Easy Click
Embrace the journey, not just the destination." Every day is a new opportunity to make a difference
02/05/2026
কারিগরি শিক্ষার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে এক গভীর সংকটের মুখোমুখি।
যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী এই ধারায় ভর্তি হন, সেই স্বপ্ন এখন অনেকের কাছেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গণহারে ‘রেফার্ড’ বা অকৃতকার্য হওয়া এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ‘ড্রপ আউট’ হওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতি কেবল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করছে না, বরং দেশের কারিগরি শিক্ষার মানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগের তীর সরাসরি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের দিকে। ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, পরীক্ষার খাতায় যথাযথ উত্তর দেওয়ার পরেও আশানুরূপ ফলাফল আসছে না।
অনেকের দাবি, এটি কোনো সাধারণ ভুল নয়, বরং এর পেছনে কাজ করছে একটি সুপরিকল্পিত ‘রেফার্ড বাণিজ্য’। প্রতিবার পুনরপরীক্ষার জন্য যে অতিরিক্ত ফি জমা দিতে হয়, সেই অর্থের লোভে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দিচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে।
এই ক্ষোভ কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, অনেক শিক্ষকও ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাদের মতে, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতার অভাব এবং ফলাফল প্রক্রিয়াকরণে গাফিলতি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে।
এই অব্যবস্থাপনার পরিণতি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার এক করুণ দৃষ্টান্ত হয়ে রইলেন শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার। ক্যাম্পাসে অত্যন্ত মেধাবী হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফলাফলে অনাকাঙ্ক্ষিত চাপের মুখে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; ড্রপ আউট এবং ফলাফল বিপর্যয়ের গ্লানি সইতে না পেরে প্রতি বছর অনেক সম্ভাবনাময় তরুণ আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছেন অথবা স্থায়ীভাবে শিক্ষা জীবন থেকে ছিটকে পড়ছেন। একটি শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর কী হতে পারে?
একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। অথচ সেই দক্ষ কারিগর গড়ার কারখানায় যদি দুর্নীতির ছায়া পড়ে, তবে জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে পড়ব। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের উচিত অবিলম্বে খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল স্ক্রুটিনাইজেশনের মাধ্যমে ফলাফল ত্রুটিমুক্ত করা। একইসাথে ‘রেফার্ড’ ফি আদায়ের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা
📌📌রেফার্ড আসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কিছু কথা দয়া করে পুরোটা পরে মন্তব্য করুন📌📌
এবারের খাতা মুল্যায়নে ত্রুটি আছে এবং এটা সম্পুর্ণ বোর্ড কতৃপক্ষকে দায়ি করা হচ্ছে। আর এবার খাতা মুল্যায়ন খারাপ হওয়ার জন্য অনেক শিক্ষার্থীর সুন্দর জীবন নষ্ট হচ্ছে (ইতিমধ্যে একজন মারাও গেছেন)
অতএব এমত অবস্থায় বোর্ড কৃতপক্ষের উচিত হবে যাদের ৪টা তে রেফার্ড তাদেরকে ১টা পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া এবং যাদের ৫টাতে রেফার্ড আছে তাদের ২টা পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া এভাবে পর্যাইক্রমে করা।আর যাদের ৩টা আছে তাদের তো বছর লস যাচ্ছে না তাদের সুযোগ না দিলেও হবে এবং সেটা খুব শীঘ্রই করা উচিত যেন শিক্ষার্থীদের বছর লস না যাই এবং নতুন করে যেন আর কোন শিক্ষার্থীর সাথে দুর্ঘটনা না ঘটে।
কারণ সামান্য এই পরিক্ষার থেকে একটি জীবনের মুল্য অনেক বেশি
বাংলাদেশের যত শিক্ষা বোর্ড রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে অব্যবস্থাপনায় ভরা যদি কোনো বোর্ডের নাম বলতে হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-এর নামই সামনে আসে।
এই বোর্ড যেন শিক্ষার্থীদের “শিক্ষার্থী” হিসেবেই বিবেচনা করতে চায় না। তাদের সিদ্ধান্ত, মূল্যায়ন—সবকিছুতেই রয়েছে এক ধরনের অস্বচ্ছতা এবং অবহেলা। বিশেষ করে “রেফার্ড” বা “ড্রপআউট” বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট কারণ আছে।
প্রথমত, এই অস্বাভাবিক হারে রেফার্ড হওয়ার পেছনে বোর্ডের মূল্যায়ন পদ্ধতিই সবচেয়ে বেশি দায়ী। খাতা কীভাবে দেখা হয়, কীভাবে নম্বর দেওয়া হয়—এসব নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী যদি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারে যে সে পাশ করবে, তাহলে ফলাফল এমন বিপরীত হয় কীভাবে?
একটা বড় প্রশ্ন—কীভাবে মাত্র ১০-১৫% শিক্ষার্থী পাশ করে, আর বাকি ৮৫% ফেল করে? তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে এত বড় সংখ্যক শিক্ষার্থী একসাথে পড়াশোনা করে না? নাকি সমস্যাটা অন্য কোথাও?
দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার নিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় ঠিকই, কিন্তু ফলাফলে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন বা স্বচ্ছতা দেখা যায় না। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—আসলে কি খাতা পুনরায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়?
এই অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী হতাশায় ভুগছে, কেউ কেউ মাঝপথেই ডিপ্লোমা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। একটি ভুল বা অস্পষ্ট মূল্যায়ন একটি শিক্ষার্থীর পুরো ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিতে পারে—এই বিষয়টি বোর্ডের বুঝা উচিত।
আমাদের দাবি খুব সাধারণ—
✔️ সঠিক ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন
✔️ খাতা দেখার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি
✔️ বোর্ড চ্যালেঞ্জের কার্যকর ফলাফল
✔️ শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ
আমরা চাই না কোনো অন্যায় সুবিধা, চাই শুধু ন্যায্য বিচার।
বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র আন্দোলন-এর প্রতি আহ্বান—এই সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখুন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেন আর কোনো ধরনের অবহেলা না হয়।
30/04/2026
📛নিউজ📛
সম্প্রতি প্রকাশিত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন পর্বের ফলাফলে সারা দেশে বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে। ৪৯টি সরকারি ও প্রায় ২০০টি বেসরকারি পলিটেকনিকের ২,১৮,৬২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৮৭,৬৪৩ জন, যার হার ৪০.১ শতাংশ। তবে জুনিয়র পর্বগুলোতে পাশের হার উদ্বেগজনক হলেও ৮ম পর্বে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী সফল হয়েছেন।
ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্বাভাবিক হারে ফেল এবং ফলাফলে গড়মিলের অভিযোগ তুলেছেন। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকা, শিক্ষক সংকট ও সিলেবাস শেষ না হওয়ার মতো সমস্যাগুলোকে এই গণফেলের কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী রেফার্ড হওয়ায় ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।
©️ Polytechnic Notice
সফল হলে তুমি সবার, ব্যর্থ হলে তুমি শুধুই তোমার।
সবাই শুধু বলে এটা কর ওটা কর কিন্তুু কিছু করার জন্য কেউ কোনোদিন সাপোর্ট করে না এটা বাস্তব।
টাকা পয়সা ছাড়া আপনার মূল্য কোথাও নেই পরিবারের কাছে ও নেই আপনার প্রিয়জনদের কাছে ও নেই।
সুতরাং টাকা উপার্জন কর পরিশ্রম কর সবাইকে দেখিয়ে দাও তুমিও পার মনে রাখবেন কোনো কাজই ছোট না।
আলহামদুলিল্লাহ ❤️
পবিএ জ্বিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে ।আগামী ৭.৬.২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে পবিএ ঈদুল আজহা ॥🌙🌙
আল্লাহ সবাইকে সুষ্ঠ সুন্দরভাবে কোরবানির করার তৌফিক দান করুক॥
23/05/2025
Jummah Mubarak..
Every Muslim's dream.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Dhaka