনো পাকিস্তানি নয়। বাঙালি পুলিশের বাঙালি আঙুল।
১৮ জুলাই মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ আন্দোলনকারী ভাইদের পানি বিতরণ করছিলেন। “পানি লাগবে, পানি!” এই ছিলো তাঁর শেষ ডাক। মাথায় গুলি লেগে শহীদ হলেন এই তরুণ। যাঁকে গুলি করলো, তিনিও বাঙালি।
হাদিসুর রহমান হাদি, ছোট্ট নাফিজ, ইয়ামিন, ফারহান ফাইয়াজ, সাফকাত সামির, রিয়া গোপ ৬ বছরের শিশু এমন হাজারো নাম যাঁরা ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে শহীদ হলেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০০ এর বেশি প্রাণ ঝরলো সেই অভ্যুত্থানে। আহত ও পঙ্গু হলেন আরও হাজার হাজার মানুষ।
কে এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিলো? বাঙালি শাসক। কে বাস্তবায়ন করলো? বাঙালি বাহিনী। কে গুলি খেলো? বাঙালি ছাত্র, বাঙালি কিশোর, বাঙালি মা-বাবার সন্তান।
হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুড়ে নিরীহ শিশু-কিশোরদের প্রাণ কেড়ে নিলো বাঙালি। সেই হেলিকপ্টার চালালো বাঙালি, ট্রিগার টিপলো বাঙালি, নির্দেশ দিলো বাঙালি। আবার যাঁরা রাজপথে রক্ত দিলেন, তাঁরাও বাঙালি।
মীরজাফর যে বীজ বুনেছিলো ১৭৫৭ সালে, সেই বিষবৃক্ষ আজও ফল দিয়ে যাচ্ছে। #২৬৭ বছর পরও আমরা শিখলাম না।
ইতিহাস বারবার একই কথা বলেছে। বাঙালির সবচেয়ে বড় শত্রু কোনো ইংরেজ নয়, কোনো পাকিস্তানি নয়, কোনো ভারতীয় নয়, কোনো আমেরিকান নয়। বাঙালির সবচেয়ে বড় শত্রু বাঙালি নিজেই।
সিরাজকে মেরেছে বাঙালি। মুজিবকে মেরেছে বাঙালি। শহীদ জিয়াকে শহীদ করেছে বাঙালি। চার নেতাকে মেরেছে বাঙালি। আবু সাঈদ, মুগ্ধ, হাদি, নাফিজ, রিয়া গোপ সহ ২০২৪ এর হাজারো শহীদকেও শহীদ করেছে বাঙালি। বিদেশিরা কেবল পরিকল্পনা করেছে, কাজ করেছে বাঙালিরাই।
আজও কি ছবি বদলেছে? দেখুন চারপাশে। ভাইয়ের সম্পত্তি ভাই দখল করছে। প্রতিবেশী প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করছে। সহকর্মী সহকর্মীর পদোন্নতিতে বাধা দিচ্ছে। মুসলিম ভাইয়ের দোকানে আগুন দিচ্ছে অন্য মুসলিম ভাই। ফেসবুকে একজন আলেমকে গালি দিচ্ছেন অন্য আলেমের অনুসারী। আলেম আলেমের শত্রু, ভাই ভাইয়ের শত্রু।
আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে ইংরেজরা ২০০ বছর শাসন করতে পারতো না। আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে আজ গাজা, সুদান, কাশ্মির, রোহিঙ্গা কারো জন্য কাঁদতে হতো না, কারণ আমরা একসাথে দাঁড়াতাম। আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে আজ পৃথিবী আমাদের সম্মান করতো।
কিন্তু আমরা ঐক্যবদ্ধ নই। আমরা মীরজাফরের উত্তরাধিকার বহন করছি। আমরা সিরাজের পক্ষে দাঁড়াইনি, আমরা ক্লাইভের পাশে দাঁড়িয়েছি যুগের পর যুগ।
প্রশ্ন একটাই। আমরা আর কতদিন এভাবে চলবো? আর কতবার ইতিহাস আমাদের একই শিক্ষা দেবে?
আবু সাঈদের সেই মেলে দেওয়া দুই হাত আজও আকাশের দিকে প্রশ্ন তুলছে। মুগ্ধর “পানি লাগবে” শব্দটি আজও বাতাসে ভেসে বেড়ায়। ছোট্ট রিয়া গোপের হাসি আজও জানালার ওপাশে অপেক্ষায় থেকে গেলো। তাঁদের রক্ত আজ আমাদের কাছে
একটাই প্রশ্ন রাখছে আমরা কি জেগেছি? নাকি ঘুমিয়েই আছি?
আজ সময় এসেছে নিজেকে প্রশ্ন করার। আমি কি সিরাজ, নাকি মীরজাফর? আমি কি শহীদ জিয়ার আদর্শে দেশপ্রেমিক, নাকি ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক? আমি কি আবু সাঈদের সাহস বহন করি, নাকি মুগ্ধর ঘাতকের পাশে দাঁড়াই? আমি কি ভাইয়ের পাশে দাঁড়াই, নাকি ভাইকে বিক্রি করি?
উম্মাহর প্রতিটি ক্ষতের পেছনে আছে আমাদের মতো বাঙালির বিশ্বাসঘাতকতা, নীরবতা, কাপুরুষতা। আজই সিদ্ধান্ত নিন। মীরজাফর হবেন, নাকি সিরাজ, শহীদ জিয়া, আবু সাঈদ ও মুগ্ধর পাশে যে বিশ্বস্ত সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলেন তাঁদের মতো হবেন?
পলাশী থেকে রংপুর, ধানমন্ডি থেকে চট্টগ্রাম, পিলখানা থেকে শাহবাগ ইতিহাসের প্রতিটি রক্তবিন্দু আজ একই কথা বলছে।
বাঙালির হাত থেকে বাঙালিকে বাঁচাও।
ইতিহাস আপনাকে দেখছে। শহীদদের রক্ত আপনাকে দেখছে। আর সবার ওপরে, আল্লাহ আপনাকে দেখছেন।
মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
রাত ৩টা ১৮ | ১৩ মে ২০২৬
#মজলুম_উম্মাহ #শহীদ_জিয়াউর_রহমান #জুলাই_শহীদ #আবু_সাঈদ #পলাশীর_শিক্ষা #বাঙালির_ইতিহাস
এই মাত্র ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দেশটির রাজধানী তেহরানে একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
কিসের ইঙ্গিত!??😷
12/05/2026
এক মা। সামনে তাঁর পুরো পরিবার। সবাই হারিয়ে গেছেন।
গাজার এক মা বসে আছেন নীরবে। সামনে সাদা কাফনে মোড়ানো তাঁর গোটা পরিবার। স্বামী, সন্তান, কোলের শিশু সবাই। যাদের নিয়ে গতকাল রাতেও তিনি ঘুমাতে গিয়েছিলেন, যাদের জন্য সকালে রুটি বানাতেন, যাদের হাসিতে তাঁর ঘর ভরে উঠতো আজ তাঁরা সবাই একসাথে চিরঘুমে।
আমি শুধু এতটুকু চাই, আপনি একবার অনুভব করার চেষ্টা করুন সেই মুহূর্তে এই মায়ের ভেতরে কী চলছিলো।
কোনো কান্না নেই। কোনো চিৎকার নেই। চোখের পানিও যেন শুকিয়ে গেছে। শুধু এক জোড়া চোখ একে একে তাকিয়ে আছে কাফনে মোড়া প্রতিটি প্রিয় মুখের দিকে। যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না সবকিছু এক রাতেই শেষ হয়ে গেলো।
কোন ভাষায় বুঝাবেন এই বেদনা? কোন শব্দে আঁকবেন এই শূন্যতা? পৃথিবীর কোনো অভিধানে এই দুঃখের নাম নেই।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ এই পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আর এই মাকে দান করুন এমন ধৈর্য, যা পৃথিবীর কোনো মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
গাজার এই মায়ের জন্য আজ একটু দোয়া রাখুন। আর নিজেকে প্রশ্ন করুন, এই উম্মাহর ব্যথা কি আমাদের ছুঁয়ে যাচ্ছে?
মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
Hafezzi Charitable Society Of Bangladesh
#মজলুম_উম্মাহ #গাজার_মা
12/05/2026
এক আল্লাহর বান্দা ইংল্যান্ড থেকে ইজিপ্টে আমাদের টিম হাফেজ্জীর কর্ডিনেটর বোনের একাউন্টে গাজার জন্য বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। দোয়া চাই।
12/05/2026
আগে কি জানতেন এসব? যুক্ত হোন আমাদের Mazlum Ummah-মজলুম উম্মাহ পেইজে!!
#তাজিকিস্তান #মজলুম_উম্মাহ
মনে রেখো, কাল কিয়ামতের দিন গাজাবাসীরা তোমার হাত ধরে আল্লাহর কাছে জিজ্ঞেস করবে, আমার ভাই, তুমি কোথায় ছিলে?
#মজলুম_উম্মাহ #গাজার_কান্না
12/05/2026
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন......!!!!
দক্ষিণ লেবাননে আরেকটি শৈশব নিভে গেলো নীরবে।।মাত্র ১২ বছর বয়স ছিলো তাঁর। গতকাল দক্ষিণ লেবাননে একটি ড্রোন হামলায় প্রথমে নিহত হন তাঁর বাবা। ছোট্ট মেয়েটি বেঁচে গিয়েছিলেন সেই হামলায়। আতঙ্কিত, আহত, ভয়ার্ত সেই শিশুটি প্রাণপণে ছুটেছিলেন বাঁচার আশায়।
কিন্তু আকাশে অপেক্ষায় ছিলো আরেকটি ড্রোন। ছুটে চলা শিশুটিকে অনুসরণ করে সেটিও আঘাত হানে। বাবা হারানোর শোক বুকে নিয়ে যে ছোট্ট পা দুটি ছুটছিলো বাঁচার জন্য, সেই পা থেমে যায় চিরতরে।
এই ছবিতে ক্যামেরাবন্দি হয়ে আছে তাঁর শেষ মুহূর্তের আতঙ্ক। চুল উড়ছে বাতাসে, চোখে অশ্রু, মুখে কান্না, পেছনে ধ্বংসস্তূপ। এই একটি ছবিই আজ গোটা বিশ্বের বিবেককে প্রশ্ন করছে। কেন একটি ১২ বছরের মেয়েকেও ছাড়া হলো না? কেন একটি শিশুর ভয়ার্ত দৌড়ও থামাতে হলো?
বিশ্ব আজ কেন এতো নীরব? প্রতিটি নীরবতা যে একেকটি প্রশ্ন হয়ে রয়ে যায় ইতিহাসের পাতায়।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ এই শিশু ও তাঁর বাবাকে শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। জান্নাতুল ফেরদাউস তাঁদের ঠিকানা হোক।
এই মাজলুম শিশুর জন্য আজ একটু দোয়া রাখুন।
সূত্র: দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রাপ্ত সংবাদ ও ছবি, মে ২০২৬।
মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
মহাপরিচালক Hafezzi Charitable Society Of Bangladesh
সম্পাদক Mazlum Ummah-মজলুম উম্মাহ
Disclaimer: The content shared here is intended solely for raising awareness about humanitarian suffering. I do not endorse any political or armed group. My mission is to give voice to the voiceless and encourage compassion, prayer, and peaceful solidarity.
12/05/2026
সারা বিশ্বের অসহায় মুসলমানদের খবর জানতে আজই আমাদের পেইজ Mazlum Ummah-মজলুম উম্মাহ তে লাইক দিন।
#মজলুম_উম্মাহ #ভূমধ্যসাগর_২০২৬ #শরণার্থী_মুসলিম
12/05/2026
সারা বিশ্বের মুসলমানদের নির্যাতনের খবর জানতে যুক্ত হোন আমাদের পেইজে!!
#উম্মাহর_কণ্ঠ #মজলুম_উম্মাহ
12/05/2026
Happy Mother’s Day in Gaza. 💔
স্বইচ্ছায় ইসলামের ছায়াতলে আসা নওমুসলিম ভাইটিকে স্বাবলম্বী করে তোলার একটি ছোট্র প্রয়াস আমাদের।
#টিম_হাফেজ্জী #নওমুসলিম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
House No/57/a, Road No/6, Muhammadia Housing Society, Bangladesh
Dhaka
1207