Ali Ahmed Rabbi

Ali Ahmed Rabbi

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ali Ahmed Rabbi, Tutor/Teacher, Dhaka.

23/03/2026

SSC Math
অধ্যায়: সেট ও ফাংশন
টপিক: উপসেট, প্রকৃত উপসেট, P(A)-এর উপাদান সংখ্যা নির্ণয়

31/10/2024

ভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সুন্দরী একটা মেয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে। পরনে শাড়ি, চুলগুলো সিল্কি, সিম্পল সাজুগুজু করা।

কনক্লুডিংয়ে সে বলছিল, "আজকের এই আমি! পুরোটাই বাবার অবদান। বাবা না থাকলে এতদূর আসতে পারতাম না। He is the real hero of my Life."
উপস্থিত সকলের হাততালিতে মুখর হয়ে উঠলো হলরুম।
কিন্তু আমার ঠিক বুঝে আসলোনা এতগুলো শিক্ষিত মানুষের বিবেক একই সাথে কিভাবে লোপ পেলো।
শো-রুমে হালের আপডেট ভার্সন মোটরসাইকেলের সামনে ইয়া বড় চাবি হাতে ছবি তুলে একটা ছেলে ক্যাপশনে লিখলো, "থ্যাংকিউ বাবা, ইউ আর মাই সুপার হিরো।"
সেই ছেলেকে কেউ একজন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করে বসলো, "তুমি কি কুরআন পড়তে জানো?"
আজকাল দেখি খেলো-য়াড় মেয়ে, গিটা-রিস্ট ছেলে, অভিনেতা-অভিনেত্রী, নৃ-ত্য-শিল্পী, বি-জাতীয় সংস্কৃতির ধারক কিংবা সমাজের চোখে নানাভাবে সফল অনেকেই পুরো ক্রেডিট বাবার দিকে দিয়ে দেয়। সাক্ষাৎকারে বলে, বাবা তাদের জীবনের সুপার হিরো, রিয়েল হিরো।
আই এপ্রিশিয়েট। সন্তানদের মানসিকতায় প্যারেন্টসের প্রতি এমন কৃতজ্ঞতাবোধ থাকাটা একটা মানবীয় গুণ। না থাকাটা বরং দোষের।
তবে কথা হচ্ছে, একদিন সব উল্টে যাবে। গরম তাও-য়ার সেই রুটির মতন। সেই হিরো বাবা আ-সামী বেশে দাঁড়াবে কাঠগড়ায়। বাদী আদরের সন্তান।
সন্তান বলবে, আমার বাবা আমাকে হাতে ধরে পথ চলা শিখিয়েছিলেন, কিন্তু দ্বী-নের পথে চালাননি।
পদে পদে অনেককিছু শিখিয়েছেন, কিন্তু দ্বী-ন শেখাননি, কুরআন শেখাননি। স্কুলে না গেলে মা-র-তেন, নামাজে না গেলে কিছু বলতেন না।
আমার ক্যারিয়ারের পিছনে ওনার সবটুকু ইফোর্ট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমার আখেরাতের ব্যাপারে ছিলেন উদাসীন।
আমরা বলি, এই পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একটাও খারাপ বাবা নেই।
একদিন আমরা অনেক খারাপ খারাপ বাবাদের দেখতে পাবো। যারা পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ বাবার সম্মাননা পেয়েছিলেন।
সেদিন হলো ইয়ামুদ্দিন।
সেদিন ইয়াওমুস সা'আহ!
ইয়াওমুল হিসাব!
দুনিয়ার অনেক সুপারহিরো বাবা সেদিন ভি-লেন-রূপে আবির্ভূত হবেন।
~ মাহদী ফয়সাল!

21/10/2024

মূল ভবনে আ’ঘা’ত করার সময় তিনি গ্রাউন্ড ফ্লোরে ছিলেন। ভবনের চারদিক ঘিরে ফেলে দা’ন’ব বাহিনী। ওদের উপস্থিতি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি উপরের তলায়, ঠিক যেখানে তিনি লুকিয়ে থাকতেন, সেখানে চলে গেলেন। তাঁর এর দৌড়ঝাঁপ দেখে ফেলে ওরা। উপরে ওঠার মুহূর্তেই ওরা আবার তাঁকে লক্ষ করে ট্যা’ঙ্ক থেকে হা’ম’লা চালায়। তিনি মা’রা’ত্ম’কভাবে আ’হ’ত হন এবং একটা হাত শরীর থেকে বি‘চ্ছি’ন্ন হয়ে যায়। তিনি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে তাঁর জায়গায় গিয়ে বসলেন। এরমধ্যে শ’য়’তা’ন বা‘হিনী তোড়জোড় করে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে লাগল। তিনি তা টের পেয়ে এক হাতেই দু দুটো গ্রে’নে’ড নিক্ষেপ করেন ওদেরকে ল’ক্ষ্য করে। ওরা সাহস হারিয়ে ফেলল। যে গতিতে উপরে ওঠার চেষ্টা করেছিল তারচেয়ে দ্বিগুণ গতিতে পুনরায় নিচে নেমে গেল।

বাহিরে রুদ্ধদ্বার বৈঠক। সিদ্ধান্ত হল ড্রো’ন প্রবেশ করিয়ে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ড্রো’ন ব্যবহার করল তারা। তিনি শরী’র থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার র’ক্তা’ক্ত হাত নিয়ে দেখছিলেন সব। তাঁর এক হাতে ছিল লাঠি। যখন ড্রো’ন তাঁর কাছাকাছি আসল ঠিক তখনই তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলেন ড্রো’ন এর উদ্দেশ্যে। তাঁর এই অবস্থান শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো বিল্ডিং গু’ড়ি’য়ে দেওয়ার মতো শক্তিশালী ট্যাং’ক শে’ল্ড ব্যবহার করল ওরা এবং তিনিও তাঁর সামনের কাতারে থেকে লড়াই করার এক অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক অভিযাত্রা শেষ করলেন। আল্লাহতালা তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন!!

© নজরুল ইসলাম

17/07/2024

" হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যাতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরুপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ত্রুটি করে না - তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসূত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে তা আরোও অনেকগুন বেশী জঘন্য।

সুরা- আলি ইমরন(১১৮)

07/06/2024

আমার এক বন্ধু বিরাট বড় কোকের পাগল, সে কোকের পিছনে এই দুই বছর যত টাকা ঢালছে তাতে মনে হয় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে এক দুই খান বাড়ি বানানো যেতো।
ইদানীং সে কোক খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে।
এর আগেও ওজন কমানোর তাগিদে সে একশ চল্লিশ বারের বেশি কোক ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে, ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তার কোকের জন্য গলা শুকিয়ে গেছে, সে ঝপাৎ করে কোক কিনে খাওয়া শুরু করেছে। এইবারও আমরা তাই ভেবেছি, দুদিন পরই কপকপ করে কোক খাবে।
কিন্তু সে খেলোই না। শুধু কোক না, পেপসি টু যত ই*স*রা*ইলের পন্য বাদ দেওয়া সম্ভব সবই বাদ দিয়ে ঝিম মেরে বসে রইলো। অন্যসব বাদ দেওয়া তার জন্য দূরহ নাও হতে পারে, কিন্তু চার মাস সে কোক পুরো ছেড়ে বসে আছে এই তথ্য তার নিজের আম্মা জানার পরও বিশ্বাস করেনি,
আমরা তো দূরের কেইস।
কারণটা খুব সাধারণ, তার একার কোক খাওয়া না খাওয়াতে হয়তো তেমন কিছু আসবে যাবে না, কিন্তু এটা তার জন্য মনের শান্তি।
দুনিয়ার এক প্রান্তে নির্বিচারে গনহত্যা চলছে, আর সেই গনহত্যার মূলনায়কের একটা প্রডাক্ট বর্জন করে যতটা সম্ভব প্রতিবাদ করছে।

আর দশটা মানুষের প্রতিবাদ হয়তো এই লেভেলেই থেমে যেতো, কিন্তু সে আরেকটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল, টার্ম ফাইনালের প্রেজেন্টেশনের পিপিটি ফাইলের শেষ স্লাইডকে আমরা বলি থ্যাংক ইউ স্লাইড। এই স্লাইড অন্য সবাই ফুল পাতা লতা দিয়ে সাজিয়ে একসার করে। সে পুরো উলটো কাহিনি করে বসলো।
থ্যাংক ইউ স্লাইডের বদলায় গাজার ধ্বংসস্তপের ছবি সাথে হ্যাশট্যাগ স্টপ গাজা জেনোসাইড দিয়ে প্রেজেন্টেশন শেষ করলো। পুরো রুমে পিন পতন নিরবতা। দুই কোর্স ইন্সট্রাকটর কটকট করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

"রিসার্চ ওয়ার্কে রাজনীতি ঢুকানোর কারণে তোমাকে আমি জিরো দিতে পারি এই তথ্য জানো?" এক স্যার খড়খড়ে গলায় বলল।
আমার বন্ধু শান্ত গলায় বললো, "এটা রাজনীতি না স্যার, এটা জেনোসাইড। এখানে নির্বিচারে মানুষ মারা হচ্ছে। রিসার্চ করে কি লাভ যদি মানুষই না বাচে? রিসার্চ ইজ ফর পিপল।"

আরেক কোর্স ইন্সট্রাকটর কড়া গলায় বলল, এতে কি লাভ হলো? তোমার এই প্রেজেন্টেশন তো ই*জ*রা*&ইল দেখে নাই যে তারা তোমার প্রতিবাদের ঝড়ে উড়ে যুদ্ধ থামাবে।"
"এই রুমের ত্রিশজনের মত মানুষ আছে, স্যার। এই ত্রিশজন মানুষ এই প্রেজেন্টেশন দেখবে। তারা আজকে একবার হলেও এই গণহত্যার কথা ভাববে। ত্রিশজনের মধ্যে পনেরজন বাসায় গিয়ে এটা নিয়ে সার্চ দেবে, শেয়ার দেবে। এই পনেরজনের মধ্যে একজন হয়ত ভবিষ্যতে বড় কোনো পজিশনে যাবে। আমাদের পক্ষ থেকে সে তখন বলতে পারবে। ইট'স লাইক এ চেইন রিয়েকশন।"
আমার বন্ধুর উত্তরটা ছিলো এইরকম।

ক্লাশের পিনপতন নিরবতা ভেঙে তালির শব্দে সে দিন ডিন অফিস থেকে লোক পর্যন্ত ছুটে এসেছিলো।

গল্প এখানেই শেষ। তবে একটা ছোট তথ্য শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। সেই প্রেজেন্টেশন আমার বন্ধু পেয়েছিল ২০ মার্ক। পুরো প্রেজেন্টেশনে মার্ক ছিলো ১৫, এক্সটা ৫ নাম্বার সে পেয়েছে খুব সহজ একটা কারনে, কারণ সে তার শেষের স্লাইড দিয়ে প্রুভ করতে পেরেছে "রিসার্চ ইজ ফর পিপল।"
এবং একটা ছাত্র ছাত্রীও, আমাদের মিনমিনা... টপারগুলো পর্যন্ত বিন্দুমাত্র কথা বলেনি তার মার্কিং নিয়ে।

আমার এই কাহিনি শেয়ারের উদ্দেশ্য খুব সাধারণ। রা*ফায় যে গনহত্যা চলছে, তা নিয়ে যারা শেয়ার করছে বা লেখালিখি করছেন তারা প্রায়শই হয়ত শুনে যাচ্ছে, "তুমি একলা কি করবা? তারা কি তোমার কথায় যুদ্ধ বন্ধ করবে?"

উত্তরটা হচ্ছে একা একা না। আপনার আমার শেয়ার করা এই লেখা বা ভিডিও আর দশটা মানুষের কাছে যাবে, তারাও দেখবে আর জানবে পৃথিবীর অন্যপ্রান্তে আপনার আমার মতোই মানুষগুলো কি ভয়ংকর বিভীষিকাময় দিন কাটাচ্ছে...

কেউ শুনুক, আর নাই বা শুনুক।



[সংগ্রহীত এবং কিঞ্চিৎ সক্ষেপিত লিখা।

30/05/2024

👉🏻একটি হাদীসে বর্ণিত আছে যে, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায যথারীতি আদায় করবে, আল্লাহ তাকে পাঁচটি মর্যাদা দান করবেন।
১) তার দারিদ্র দূর করবেন,
২) তাকে কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেবেন,
৩) তার আমলনামা ডান হাতে দেবেন,
৪) বিদ্যুতবেগে তাকে পুলসিরাত পার করাবেন,
৫)তাকে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

আর যে ব্যক্তি নামাযের ব্যাপারে শৈথিল্য দেখাবে, আল্লাহ তাকে ১৪টি শাস্তি দেবেন। এর মধ্যে পাঁচটি দুনিয়ার জীবনে, ৩টি মৃত্যুর সময়ে, তিনটি কবরে, এবং তিনটি কবর থেকে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সময়ে।
★দুনিয়ার পাঁচটি হলো,১) তার জীবন থেকে বরকত উঠে যাবে, ২)তার মুখমন্ডল থেকে সৎ লোকসুলভ ঔজ্জল্য দূর হয়ে যাবে। ৩)তার কোন নেক আমলের প্রতিদান দেয়া হবেনা।' ৪)তার কোন দোয়া কবুল হবেনা এবং ৫)নেককার লোকদের দোয়া থেকে সে বঞ্চিত হবে।
★আর মৃত্যুর সময়ের তিনটি শাস্তি হলো, ১)সে অপমানিত হয়ে মারা যাবে,২)ক্ষুধার্ত অবস্থায় মারা যাবে, ৩)এত পিপাসিত অবস্থায় মারা যাবে যে, সারা দুনিয়ার সমুদ্রের পানি পান করলেও তার পিপাসা মিটবেনা।
★কবরে থাকাকালে যে তিনটি শাস্তি সে ভোগ করবে, তাহলো-১) তার কবর সংকুচিত হয়ে তাকে এত জোরে পিষ্ট করবে যে, এক পাশের পাঁজরের হাড় ভেংগে অপর পার্শ্বে চলে যাবে,২) তার কবর
এমনভাবে আগুন দিয়ে ভরে দেয়া হবে যে, রাত দিন তা জ্বলতে থাকবে, এবং ৩)তাকে কিয়ামত পর্যন্ত একটি বিষধর সাপ দংশন করতে থাকবে।
★আর কবর থেকে বেরুবার সময় যে তিনটি শাস্তি সে ভোগ করবে তা হলো, ১) তার হিসাব কঠিন হবে, ২)আল্লাহকে সে ক্রুদ্ধ দেখতে পাবে এবং ৩)সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

👉🏻 অন্য রেওয়ায়েতে আছে যে, কিয়ামতের দিন তার কপালে তিনটে কথা অংকিত থাকবে। একটি কথা হবে: "হে আল্লাহর হক বিনষ্টকারী", দ্বিতীয় কথাটি হবে: “হে আল্লাহর গযবের উপযুক্ত ব্যক্তি"। তৃতীয় কথাটি হবে: "তুমি পৃথিবীতে যেমন আল্লাহর অধিকার দাওনি, আজ তেমনি আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে।”
( #কবীরা গুনাহ বই থেকে।)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।সেই দিনের আগে সচেতন হই, যেদিন ভীষণভাবে আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী হব আমরা।

#মাসুমা_তাসনিম
২৪/০৫/২০২৪

11/01/2024

এই যে বিয়ে, জন্মদিন, খাৎনা, পিকনিক হেনতেনো অনুষ্ঠানে একটা মাতাল ভাব আনার জন্য বিকট শব্দে আপনারা হিন্দি গানগুলো বাজান! আশেপাশের মানুষের ভোগান্তি হয়, শিশুর ঘুম ভেঙে যায়, হার্টের রুগীদের, ছাত্র-ছাত্রী, পড়ুয়াদের অনেক কষ্ট হয়। এটার হিসাব কি উপরওয়ালার কাছে যেয়ে আপনাদের চুকাতে হবে না? আপনারা কি আমাদেরই মুসলিম ভাই-বোন?

09/12/2023

থার্টিফার্স্ট নাইটের নামে জানুস দেবতার পূজা করা থেকে বিরত থাকুন ‼️

দেবতা জানুস (Janus) এর নাম শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন, তাহলে ইতিহাস সম্পর্কে জানুন!!!

দুই মাথা ওয়ালা জানুস ছিল রোমানদের নিকট ভাগ্য দেবতা। রোমানরা মনে করতো জানুস দেবতাই তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই কারনে রোমানরা জানুসকে পূজা করতো। জানুয়ারি মাসের নামকরণও করা হয় জানুস দেবতার নামানুসারে। যেহেতু রোমানরা জানুসকে ভাগ্য দেবতা মানতো তাই ওরা ৩১শে ডিসেম্বর রাতে জানুসের পিছনের মাথার সামনে গিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং পূজা করতো। রোমানরা ওই রাত পেয়েছে তা সবই জানুসের পিছনের মাথার বদৌলতে। (নাউঝুবিল্লাহ!!!)

আমোদ-ফুর্তিতেও মেতে উঠতো, কারণ ওদের বিশ্বাস ছিল গত বছর যত ভালো উপলক্ষ্য যখনই রাত ১২টা বাজতো, রোমানরা জানুসের সামনের মাথার দিকে চলে যেত। কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল আগামী বছর যদি ভালো কিছু পেতে হয়, তাহলে জানুসের সামনের মাথাকে খুশি করতে হবে। এই জন্যই রোমানরা আবার প্রার্থনা করতো। ৩১শে ডিসেম্বর সেই উৎসব-উদযাপন, পূজা- প্রার্থনা সবই ছিল জানুস দেবতা কেন্দ্রিক। সময়ের বিবর্তনে আজ যা হয়ে উঠেছে বিশ্বব্যাপী‘’থার্টি ফাস্ট নাইট।

27/11/2023

এই ড্রিংকস গুলো বর্জন করুন।
যাদের ড্রিংকস ছাড়া চলেই না তারা দেশি মোজো, ক্লেমন, লেমন ইত্যাদি নিতে পারেন। খেয়াল রাখুন আপনার টাকা হাতিয়ে কেউ আপনার মুসলিম ভাই-বোনদের হত্যা করার জন্য অস্ত্র না বানাতে পারে।

31/10/2023

⚪ আপনি বেপর্দায় চলেন না কিন্তু আরেকজন শাড়ি পরে বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে যাবে, তাকে যে আপনি শাড়ি, কসমেটিক্স, হিজাব দিয়ে পরম যত্নে সাজিয়ে দিচ্ছেন এতেও আপনার আমলনামায় অটোমেটিকলি গুনাহ উঠে যাবে।
⚪ গান শুনার জন্য যে আরেকজন কে ইয়ারফোন দিলেন এতেও আপনার
গুনাহ হয়।
⚪ একজন বেপর্দায় বের হচ্ছে আপনি তার প্রশংসা করলেন,এতে আপনি তাকে খারাপ কাজে উৎসাহ দিলেন।
⚪ এই যে আপনার প্রোফাইল এ আপনার ছবি দেওয়া নেই কিন্তু অন্য মেয়ের ছবি দেয়া এতেও আপনার গুনাহ হচ্ছে। আর যারা নিজের বেপর্দায় ছবি দেন সেটা নিয়া কিছু বলার রুচি নাই।
⚪ এই যে আপনি গান শুনেন না,কিন্তু আপনার রিংটোন, এলার্ম টোন এ মিউজিক দেয়া এদিকে আমরা বড্ড বেখেয়াল।
⚪ আপনি তো ছবি দেন না খুবই ভালো। কিন্তু মাঝে মধ্যে হাত,পা, চোখ বা মুখে ইমুজী মেরে ছবি দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চান আমি জানি না।আপনার নিয়ত টা কি?
⚪ কেউ বেপর্দা ছবি দিল, রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিল,হারাম রিলেশন করলো তাকে আপনি কোন রুচিতে কংগ্রাটস করতেছেন, মা শা আল্লাহ্ বলে কিসের সাপোর্ট করছেন আমি জানি না।

আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বুঝার তাওফীক দান করুক।
আমিন🤍🥀
সংগ্রহিত

29/10/2023

আশ-শিফা হাসপাতাল, গাজা।

নবজাতকের নরম নরম হাত কেঁপে কেঁপে উঠছে। সময়ের আগে জন্ম নেওয়ায় ইনকিউবেটরের কৃত্রিম উত্তাপে বেঁচে আছে ওরা। সারা শরীরে নল লাগানো।

সামনে দুশ্চিন্তিত চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ক্লান্ত ডাক্তার। গাজায় জ্বালানি শেষ হয়ে আসছে, যেকোনো সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। শতাধিক অপরিণত শিশু পৃথিবীতে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেবার আগেই মারা যাবে।

একই হাসপাতালের অন্য বিছানায় আতঙ্কিত চেহারায় মৃত্যুর প্রহর গুণছেন ডায়ালাইসিসের রোগীরা। এক বৃদ্ধা বললেন, বাসা অনেক দূরে। একদিন পর পর ডায়ালাইসিস করতে আসা সম্ভব না। যাতায়াতের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই এখানেই থেকে গেছেন, বাসায় ফেরেননি আর।

অন্য একজন বৃদ্ধ কাঁদকাঁদ স্বরে বলতে লাগলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে আর ডায়ালাইসিস করা সম্ভব হবে না। পুরো শরীর টক্সিনে ভরে যাবে। আর এভাবেই মারা যেতে হবে তিলে তিলে।

হাসপাতালে হাঁটার জায়গা নেই। রোগীর ধারণক্ষমতা পার হয়ে গেছে বহু আগে। চারদিকে মানুষের কান্না আর যন্ত্রণাভরা গোঙানির শব্দ।

অপারেশন থিয়েটার কখনো খালি হচ্ছে না, অস্ত্রোপচার চলছে একের পর এক।

অস্ত্রোপচার চলছে করিডোরে, মাটিতে—যতখানে সম্ভব!

বিদ্যুতের অভাবে ওটির লাইটের জায়গা নিয়েছে মোবাইলের টর্চের আলো। এনেস্থেসিয়া শেষ হয়ে আসছে। অতএব চেতনানাশক ছাড়াই চলছে অনেকের কাঁটাছেড়া। ওষুধের সাপ্লাইও শেষের পথে।

অ্যাম্বুলেন্স নিয়েও সহজে রোগী আনা যাচ্ছে না। অ্যাম্বুলেন্স এর পেছনে মিসাইল হামলা করা হচ্ছে। এই হামলায় মারা গেছে একাধিক প্যারামেডিক কর্মী। ধ্বংস হয়েছে অনেক অ্যাম্বুলেন্স।

হাসপাতালের মর্গ উপচে পড়ছে। তিল ঠাঁই নেই কোথাও। আইসক্রিমের গাড়ি নিয়ে আসা হয়েছে লাশ রাখার জন্য। সেখানেও গাদাগাদি করে রাখা হচ্ছে কাফনে প্যাঁচানো মানুষের শরীর।

মৃত মানুষ তো দূরের কথা, জীবিতদেরই জায়গা নেই…।

ঘরবাড়িহারা গাজাবাসীর অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন হাসপাতালের আঙিনায়। ৬০ হাজারের বেশি মানুষ আছেন এখন সেখানে।

আশ্রয় নেওয়াদের মাঝে আছে শিশু, বৃদ্ধ, নারী…। ছোট্ট শিশুর ক্ষুধার কান্নায়, আপনজন হারানোর বিলাপে বাতাস ভারী হয়ে আছে। বিদ্যুৎ, পানি, খাবার, ওষুধ—সবকিছু শুধু নেই আর নেই।

ㅇ গতকাল আশ-শিফা হাসপাতালের ওপর একটা প্রতিবেদন দেখছিলাম আল জাজিরায়। সেখানকার কিছু ছোট ছোট অংশ তুলে ধরলাম। গাজায় এটিই বৃহত্তম হাসপাতাল, যার মাধ্যমে ধুকে ধুঁকে চিকিৎসাসেবা চলছে, কিছুটা হলেও।

● কিছুক্ষণ আগের সংবাদ : ইসরায়েল থেকে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই হাসপাতাল খালি করতে। কারণ তারা এখানে শীঘ্রই বোমাহামলা করবে। তাদের ধারণা, এই ভবনের নিচ দিয়েই হ|মাসের সুড়ঙ্গ গিয়েছে।

অতএব ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে সব…।

এখানে যারা আছে, তাদের যাবার কোনো জায়গা নেই। অনেকে আছেন, সরানোর সাথে সাথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বেন।

● আরো সাম্প্রতিক সংবাদ :

ভয়ানকভাবে বোমাহামলা চলছে এখন গাজার ওপর। তাদের বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগের সমস্ত রাস্তাঘাট, ইন্টারনেট ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। অন্ধকারে ডুবে থাকা নগরী এখন মুহুর্মুহু কেঁপে উঠছে বোমার আঘাতে। আগুনের কুণ্ডলীই যেন একমাত্র আলো এখন।
__________________
|| মৃত্যুপুরী ||

#রৌদ্রময়ী

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka
1311