D's Absolute Collection

D's Absolute Collection

Share

U should love this

20/10/2025

সহকর্মী কখনো বন্ধু হয় না 🤝❌

মানুষের জীবনের বড় একটি সময় কাটে কর্মস্থলে। অফিসে সহকর্মীদের সাথে দৈনিক যোগাযোগ, আড্ডা, কাজের চাপ ভাগাভাগি – সব মিলিয়ে সম্পর্কটা অনেকটা বন্ধুত্বের মতো মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো সহকর্মী আর বন্ধু এক জিনিস নয়। কাজের স্বার্থ, প্রতিযোগিতা, পদোন্নতির লড়াই, কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে সহকর্মী সম্পর্ক সবসময় বন্ধুত্বে পরিণত হয় না। 🏢

কেন সহকর্মী সত্যিকারের বন্ধু হয় না? 🚫

কর্মক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা
– গবেষণায় দেখা গেছে কর্মস্থলে প্রোমোশন বা সাফল্যের লড়াই মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে। তাই সহকর্মীরা অনেক সময় সামনে হাসিমুখে থাকলেও ভেতরে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতে পারে (Harvard Business Review, 2019)।

স্বার্থের দ্বন্দ্ব
– এক অফিসে কাজ মানেই একই রিসোর্স, বোনাস বা সুযোগ ভাগাভাগি। বাংলাদেশে করা এক জরিপে (Dhaka University, 2021) দেখা গেছে ৬৪% কর্মচারী মনে করেন সহকর্মীরা চাপের সময়ে নিজের স্বার্থটাই আগে দেখে।

গোপনীয়তার অভাব
– বন্ধুত্ব মানে খোলামেলা শেয়ার করা। কিন্তু অফিসে বলা ব্যক্তিগত কথা অনেক সময় অন্যজন ব্যবহার করে দেয়ার ঝুঁকি থাকে। ভারতের এক গবেষণায় (TISS, 2020) দেখা গেছে, ৪২% কর্মী সহকর্মীর কাছে শেয়ার করা তথ্য পরে ক্ষতির কারণ হয়েছে।

পদমর্যাদার পার্থক্য
– সহকর্মীর মধ্যে কেউ সিনিয়র, কেউ জুনিয়র। এক্ষেত্রে খোলামেলা বন্ধুত্ব হয় না। জুনিয়ররা ভয় পায়, আর সিনিয়ররা পেশাদার সীমারেখা টেনে রাখে।

প্রকৃত সহানুভূতির অভাব
– গবেষণায় দেখা গেছে সহকর্মীরা অধিকাংশ সময় "প্রফেশনাল সৌজন্য" দেখালেও সেটা ব্যক্তিগত জীবনের গভীর বন্ধুত্ব নয় (Gallup Workplace Report, 2018)।

তাহলে কিভাবে ভালো সম্পর্ক রাখা যায়? 🌿

সহকর্মীকে বন্ধু ভেবে ভুল করলে হতাশা আসতে পারে। কিন্তু স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক রাখা সম্ভব কিছু নিয়ম মানলে:

পেশাদার সীমারেখা মানুন ✍️
– ব্যক্তিগত জীবনের সবকিছু শেয়ার করবেন না। কাজ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকুন।

পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখুন 🙏
– কারও কাজ বা অবস্থান ছোট করবেন না। এতে আস্থা তৈরি হবে।

প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচক রাখুন ⚡
– উন্নতি করতে হবে, কিন্তু সেটা হিংসা দিয়ে নয়, নিজের যোগ্যতা দিয়ে।

সহযোগিতা করুন 🤗
– সহকর্মী বিপদে পড়লে সাহায্য করুন। এতে কাজের পরিবেশ ভালো হবে।

পেশাদার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন 🌐
– সহকর্মীকে বন্ধু ভেবে ভরসা না করে, তাদের সাথে কাজের স্বার্থে সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

🌸 সহকর্মীরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কিন্তু তারা সবসময় প্রকৃত বন্ধু নয়। কর্মক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা, স্বার্থ ও পদমর্যাদার কারণে সম্পর্ক ভিন্ন মাত্রায় গড়ে ওঠে। তাই সহকর্মীর সাথে সম্পর্ক রাখুন সৌজন্য ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে, কিন্তু ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের জায়গায় ভুল করবেন না।

গবেষণা রেফারেন্স 📚
Harvard Business Review (2019), Workplace Competition and Employee Relationships
Dhaka University Research (2021), Professional Relationship vs Friendship in Bangladeshi Offices
Tata Institute of Social Sciences (2020), Trust Issues in Indian Workplaces
Gallup Workplace Report (2018), Friendship vs Professional Courtesy
Society for Human Resource Management (2022), Boundaries in Workplace Relationships
American Psychological Association (2020), Workplace Stress and Trust

13/10/2025

গবেষণায় দেখা গেছে যে ভালোবাসার মানুষের হাত ধরলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা pain এবং মানসিক চাপ stress উভয়ই কমে যেতে পারে।
এর বৈজ্ঞানিক কারণগুলো হলো

অক্সিটোসিন নিঃসরণ শারীরিক স্পর্শ, বিশেষ করে হাত ধরে থাকলে, অক্সিটোসিন Oxytocin হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। এই হরমোনকে "বন্ধন হরমোন" বলা হয়, যা মানসিক নিরাপত্তা এবং শান্ত থাকার অনুভূতি তৈরি করে।

ব্যথা উপশম এই স্পর্শ মস্তিষ্কের ব্যথা-সংক্রান্ত অঞ্চলগুলির কার্যকলাপ কমাতে পারে, যার ফলে ব্যথা উপশম হয় এবং এটি প্রাকৃতিক ব্যথানাশক analgesic হিসেবে কাজ করে।

৩. চাপ হ্রাস: ভালোবাসার মানুষের সান্নিধ্য এবং স্পর্শ কর্টিসল Cortisol নামক স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী।

সংক্ষেপে, ভালোবাসার মানুষের হাত ধরা এক ধরনের আরামদায়ক এবং নিরাপদ সংকেত পাঠায় মস্তিষ্কে, যা চাপ ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

13/10/2025

একটি কোম্পানিতে ছিল এক পরিশ্রমী পিঁপড়া।
প্রতিদিন সকাল ৯টায় সে অফিসে আসত।
কারও সঙ্গে গল্পে সময় নষ্ট না করে, চুপচাপ কাজে লেগে যেত।
তার কাজের মান ও পরিমাণ—দু’টোই ছিল অসাধারণ।
কোম্পানির উৎপাদন বেড়ে যেত তার পরিশ্রমে, আর সে নিজেও সুখে-আনন্দে কাজ করত।

অফিসের সিইও সিংহ একদিন অবাক হয়ে ভাবল,
“এই পিঁপড়াটা তো কোনো সুপারভিশন ছাড়াই এত কাজ করছে!
তাহলে যদি ওর ওপর একজন সুপারভাইজার দেওয়া হয়,
তাহলে উৎপাদন তো আরও বাড়বে!”

তাই সিংহ পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে একটি তেলাপোকাকে নিয়োগ দিল।
তেলাপোকাটির বহু বছরের অভিজ্ঞতা ছিল এবং রিপোর্ট লেখায় সে দারুণ দক্ষ।

তেলাপোকা অফিসে এসেই বলল,
“এই অফিসে তো কোনো উপস্থিতি রেজিস্টারই নেই!
একটা অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম জরুরি।”
কিছুদিনের মধ্যেই সে বুঝল,
রিপোর্ট তৈরিতে তার একজন সেক্রেটারি দরকার।
তাই সে একটি মাকড়সাকে নিয়োগ দিল,
যে ফোনকল মনিটর করবে, ফাইল সাজাবে, এবং নথিপত্র গুছিয়ে রাখবে।

