NIPUN SHOP
This page is full of exclusive fashion item for Man, Woman & Kids.
13/04/2019
নববর্ষের আয়োজন ঘিরে ছাত্রলীগের কোন্দল প্রকাশ্যে
চৈত্রসংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে লোকসংগীত উৎসব ও কনসার্ট। এই আয়োজনকে ঘিরে প্রকাশ্যে চলে এসেছে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে উৎসবস্থলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী একদল নেতা-কর্মী ভাঙচুরের ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ আছে। পরে রাত তিনটা পর্যন্ত অনুসারী নেতা-কর্মীদের নিয়ে সেখানে মহড়া দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে বর্ষবরণের আয়োজনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে বর্ষবরণের আয়োজনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ছবি: প্রথম আলো
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী (শনি ও রোববার) এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের অভিযোগ, সংগঠনের সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও এ আয়োজন সম্পর্কে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি। আর রব্বানী, সনজিত ও সাদ্দামের দাবি, শোভন পুরো বিষয়টি জানেন। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের পর তিন নেতার অনুসারীরা মল চত্বরে জড়ো হতে থাকেন। ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ বলে তাঁরা স্লোগান দেন।
গতকাল রাতে ঘটনাস্থলে থাকা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা প্রথম আলোকে, এই উৎসবের স্পনসর কোমল পানীয়ের ব্র্যান্ড ‘মোজো’। উৎসবে সব মিলিয়ে ২০ লাখ টাকা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। মূলত, এই টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়েই দ্বন্দ্ব। ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ বলছে, মূলত ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে ‘কোণঠাসা’ করতেই অন্য তিন শীর্ষ নেতা একজোট হয়েছেন। এই অংশের দাবি, শোভন ছাড়া অন্য তিনজন নেতা হয়েছেন ‘সিন্ডিকেট’ থেকে। শোভন নেতা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দে। প্রধানমন্ত্রী শোভনকে অন্য তিনজনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বলে অন্য তিনজন তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে শোভনের হারের পেছনেও এই তিন নেতার তৎপরতাকে দায়ী করছে এই অংশ।
Eprothom Alo
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী একদল নেতা-কর্মী ভাঙচুরের ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ আছে। ছবি: প্রথম আলো
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী একদল নেতা-কর্মী ভাঙচুরের ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ আছে। ছবি: প্রথম আলো
গতকাল রাতের অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার বিষয়ে ছাত্রলীগের তিন শীর্ষ নেতার একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের আগে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বাসায় একটি সভা হয়েছে। সেই সভার নির্দেশ অনুযায়ীই তাঁর নেতা-কর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। ডাকসু নির্বাচনে হারের ‘হতাশা’ থেকেই শোভন এসব করছেন বলে দাবি করেন ওই নেতা।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলেন, শুক্রবার রাত একটার দিকে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আতিকুর রহমান খান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রহমান, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইউসুফ উদ্দীন খান, কবি জসীমউদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন, অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসান উল্লাহ, মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানী ও স্যার এফ রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তুষারের নেতৃত্বে মল চত্বরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। তাঁরা সবাই ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী।
ছাত্রলীগের একটি পক্ষে আছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারীরা; অন্য পক্ষে আছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন। ছবি: প্রথম আলো
ছাত্রলীগের একটি পক্ষে আছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারীরা; অন্য পক্ষে আছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন। ছবি: প্রথম আলো
ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিজেদের মধ্যে আলাপ ও নেতা-কর্মীদের নিয়ে মহড়া শেষে রাত তিনটার দিকে নেতা-কর্মীদের হলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিন নেতা। হলে ফিরে কারও সঙ্গে বিবাদে না জড়ানোর নির্দেশও দেন তাঁরা। নেতা-কর্মীদের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভনকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘যাঁরা ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করেন, তাঁরা মুজিব আদর্শের সৈনিক হতে পারেন না। এ ধরনের ছাত্রলীগ আমরা চাই না। এর বিচার না হলে আমি সনজিত চন্দ্র দাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করব।’
তবে পরে শোভনের অনুসারী স্যার এফ রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তুষারের ৪০৯ নম্বর রুম ভাঙচুর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারীরা এই ভাঙচুর করেছেন বলে অভিযোগ করেন মাহমুদুল হাসান তুষার। এ ছাড়া সাগর রহমান নামে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে মারধর করা হয়েছে। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ বরণ উৎসবের আয়োজন করা হয়। গতকাল উৎসবস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের বিবদমান একটি পক্ষ। ছবি: প্রথম আলো
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী চৈত্রসংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ বরণ উৎসবের আয়োজন করা হয়। গতকাল উৎসবস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের বিবদমান একটি পক্ষ। ছবি: প্রথম আলো
জানতে চাইলে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে, অথচ আমি সংগঠনের সভাপতি হয়েও কিছুই জানি না—এ নিয়ে আমার মনে কিছুটা ক্ষোভ আছে। তবে মল চত্বরে কারা আগুন দিয়েছেন, আমি জানি না। আমি কাউকে এ ধরনের নির্দেশ দিইনি। তিন শীর্ষ নেতা আমাকে যেভাবে দোষারোপ করছেন, তাতে আমি মর্মাহত। দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে তাঁরা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন।’
অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে বৈশাখের আয়োজনের পুরো বিষয় সম্পর্কে আগেই জানানো হয়েছে। তবু কেন তিনি এ ধরনের আচরণ করছেন, সেটি তাঁদেরও প্রশ্ন। টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারার বিষয়টি সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন। পয়লা বৈশাখের আয়োজনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িত ব্যক্তিদের কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রতিবাদে পয়লা বৈশাখের পরদিন তাঁরা কর্মসূচি দেবেন।
প্রথম আলো
13/04/2019
চলন্ত বাসে ‘শ্লীলতাহানির’ চেষ্টা, চালক আটক
চলন্ত বাসে ‘শ্লীলতাহানি’ থেকে বাঁচতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী লাফিয়ে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনায় বাসচালককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে নগরের অক্সিজেন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাসচালক বিপ্লব দেবনাথকে আটক করা হয়।
বাসটিকে শনাক্ত করে চালককে আটক করা হয়েছে বলে জানান কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন। আজ শনিবার দুপুরে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বাসচালকের সহকারী ধর্ষণের উদ্দেশ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ধরেছিলেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। তবে এখনো বাসচালকের সহকারীকে আটক করা যায়নি। অভিযান চলছে। যত দ্রুত সম্ভব তাঁকে আটক করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাসায় ফেরার পথে গত বৃহস্পতিবার নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় ‘শ্লীলতাহানির’ এই ঘটনা ঘটে। গতকাল সন্ধ্যায় নগরের কোতোয়ালি থানায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এতে বাসটির অজ্ঞাতপরিচয় চালক ও সহকারীকে আসামি করা হয়। ঘটনার সময় বাসে অন্য কোনো যাত্রী ছিল না।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মেয়ে সাহসিকতার সঙ্গে ঘটনাটি মোকাবিলা করেছে। সে মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছে। মামলা হয়েছে। আশা করি, আমরা সুষ্ঠু বিচার পাব।’
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ছাত্রীটি জানান, বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট থেকে শহরগামী বাসে ওঠেন তিনি। রেয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় পৌঁছালে বাস থেকে সবাই নেমে যান। ছাত্রীটির যাওয়ার কথা নিউমার্কেট মোড়ে। কিন্তু সেখানে না থেমে বাসটি তার পথ পরিবর্তন করে স্টেশন রোডের দিকে যেতে শুরু করে। ওই সময় বাস থামাতে বললে চালকের সহকারী (হেলপার) তাঁর দিকে ধেয়ে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ধরেন। ওই শিক্ষার্থী মুঠোফোন দিয়ে হেলপারকে মাথায় আঘাত করে চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। এক রিকশাচালকের সহায়তায় বাসায় ফেরেন তিনি।
এর আগে ২০১৫ সালে ৫ মে চট্টগ্রামে চলন্ত বাসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে বাসচালক ও সহকারীকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে পুলিশ কমিশনারের এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
E-prothom Alo
13/04/2019
মমতা কি অসম্ভব স্বপ্ন দেখছেন?
২০১৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের সব জয় করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু জিতেছিলেন ৩৪টি। কংগ্রেস চারটি, বাম দল দুটি ও বিজেপি পেয়েছিল দুটি। এবারের লোকসভা নির্বাচনে মমতা তাঁর দলের নেতা–কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, ৪২টি আসনেই জিততে হবে, কোনো অজুহাত চলবে না। উল্লেখ্য, ভারতের আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভার মোট আসনসংখ্যা ৫৩৪, এর মধ্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ৪২টি।
এবারে নির্বাচনে মমতা আরও একটি স্লোগানও তুলেছেন, ‘মোদি হটাও, দেশ বাঁচাও’। মমতার লক্ষ্য ভারতের কেন্দ্র থেকে মোদিকে হটিয়ে নতুন এক ধর্মনিরপেক্ষ প্রধানমন্ত্রী বসানো। তবে কে হবেন সেই পদের দাবিদার, তা মমতা এখনো স্পষ্ট করেননি।
ভারতে এখন তিনটি রাজনৈতিক জোট। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ), কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট (ইউপিএ) ও কংগ্রেস-বিজেপিবিরোধী ২৩ দলের জোট ইউনাইটেড ইন্ডিয়া। এর নেতা এখনো ঘোষিত না হলেও মমতাই রয়েছেন এই জোটের প্রধান হিসেবে। বিজেপির এনডিএ জোটে আছে ২৯টি আর কংগ্রেসের ইউপিএতে ২৮টি রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি জোট জিতলে প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস জোট জিতলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে রাহুল গান্ধীর। কিন্তু ইউনাইটেড ইন্ডিয়া জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। সম্ভাব্য নেতাদের এক নম্বরে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর আছেন তেলেগু দেশম পার্টির নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু, বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টির মুলায়ম সিং যাদব প্রমুখ। কিন্তু কোন জোট ভোটে জিততে পারে?
জনমত সমীক্ষাগুলোতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে বা এনডিএ জোটগতভাবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। সরকার গঠন করতে হলে লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। গত সপ্তাহে এবিপি নিউজ ও সি-ভোরের যৌথ সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিজেপি ২৬৪টি আসন পেতে পারে, তার জোট এনডিএ টেনেটুনে সরকার গড়তে সক্ষম হতে পারে। কংগ্রেসের জোট ইউপিএ পেতে পারে ১৪১টি আসন আর মমতার ইউনাইটেড ইন্ডিয়া পেতে পারে ১৩৮টি আসন। অবশ্য এই দুই জোট ঐক্যবদ্ধ হলে সরকার গড়তে পারে।
E-prothom Alo জরিপে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৪২ আসনের মধ্যে তৃণমূল পেতে পারে ৩৪টি। বিজেপি পেতে পারে ৮টি; কংগ্রেস ও বাম দল কোনো আসন না–ও পেতে পারে। কিন্তু কংগ্রেস ও বাম দল এ হিসাব মানছে না। তারা বলছে, এবার তারা গতবারের থেকে বেশি আসন পাবে। তারা একটুও হাল ছাড়েনি। তারা নিশ্চিত, মোদি এবার আর ফিরছেন না। দেশে আসবে নতুন সরকার, নতুন প্রধানমন্ত্রী। এই লক্ষ্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক ময়দান চষে বেড়াচ্ছে।
ভারতের অন্যান্য রাজ্যে কংগ্রেসসহ বিজেপিবিরোধী বিভিন্ন দল আসন ভাগাভাগি করে নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছে। বৃহত্তম রাজ্য উত্তর প্রদেশের ৮০ আসনে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদবরা ভাগাভাগি করে প্রার্থী দিয়েছেন। আসনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজ্য মহারাষ্ট্রে ৪৮টি আসনে আসনরফা হয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে শারদ পাওয়ারের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপির। চতুর্থ স্থানে আছে বিহার। আসনসংখ্যা ৪০। এখানেও আসন ভাগ হয়েছে বিজেপিবিরোধী দলের মধ্যে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে রয়েছে ৩৯টি আসন। এখানেও ডিএমকের সঙ্গে আসনরফা হয়েছে কংগ্রেসের। অন্যান্য রাজ্যেও বিজেপিবিরোধী দলগুলো আসন ভাগাভাগি করেছে। কিন্তু আসনসংখ্যার দিক থেকে তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস আসন ভাগাভাগির পথে হাঁটছে না। তারা এককভাবে ৪২টি আসনেই জিততে চাইছে। এ রাজ্যে অন্য কোনো দল এককভাবে ৪২টি আসনেই প্রার্থী দিতে পারেনি।
ফলে মমতার স্বপ্ন, নির্বাচনে আসনসংখ্যার দিক থেকে তাঁরাই কংগ্রেসের পরে থাকবেন। আর ইউনাউটেড ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষে থাকবে মমতার তৃণমূল। তখন যদি দেখা যায় বিজেপির ভরাডুবি আর সম্মিলিত বিরোধীদের আসনসংখ্যা সরকার গড়ার মতো অবস্থানে রয়েছে, সে ক্ষেত্রে মমতাই হবেন রাহুল গান্ধীর পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার। এসব অঙ্ক কষেই এগোচ্ছেন মমতা। এই লক্ষ্যে কাউকে কোনো একটি আসন না দিয়ে বরং একাই ৪২ আসনে প্রার্থী দিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নও দেখা শুরু করেছেন।
এখন প্রশ্ন হলো, মমতার তৃণমূল কি ৪২ আসনেই জিততে পারবে? বিরোধীরা কি একটি আসনও পাবে না? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা মমতার অলীক স্বপ্ন। মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস। জনমত সমীক্ষাগুলোতেও বলা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস সব আসনে জিতবে না। কয়েকটি জনমত সংস্থা বলেছে, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। এই দল বলছে, তারা এবার পশ্চিমবঙ্গে ২৩টি আসনে জিততে চলেছে।
অমর সাহা প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি
16/10/2017
30/11/2016
Available Lipsticks & Eye-shadows (100% Orginal)
Imported from USA..
(Pre order)
To place an order please inbox us. �
05/11/2016
DHAKAIYA JAMDANI SAREES AC-
Description:
Dhakaiya jamdani with hand applique
Blouse piece : included
Color: as given picture
Price : ৳ 2,550.00
20/08/2016
Exclusive Original Indian Georgette Dress
***************************************************************
Product Code NSH-0110
Product details
FABRIC = GEORGETTE
DUPATTA = CHIFFON
SLEEVES = GEORGETTE
SALWAR & INNER = BATTER FLY
Price: ৳ 2,550
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
19/08/2016
Three sheed pure muslin silk with hand embroidery Sharee
*********************************************************************************
Code: -10
Blouse piece : Included
Color: as given picture
Price: ৳ 3,050
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
19/08/2016
Handloom silk tant Sharee
************************************************************
Code: -9
Product Details :
Blouse piece : Included
Color: as given picture
Price: ৳ 1,650
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
19/08/2016
Tangail Tant Cotton Sharee
*****************************************************************
Code: NSH-8
Product Details :
Blouse piece : Included
Color: as given picture
Price: ৳ 1,450
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
19/08/2016
3shed pure cotton with hand embroidery Sharee
**************************************************************************
Code: NSH-7
Product Details :
Blouse piece : Included
Color: as given picture
Price: ৳ 1,850
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
19/08/2016
Pure Silk Sharee
*********************************************
Code: NSH-5
Product details:
Blouse piece : Included
Color: as given picture
Price: ৳ 1,850
__________________________________________
ফোন এ অর্ডার করতে ডায়াল করুন :-
01717-334219, 01676-232837
( ফোনে না পেলে SMS দিন ) অথবা আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা এবং প্রোডাক্ট এর নাম/মডেল SMS করতে পারেন আমাদের পেজ ম্যাসেজে এ (যেকোনো সময় )।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216