Useful Message

Useful Message

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Useful Message, Blogger, Dhaka.

স্বাগতম "Useful Messages – এখানে আপনি পাবেন প্রতিদিনের জীবনে কাজে লাগবে এমন দরকারি ও অনুপ্রেরণামূলক বার্তা। ছোট্ট কিছু শব্দ হয়তো আপনার দিনের দিকটাই পাল্টে দিতে পারে।"

04/01/2026

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে "বিনিয়োগ" শব্দটা শুনলেই মানুষের পিলে চমকে ওঠে। ইভ্যালি, এমএলএম, আর হায় হায় কোম্পানির চক্করে পড়ে মানুষের বিশ্বাস এখন তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে আপনি যদি সততার সাথে কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিজনেস করতে চান, তবে আপনাকে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে।

বিনিয়োগ মানে শুধু টাকা নেয়া না, এটা একটা বিশাল দায়িত্ব বা আমানত। একজন ইনভেস্টরের টাকা নিজের আইডিয়া আর হাড়ভাঙ্গা খাটুনি দিয়ে কীভাবে প্রফিটেবল বিজনেসে রূপ দিবেন—তার একেবারে সোজাসাপ্টা, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবসম্মত গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো। কোনো ফালতু মোটিভেশন না, একদম মাঠের কথা।

১. আগে নিজের ঘর গোছান (প্রিপারেশন ফেজ)

ইনভেস্টর খোঁজার আগে নিজেকে প্রশ্ন করেন—আপনার কাছে কী আছে? শুধু একটা "আইডিয়া"? বাংলাদেশে আইডিয়ার কোনো দাম নেই। ইনভেস্টর দেখতে চায় "এক্সিকিউশন" বা বাস্তবায়ন।
পাইলট প্রজেক্ট রান করেন: আপনার আইডিয়াটা যে কাজ করে, সেটা ছোট পরিসরে প্রমাণ করেন। ধরুন আপনি টি-শার্টের বিজনেস করবেন। আগে নিজের জমানো টাকায় ৫০টা টি-শার্ট বানিয়ে বিক্রি করে দেখান যে আপনার প্রোডাক্টের চাহিদা আছে।
হিসাব ক্লিয়ার রাখুন: ইনভেস্টরকে দেখানোর জন্য গত ৬ মাসের বা ১ বছরের খাতা-কলমের হিসাব রেডি রাখুন। কত টাকা লাভ হয়েছে, কাস্টমার কারা—এগুলো ডাটা ছাড়া মুখের কথায় কেউ টাকা দিবে না।

২. ইনভেস্টর বাছাই: কার কাছে চাইবেন?

সবাই ইনভেস্টর হয় না। যার অলস টাকা পড়ে আছে এবং যিনি আপনার ব্যবসার ধরণ বোঝেন—তাকে টার্গেট করুন।
ব্যাংক লোন নাকি পার্টনার: নতুন অবস্থায় ব্যাংক লোন পাওয়া কঠিন। তাই "স্লিপিং পার্টনার" খুঁজুন। আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিত বড় ভাইদের মধ্যে যারা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করেন, তাদের কাছেই আগে যেতে হবে। অপরিচিত কেউ শুরুতে টাকা দেবে না।
লোভ দেখাবেন না: ইনভেস্টরকে কখনোই বলবেন না— "ভাই ১ লাখ টাকা দেন, মাসে ২০ হাজার লাভ পাবেন।" এটা স্ক্যামারদের ডায়লগ। আপনি বলবেন, "ভাই, লাভে-লসে পার্টনারশিপ। লাভ হলে এত পার্সেন্ট পাবেন, লস হলে রিস্ক আপনারও আছে।" যখন আপনি লসের কথা বলবেন, তখন ইনভেস্টর বুঝবে আপনি রিয়েল মানুষ, হাওয়ার ওপর কথা বলছেন না।

৩. বিশ্বাস অর্জনের কৌশল (দ্য পিচ)

ইনভেস্টরের সামনে বসে চর্বিতচর্বণ প্রেজেন্টেশন দেবেন না। সোজা বাংলায় কথা বলুন।
আপনার কন্ট্রিবিউশন কী: ইনভেস্টর টাকা দিচ্ছে, আপনি কী দিচ্ছেন? আপনার মেধা, সময়, শ্রম এবং নেটওয়ার্ক—এগুলোর একটা ভ্যালু বা মূল্য নির্ধারণ করুন। বুঝিয়ে বলুন যে, "আপনার টাকা আর আমার শ্রম—দুইটা মিলে এই ভ্যালু তৈরি হবে।"
টাকাটা কোথায় যাবে: ইনভেস্টরকে ব্রেক-ডাউন দিন। ১ লাখ টাকার মধ্যে ৪০ হাজার পণ্য কিনতে, ২০ হাজার মার্কেটিংয়ে, ১০ হাজার লজিস্টিকসে—এভাবে পাই-টু-পাই হিসাব দিন। ভাসা ভাসা কথা বলবেন না।

৪. লিগ্যাল বা আইনি সুরক্ষা (সবচেয়ে জরুরি)

বাংলাদেশে মুখের কথার কোনো দাম নেই। সম্পর্ক যতই ভালো হোক, টাকার লেনদেনে কাগজ কলম থাকতেই হবে। এটাই আপনাকে "স্ক্যামার" ট্যাগ থেকে বাঁচাবে।
স্ট্যাম্প এবং এগ্রিমেন্ট: ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করুন। সেখানে স্পষ্ট লেখা থাকবে:
কে কত টাকা দিচ্ছে।
প্রফিট শেয়ারিং রেশিও (যেমন: ৬০% আপনি, ৪০% ইনভেস্টর)।
ব্যবসা লস হলে দায়ভার কার কতটুকু।
টাকা ফেরত বা এক্সিট প্ল্যান কী।
ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: ইনভেস্টরের টাকা কখনোই আপনার পার্সোনাল বিকাশ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিবেন না। ব্যবসার নামে ট্রেড লাইসেন্স করুন এবং সেই নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন। ইনভেস্টরকে বলুন সেই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিতে। এতে স্বচ্ছতা থাকে।

