Silvan.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Silvan.com, Business service, Dhaka.
02/04/2022
27/01/2021
Posting Time
02/01/2021
(ছবি: ১৮৯৯ সালের পর থেকে কোক বোতলের পরিবর্তন)
07/12/2020
আপনি কতগুলো রং এর নাম জানতেন?
কমেন্টে লিখুন.......
🤣🤣🤣🤣
01/12/2020
কীভাবে আপনার পেজের অরগানিক রিচ বাড়াবেন??
দানিং অনেকেরই অরগানিক রিচ ভয়াবহ রকমের কমে গেছে। সেই সাথে কমেছে লাইভ ভিডিও ভিউ। ব্যাপারটা লক্ষণীয় পর্যায়ে চলে এসেছে গত অক্টোবর থেকে। কথা হল এভাবে হঠাৎ করে অরগানিক রিচ কমে গেলে কেন? বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ থেকে আমার কাছে নিচের এই কারণগুলো মনে হয়।
১। নতুন আপডেটঃ
ফেসবুকের নতুন আপডেটে তাদের এলগরিদমে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। যার ফলে আগে বেশি রিচ এবং ভিউ পাওয়া গেলেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা জেনেই হোক বা না জেনেই হোক এতদিন ফেসবুকের পেজ পলিসি বা স্ট্যান্ডার্ড ঠিকমত মেনে চলিনি। ফেসবুক এখন তাদের পলিসির ব্যাপারে সিরিয়াস একশন নিচ্ছে, এটার কার্যকারিতা এখন দৃশ্যমান হচ্ছে যার ফলে পেজে রিচ কমে এসেছে।
২। লাইভ ভিডিও শেয়ারি:
অনেকেই একই ডিভাইস এবং ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ ভিডিও শেয়ার করেন। এটা ফেসবুক এর সিস্টেম বুঝতে পারে। জোর করে এই কাজটা করা হয়, অরগানিকভাবে নয়। তাই ফেসবুক এটাকে স্পামিং হিসেবে দেখে। আর এটার কারণে আপনার পেজের রিচ কমে যেতে পারে।
৩। কপিরাইটযুক্ত কন্টেন্ট ব্যবহারঃ
অনেকেই নেট থেকে ইমেজ বা ডিভিও ডাউনলোড করে ব্যবহার করেন। এর মধ্যে কিছু থাকে কপিরাইট করা কন্টেন্ট। এটা Intellectual Property Rights ভঙ্গ করে। এটার ফলে ফেসবুক সিরিয়াস ব্যবস্থা নেয়, পেজের রিচ কমিয়ে দেয়।
৪। নতুন কন্টেন্ট প্রকাশঃ
প্রতিদিন নতুন নতুন অনেক কন্টেন্ট প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু নিউজ ফিডে সব কন্টেন্ট দেখানো হয় না, স্পেস এর একটা লিমিটেশন থাকে। প্রতি মাসে সারা বিশ্ব থেকে ৩০ বিলিয়নের ওপর কন্টেন্ট প্রকাশিত হয়। সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের নিউজ ফিডে দেখায়। ব্যবহারকারীর আগ্রহ, ডেমগ্রাফিক তথ্য, এঙ্গেজমেন্ট, তাদের অভ্যাস এবং অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কন্টেন্ট অপ্টিমাইজ করা হয় এবং সেইভাবে সেটা ডেলিভারি করা হয়। আপনার কন্টেন্ট প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারলে সেটার রিচ কম হয়।
৫। কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডঃ
ফেসবুক চায় তাদের ব্যবহারকারী নিউজ ফিডে অথেনটিক কন্টেন্ট দেখুক, স্পেস টা নিরাপদ থাকুক। ব্যক্তিগত তথ্যসমূহ যেন গোপন থাকে এবং তা প্রতিরোধ করা যায়। অধিকারের দিক থেকে সকল ব্যবহারকারী যেন সমান সুবিধা ভোগ করতে পারে। কেউ যেন কাউকে হয়রানি করতে না পারে, বৈষম্যমূলক আচরণ যেন না করে, কাউকে যেন আক্রমণ করা না হয়। এ গুলো মেনে চলার ব্যাপারে ফেসবুক বদ্ধপরিকর। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে না চললে ফেসবুক ব্যবস্থা নেয়। এতে করে পেজের রিচ কমতে পারে।
৬। ক্লিকবেইট হেডলাইনঃ
ক্লিকবেইট হেডিং ব্যবহার করে কোন কন্টেন্ট ব্যবহার করা হলে ফেসবুক ব্যবস্থা নেয়। এতে করে পেজের রিচ কমে যেতে পারে। ক্লিকবেইট নিয়ে আমার একটা আরটিকেল আছে সম্ভব হলে পড়ে নিবেন।
৭। অন্য সোর্স এর কন্টেন্টঃ
নিজের কন্টেন্ট ব্যবহার না করে অন্য কোন সোর্স থেকে পাওয়া কন্টেন্ট খুব বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হলে পেজের রিচ কমতে পারে। ৩ নম্বর পয়েন্ট এর সঙ্গে এটা গুলিয়ে ফেলবেন না। কপিরাইট ইস্যু ছাড়াও অন্য কোন সোর্স থেকে পাওয়া কন্টেন্ট বলতে অনেকেই তাদের সাপ্লায়ার এর কন্টেন্ট নিয়মিতভাবে ব্যবহার করেন। যেমন – ভারতীয় বা পাকিস্তানি ক্যাটালগ ইমেজ।
৮। জব পোস্টঃ
এমন কোন চাকরির পোস্ট শেয়ার করা যেটার মধ্যে ছিল মিথ্যা আশ্বাস। জালিয়াতি করার উদ্দেশ্যেই পোস্ট টা দেয়া হয়েছিল। এ ধরণের পোস্ট শেয়ার করা হলে পেজের রিচ কমে যেতে পারে।
৯। ফেসবুক ফ্যাক্ট চেকিং:
ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রামে বিভিন্ন দেশ এবং এলাকা থেকে যেন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া না হয় এ ব্যাপারে ফেসবুক বদ্ধপরিকর। এটার ব্যাপারে তারা যুদ্ধ করে আসছে। এই কারণে তারা বিভিন্ন ব্যক্তি এবং থার্ড পার্টি ফাক্ট-চেকিং অর্গানাইজেশন এর সঙ্গে কাজ করেন যারা non-partisan International Fact-Checking Network (IFCN) এর সারটিফাইড। তাদের রিপোর্ট এর ভিত্তিতে ফেসবুক ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। এটার কারণেও পেজে রিচ কম হয়।
১০। ব্রান্ডেট কন্টেন্ট এর ব্যবহারঃ
আমরা অনেকেই আলিবাবা, অ্যামাজন থেকে ব্রান্ডেট কন্টেন্ট ডাউনলোড করে পেজে ব্যবহার করি এবং সেটা দেখিয়ে রেপ্লিকা প্রডাক্ট বিক্রি করি। এতে করে অনেকেই প্রতারিত হয়। এটা প্রতিরোধ করার জন্য ফেসবুক ব্রান্ডেট কন্টেন্ট পলিসি তৈরি করেছে। তাই ব্রান্ডেট কন্টেন্ট ব্যবহার করতে হলে সেটার পলিসি মেনে তা ব্যবহার করতে হবে। এটার ভায়োলেশনের কারণে পেজে রিচ কম হতে পারে।
উপরে কিছু কারণ আমি উল্লেখ করলাম যে গুলো মেনে না চললে পেজের রিচ কমতে পারে। সেই সঙ্গে ফেসবুক আরও গুরুতর ব্যবস্থা নিতে পারে যেমন- পেজ আন-পাবলিশড করে দেয়া, পেজ রিমুভ করে দেয়া, ডিস্টিবিউশন প্লেসমেন্ট কমিয়ে দেয়া ইত্যাদি। আপনার পেজ কোয়ালিটি ভাল রাখতে চাইলে ফেসবুকের পেজ পলিসি, পেজ স্ট্যান্ডার্ড এবং কমিউ নিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলুন।
26/11/2020
ঢাকার ১০০টি সুস্বাদু খাবারের তালিকাঃ
১. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও।
২. কামালের বিরিয়ানী৷
৩. খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ, খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর।
৪. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী।
৫. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি+গ্লাসি।
৬. লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী।
৭. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি, ফালুদা।
৮. নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে।
৯. হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা।
১০. ধানমন্ডির কড়াই গোশত এর ইলিশ সস।
১১. মোহাম্মদপুর জেনেভা/বিহারী ক্যাম্পের গরু ও খাশির চাপ।
১২. মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের সামনের বিহারী ক্যাম্পের "মান্জারের পুরি"
১৩. চকবাজারের শাহ সাহেবের বিরিয়ানী।
১৪. মিরপুর-১০-এর শওকতের কাবাব।
১৫. নারিন্দার শাহ সাহেবের ঝুনার বিরিয়ানী।
১৬. ইংলিশ রোডের মানিকের নাস্তা।
১৭. গুলশানের কস্তুরির সরমা।
১৮. রয়্যালের বাদামের শরবত লালবাগ।
১৯. পুরান ঢাকার মদিনা হোটেলের লুচি-ডাল৷
২০. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী।
২১. জেলখানা গেটের পাশে হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই।
২২. নয়া বাজারের করিমের বিরিয়ানী।
২৩. হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী।
২৪. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন।
২৫. মোহাম্মদপুরে সেন্ট জোসেফ স্কুলের গেটে এক মামার চানাচুর মাখা।
২৬. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী।
২৭. খিলগাঁও বাজারের উল্টো পাশে আল রহমানিয়ার গ্রীল চিকেন আর তেহারী।
২৮. মতিঝিল সিটি সেন্টারের পিছনের বালুর মাঠের পিছনের মামার খিচুড়ী।
২৯. চানখারপুলের নীরব হোটেলের ভুনা গরু আর ভর্তার সাথে ভাত।
৩০. ধানমন্ডী লায়লাতির খাসির ভুনা খিচুড়ী।
৩১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি।
৩২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার।
৩৩. পুরানা পল্টনে খানা-বাসমতির চাইনিজ প্যাকেজ।
৩৪. বনানীর বুমারস রেস্টুরেন্টের বুফে প্যাকেজ।
৩৫. মিরপুর ১ ঝালমুড়ি মামার মুড়ি ভর্তা৷ (কান্ট্রি বয়ের সামনে৷)
৩৬. গুলশান ২ এর খাজানার মাটন দম বিরিয়ানী এবং হাইদ্রাবাদী বিরিয়ানী।
৩৭. উত্তরার একুশে রেস্তোরার গ্রীল চিকেন।
৩৮. ধানমন্ডি/বনানীর স্টার হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব।
৩৯. মৌচাকের স্বাদ রেস্তোরার ভাতের সাথে ৩৬ রকমের ভর্তা।
৪০. সাইন্স ল্যাবে মালঞ্চ রেস্তোরার কাচ্চি বিরিয়ানী।
৪১. ফার্মগেটের ছোট সিঙ্গারা
৪২. বেইলী রোডে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সামনের গরু, খাশির চাপ+স্যুপ।
৪৩. চানখারপুলের মামুন হোটেলে'র স্পেশাল (প্রতি মাসের ১ম শুক্রবার) কাচ্চি।
৪৪. মালিবাগ সোহাগ বাস কাউন্টারের সামনে শীতলের গ্রিলের সাথের সস (কিনতে পাওয়া যায় অর্ডার দিলে, খুব বেশী জোশ)।
৪৫. ধানমন্ডি ৮ নম্বরের চাপের দোকান।
৪৬. সেগুন বাগিচার এনজইয় রেস্টুরেস্ট এর গরুর কাবাব আর নান; দই ফুচকা।
৪৭. পুরানা পল্টনের ভাই ভাই রেস্টুরেন্ট এর কাচ্চি।
৪৮. হোটেল আল কাদেরিয়ার গ্রীল ৷
৪৯. স্টারের লেগ রোস্ট।
৫০. গ্যান্ড নওয়াবের কাচ্চি বিরিয়ানী৷
৫১. নবাবী ঝালমুড়ি (রামপুরা)
৫২. নীলক্ষেত এ ইয়াসিন আর ঢাকা বিরিয়ানি এর গরুর কাচ্চি।
৫৩. চকের নুরানী লাচ্ছি।
৫৪. চকবাজারের আলাউদ্দিন এর ভাযি-পুরি।
৫৫. চকবাজারের Bombay এর আফ্লাতুন।
৫৬. চকবাজারের আমানিয়া-র খাসীর গ্লাশী।
৫৭. মধ্য বাড্ডায় (গুদারাঘাট) 'নয়ন বিরিয়ানি হাউজ'-এর কাচ্চি, মোরগ পোলাও, তেহেরি (স্পেশাল)।
৫৮. গুলশানের পিনক সিটিতে 'Baton Rouge' এর বুফে।
৫৯. মটকা চা এন্ড মমো ৷
৬০. ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি।
৬১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকসু ভবনের পিছনের ফুসকা মামার ফুসকা৷
৬২. মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পের মুস্তাকিমের চাপ৷
৬৩. লক্ষীবাজার এর মাসহুরের লুচি, ভাজি আর ডাল
৬৪. সুলতান ডাইন মেন্যু সেট।
৬৫. ভূত এর কাকড়া, সিজলিং, সূপ
৬৬. শর্মা এন পিজ্জার বীফ শর্মা
৬৭. মিরপুর ঝুট পট্টির রাব্বানির চা
৬৮. চকের নূরানি ড্রিংস এর লাচ্ছি
৬৯. চকের বিসমিল্লাহ হোটেলের মোঘলাই পরটা
৭০. সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলের সামনের মামার আলুর দম।
৭১. সোহরয়ার্দী কলেজের সামনে জসিমের চটপটি ও ফুচকা।
৭২. কলকাতা কাচ্চি ঘরের কাচ্চি বিরিয়ানী৷
৭৩. অমূল্য মিষ্টান্ন ভান্ডারের (শাঁখারীবাজার) হালুয়া, পরোটা, সন্দেশ।
৭৪. গোপীবাগের খাজা হালিম ও টিটির কাচ্চি
৭৫. বাসাবোর হোটেল রাসেলের "শিককাবাব"
৭৬. বায়তুল মোকাররমে অলিম্পিয়া কনফেকশনারীর "চকলেট পেস্টি"
৭৭. কর্নফুলি গার্ডেন সিটির চার তালার "ফুচকা" ৷
৭৮. কাঁটাবন ঢালে অষ্টব্যঞ্জনের বিফ খিচুড়ী ৷
৭৯. নারিন্দা/রায় সাহেব বাজারের সফর বিরিয়ানি (তেহারি)
৮০. ডিসেন্ট (মতিঝিল, হাতিরপুল, বনশ্রী, ধানমন্ডি, চক, নওয়াব---এদের প্রচুর শাখা) এর ডেজার্ট আইটেমগুলা ভালো।
৮১. ব্রাক ভার্সিটির কাছে নন্দনের বিফ আইটেম।
৮২. গুলশান ২ এর মোড়ে ঝালমুড়ি ওয়ালার টমেটো মাখানো।
৮৩. মহাখালি কন্টিনেন্টাল হোটেলের শর্মার সঙ্গে সস৷
৮৪. নিউমার্কেট এরিয়ায় পেয়ারা, আম মাখানো।
৮৫. নিমতলির বাদশাহ মিয়ার চা৷
৮৬. আগামাসিহ লেনের মাকসুদের খাসসির পায়ার নেহারী৷
৮৭. রায় সাহেব বাজারের বিউটি লাচ্ছি ৷
৮৮. ভিক্টোরিয়া পার্কের সুলতান ভাইয়ের দারুন মজার চা ৷
৮৯. ফকরুদ্দিনের কাচ্চি বিরিয়ানি, বোরহানি।
৯০. বিহারি ক্যাম্পের গরুর মগজ ফ্রাই ৷
৯১. মিরপুর ১ এর মিজানের ঝাল ফুচকা।
৯২. আরমানিটোলা তারা মসজিদের পাশে জুম্মন মামার চটপটি ৷
৯৩. পলাশীর মোড়ের ফ্রেশ ফলের জুস ৷
৯৪. সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার খাসির বিরিয়ানি ৷
৯৫. গেন্ডারিয়ার আল্লার দান বিরিয়ানি আর রহমান এর কাবাব৷
৯৬. কলতাবাজারের নাসির হোটেলের বিখ্যাত গরুর মাংশ আর পরাটা ৷
৯৭. সিদ্দিক বাজারের মাজাহার সুইটস ৷
৯৮. সোনা মিয়ার দই
৯৯. উর্দু রোড এর খেতাপুরি, বাখরখানি ৷
১০০. নর্থ ব্রুক হল রোডের চৌরঙ্গীর লুচি-ডাল ৷
কমেন্টে জানান আপনি কোনটা কোনটা ট্রাই করেছেন😋😋
চা বিক্রেতার বিশ্ব ভ্রমণ
স্বপ্ন দেখতে শিখুন। আপনার কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন নেই। শুধু কান পেতে শুনুন হৃদয়ের কথা। কারণ দিন শেষে, ‘‘জীবন চমৎকার!’’
Video Credit-https://www.facebook.com/RoarInBangla
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1236