EMON

EMON

Share

I am a Sales, Distribution & Marketing Expert. Let's do things right......

14/01/2026

WORKAHOLIC, JANUARY 2026

ওয়ার্কাহলিক মানুষদের অনেক সময় আত্মকেন্দ্রিক মনে হয়। এর কারণ এই নয় যে তারা অন্যদের গুরুত্ব দেয় না, বরং তাদের পুরো পরিচয়টাই ধীরে ধীরে কাজের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। তাদের চিন্তা, কথাবার্তা ও অগ্রাধিকার ঘুরপাক খায় ডেডলাইন, টার্গেট, স্বীকৃতি আর পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে। এর ফলস্বরূপ সম্পর্ক, আবেগ এমনকি নিজের সুস্থতাও পিছনের সারিতে চলে যায়।
কাজের প্রতি এই অতিরিক্ত মনোযোগ তাদেরকে অনেক সময় অনুপস্থিত, অধৈর্য বা অন্যের প্রয়োজনের প্রতি উদাসীন বলে মনে করায়। সময়ের সাথে সাথে তারা অজান্তেই কথোপকথনে আধিপত্য বিস্তার করে, সাফল্যের মাধ্যমে স্বীকৃতি খোঁজে এবং নিজের মূল্যায়ন করে শুধুমাত্র উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে। বাইরে থেকে যাকে আত্মকেন্দ্রিকতা মনে হয়, বাস্তবে সেটি অনেক সময় ব্যর্থতার গভীর ভয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব কিংবা “বিশ্রাম মানেই অলসতা”—এই ভুল বিশ্বাসের ফল।
বিরূপভাবে, এই মানসিকতাই শেষ পর্যন্ত বার্নআউট, সম্পর্কের টানাপোড়েন, শারীরিক অসুস্থতা এবং সৃজনশীলতার অবনতি ঘটায়—যা দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের ঠিক বিপরীত।
________________________________________
সমস্যার সমাধান কীভাবে সম্ভব
১. সাফল্যের মধ্যে শুধু ক্যারিয়ার বা অর্থ নয়—স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও মানসিক শান্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
২. নির্দিষ্ট কাজের সময়, বাড়িতে ‘নো-ওয়ার্ক জোন’ এবং নিয়মিত বিরতি জীবনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
৩. অন্যদের সাথে সময় কাটানোর সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন—ফোনকল, ইমেইল বা মানসিক মাল্টিটাস্কিং নয়।
৪. শখ, পারিবারিক ভূমিকা, আধ্যাত্মিকতা, শরীরচর্চা বা সামাজিক কার্যক্রম আপনাকে একটি পরিপূর্ণ পরিচয় দেয়।
৫. বিশ্রাম কোনো পুরস্কার নয়; এটি একটি প্রয়োজন। টেকসই পারফরম্যান্সের জন্য বিশ্রাম অপরিহার্য।

10/07/2025

10TH JULY, 2025
খাস বাংলায় কিছু কথা বলে রাখি, কেউ যদি উপকৃত হন, তাহলে খুশি হব –
যুগ পরিবর্তন হয়েছে আরও আগে, নিজেকে পরিবর্তন করার সময় কিন্তু শেষের দিকে। এই বাক্য বোঝানোর জন্য আরও ১০টি পয়েন্ট লিখতে হবে। এক লাইন থেকে টোটাল ব্যাপারটা বোঝা কিছুটা কঠিন।

উদাহরণ -
1. আপনি যখন কোন কোল্ড কল করতে চান, সেক্ষেত্রে ১০ -১৫ বছর আগে ডিরেক্ট কল দেয়া যেত। এখন আর সেই যুগ নেই। আগে টেক্সট করবেন, রেফারেন্স দিবেন, কথা বলার জন্য ফ্রি আছে কিনা জানবেন বা সিডিউল চাইবেন। এটা যেকোনো ক্ষেত্রেই মেইনটেইন করতে পারতে হবে।
2. নিজের ফ্রেন্ড বা জুনিওর ফ্রেন্ডকে যখন খুসি ফোন করা যেত, এখন সেটাও অনেকটা টেক্সটটিং বা সিডিউলিং এর মাধ্যমে হয়।
3. এযুগে ডিরেক্ট কল আসলে মনে হয় কেউ বুঝি মারা গেছে। বুকটা ধড়ফড় করে উঠে।
4. যদি আপনাকে খিচুড়ি রান্না করতে বলা হয়, তাহলে আপনি ভাতের চাল এর সাথে ডাল মিশিয়ে রান্না করে ফেলতে পারেন। আবার, দোকানে গিয়ে পোলাও চাল নিয়ে এসে ভুনা খিচুড়ি, সাথে ঝাল মাংস রান্না করতে পারেন। আবার, আরেকটু স্পেসাল এক্সপেরিয়েন্স দেয়ার জন্য, বেগুন ভাজা এন্ড ডিম ভাজা অ্যাড করতে পারেন। এটা আপনার উপর ডিপেন্ড করছে আপনি নিজের সম্পর্কে কোন এক্সপেরিয়েন্সটা দিতে চান। আপনি নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করতে চান। ১। নোভিস, ২। অ্যাডভান্সড বিগিনার, ৩। কম্পিটেন্ট, ৪। প্রফিসিয়েন্ট নাকি ৫। এক্সপার্ট হিসেবে।
5. আমরা কোন কিছু শেখা শুরু করলে নিজেকে এক্সপার্ট ভাবা শুরু করি। নিজেকে এক্সপার্ট ভাবতে প্রব্লেম নেই। কার কি এসে যায়? আমার ভাবা আমি ভাববো। প্রব্লেম হলো কাজ ডেলিভারি নিয়ে। আপনার কথায় বা কাজে যদি বোঝা যায় আপনি এখনও নোভিস, তাহলে কিন্তু ব্যাপারটা অনেক বিপদজনক।
6. নোভিস থেকে এক্সপার্ট এর জার্নি কিন্তু কম সময়ে পার করা যায়। আবার ২০ ইয়ারস অফ এক্সপেরিয়েন্স এর পরও কম্পিটেন্ট ক্যান্ডিডেট হিসেবে নিজেকে তৈরি করা হয় না। সেজন্য প্রয়োজন প্রপার মেন্টরশিপ।
7. আপনাকে একজন মেন্টর ঠিক করতে হবে, যার কাছ থেকে আপনি অনেক কিছু শিখবেন। পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষের কাছ থেকে কিছু না কিছু সেখা যায়। সবাইকে মেন্টর মনে কোরে, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখে ফেলাটাও একটা অনেক বড় কোয়ালিটি।
8. শেখার মানসিকতা এবং প্রঅ্যাক্টিভনেস এই দুইটি স্কিল খুবই জরুরী নোভিস থেকে এক্সপার্ট এর জার্নি কমপ্লিট করার জন্য। খুব সিম্পল এবং সহজ।
9. অনেকে আবার - বলেন বেশি, শুনতে চান কম। ৮০-৯০% শোনার অভ্যাস গোড়ে তুলুন, তাহলে অনেক বেশি শিখতে পারবেন। তাই বলে কথা বলবেন না সেটা না। কথা বলার সময়ে কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় কথা বলবেন, মিনিংফুল কথা বলবেন। অপ্রয়োজনীয় কথা বলে নিজের নোভিসনেস প্রকাশ করবেন না। অনেক ক্ষেত্রে ৮০-৯০% কথা আপনাকেই বলতে হবে সময় এবং ক্ষেত্র বিশেষে।
10. নিজেকে জাহির করতে চাওয়ার টেন্ডেনসি খুব বিরক্তিকর এবং ক্ষতিকর একটি সভাব। এটা এক্সপ্লেইন করতে গেলে আরও ১০টি পয়েন্ট লিখতে হবে। নিজ গুনে বুঝে নিন। দিন শেষে নিজেকে কিন্তু জাহির করতেই হবে সামহাউ এবং সেই স্কিলটাও রপ্ত করতে হবে।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Kolabagan
Dhaka
1205