৫. প্রফিটেবল বিজনেসে রূপান্তর (অপারেশন)

টাকা পাওয়ার পর আসল খেলা শুরু। এই পর্যায়ে অধিকাংশ উদ্যোক্তা ভুল করে।
স্যালারি বনাম প্রফিট: ব্যবসার শুরুতেই লাভের টাকা পকেটে ভরবেন না। নিজের জন্য একটা ফিক্সড স্যালারি ধরুন (খুবই নূন্যতম, যাতে হাতখরচ চলে)। বাকি টাকা ব্যবসায় রি-ইনভেস্ট (পুনরায় বিনিয়োগ) করুন। ইনভেস্টরকে বোঝান যে, "ভাই, এখন লাভ তুলে নিলে গাছ বড় হবে না। আমরা ৬ মাস বা ১ বছর পর থেকে লভ্যাংশ ভাগ করব।"
রিপোর্টিং: ইনভেস্টর চাওয়ার আগেই তাকে আপডেট দিন। প্রতি মাসের ১ তারিখে একটা রিপোর্ট দিন—কত বিক্রি হলো, কত খরচ হলো, ব্যাংকে কত আছে। ইনভেস্টর যখন দেখবে আপনি ১ টাকার হিসাবও তাকে দিচ্ছেন, তখন সে আপনার ওপর ভরসা পাবে এবং প্রয়োজনে আরও ইনভেস্ট করবে।

৬. স্ক্যামারদের সাথে আপনার পার্থক্য কোথায় থাকবে?

স্ক্যামাররা টাকা পাওয়ার পর দামী বাইক কেনে, আইফোন কেনে, আর শো-অফ করে। আপনি করবেন উল্টোটা। ইনভেস্টমেন্ট পাওয়ার পর আপনার লাইফস্টাইল হবে আরও সাদামাটা। কারণ এই টাকাটা "ঋণ" বা "আমানত"।
যোগাযোগ বন্ধ করবেন না: ব্যবসা খারাপ গেলে ফোন বন্ধ করে রাখবেন না। ইনভেস্টরকে সরাসরি বলুন, "ভাই, এই মাসে সেল কম, কিন্তু আগামী মাসে রিকভার করার প্ল্যান এইটা।" পালিয়ে না গিয়ে ফেস করাই হলো সৎ ব্যবসায়ীর লক্ষণ।

শেষ কথা:
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া মানে হলো একটা "সম্পর্ক" তৈরি করা। এখানে টাকা ইনভেস্ট হয় না, ইনভেস্ট হয় মানুষের ওপর। আপনি যদি আপনার আইডিয়া নিয়ে প্যাশনেট থাকেন, পরিশ্রম করতে রাজি থাকেন এবং স্বচ্ছতা (Transperancy) বজায় রাখেন—তবে টাকা কোনো সমস্যা না। মনে রাখবেন, ইনভেস্টরের টাকা দিয়ে ব্যবসা করা মানে হলো—অন্যের টাকায় নিজের স্বপ্ন পূরণ করা, তাই এর মর্যাদা রক্ষা করা আপনার ইমানি দায়িত্ব।
Useful Message

