Keya's creativity
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Keya's creativity, Kitchen/Cooking, House43 Road 4 rupnogor Dhaka 1216, Dhaka.
14/05/2025
আপডেট জানতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখুন
(কয়েকদিন পরই ঘটনার বাকি আপডেট টুকু জানাব)
রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।
ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।
মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।
যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।
কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।
কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।
মেয়টা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।
কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।
কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।
মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।
তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।
তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মারা যায় মেয়েটা।
পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।
পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়। লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।
তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।
তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁসি দিতে বলে।
বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।
একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মেরেছে।
বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।
তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মেরেছে।
তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মেরেছে।
প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।
তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।
এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।
এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।
এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।
তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।
জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।
গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।
মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এসএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।
আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।
অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্নাতির
আপডেট জানতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখুন
(কয়েকদিন পরই ঘটনার বাকি আপডেট টুকু জানাব)
14/05/2025
13/05/2025
ইদানীং পলাশের মেজ ভাবী বিস্ফোরক পোস্ট দিলেন ফেসবুকে পলাশের মা ও বৌয়ের বিরুদ্ধে।কিন্তু ওনার সারা প্রোফাইল জুড়ে স্বামী নিয়ে যে রোমান্স ও নিজের সৌখিন মুহূর্ত আপলোড করেছেন সারা নিউজফিডে।এর ১% আনন্দও পলাশের বউ করতে পারেনি।স্বামী নিয়ে দিব্যি নিজে আলাদা সংসার করেছেন।পলাশের বউ একটু গরীব ঘরের,দেখতে সুন্দরী সবার থেকে,পলাশের সফলতা,বউয়ের প্রতি ভালোবাসা দেখে পলাশের পরিবারের সবাই যে হিংসায় জ্বলতো তার পোস্টই বলে দিচ্ছে।সবকয়টা ওঠে পড়ে লেগেছিল পলাশের সংসার ভাঙ্গার জন্য।এদের সম্মিলিত ষ*ড়যন্ত্রেই আজকের এই পরিণতি।আ*গুন নিভাতে কারো ভূমিকা নেই শুধু পেরেছে দূর থেকে আগুন জ্বালাতে।দূর থেকে শ্বাশুড়িকে সাথে না রেখে একটা পিচ্চি মেয়ের ওপর লেলিয়ে দিয়ে এখন দোষরূপ করে কেমন বিবেক!যে মেয়েটা অল্পবয়সে স্বামী হারিয়েছে, অনাগত সন্তানের মা হবে মৃত স্বামীর,তার থেকে কি তোমাদের বেশি কষ্ট এখন ভাব করতেছ! নিজেরাও জানে শ্বাশুড়ির স্বভাব সে ভালোনা তাও পলাশের নতুন সংসারে মায়ের উপস্থিতি কতটা বিরূপ প্রভাব পড়বে তা তোমরা বুঝেও দূর থেকে মজা নিয়েছো।পলাশের মা খারাপ বউ খারাপ।পলাশ নিজেও খারাপ মানলাম। তো বউদি আপনারা কতটা ভালো ছিলেন। এত অশান্তি হচ্ছে দেখে ও তো শাশুড়ী রে দুই টা দিন নিজের কাছে নিয়ে রাখেন নাই। দূর থেকে অন্যের সংসারের অশান্তি উপভোগ করেছেন। এখন আসছেন সাধু সাজতে সব দায় যেনো পলাশ সাহার ই ছিলো, বাকি বউ ছেলেরা কোথায় ছিলো? আপনি তো কম খারাপ মহিলা না। নিজে তো এমন টক্সিক শ্বাশুড়ির সাথে তিন মাস ও সংসার করেন নাই। এ যন্ত্রনা আপনার স্বামীও সহ্য করে নাই। করছে পলাশ সাহা আর তার বউ। এখন তার বউকে বলতে আসছেন। নিজে কি দায়িত্ব পালন করলেন? এবার শ্বাশুড়িকে পালেন।
10/05/2025
নিজের ছেলে মা"রা গেছে, ওদিকে পলাশ সাহার মা আর বোন ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই লা"ল পাড়ের শাড়ী পরে, সুন্দর সিথি করে ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছে। পলাশের মা বোনকে আপাতত দেখেই ভ"য় লাগছে।
হায়রে পুরুষ আজীবন কাদের জন্য ত্যাগ করে গেলে!
একদিন পলাশ সাহার বউয়ের ডাল রান্না মজা হয়, সেটার সুনাম পলাশ করে। মা সাথে সাথে ডালের পাতিল ফেলে দেয় জানলা দিয়ে। অই ডাল আর খেতে দেয়নি।
পলাশ বলতো, তোমার কোনো দো"ষ নাই বউ, কিন্তু তুমি মায়ের কাছে সুস্থভাবে টিকতে পারবানা। তুমি বাপের বাড়ি চলে যাও, আমি মাসে মাসে খরচ দেব।
পলাশের বউরা অপেক্ষাকৃত গরীব ছিলো, সেটা নিয়ে মায়ের অভিযোগের শেষ নেই। বারবার ডি"ভোর্স দিতে বলতো।
সোস্যাল মিডিয়ায় যা বুঝলাম, দুনিয়া মায়ের ইস্যুতে চোখ অফ করে সিমপ্যাথি দেখায়, বউ যেন কেউ-ই না একজন স্বামীর জীবনে।
ভয়ংকর দজ্জাল মহিলা।।
বউ যে এতদিন মানসিক অত্যাচারে সুইসাইড করেনাই সেটাই ভাগ্য! আর এসব মা পাগল ছেলে রা বিয়ে করে কেনো? কেন? কেন? কেন?
বিয়ে না করলে তো নিজেও বাচতো আর এই মেয়ের জীবন টাও বাচতো!
07/05/2025
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আজ১২.২০ মিনিটে Borsha Chowdhury এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে, হার্ট এট্যাক করে চলে গেছেন‼️🤲🏻🙏🏻🙏🏻💔
20/04/2025
অবশেষে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে বেরিয়ে এলো সেই দুই মেয়ে! তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত করা তার নাম: ফাতেমা তাহসিন ঐশী।
সে মুলত পিয়াস এর প্রেমিকা বলে জানা যায়।
ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স এর ৩য় সেমিস্টারের বিবিএ ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থী হিসেবে জানা যায়।
সবাই বেশী বেশী করে শেয়ার করে দেশবাসীকে এই ন*রপ-শু কে দেখার সুযোগ করে দিন!
Cp
20/04/2025
আমাদের হাতে আসা বেশ কিছু ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পারভেজ হ*ত্যা*কান্ডের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা আছে সন্দেহে উক্ত দুইজন মেয়েকে প্রাথমিক ভাবেআইডেন্টিফাই করছে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি প্রচার করা হচ্ছে সেটা সঠিক নয়, এটা প্রচার থেকে বিরত থাকুন ।তদন্তের পূর্বে আমরা নিশ্চিত নই, সঠিক বিচারের স্বার্থে উক্ত দুইজন মেয়েকে তদন্তের আওতায় আনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং তাদের পরিচয় কেউ নিশ্চিত হলে আমাদের ইমেইল অথবা ইনবক্সে প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
House43 Road 4 Rupnogor Dhaka 1216
Dhaka