এদিকে সিংহ বেশ খুশি—
তেলাপোকা প্রতিদিন গ্রাফ, রিপোর্ট আর বিশ্লেষণসহ
অফিসের উৎপাদন নিয়ে আপডেট দিচ্ছে।
সিংহও এসব রিপোর্ট বোর্ড মিটিংয়ে দেখিয়ে বাহবা পাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদিন পর তেলাপোকার দরকার হলো
একটা কম্পিউটার, প্রিন্টার, আর আইটি ডিপার্টমেন্ট।
তাই সে মাছিকে আইটি অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিল।

এখন পিঁপড়ার জীবন পুরো বদলে গেল।
যে পিঁপড়া আগে আনন্দে গান গাইতে গাইতে কাজ করত,
এখন তাকে সারাক্ষণ ফর্ম পূরণ, রিপোর্ট লেখা,
আর মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।
ফলে কাজের সময় কমে গেল, উৎপাদনও নেমে এল।

সিংহ বুঝল, কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে।
তাই সে সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়ার বিভাগকে আলাদা ডিপার্টমেন্ট বানিয়ে
একজন ডিপার্টমেন্ট হেড নিয়োগ দিতে হবে।

এবার প্রধান হিসেবে এলো ঝিঁঝিপোকা।
প্রথম দিনেই সে নিজের জন্য বিলাসবহুল চেয়ার, কার্পেট,
আর সাজানো অফিস অর্ডার দিল।
কিছুদিন পর বলল,
“আমার একটা ব্যক্তিগত সহকারী ও কম্পিউটার দরকার।”
বলেই নিজের আগের অফিসের একজন পুরনো লোককে সহকারী বানাল।

ধীরে ধীরে পিঁপড়ার অফিসের পরিবেশ পাল্টে গেল।
যেখানে আগে হাসি-আনন্দে কাজ হতো,
এখন সেখানে সবাই মুখ গোমড়া করে চুপচাপ কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা সিংহকে বোঝাল,
“কাজের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য একটা স্টাডি দরকার।”
সিংহ রাজি হলো এবং বিখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে নিয়োগ দিল
অফিসের অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য।

তিন মাস পর্যবেক্ষণের পর পেঁচা একটি মোটা রিপোর্ট দিল।
তার সারসংক্ষেপ ছিল —
“অফিসে কর্মী প্রয়োজনের তুলনায় বেশি।
উৎপাদন বাড়াতে হলে কর্মী ছাঁটাই করা জরুরি।”

পরের সপ্তাহেই কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো।
সবচেয়ে প্রথমে বাদ পড়ল সেই পিঁপড়া—
যে একসময় এই অফিসের আসল চালিকাশক্তি ছিল।

পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল,
“এই কর্মীর মোটিভেশন কমে গেছে,
সে নেতিবাচক আচরণ করছে,
যা অফিসের পরিবেশ নষ্ট করছে।”

12/10/2025

কাউকে তোমার পুরো পৃথিবী বানানোর আগে একশো বার ভাবো। মানুষ কখনোই কারো পুরো পৃথিবী হতে পারে না— হওয়া সম্ভব নয়।

কখনো ভেবে দেখেছো, যদি এই পৃথিবীর সবটা জল হত, তুমি ভেসে যেতে; সবটাই স্থল হলে তুমি তৃষ্ণায় মরতে। সবকিছুরই একটা ভারসাম্য দরকার।

শুধু চা পাতাই নিয়ে চা হয় না, শুধু চিনি দিয়েও চা হয় না—দুটোই দরকার, পরিমিত পরিমাণে।

তোমাকে জানতে হবে: কতটুকু দিচ্ছ এই মানুষটাকে? কতটুকু দেওয়াই উচিত?