12/12/2025

পৃথিবীটা কি আসলে #ইলন মাস্ক বা #জেফ বেজোসরা চালায়, নাকি এরা কেবল স্টেজে সাজানো পুতুল মাত্র, যাদের আসল সুতো বাঁধা আছে পর্দার আড়ালের কোনো এক অদৃশ্য হাতে?
আজ আমার মনিটরিং স্টেশনে বসে ENDEVR এর 'দ্য নিউ আমেরিকান অলিগার্কস' ডকুমেন্টারিটা দেখছিলাম আর আমার মস্তিষ্কের নিউরাল নেটওয়ার্কে বারবার একটা প্যাটার্ন হিট করছিল, যা সাধারণ দর্শকদের চোখ এড়িয়ে যায়। ভিডিওটা বাহ্যিকভাবে আমেরিকার টাইকুনদের উত্থান পতন এবং তাদের বিলিয়ন ডলার এম্পায়ার তৈরির গল্প বলছে বটে, কিন্তু আমার এনালিস্ট সত্তা সেখানে খুঁজে পেয়েছে, এক গভীর ডার্ক সাইকোলজির খেলা।
আমি যখন এই আর্টিকেলটা লিখছি তখন আমার উদ্দেশ্য আপনাকে শুধু তথাকথিত সাকসেস স্টোরি শোনানো নয়, বরং সেই মেকানিজমটা ডিকোড করা যা দিয়ে গুটিকয়েক মানুষ বাকি ৮০০ কোটি মানুষকে অদৃশ্য শিকলে বেঁধে রেখেছে।
আমরা প্রায়ই ভাবি মানি ইজ পাওয়ার। কিন্তু ডাটা বলছে, মানি ইজ জাস্ট এ টুল। আসল পাওয়ার হলো, কন্ট্রোল এবং ডমিনেন্স। আজ আমরা সেই লেয়ারগুলোই উন্মোচন করব যা আপনাকে বিজনেস স্কুল বা কোনো মোটিভেশনাল স্পিকার শেখাবে না।
আমরা শুরু করব রিস্ক টেকিং এবং অবসেশন দিয়ে, যা ভিডিওতে বারবার টাইকুনদের প্রধান গুণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ইলন মাস্ক বা জেফ বেজোসদের আমরা দেখি অসম্ভব ঝুঁকি নিতে। মাস্ক তার শেষ সম্বল টেসলা আর স্পেসএক্সে ঢেলে দিয়েছিলেন।বেজোস ওয়াল স্ট্রিটের নিশ্চিত ক্যারিয়ার ছেড়ে গ্যারেজে বই বিক্রি শুরু করেছিলেন।
সাধারণ চোখে এটা সাহসিকতা। কিন্তু ডার্ক সাইকোলজির ভাষায় একে বলা হয়, ক্যালকু্লেটেড প্যাথলজিক্যাল অবসেশন।
একজন সাধারণ মানুষ যখন নিরাপত্তার কথা ভাবে, একজন ডমিনেন্ট টাইকুন তখন ভাবে টোটাল মনোপলির কথা। লক্ষ্য করবেন, এরা কেউ ছোটখাটো মার্কেট শেয়ার চায়নি।
রকফেলার চেয়েছিলেন তেলের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য, গেটস চেয়েছিলেন প্রতিটি ডেস্কে উইন্ডোজ, আর জাকারবার্গ চেয়েছিলেন পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের ডাটা।
এই যে টোটাল ডমিনেন্সের আকাঙ্ক্ষা, এটা সুস্থ স্বাভাবিক মস্তিষ্কের কাজ নয়। এটা হলো পাওয়ারের প্রতি এক ধরনের আসক্তি যা তাদের সাধারণ মানুষের ইমোশন বা ভয় থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ভিডিওতে মাস্কের ছোটবেলার ট্রমা বা বুলিং এর কথা বলা হয়েছে, যা তার ইগো বা জেদ তৈরি করেছে।
ডার্ক সাইকোলজি বলে, চরম অপমান বা ট্রমা থেকে ফিরে আসা মানুষরাই সবচেয়ে ভয়ংকর ডমিনেন্ট লিডার হয়। কারণ তাদের কাছে জেতাটা সুখের বিষয় নয়, বরং অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তারা যখন বিজনেস করে তখন তারা আসলে যুদ্ধ করে। আর এই যুদ্ধে তাদের প্রধান অস্ত্র হলো: আমাদের মনোযোগ এবং ডাটা।
কিন্তু এখানে একটা বিশাল বড় প্রশ্ন থেকে যায় যা ভিডিওটি খুব সন্তর্পণে এড়িয়ে গেছে বা হয়তো সাধারণের জন্য উহ্য রেখেছে।
এই যে আমরা মাস্ক বেজোস বা গেটসকে দেখি, এরা কি আসলেই সবকিছুর মালিক? নাকি এরা সেই ফ্রন্টম্যান যাদের সামনে রেখে আসল খেলাটা খেলে ব্ল্যাক রক, ভ্যানগার্ড বা রকফেলার আর রথচাইল্ড পরিবারের লিগ্যাসি?
ভিডিওতে রকফেলারের স্ট্যান্ডার্ড অয়েলের মনোপলি ভাঙ্গার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তার লিগ্যাসি কি আসলেই শেষ হয়ে গেছে? নাকি তা রূপ বদলেছে মাত্র? আমার এনালাইসিস বলছে, আজকের টেক জায়ান্টরা আসলে মডার্ন ডে রকফেলার।
কিন্তু তাদের কন্ট্রোল মেকানিজমটা আরও জটিল।
আজকের দিনে একটা কোম্পানি পাবলিক হলে তার শেয়ারের বড় অংশই থাকে বিশাল সব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের হাতে। ইলন মাস্ক টুইটার কিনলে হইচই হয়, কিন্তু টুইটারের পেছনের ইনভেস্টর কারা বা টেসলার মেজর শেয়ারহোল্ডার কারা তা নিয়ে মিডিয়া চুপ থাকে।
এখানেই পাপেট মাস্টার থিওরি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। হতে পারে এই তথাকথিত টাইকুনরা একেকজন হাই পারফর্মিং সিইও মাত্র, যাদের কাজ হলো সিস্টেমটাকে সচল রাখা এবং পাবলিকের ঘৃণা বা ভালোবাসা শুষে নেওয়া। আসল পাওয়ার ব্রোকাররা কখনোই ফোর্বসের লিস্টে এক নম্বরে আসে না। তারা থাকে ছায়ার আড়ালে। কারণ তারা জানে, ভিজিবিলিটি ইজ লায়াবিলিটি। সত্যিকারের ক্ষমতা হলো অদৃশ্য থাকা।
ভিডিওতে কোক ব্রাদার্সের পলিটিক্যাল ইনফ্লুয়েন্সের কথা বলা হয়েছে। তারা শত শত মিলিয়ন ডলার খরচ করে তাদের পছন্দের পলিসি পাস করিয়ে নেয়। এটা কি ডেমোক্রেসি নাকি প্লুটোক্রেসি?
যখন টাকার জোরে আইন বদলানো যায় তখন বুঝতে হবে, আমরা যে ফ্রি মার্কেটের স্বপ্ন দেখি তা আসলে একটা ইলিউশন। এই ইলিউশনটা টিকিয়ে রাখা জরুরি, কারণ মানুষ যদি বোঝে যে গেমটা রিগড, তাহলে তারা খেলা বন্ধ করে দেবে। আর এখানেই আসে আমেরিকান ড্রিমের কনসেপ্ট। স্যাম ওয়ালটনের ওয়ালমার্ট বা বেজোসের অ্যামাজনের উত্থানকে দেখানো হয় অনুপ্রেরণা হিসেবে।
বলা হয় তুমিও যদি পরিশ্রম করো তুমিও হতে পারবে।
কিন্তু ডাটা বলছে, এই নড়বড়ে সিঁড়িটা বেয়ে উপরে ওঠার সুযোগ এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। ভিডিওর শেষের দিকে ওয়েলথ গ্যাপ বা অসমতা নিয়ে কথা বলা হয়েছে যা দিন দিন বাড়ছে। এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা সিস্টেমের ফিচার। সিস্টেমটা এমনভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে সম্পদ নিচ থেকে উপরে ফানেল হয়ে যায়।
রেগনমিক্স বা ট্রিকল ডাউন ইকোনমির নামে যে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে তা আসলে কর্পোরেটদের ট্যাক্স কমিয়ে তাদের আরও শক্তিশালী করার ব্লুপ্রিন্ট ছিল। এর ফলে আজ একজন টাইকুন যখন বিলিয়ন ডলার ট্যাক্স ফাঁকি দেয়, তখন সেটাকে বলা হয় স্মার্ট বিজনেস। আর সাধারণ মানুষ এক টাকা কম দিলে তাকে জেলে যেতে হয়। এটা হলো ডমিনেন্সের চূড়ান্ত রূপ যেখানে নিয়ম তৈরি হয় রুলারদের স্বার্থে।
এখন আসুন সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডাটা কন্ট্রোলের ডার্ক সাইকোলজিতে ফোকাস করি। ভিডিওতে জাকারবার্গের মেটার বা ফেসবুকের কথা এসেছে। বলা হয়েছে তারা কানেক্টিভিটির মিশনে নেমেছিল। কিন্তু আমার গভীর পর্যবেক্ষণ বলছে তাদের আসল প্রোডাক্ট কানেকশন নয়, তাদের আসল প্রোডাক্ট হলো প্রেডিকশন। আমাদের বিহেভিয়ার ম্যানিপুলেট করা।
জাকারবার্গ যখন কংগ্রেসে ক্ষমা চান, তখন সেটা একটা নাটক ছাড়া আর কিছু নয়। তারা জানে তাদের অ্যালগরিদম পোলারাইজেশন বা ঘৃণা ছড়ায়, কিন্তু তারা সেটা বন্ধ করবে না, কারণ ঘৃণা এনগেজমেন্ট বাড়ায়, আর এনগেজমেন্ট মানেই প্রফিট। এখানে আমরা দেখতে পাই ডার্ক সাইকোলজির আরেকটা দিক যা হলো, মাস ম্যানিপুলেশন।
মানুষকে যদি সারাদিন ছোট ছোট ডোপামিন হিটের মধ্যে রাখা যায় তবে তারা কখনোই বড় চিত্রটা দেখতে পাবে না।
কিম কার্দাশিয়ানের মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা এই ইকোসিস্টেমের পারফেক্ট পণ্য। তারা আমাদের শেখায় কিভাবে কনজিউমার হতে হয়, কিভাবে নিজের ভ্যালু নির্ধারণ করতে হয়, লাইক আর ফলোয়ার দিয়ে। এটা একটা বিশাল ডিস্ট্রাকশন মেশিন, যা আমাদের আসল সমস্যাগুলো থেকে চোখ সরিয়ে রাখে।
যখন আমরা কার্দাশিয়ানের নতুন ব্র্যান্ড বা মাস্কের নতুন টুইট নিয়ে ব্যস্ত থাকি, তখন পর্দার আড়ালে হয়তো কোনো পলিসি পাস হয়ে যায়, যা আমাদের প্রাইভেসি বা স্বাধীনতা হরণ করে।
এখানেই টেকনোলজি এবং AI-এর ভূমিকা চলে আসে।
অনেকেই এআই বা অটোমেশনকে ভয় পায়। ভাবে এটা আমাদের চাকরি খেয়ে ফেলবে বা আমাদের কন্ট্রোল করবে। কিন্তু আমি বলি, ভয় পাওয়ার কিছু নেই যদি আপনি ড্রাইভিং সিটে থাকেন। আজকের টাইকুনরা টেকনোলজিকে ব্যবহার করেছে লিভারেজ হিসেবে।
বিল গেটস কোড জানতেন বলে, তিনি আইবিএম এর মতো জায়ান্টকে টেক্কা দিতে পেরেছিলেন। বেজোস ইন্টারনেটের গ্রোথ রেট দেখে বুঝতে পেরেছিলেন, ফিউচার কোথায়। আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি, এআই রেভোলিউশনের সামনে।
এই টুলটা এখন আর শুধু তাদের হাতে নেই, এটা আমাদের হাতেও আছে। আমার মতে এআই হলো সেই চাবি যা দিয়ে আমরা এই ম্যাট্রিক্সের দেয়াল ভাঙতে পারি। ওরা যদি এআই ব্যবহার করে আমাদের ডাটা এনালাইজ করে, আমাদের কন্ট্রোল করতে পারে, তবে আমরা কেন এআই ব্যবহার করে তাদের স্ট্র্যাটেজি ডিকোড করব না?
আমি আমার কন্টেন্ট ক্রিয়েশন বা ডাটা এনালাইসিসে এআই ব্যবহার করি আমার প্রোডাক্টিভিটি হাজার গুণ বাড়ানোর জন্য। এটা আমাকে সেই লেভেলের ইনসাইট দেয় যা আগে শুধু বড় বড় কর্পোরেশনের কাছে ছিল। তাই এআইকে ভিলেন ভাবার কোনো কারণ নেই। আসল ভিলেন হলো অজ্ঞতা।
আপনি যদি টেকনোলজিকে নিজের দাস বানাতে না পারেন তবে টেকনোলজি আপনাকে দাস বানাবে। চয়েস আপনার।
ভিডিওতে একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট ছিল, পিটার থিলের অমর হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বা মাস্কের মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। এটাকে অনেকে পাগলামি বলতে পারে। কিন্তু আমি দেখি গড কমপ্লেক্স হিসেবে। যখন একজন মানুষের হাতে এত টাকা আর ক্ষমতা চলে আসে যে, পৃথিবীর নিয়মকানুন তাদের কাছে তুচ্ছ মনে হয়, তখন তারা নিজেদের ঈশ্বরের আসনে বসাতে চায়। তারা মৃত্যুকেও জয় করতে চায়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো তারা কি পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য মঙ্গলে যেতে চায়, নাকি পৃথিবীকে চুষে ছিবড়ে করে ফেলার পর পালানোর রাস্তা খুঁজছে? তাদের এই ভিশনগুলো কি সত্যিই মানবকল্যাণে নাকি নিজেদের ইগো স্যাটিসফাই করার জন্য?
আমার মনে হয় এদের এই ফিউচারিস্টিক প্রজেক্টগুলো এক ধরনের এস্কেপ প্ল্যান। তারা জানে বর্তমান সিস্টেমটা আনসাসটেইনেবল। রিসোর্স শেষ হয়ে আসছে, ক্লাইমেট ক্রাইসিস বাড়ছে। তাই তারা সাধারণ মানুষকে মিথ্যে আশার বেলুন দেখিয়ে নিজেদের জন্য লাইফবোট তৈরি করছে। কিন্তু আমরা যারা এনালিস্ট আমরা এই ধোঁকায় পা দেব না। আমরা ফোকাস করব বর্তমানে এই মুহূর্তে আমাদের হাতে কি কন্ট্রোল আছে তার ওপর।
তাহলে এই পাপেট মাস্টারদের দুনিয়ায় আমাদের অবস্থান কোথায়? আমরা কি শুধুই দর্শক? একদমই না। আমি বিশ্বাস করি, নলেজ ইজ দ্য গ্রেট ইকুলাইজার। ওরা চায় আমরা ভয়ে থাকি, আমরা কনজিউমার হয়ে থাকি। কিন্তু আমরা যখন তাদের গেমটা বুঝে ফেলি, তখন আমরা আর তাদের খেলার গুটি থাকি না।
আমি যখন এই ভিডিওগুলো মনিটর করি, তখন আমি দেখি তারা কোথায় ইনভেস্ট করছে, তারা কোন ন্যারেটিভটা পুশ করছে।
যেমন ভিডিওতে বলা হয়েছে, ওয়ারেন বাফেট ভ্যালু ইনভেস্টমেন্ট করেন এবং তিনি জানেন কোন সেক্টর গ্রো করবে। তার মানে মার্কেট র‍্যান্ডম নয়, মার্কেট প্রেডিক্টেবল। যদি আপনি সঠিক ডাটা দেখতে পান। আমাদের কাজ হলো সেই সিগন্যালগুলো ধরা। তারা যদি রিয়েল এস্টেট বা এআইতে মুভ করে আমাদেরও বুঝতে হবে, স্রোত কোনদিকে যাচ্ছে। অন্ধের মতো তাদের ফলো করা নয় বরং তাদের মুভমেন্ট এনালাইজ করে নিজের স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা।
আজকের এই কর্পোরেট পলিটিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ারের যুগে নিজেকে একজন ইনোসেন্ট বািকটিম ভাবাটা বোকামি। আপনাকে হতে হবে একজন রুথলেস এনালিস্ট। আপনাকে বুঝতে হবে ইমোশন দিয়ে বিজনেস হয় না। বিল গেটস যখন মাইক্রোসফট চালাতেন তখন তাকে বলা হতো ডেথ স্টার। তিনি তার প্রতিযোগীদের ধ্বংস করে দিতেন।
এটা শুনতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু এটাই ক্যাপিটালিজমের নগ্ন সত্য। কারণ আপনি যদি শার্ক ট্যাঙ্কে নেমে গোল্ডফিশের মতো আচরণ করেন তবে আপনাকে খেয়ে ফেলা হবে। তাই আমি সর্বদা বলি নিজের স্কিলসেট বাড়ান। ডার্ক সাইকোলজি শিখুন কাউকে ম্যানিপুলেট করার জন্য নয় বরং কেউ যেন আপনাকে ম্যানিপুলেট করতে না পারে সেটা বোঝার জন্য। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, নেগোসিয়েশন এবং পাওয়ার ডাইনামিক্স বোঝাটা এখন আর লাক্সারি নয় এটা সারভাইভাল স্কিল।
আমরা দেখেছি ওয়ালমার্ট কিভাবে ছোট ছোট শহরের লোকাল বিজনেস ধ্বংস করে দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটা লেসন। সেন্ট্রালাইজড পাওয়ারের বিরুদ্ধে ফাইট করা কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়।
ডিসেন্ট্রালাইজেশন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্লকচেইন টেকনোলজি হয়তো ভবিষ্যতে এই সেন্ট্রালাইজড পাওয়ারের বিরুদ্ধে আমাদের হাতিয়ার হতে পারে। যদিও ভিডিওতে এ নিয়ে বলা হয়নি, কিন্তু একজন ফিউচারিস্টিক থিঙ্কার হিসেবে আমি দেখতে পাচ্ছি, পাওয়ার শিফট হচ্ছে।
এতদিন ইনফরমেশন ছিল গেটকিপারদের হাতে, এখন ইনফরমেশন ওপেন। এই ওপেন ইনফরমেশনকে প্রসেস করার ক্ষমতা যার আছে, সেই আগামী দিনের টাইকুন। তবে সেই টাইকুন হতে হবে ভিন্ন। তাকে হতে হবে কনশাস। তাকে বুঝতে হবে পাওয়ারের সাথে রেসপন্সিবিলিটিও আসে। আমরা যদি পুরনো টাইকুনদের মতোই লোভী হয়ে উঠি, তবে আমরা শুধু শোষকের মুখ বদল করলাম, সিস্টেম বদলালাম না।
পরিশেষে একটা কথা খুব স্পষ্টভাবে বলতে চাই।
এই যে রকফেলার থেকে জাকারবার্গ পর্যন্ত আমরা যাদের গল্প শুনলাম, তারা কেউ এক্সট্রা অর্ডিনারি এলিয়েন ছিল না। তারা ছিল মানুষের সাইকোলজি এবং মার্কেটের গ্যাপ বোঝার ওস্তাদ। তারা জানত, মানুষ কি চায় বা মানুষকে দিয়ে কি চাওয়ানো সম্ভব। তারা রিস্ক নিয়েছে, তারা নিয়ম ভেঙেছে এবং নিজেদের নিয়ম তৈরি করেছে।
আপনি আমি হয়তো এখনই বিলিয়নেয়ার হবো না, কিন্তু আমরা আমাদের নিজেদের জীবনের সিইও হতে পারি। আমরা আমাদের সময় এবং এটেনশনকে কোথায় ইনভেস্ট করছি তা কন্ট্রোল করতে পারি। এই যে আপনি এতক্ষণ ধরে এই আর্টিকেলটা পড়লেন এটা প্রমাণ করে, আপনি সাধারণের ভিড়ে মিশে যেতে চান না। আপনি সত্যটা জানতে চান। আপনি পর্দার আড়ালের সুতোটা দেখতে চান।
এই মনিটরিং জার্নিতে আমি আপনাদের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করছি। আমি প্রতিটা ভিডিও, প্রতিটা মুভমেন্ট এনালাইজ করছি, যাতে আপনারা সেই ইনসাইট পান, যা আপনাদের এক ধাপ এগিয়ে রাখবে।
মনে রাখবেন দুনিয়াটা তাদেরই যারা সাহসী। যারা প্রশ্ন করতে জানে এবং যারা উত্তরের জন্য গভীরে যেতে প্রস্তুত। আমরা সারফেস লেভেলে ভাসব না, আমরা ডুব দেব গভীরে, যেখানে আসল রত্নগুলো লুকানো আছে। পাপেট মাস্টাররা শক্তিশালী হতে পারে, কিন্তু আমরা যদি তাদের খেলার নিয়ম জেনে যাই, তবে আমরাও আর পুতুল থাকব না। আমরা হব সেই গেম চেঞ্জার যাদের জন্য তারা প্রস্তুত ছিল না।
আমার এই এনালাইসিস যদি আপনার চিন্তার জানালায় নতুন কোনো দৃশ্য খুলে দিয়ে থাকে তবে চুপ করে থাকবেন না। নলেজ শেয়ার করলে বাড়ে, পাওয়ার শেয়ার করলে কমে না, বরং মাল্টিপ্লাই হয়।
আপনি কি মনে করেন? ইলন মাস্ক বা জাকারবার্গরা কি স্বাধীন নাকি তারাও কোনো বড় গেমের ছোট ঘুঁটি? আপনার মতামত আমাকে জানান। কারণ আপনাদের পার্সপেক্টিভ আমাকে আরও শার্প হতে সাহায্য করে। আমরা একসাথে এই লুপহোলগুলো ডিকোড করব এবং নিজেদের জন্য একটা শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করব। আজকের মতো আমার মনিটরিং শেষ করছি, কিন্তু চোখ খোলা থাকছে। কারণ গেম কখনো থামে না।
এই আর্টিকেলটা যদি আপনার ব্রেইনের নিউরনে ঝড় তুলে থাকে তবে এখনই নিজের পরবর্তী মুভ নিয়ে ভাবুন। আপনি কি কনজিউমার হয়েই থাকবেন নাকি ক্রিয়েটর এবং কন্ট্রোলার হবেন? আমাদের জার্নি মাত্র শুরু হলো। সাথে থাকুন, কারণ সামনে আরও গভীর এবং ডার্ক সিক্রেট আমরা আনলক করতে যাচ্ছি। লেটস ডমিনেট দ্য ফিউচার।
সবাইকে বলছি না, শুধু যারা পুরো আর্টিকেলটা পড়েছেন, তারা প্লিস অবশ্যই অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আমি দেখতে চাই, কে কে পড়েছেন। 🙂

28/11/2025

আসসালামুআলাইকুম
ওয়ারাহামতুল্লাহ
★জুমা-মোবারক★

25/11/2025

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ নি'ষি'দ্ধ...

23/11/2025

চায়নার ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে বন্ধুত্ব করে চায়না গিয়ে ফেঁসে গিয়েছে দিনাজপুরের মেয়ে।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী টানেলে কর্মরত এক চাইনিজ ইঞ্জিনিয়ার উ জিংটু এর সাথে দিনাজপুরের মেয়ে স্বর্ণার ফেসবুকে বন্ধুত্ব হয়। ঢাকাতে তিন বার দেখাও করে তারা। এডমিশনের কোচিং চলাকালে চায়না ইঞ্জিনিয়ার উ জিংগাটু সাথে ভালো বন্ধুত্ব হলে চায়না সম্পর্কে অনেক পজিটিভ কথা বলে। ওখানে চাকুরির কথা বলে তাকে প্রথমে জাওয়ার জন্য বলে। স্বর্ণা প্রথমে রাজী হয় না, পরবর্তীতে তার পরিবারের সাথে কথা বলে ভালো বেতনের জব, প্লাস তার ৩ মাস পরে তার ছোট ভাইকে নিয়ে যাওয়ার কথা দেয়। চায়না ছেলের কথামত স্বর্না রাজি হয় ওই ছেলের সহযোগিতায় চায়না চলে যাই। সেখানে একটা ওয়ার্কশপে কাজ দেয়, ৪ মাস পরে তাকে ট্রান্সফার এর মানে চায়নার অন্য এক প্রদেশে পাঠায়। আর সেখানেই পরে বিপত্তিতে ওখানে কিছু চাইনিজ লোকের থেকে মোটা অঙ্কর টাকা খেয়ে ছেলেটা ফেলে চলে আসে। চায়না ভাষা জানার কারনে মেয়েটা চাইনিজ ওই লোকগুলোকে সব বুঝিয়ে বলে, এবং তারা রাজি হয় উ জিংটু যে টাকা তাদের থেকে নিয়েছে সেটক ফেরত দিলে তাকে ছেড়ে দিবে 😭😭🙏🙏🙏🙏
দয়া করে চা'য়'না ছেলেদের কথায় কেউ গলে যাইয়েন না এরা বাঙালির চেয়েও ভন্ড ও প্রতারক এরা ইন্টারন্যাশনাল প্র'তা'র'ক
সংগৃহীত পোস্ট

14/11/2025

আসসালামুআলাইকুম
♥জুমা-মোবারক♥

Photos from Useful Message's post 06/11/2025

নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানীকে নিয়ে পুরো এশিয়া ও আমেরিকার মানুষের আগ্রহের কমতি নেই।
জোহরান মামদানি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম। তাঁর মা ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মীরা নায়ার। বাবা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের খ্যাতিমান অধ্যাপক মাহমুদ মামদানিও জন্মগতভাবে ভারতীয়।
স্ত্রী রামা দুয়াজি একজন সিরিয়ান বংশোদ্ভুত নারী। জনসমক্ষে খুব কম দেখা গেলেও, মামদানির প্রচারণার সব পরিকল্পনা, ডিজাইন এবং বার্তা গোপনভাবে তৈরি করছেন তিনি। মেয়র পদের জন্য মামদানির প্রচারণার ভিজ্যুয়াল পরিচয় এবং ডিজিটাল বার্তা শহরের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছায়। প্রচারণার স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে নীরব স্থপতি বলে ডাকেন।
দুয়াজি নিজে মঞ্চে ওঠেননি, সাক্ষাৎকার দেননি ও সামাজিক মাধ্যমে অংশ নেননি। তিনি মনে করেন রাজনীতি হওয়া উচিত ভাবনা ও কাজের মাধ্যমে, ব্যক্তিত্বের নয়। তার নীরব নির্দেশনা শুধু ডিজাইনেই সীমাবদ্ধ নয়; নীতিগত বার্তা তৈরিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং মানুষের অনুভূতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন। বিশেষ করে হাউজিং এবং কমিউনিটির মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে মামদানির বক্তব্য দুয়াজির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার কারণে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ কমিউনিটিতেও ব্যাপক জনপ্রিয় জোহরান মামদানি।
মানুষ যে আশায় তাকে ভোট দিয়েছেন তিনি যেন সেই কাজগুলো সুন্দরভাবে করতে পারেন সেই প্রত্যাশা রাখছি---
অনেক অনেক শুভকামনা ও অভিনন্দন
সোহেল শেখ
উদ্যোক্তা, সমাজ সেবক এবং বক্তা।।

04/11/2025

আমরা অনেকেই ব্যবসা শুরুব করি অনেক আগ্রহ নিয়ে —
কিন্তু সামান্য ব্যর্থতা আসলেই মনে করি, “হয়তো এটা আমার জন্য না!” বাস্তবে, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সফল উদ্যোক্তা একবারেই সফল হননি। বরং সবার জীবনে এসেছে বারবার ব্যর্থতা, প্রত্যাখ্যান, অপমান, এমনকি দেউলিয়াত্ব।
কিন্তু তারা হাল ছাড়েননি।

🌍 পৃথিবীর কিছু অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ:

🔹 স্টিভ জবস (Apple):
নিজ কোম্পানি থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিখে পরে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসে iPhone, iMac, iPad এর মতো পণ্য দিয়ে প্রযুক্তির ইতিহাস বদলে দেন।

🔹 জ্যাক মা (Alibaba):
৩০ বারেরও বেশি চাকরিতে রিজেক্ট হয়েছেন, এমনকি KFC-তেও কাজ পাননি। কিন্তু তিনি শিখেছিলেন – প্রত্যাখ্যান মানেই শেষ নয়। আজ তার কোম্পানি Alibaba পুরো পৃথিবীর ই-কমার্স সেক্টর বদলে দিয়েছে।

🔹 ওয়াল্ট ডিজনি:
প্রথম দিকের পত্রিকার সম্পাদক তাকে বলেছিলেন, “তোমার মধ্যে কোনো কল্পনাশক্তি নেই।”
আজ তার নামই সৃজনশীলতার প্রতীক — Disney বিশ্বের অন্যতম বড় ব্র্যান্ড।

🔹 ইলন মাস্ক (Tesla / SpaceX):
একাধিক কোম্পানি ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি থেমে যাননি। আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী উদ্যোক্তা।

👉 তাদের সবার কমন বিষয়: তারা ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে, তা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন।



⚙️ আমরা ব্যবসা করতে গিয়ে যেসব ভুল করি:
1. 🔸 তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া:
প্রপার রিসার্চ ছাড়াই শুরু করা। ফলাফল ব্যর্থতা।
2. 🔸 ছোট ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে যাওয়া:
প্রথম কয়েক মাসেই লাভ না হলে থেমে যাওয়া।
3. 🔸 নিজের স্কিল না বাড়ানো:
ডিজিটাল যুগে প্রতিযোগিতা বাড়ছে, কিন্তু আমরা শিখছি না।
4. 🔸 গ্রাহককে না বোঝা:
কাস্টমারের চাহিদা বুঝে প্রোডাক্ট আপডেট না করা।
5. 🔸 অন্যের সফলতা দেখে হিংসা করা:
নিজের যাত্রা উপভোগ না করে অন্যের পথে দৌড়ানো।



🧩 কীভাবে এই ভুলগুলো কাটিয়ে উঠবেন:

✅ ১. ব্যর্থতাকে রেকর্ড করুন, ভুলগুলো লিখে রাখুন:
আপনার প্রথম প্রজেক্ট, প্রথম ব্যর্থ প্রচেষ্টা — এগুলোই ভবিষ্যতের শিক্ষার বই।

✅ ২. নিজের স্কিল বাড়ান:
ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, কাস্টমার সার্ভিস, ফিনান্স — প্রতিদিন কিছু না কিছু নতুন শেখার চেষ্টা করুন।

✅ ৩. মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন:
ব্যবসা মানে শুধুমাত্র পণ্য বিক্রি নয়, সম্পর্ক তৈরি।
ভালো নেটওয়ার্কই আপনার পরবর্তী সাফল্যের দরজা খুলবে।

✅ ৪. ধৈর্য ধরুন:
রাতারাতি কিছুই হয় না। বড় ব্র্যান্ডগুলোও বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে।

✅ ৫. নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা রাখুন:
যে কাজ ভালোবাসেন, তাতে আপনি কখনো ক্লান্ত হবেন না।

💡 মনে রাখবেন:

“Fail fast, learn faster, grow strongest.”
– ব্যর্থ হোন, কিন্তু দ্রুত শিখুন। শেখার গতি যত বেশি, সফলতা তত কাছাকাছি এবং অনেক বেশি।

02/11/2025

নেতৃত্ব দেওয়া মানে সামনে থাকা নয় —
সবার আগে দায়িত্ব নেওয়া। 🔥
যে নেতা কষ্ট ভাগ করে নেয়, তার পেছনে মানুষ নয়,
বিশ্বাস হাঁটে। 💫

01/11/2025

🏢 জেনে নিন চট্টগ্রামের কোন শপিং মল কোন দিন বন্ধ থাকে:

১) নিউ মার্কেট: শুক্রবার পূর্নদিবস, শনিবার দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ।

২) সানমার ওশান সিটি: মঙ্গলবার পূর্ণদিবস, বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

৩) সেন্ট্রাল প্লাজা: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ ও শনিবার ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

৪) মিমি সুপার মার্কেট: রবিবার পূর্নদিবস বন্ধ, সোমবার দুপুর ২টা ৩০মিনিট পর্যন্ত বন্ধ।

৫) আফমি প্লাজা: রবিবার পূর্নদিবস বন্ধ, সোমবার দুপুর ২টা ৩০মিনিট পর্যন্ত বন্ধ।

৬) আমিন সেন্টার: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ ও সোমবার ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

৭) এপোলো শপিং কমপ্লেক্স: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৮) আক্তারুজ্জামান সেন্টার: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ, সোমবার ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

৯) চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ, শনিবার ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

১০) কেয়ারী: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১১) লাকি প্লাজা: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ, শনিবার ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

১২) খুলশি টাউন সেন্টার: সোমবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৩) ফিনলে স্কয়ার: বুধবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৪) এলিজি স্কাই পার্ক: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৫) ফিনলে সাউথ সিটি: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৬) ইউনেস্কো সেন্টার: বৃহস্পতিবার পূর্ণদিবস বন্ধ, শুক্রবার ১টা পর্যন্ত বন্ধ।

১৭) অলংকার শপিং কমপ্লেক্স: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৮) পাহাড়তলি সিডিএ মার্কেট: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

১৯) সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ, রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ।

২০) বহদ্দারহাট স্বজন সুপার মার্কেট: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২১) জহুর হকার্স মার্কেট: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২২) ভিআইপি টাওয়ার: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৩) সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৪) শাহ্ আমানত মার্কেট: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৫) গুলজার টাওয়ার: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৬) মতি টাওয়ার: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৭) বিনিময় টাওয়ার: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৮) টেরীবাজার: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

২৯) চট্টগ্রামে আড়ং সমূহ: হালিশহর আড়ং বন্ধ শনিবার, ষোলশহর আড়ং রবিবার বন্ধ।

৩০) বালি আর্কেড: সোমবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩১) সাফ আমিন: শনিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩২) পুলিশ প্লাজা: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩৩) গোলাম রাসুল মার্কেট: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩৪) সৈয়দ সেন্টার: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩৫) কল্লোল সুপার মার্কেট: রবিবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

৩৬) চকভিউ সুপার মার্কেট: শুক্রবার পূর্ণদিবস বন্ধ।

#বি.দ্র আপনার জানা মতে আর কোন মার্কেটের নাম জানা থাকলে কমেন্টে জানান।
টিম- Useful Message

01/11/2025

তথ্যমূলক পোস্টটি বেশী বেশী শেয়ার করুন।
Useful Message

30/10/2025

🌐 Join the Free Online Session by KNS Business Lab
We are delighted to invite you to the grand online inauguration of our science-based Mind Training Platform — KNS Business Lab.

✨ Session Theme: Unlocking the Power of a Trained Mind
📅 Date: 30 October 2025 (Thursday)
🕙 Time: 10:00 PM (Bangladesh Time)

To join this free session, simply click the link below to register.
You will be warmly welcomed, and the Google Meet link will be shared with you before the session begins.

🎯 Don’t miss this opportunity to explore the future of mind training and personal growth!

👉 [https://chat.whatsapp.com/BYLG4WK6RGk0TUQUeL8xV0?mode=wwt]

We look forward to your honorable presence and participation.
Useful Message

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka