VAT Question & answer
You will find VAT & TAX related updates. Ask questions, professionals will answer.
03/06/2025
19/05/2025
ভ্যাট_নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে EFD/SDC/PKI POS ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহারের জরুরি বিজ্ঞপ্তিঃ
উল্লেখিত পণ্য/সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সময়ানুগ ভ্যাট জমা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মূল্য পরিশোধের সময় এনিবিআর অনুমোদিত EFD/SDC/PKI POS সফটওয়্যার মেশিনের QR Code ও ডিজিটাল সাইনযুক্ত প্রিন্টেড/এসএমএস/ই-মেইলে VS Challan (মূসক-৬.৩) বুঝে নিন।
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
সবাই আশাকরি ভালো আছেন,
Vehicle Tracking Service এর সেবার শিরোনাম কি হবে এবং ভ্যাটের হার কতো হবে তা নিয়ে মাঝে মাঝে প্রশ্ন আসে। কখনো Vehicle Tracking Service এর ওপর অন্যান্য বিবিধ সেবা হিসাবে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে বলা হয়। আবার, কখনো তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবা হিসাবে ৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে বলে বলা হয়। এই হলো আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থার অনেকগুলো সমস্যার মধ্যে একটা সমস্যা।
আমার মতে, Vehicle Tracking Service তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার বর্ণনার সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার সংজ্ঞায় Geographic Information Services (GIS) উল্লেখ রয়েছে। Vehicle Tracking Service এ GIS ব্যবহার করা হয় বলে জানি। তাই, Vehicle Tracking Service এর ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবা হিসাবে ৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়াই অধিকতর যুক্তিযুক্ত।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় বোর্ড সভায় যোগদানকারী শীর্ষক একটা সেবা রয়েছে। ভ্যাট অডিট করার সময় এই সেবার ওপর ভ্যাট নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠানের ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্টে এ্যাকাউন্ট হেড হলো ডাইরেক্টরস রেম্যুনারেশন। এই হেডে ডাইরেক্টরদের বেতন, ভাতা, সম্মানী এবং আরো অন্যান্য ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। এর মধ্যে শুধুমাত্র কোনো বোর্ড সভায় যোগদান করে পরিচালকগণ যে সম্মানী পান তার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
যাঁরা ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করেন তাঁদের অনুরোধ করি যে, বোর্ড সভায় যোগদান করে পরিচালকগণ যে সম্মানী পান, তা আলাদা সাব-হেড দিয়ে প্রদর্শন করবেন। ভ্যাট অডিটরদের অনুরোধ করি যে, আপনারা দয়া করে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে বলবেন যে, মেইন এ্যাকাউন্ট হেডের বিস্তারিত লেজার দিতে যেখানে পরিচালকদের বোর্ড সভার সম্মানী আলাদা উল্লেখ থাকবে। তাহলে ভ্যাট অডিটে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, ইন শা আল্লাহ।
12/08/2024
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Arif Somrat, আলোকিত জীবনের সন্ধানে, Azmain Hossain Bilas, Amir Hamza
বিষয়: আন্তর্জাতিক শিপিং লাইন কর্তৃক রেয়াত গ্রহণ।
একজন পাঠক প্রশ্ন করেছেন যে, তার প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনের মাধ্যমে পরিবহন সেবা প্রদান করে বৈদেশিক মুদ্রায় পেমেন্ট পায়। প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় ভ্যাট প্রদেয় হয় না। বেশ কিছু উপকরণের ওপর তারা ভ্যাট পরিশোধ করে যা রেয়াত নেয়। যেমন: জাহাজ ভাড়া, পোর্ট এ্যান্ড পাইলটিং চার্জ, জেটি চার্জ ইত্যাদি। যেহেতু তাদের স্থানীয় ভ্যাট প্রদেয় হয় না, সেহেতু দাখিলপত্রে নেগেটিভ ব্যালান্স হয়ে যায় যা তারা রিফান্ডের আবেদন করেছে। তবে, ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১) অনুসারে, তারা রেয়াত পাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় রেয়াত পায় মূলত দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান। এক. যেসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহের ওপর প্রদেয় ভ্যাট ১৫%। দুই. যেসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহের ওপর প্রদেয় ভ্যাট শূন্য শতাংশ। আলোচ্য প্রতিষ্ঠানটি সেবা রপ্তানি করে। তাই, প্রতিষ্ঠানটি রেয়াত পাবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কি কি ক্রয় উপকরণ হিসেবে গণ্য হবে তা ভ্যাট আইনের ধারা ২(১৮ক)তে উল্লেখ রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রে রেয়াত পাওয়া যাবে। কোন কোন ক্ষেত্রে রেয়াত পাওয়া যাবে না তা ভ্যাট আইনের ধারা ৪৬ এ উল্লেখ রয়েছে। বন্দর সেবার বিপরীতে রেয়াত পাওয়া যাবে।
ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১)তে উল্লেখ রয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে শূন্য হার প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ভ্যাট প্রদান করতে হবে না। তবে, যদি এসব সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রদান করা হয় তাহলে সে ভ্যাট ফেরৎ পাওয়া যাবে। ভ্যাট আইনের ধারা ৭২ এ উল্লেখ রয়েছে যে, অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সমন্বয় করা যাবে বা ফেরৎ নেয়া যাবে। বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানকে বন্ড লাইসেন্স দেয়া হয় এজন্য যে, প্রতিষ্ঠানটি শুল্ক-কর পরিশোধ না করে উপকরণ ক্রয় বা আমদানি করবে। তারপরও কখনও কখনও বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান শুল্ক-কর পরিশোধ করে উপকরণ ক্রয় বা আমদানি করে। সেগুলো প্রত্যর্পণ বা ফেরৎ নেয়া যায়। একইভাবে ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১)তে যেসব ক্ষেত্রে শূন্যহার প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে, যদি সেসব ক্ষেত্রে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়, সে ভ্যাট যথানিয়মে রেয়াত, রিফান্ড নেয়া যাবে।
৩টা সমজাতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা নিয়ে ভ্যাট অফিস এবং ভ্যাটদাতাদের মধ্যে প্রায়শই বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
প্রথম বিষয় হলো, মূল্য সংযোজন কতো পার্সেন্ট হতে হবে? এর কোনো সুনির্দিষ্ট হার নাই বা উর্ধ্বসীমা, নিম্নসীমা নাই। আপনার ব্যবসার যেটা প্রকৃত মূল্য সংযোজন সেটা আপনি তথ্য, প্রমাণ, দলিল দিয়ে লিখবেন। অফিসার তথ্য, প্রমাণ, দলিল দিয়ে আপনার বক্তব্য খণ্ডন করবেন।
দ্বিতীয় বিষয় হলো, ওয়েস্টেজ। ওয়েস্টেজের ক্ষেত্রে একই কথা। আপনার ব্যবসার প্রকৃত ওয়েস্টেজ আপনাকে প্রদর্শন করতে হবে।
তৃতীয় বিষয় হলো, লাভ বা প্রফিট। লাভের পরিমাণ কতো হবে তা সম্পূর্ণভাবে আপনার নিজস্ব ব্যবসায়ীক কৌশলের বিষয়। এখানে কারোর কিছু বলার নেই।
একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ মূল্য সংযোজন করতে হবে বা ওয়েস্টেজ দেখাতে হবে বা প্রফিট দেখাতে হবে এমন কথা আইনসঙ্গত নয়। এসব বিষয়ে প্রকৃত পরিমাণ দেখাতে হবে বা তথ্য, প্রমাণ দিয়ে উদ্ঘাটন করতে হবে।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
মূসক-২.১ এ ঘোষিত এ্যাকাউন্ট ছাড়া অন্য এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা হলে রেয়াত নিতে পারবে না এমন কোনো বিধান নেই। এমন কোনো বিধান সুস্পষ্পভাবে কোথাও উল্লেখ নেই, ক্রস রেফারেন্স মিলিয়েও এমন কোনো অর্থে আসা যায় না। বিধি ২(ঢ)তে “ব্যাংক হিসাব” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আইনের ধারা ৪৬(১)(ক)-তে উল্লেখ রয়েছে “ব্যাংকিং মাধ্যম বা মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যতিরেকে পরিশোধ করা হয়”। এখানে “ব্যাংক হিসাব” এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয় তা বলা হয়নি। যে কোনো ব্যাংক এ্যাকাউন্ট, যে কোনা মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা হলে রেয়াত নিতে পারবে।
এই বিধান করার মূল উদ্দেশ্য হলো নগদে লেন-দেন নিরুৎসাহিত করা। কারণ, নগদে লেন-দেন করলে কালো টাকার ব্যবহার বাড়ে, কালো অর্থনীতি ও ধূসর অর্থনীতির সৃষ্টি হয়। তাই, নগদে মূল্য পরিশোধ নিরুৎসাহিত করে ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ উৎসাহিত করা হয়েছে। যেকোনো এ্যাকাউন্টে লেন-দেন হলেই এই উদ্দেশ্য অর্জিত হয়। তাছাড়া, সকল ব্যাংক এ্যাকাউন্ট এখনো মূসক-২.১ এ অন্তর্ভুক্ত হয়নি, একথা আমরা সবাই জানি। ব্যবসায়িক নানা প্রয়োজনে কোনো প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকতে পারে বা বর্তমানে আছে। সকল ব্যাংক এ্যাকাউন্ট মূসক-২.১ এ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা এখনো দেয়া হয়নি। তাই, ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা হলেই রেয়াত প্রাপ্য হবে।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
জনমনে ভ্যাট সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ আমরা আপনাদের সাথে নতুন অর্থ-বছরে ভ্যাট কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত কিছু বিষয় আলোচনা করবো, ইন-শা-আল্লাহ।
আজ ১ জুলাই। ২০২৪-২৫ অর্থ-বছর শুরু হয়েছে। যারা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভ্যাট সংক্রান্ত হিসাব রাখেন তারা দয়া করে আগের হিসাব ক্লোজ করে দিয়ে আজ থেকে নতুন করে হিসাব শুরু করুন। যাদের সিএ অডিট রিপোর্ট করাতে হবে, তারা খেয়াল রাখবেন যেন ভ্যাটের দাখিলপত্রে দেখানো বিক্রয় এবং সিএ অডিট রিপোর্টে দেখানো বিক্রির মধ্যে মিল থাকে। যারা অনলাইনে দাখিলপত্র দাখিল করেন না, তারা অর্থ-বছরের শুরু থেকেই অনলাইনে দাখিলপত্র দাখিল করা শুরু করুন। এতে অনেক সুবিধা আছে।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।
প্রশ্ন : উৎপাদনকারী ট্রেডিং করতে পারবেন কি না।
উত্তর : সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করা সকলের সাংবিধানিক অধিকার। ভ্যাট আইনে এর কোনো ব্যত্যয় নেই, থাকতে পারে না, থাকা উচিত নয়।
সাধারণত উৎপাদনকারী অন্যের পণ্য ট্রেডিং করেন না। তিনি নিজের পণ্য ট্রেডিং করেন। তাই, ১৯৯১ সনের ভ্যাট আইনের আওতায় বলা হতো যে উৎপাদনকারী অন্যের পণ্য ট্রেডিং করতে পারবেন না। আসলে তখন এমন কাজ করা হতো না।
বর্তমানে অর্থনৈতিক কার্যক্রম অনেক বেড়েছে। কাজের এখন মাত্রাও বহুধা বিভক্ত হয়েছে। এখন এমন কাজ অনেকে করছেন। অর্থাৎ একজন উৎপাদনকারী তার পণ্য ট্রেডিং করার পাশাপাশি হয়তো আমদানি করে সমজাতীয় পণ্য ট্রেডিং করে থাকেন। তিনি করতে পারবেন।
আইনে কোনো নিষেধ নেই। তবে, হিসাবপত্র আলাদা রাখা ভালো। তার নিজের পণ্যের সাথে যেন আমদানিকৃত বা ক্রয়কৃত পণ্য মিশে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া, তার ট্রেড লাইসেন্স এবং ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশনে ট্রেডিং উল্লেখ থাকতে হবে।
সহজ উত্তর হলো, উৎপাদনকারী অন্যের পণ্য কিনে ট্রেডিং করতে পারবেন। স্বচ্ছভাবে হিসাবপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।
কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবার ওপর ভ্যাটের প্রযোজ্যতা।
কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হবে কি না। মূল বিষয় হলো “কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবা” বলতে কী বোঝায়? কম্পিউটার জগতে আমরা দেখি হার্ডওয়ার, সফটওয়্যার, ডাটা সেন্টার, ব্যাক-আপ সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ বা সমজাতীয় অন্য কোনো ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি। এই সব তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করতে যে সেবা প্রদান করা হয়, সেই সেবা হলো কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ সেবা। এসআরও নং-১৮৬-আইন/২০১৯/৪৩-মূসক, তারিখ: ১৩ জুন, ২০২৯ খ্রিষ্টাব্দ এ বর্ণিত সেবার সংজ্ঞা অনুসারে, কনসালট্যান্সি সেবার পরিধি হলো: সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পরামর্শ দেয়া ও তদারকি করা।
প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় খন্ডের অনুচ্ছেদ ৬(খ)তে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করা হয়েছে এবং ব্র্যাকেটে বলা হয়েছে যে কনসালট্যান্সি সেবা ব্যতীত। কনসালট্যান্সি সেবার যে পরিধি রয়েছে সেই পরিধি অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন বা তদারকি কাজ করেন, তাহলে তা হবে কনসালট্যান্সি সেবা। আর কোনো ব্যক্তি যদি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমষ্টি তথা ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, তথ্য প্রযুক্তি সিস্টেম তথা ডাটা সেন্টার, ব্যাকআপ সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া কাঠামো ইত্যাদি নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ইত্যাদি কাজে সেবা প্রদান করেন তাহলে তা হবে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবা। আইনের প্রথম তফসিল অনুসারে, ব্যক্তিগতভাবে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ সেবা প্রদান করা হলে তা ভ্যাটমুক্ত হবে।
কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক ব্যক্তিগতভাবে প্রদত্ত সেবা ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিল অনুযায়ী ভ্যাটমুক্ত হবে। তবে, রেগুলেটরী এজেন্সী যদি এ বিষয়ে অন্যবিধ কোনো নির্দেশনা দেয় বা দিয়ে থাকে, তাহলে তা পরিপালন করতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য দয়া করে সংযুক্তি দেখুন।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
উপকরণ কর রেয়াত সম্পর্কে আমাদের অনেকের ভালো ধারণা নেই। উপকরণ কর রেয়াত হলো একটা সুযোগ যা সরকার ভ্যাটদাতাকে দিয়েছে। উপকরণ কর রেয়াত নিলে ভ্যাটের নীট বারডেন ২/৩ পার্সেন্টের বেশি হয় না।
যারা ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রদান করেন এবং যারা রপ্তানি করেন তাঁরা উপকরণ কর রেয়াত নিতে পারেন। উপকরণ কর রেয়াত হলো, ক্রয় করা উপকরণের ওপর যে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়েছে, তা নিয়ে নেয়া।
যাদের ভ্যাট হার ১০%, ৭.৫%, ৫% তাঁরাও ১৫% ভ্যাট প্রদান করে উপকরণ কর রেয়াত নিতে পারেন। উপকরণ কর রেয়াত সম্পর্কে আরো জানতে হলে দয়া করে আপনার গ্রুপের ভ্যাট ফোরামের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ধন্যবাদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
23/4 Kunipara, Tejgaon
Dhaka