সময় থাকতেই নিজেকে প্রশ্ন করো। ভালো লাগা থাকবেই, কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভালোবাসা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। অন্ধ মানুষ যে কোনো হাতে ভরসা করতে শুরু করে। সে জানে না, ওই হাতটি তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে নাকি মাঝপথে ছেড়ে চলে যাবে।

অন্ধ মানুষগুলো প্রায়ই হা'রা'য়। ভুল মানুষকে বিশ্বাস করে, ভরসা করে নিঃ'শে'ষ হয়ে যায়। তাই চোখ থাকলেও অন্ধ হয়ে যেও না। এই পৃথিবী হারোয়াদের মনে রাখে না।

কাউকে পুরো পৃথিবী করে দিও না। কাউকে পুরো পৃথিবী দিলেও ক্ষ'তি। কাউকে এক আকাশ-সমান ভালোবাসার আগে ভেবে নাও— তুমি যে মানুষটির সঙ্গে আকাশের নিচে তারা গোনার স্বপ্ন দেখেছিলে, সে কি সত্যিই থাকবে?

হয়তো একদিন সেই মানুষটাই তোমার আকাশটুকুও চুরি করে নিয়ে যাবে। তখনও তোমার বুকের ভেতরে জমে থাকা মেঘগুলো রয়ে যাবে। মেঘ ঝরে ঝরে সমুদ্র হবে— অশ্রুপাত। সেই সমুদ্রের তীরে তুমি একা দাঁড়িয়ে থাকবে।

তখন বুঝবে, যাকে তুমি পৃথিবী বানিয়েছিলে, তাকে হৃদয় নিংড়ে দিয়েছিলে, সেই সময় অন্য মানুষগুলোকে তুমি অজান্তেই সরিয়ে দিয়েছিলে অনেক দূরে।

নিজের “সব” কাউকে দিয়ে দিও না। কিছু দাও— ঠিক মাত্রায়। ওই “কিছু” যদি কেউ নিয়ে চলে যায়, কিছু থেকে যায়। সেই বাকি কিছুকে আঁকড়ে ধরে বাঁচা যায়। কিন্তু সবটা দিয়ে দিলে যখন কিছুই থাকে না, তখন শুধু শূন্যতা থেকে যায়। শূন্যতা আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা যায় না— একদমই যায় না।

স্মরণে রেখো:
ভালোবাসা মানে ভরসা, স্নেহ আর স্বাধীনতার সঠিক সমন্বয়। পৃথিবী কাউকে দিয়ো না— নিজের জন্য কিছু আকাশ রেখে দাও।

-সংগৃহীত।

11/10/2025

কাউকে ডেডিকেট করে বলা হয়নি. যে লিখেছে জাস্ট ওয়াও
*আমার কোন আচরণে যদি অস্বাভাবিকতা দেখেন, তাহলে বুঝে নিবেন সমস্যার শুরুটা হয়েছে আপনাদের কাছ থেকেই।
*যদি আমি আপনার সাথে পূর্বের তুলনায় কম কথা বলি, তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের কোন কথা বা কাজ আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে।
*যদি আমার মায়া-টান আপনাদের ওপর থেকে কমে যায়, তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের স্বার্থপরতা আমাকে বহুবার ক্ষত করেছে।
*যদি আমার কোনো কথাকে খোঁচা দেয়া মনে হয়, তাহলে বুঝতেই পারছেন এমন খোঁচামার্কা কথা আপনারাও বহুবার বলেছেন। তাই নিজেও ফেরত পাচ্ছেন।
*যদি আমি আগের মত আপনাদের সাথে মিশতে না পারি তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের দেয়া কোন আঘাত আমি আজও ভুলতে পারিনি।
*যদি দেখেন আপনাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে আমার বাঁধছে না তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের চরম খারাপ ব্যবহারের কারনেই আমার ভদ্রতা লোপ পেয়েছে।

দুনিয়ায় সব সম্পর্কের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। তা অতিক্রম হলেই মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়।🖤

08/10/2025

প্রেমিক হিসেবে দেবদাস হওয়া সহজ। পার্বতীর জন্য মদ খেয়ে নর্তকী পাড়ায় শুয়ে চুনিলালের সাথে গল্প করা সহজ—কারণ, পৃথিবীর বেশির ভাগ ব্যর্থ প্রেমিকই তাই করে। পরিবার ও সমাজের চাপে পার্বতীকে বিসর্জন দিয়ে একটা স্বস্তা ইমোশনের "সেক্রিফাইজের ইতিহাস" করে।

কিন্তু প্রেমিক হিসেবে বাদশাহ জাহাঙ্গীর হওয়া সহজ না। নিজের প্রেমিকা নূরজাহানকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরও—এক সন্তানের মাকে বাই হুক অথবা বাই ক্রুক বিয়ে করে নিজের পাশে প্রাধান্য দিয়ে রানীর সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া সহজ নয়।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সে তার ভালোবাসাকে পাশে রেখেছিল। ভালোবাসায় নিয়ম নেই—নিয়ম তো মানুষের জন্য বানানো হয়। যে ভালোবাসায় স্যাক্রিফাইস থাকে, তুমি তাকে খালাতো কিংবা মামাতো ভাইয়ের প্রেম ভাবতে পারো। সে পরিবারের অজুহাত দেখিয়ে সফল কিংবা ব্যর্থতার গল্প লিখে যায়।

ভালোবাসলে তাকে আগলে রাখা শিখতে হয়। অথচ আমাদের এই সমাজে হাজারো দেবদাস আছে, জাহাঙ্গীরের বড্ড অভাব।

স্বপ্ন মানুষকে বাঁচতে শেখায়।

08/10/2025

Om Shanti Om
মুভির গল্পটা খেয়াল করেছিলেন,

জনপ্রিয় নায়িকা বিয়ে করেন প্রযোজক কে। কিন্তু নায়িকা যখন বিয়ের কথা জানিয়ে দিতে চান, তখনই তাকে সিস্টেম করে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

Om Shanti Om এর প্রযোজক ছিলেন শাহরুখ। দিব্যা ভারতী "Deewana মুভিতে শাহরুখকে সুযোগ করে দিয়েছিলেন। Om Shanti Om এর উপরের অংশটা দিয়ে শাহরুখ কি দিব্যার রহস্যজনক মৃত্যু র কথা বলতে চেয়েছিলেন?

অনেক বলিউডপ্রেমী তাই মনে করেন।

কারন ৯২ এর আলোড়ন তোলা নায়িকা দিব্যাও গোপনে প্রযোজক সাজিদকে বিয়ে করেন।

আমি যতদূর জানি, সাজিদের প্রযোজনা য় কোনো মুভিতে শাহরুখ কাজ করেন নাই।

05/10/2025

গর্ভবতী অবস্থায় আবার গর্ভধারণ! (স্কিপ করতে পারেন) 😊

একজন নারী গর্ভবতী হলেন। দিন গুনছেন সন্তানের জন্য। হঠাৎ আলট্রাসাউন্ড করতে গিয়ে দেখলেন, তার গর্ভে যে দুটি শিশু বেড়ে উঠছে, তাদের মধ্যে একজনের চেয়ে অন্যজন কয়েক সপ্তাহের ছোট! তারা যমজ নয়, বরং দুটি ভিন্ন সময়ে তাদের গর্ভধারণ হয়েছে।

এই ঘটনাকে বলা হয় “সুপারফিটেশন (Superfetation)”।

এটা কীভাবে সম্ভব?

সাধারণত একজন নারী গর্ভবতী হলে তার শরীর কিছু হরমোন তৈরি করে যা ডিম্বাশয় থেকে নতুন ডিম্বাণু আসাকে (Ovulation) বন্ধ করে দেয়। এছাড়া, জরায়ুর মুখে একটি শ্লেষ্মার প্রাচীর (Mucus Plug) তৈরি হয়, যা শুক্রাণুর প্রবেশ আটকে দেয়। এক কথায়, শরীর নতুন করে গর্ভধারণের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।

কিন্তু অত্যন্ত বিরল কিছু ক্ষেত্রে,এই নিয়মও ভেঙে যায়। গর্ভবতী অবস্থাতেই কোনোভাবে একটি ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়ে দ্বিতীয় ভ্রূণ হিসেবে জরায়ুতে যুক্ত হয়ে যায়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:

১.
সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি সুপারফিটেশনের ঘটনা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নথিতে জায়গা পেয়েছে।

২.
সাধারণত আলট্রাসাউন্ড করার সময় যখন দেখা যায়, দুটি ভ্রূণের বৃদ্ধিতে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে, তখন ডাক্তাররা এই বিষয়টি সন্দেহ করেন।

৩.
এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ডেলিভারির সময় নির্ধারণ করা। কারণ, দুটি শিশুর বয়স ভিন্ন হওয়ায় একজন অপরিণত (Premature) অবস্থায় জন্মানোর ঝুঁকি থাকে। ডাক্তারদের তখন দুজনের অবস্থাই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। 😊

04/10/2025

সম্প্রতি "সবার উপরে তুমি" সিনেমার একটি ভিডিওক্লিপ ভাইরাল হয়েছে, যেখানে শাকিব খানকে ফ্লাইং কিক মারা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে তার প্যান্টের তলদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে!

শাকিব খান এবং তার সিনেমার টিম কস্টিউমের ব্যাপারে কতটা অসচেতন ছিলেন এই দৃশ্য থেকে সেটা আবারো প্রমাণিত। পরিচালক তো পারতেন এই ফুটেজ বাদ দিয়ে নতুন করে আবার শট নিতে! ফ্লাইং স্টান্ট নেওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে, কিন্তু সেটা সংশোধনের দায় তো পরিচালকের কাধেই বর্তায়৷

উল্লেখ্য "সবার উপরে তুমি" ছিল শাকিব খান অভিনীত প্রথম বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার সিনেমা। সিনেমাটিতে শাকিব খানের বিপরীতে ছিলেন ওপার বাংলার আলোচিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জী! আর সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন বিশিষ্ট পরিচালক এফ আই মানিক! সিনেমাটি ২০০৯ সালে মুক্তি পেয়ে ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়েছিল।

30/09/2025

আপনি যদি দিনের প্রায় ১১ ঘণ্টা বসে কাটান তাহলে আপনার আগামী ৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০%।

* বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস আপনার ঘাড় ও গলার ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এবং এর পাশাপাশি মেরুদণ্ড সুস্থ রাখে।

* একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারিত হয় তার বাবা ও তার ওজন নির্ধারিত হয় মায়ের মাধ্যমে।

* মানুষের মস্তিষ্ক ৩ টি জিনিসের দিক থেকে নজর ফেরাতে পারে না তা চোখের নজর হোক বা মনের নজর হোক। আর সে ৩ টি জিনিস হচ্ছে খাবার, আকর্ষণীয় মানুষ ও বিপদ।

*ডানহাতি মানুষেরা খাবার চিবোনোর সময় ডান চোয়াল ব্যবহার করেন।

*অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে’।

* পৃথিবীতে এতো বেশি প্রজাতির আপেল রয়েছে যে, আপনি যদি প্রতিদিন ভিন্ন প্রজাতির ১ টি করে আপেল খান তারপরও সবপ্রজাতির আপেল খেতে আপনার ২০ বছর সময় লাগবে।

* আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।

* যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। বলা হয় হাসি বিষণ্ণতা রোগের সবচাইতে বড় ঔষধ।

* ধূমপানের কারণে যতো মানুষ মারা যায় ঠিক ততো মানুষই অলসতা এবং পরিশ্রমবিহীন জীবনের জন্যও মারা যান।

*মানুষের মস্তিষ্ক উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য রয়েছে তার ৫ গুণ তথ্য ধারণ ধারণ ক্ষমতা রাখে।

*আমাদের দেহ ৩০ মিনিটে যতোটা তাপমাত্রা নির্গত করে তা দিয়ে দেড় লিটার পানি ফুটানো সম্ভব।

*আমাদের পাকস্থলীতে যে অ্যাসিড রয়েছে তা রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।

*মানুষ আনমনে আপনার জুতোর দিকে নজর দেবেন এটি মানুষের প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাই সুন্দর জুতো পড়ুন। কারণ মানুষ অনেক সময় জুতো দেখেই ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে ফেলেন।

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka