Tazria Rio
Assalamualaikum
welcome to my Tazria Rio Page
cooking and lifestyle blog . please follow me to get my video's ,photo's everyone.
বিয়ের ৯ বছর পর জামাই এতো দামি উপহার দিলো ♥️♥️
রোজার সময় আছরের পর থেকে,
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে হিসাব করে কথা বলবেন।🔪😊
B. B. Q party 🤤😋🍗🍖
'
'
🫣
আজকের ভূমিকম্পে ৫ তলার ঘরটা হঠাৎ দুলে উঠতেই মনে হলো—মানুষের অসহায়ত্ব কতটুকু। দৌড়ে নিচে নামা মানে হয়তো আরও বড় বিপদ ডেকে আনা… চারপাশের বিল্ডিংগুলোর অবস্থা এমন যে নিচে দাঁড়ানোও নিরাপদ নয়। তাই স্থির হয়ে বসে শুধু দোয়া পড়তেই থাকলাম। কারণ সত্য কথা—শেষ আশ্রয়, শেষ ভরসা শুধু আল্লাহই। 🤲
কিন্তু আমার ছেলে আর হাজব্যান্ড নিচে থাকায় বুকের ভেতরটা উত্তাল হয়ে উঠল… মা আর স্ত্রী হিসেবে ভালোবাসার সেই টান আমাকে বসে থাকতে দিল না। ওদের মুখটা একবার না দেখা পর্যন্ত যেন নিঃশ্বাসই আটকে যাচ্ছিল। তাই সব ভয়, সব কম্পন পেছনে ফেলে ওদের খোঁজেই দ্রুত নিচে নেমে গেলাম।
আর নিচে নেমে যে দৃশ্যটা দেখলাম, সেটা সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল—আমাদের বিল্ডিংয়ের দেশ তলা আন্টির মেয়ে নিজের জীবনের ভয় ভুলে তার ছোট্ট পাখিটাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। পাখিটা ভয়ে হাত কামড়ে দিলেও সে ছাড়েনি… বুকের ভেতরের মায়ায় আলতো করে তাকে তুলে খাঁচার মধ্যে রেখে তারপর নিচে নেমেছে। 🕊️💛
ভূমিকম্পের মতো আতঙ্কের মাঝেও মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ব, মায়া—এতটাই শক্তিশালী যে ভয়ও তার সামনে হার মানে।
আমাদের জীবন একমাত্র আল্লাহর হাতে। আর সুযোগ থাকলে বাসার মালিকরা অন্তত ছাদের দরজাটা সবসময় খোলা রাখুন… কারও হয়তো সেই দরজাটুকুই জীবন বাঁচানোর শেষ পথ হতে পারে। 🙏
আমি নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতো ব'লদ,বেছে বেছে লাইফে মী'র জা'ফর গুলারেই জায়গা দেই।
🥹
সোনা আগের মতোই দামি,
বদলেছে শুধু টাকার মান
💰 💸
29/09/2025
করল্লার জুস খাইলে মুখে হাসি না, চোখে জল আসে… কিন্তু শরীর করে বলে— Thank you 😂
ভাই কারো পিত্ত/থলিতে পাথর, দাঁতের পাথর, মূত্র/থলির পাথর থাকলে সাবধান!!!
🥹
10/08/2025
গরমে ঠান্ডা আইসক্রিমের শুভেচ্ছা 🍦🍨
03/08/2025
নির্বাচন না পুরো জাতি এখন অপু বিশ্বাস এর পোস্ট এর অপেক্ষায় 🤫🙄
😭😭😭
গতকাল সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বার্ণ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের আইসিইউতে ডিউটি তে যাই।আইসিইউ এর নার্সরা আমাকে আইসিইউতে অবস্থানের জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা গাউন,সু কভার এবং ক্যাপ দেন। সেগুলো পরার পরেও দরজা খুলে ভিতরে ঢোকার সাহস পাচ্ছিলাম না তখন। কিছুক্ষণ পর মনের জোরে ভিতরে ঢুকি।ঢোকার সাথে সাথেই আহত বাচ্চাদের গোঙানির শব্দে নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। একজন নার্স আমাকে একটা চেয়ার এগিয়ে দিয়ে বললেন বসতে।আমি সেই চেয়ার বসতে যাবো ঠিক তখনই একজন ডাক্তার এসে বলেন ১৭ নাম্বার বেডের পেশেন্ট এক্সপায়ারড। আপনি ওনার পরিবারের কাউকে ডাকেন এবং ওনাদের বইলেন একটা বড় বিছানার চাদরের ব্যবস্থা করতে।আমি উঠে চলে যাই বাইরে এবং মৃত ব্যক্তির পরিবারের একজন দুইজন সদস্য কে ডাক দেই এবং একটা বড় বিছানার চাদর আনতে বলি।ওনারা আমার কথা শুনেই আঁচ করতে পেরেছিলেন যে কি হয়েছে।এরপর ওনারা যখন বিছানার চাদর আমার হাতে দেন আমি সেটা নিয়ে চলে যাই ১৭ নাম্বার বেডের কাছে। আপাদমস্তক ব্যান্ডেজ থাকার কারণে বোঝার উপায় নেই নারী নাকি পুরুষ। কিন্তু বেডের সাইডে নেইমপ্লেট দেখে জানতে পারলাম ইনিই মাইলস্টোন স্কুলের মেহেরীন ম্যাডাম যিনি নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে অনেক শিক্ষার্থীদের সেইফ এক্সিট দিয়েছেন।এরপর নার্সদের সাথে ওনার মৃতদেহ স্ট্রেচার করে টেনে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দিলাম।ভিতরে গিয়ে দাঁড়ানোর পর দেখলাম একটা বাচ্চা প্রচুর পরিমাণে ছটফট করছে আর অস্পষ্ট ভাষায় কি জানি বলতে চাচ্ছে।ডাক্তাররা ওনাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু শেষ রক্ষা আর হয়নি। একজন এসে আমাকে বললেন রোগী এক্সপায়ারড,গার্জিয়ান কে ডাক দেন।আমি উঠে গিয়ে অভিভাবককে ডেকে ডাক্তারের কাছে পাঠাই।এরই মধ্যে অনান্য আহত বাচ্চাদের বাবা মায়েরা বারবার আকুতি করছিলেন একটু হলেও নিজের বাচ্চাটাকে দেখতে। নিয়ম এবং নিরাপত্তার কারণে নিজেকে পাথর বানিয়ে তাদের চোখের জলকে উপেক্ষা করে তাদের কে ভিতরে যেতে দেই নাই। একজন মা বারবার বলছিলেন ভিতরে না যেতে পারলেও গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে দোয়া পড়তে চান।আমি আর না করি নাই।ওনার বাচ্চা ১১ নাম্বার বেডে ভর্তি ছিলো।কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে বললেন ১১ নাম্বার বেডের পেশেন্ট এক্সপায়ারড কিন্তু ওনার আম্মু কে ডাইকেন না,আপন বড় ভাই আছে একজন তারে ডাকেন।আমি আর আমার আমাদের ঢাবি নৌ শাখার আরেকজন সিইউও হৃদি ছুটে যাই সেই বড় ভাইকে ডাকতে। কিছুক্ষণ পর ভাই আসেন। ওনাকে আমরা ধরে নিয়ে যাই ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার যখন বললেন আমাদের মাফ করেন তখন সেই ভাইয়ের কান্না সহ্য করার মতো ছিলো না। ডাক্তার নিজেও কান্না করে দিসেন।এরপর আমাদের কাছে শেষবারের মতো নিজের ছোটো ভাইটাকে দেখার ইচ্ছা জানালেন।আমরা ওনাকে ধরে নিয়ে যাই। আগুনে ঝলসানো ছোটো ভাইকে একবার কোলে নিতে চাইসিলেন তিনি। শরীরের একমাত্র পায়ের আঙ্গুল গুলো অক্ষত ছিলো,সেই আঙুলেই বারবার পরম মমতায় চুমু খাচ্ছিলেন।এরপর আরকি,সেই বিছানার চাদর আনানো এবং চাদর পেঁচিয়ে মৃতদেহ বুঝিয়ে দেয়া।একটু বসে পানি খাচ্ছিলাম তখনই একজন নার্স এসে দুইটা বেডের পেশেন্টর বাসার লোক ডাকতে বললেন।কারন জিজ্ঞাসা করলে বললেন দুই জনই মাত্র মা*রা গেছেন।এরই মধ্যে এক বাবা এসে বললেন উপরের তলার আইসিইউতে ওনার ছোটো ছেলেটা কিছুক্ষণ আগে মারা গেছে,বড় ছেলেটা এখানে ভর্তি। একটু একটা বার শেষ সম্বল সন্তানকে দেখতে চান।কথা বলার সময় উনি বারবার পরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়মের বেড়ার কারণে আবারো নিজেকে পাথর বানাতে হয়েছিলো। হাঁফিয়ে উঠেছিলাম চোখের সামনে এক এক করে বাচ্চাগুলোকে ছটফট করে ম*রতে দেখে। ডাক্তাররা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।মধ্যরাতে ডিউটি শেষ করে যখন নিচে নামছিলাম তখন ১১ নাম্বার বেডের সেই মৃত বাচ্চাটির মা আমার হাত ধরে বলেছিলেন, "আম্মু তুমি তো ছিলা ভিতরে,আমার বাবাটা মারা যাওয়ার সময় কি খুব কষ্ট পাইসিলো?ও কি আমারে ডাকসিলো?"আমার বাবাটারে ডান দিকে কাত করে শোয়াইয়া দিয়ো"
আমি একটা শব্দও মুখ থেকে বের করতে পারি নাই।
যে আমি একটু রক্ত দেখলেই ভয় পাই সেই আমি গতকাল ছোটো ছোটো বাচ্চা গুলোর লাশ ধরেছি।কত বাবা মায়ের আর্তনাদের সামনে নিজেকে পাথর বানিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
এই স্মৃতিরা আমাকে আর ঘুমাতে দিবে না,, সবসময় আমাকে তাড়া করে বেড়াবে।
বাচ্চারা,,তোমরা যেখানেই থাকো,,ভালো থেকো। ঈশ্বর তোমাদের শান্তি প্রদান করুক।
তোমাদের ছুটি হয়ে গেছে,,এবার বাড়ি যাওয়ার পালা............
©
22/07/2025
ছেলেটির পিতা বিদেশে, ফিরতে সময় লাগবে কয়েকদিন।
এই কয়টা দিন যেন ছেলের নিথর শরীরটা একটু ভালো থাকে—সে চেষ্টাই করে যাচ্ছেন তার স্বজনেরা।
যে মা একটুখানি ঠান্ডা লাগার ভয়ে রাতে ছেলের গায়ে কাথা জড়িয়ে দিতেন,
আজ সেই মা-ই নিজের হাতেই বরফ দিয়ে জড়িয়ে রাখছেন তার কলিজার টুকরোকে।
বুকে কত বড়ো পাথর বাঁধলে, মা এমনটা করতে পারেন?
সৃষ্টিকর্তা, এত কঠিন পরীক্ষা কেন?
যে পরীক্ষায় কারো পাস করার ক্ষমতা নেই...
তবুও এই অসহায় বাবা-মায়ের একটাই মিনতি—
যাকে তুমি নিজের কাছে ডেকে নিয়েছো,
তাকে যেন জান্নাতের সবচেয়ে সুন্দর বাগানে জায়গা দাও।
— মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি
উত্তরা, ঢাকা।
#শেষবিদায় #অসহায়বাবামা #জান্নাতবাসী_হোক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka