RFC

RFC

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RFC, Digital creator, Dhaka.

04/12/2025

Films

Photos from RFC's post 16/11/2025

মায়া হাজারিকা। আমরা প্রায় ভুলেই গেছি তুখোড় এই অভিনয় শিল্পীর নাম। অভিজাত পরিবারের এই মেয়েটি এ দেশে নির্মিত, শুধু এ দেশেই নয় তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রথম রঙীন চলচ্চিত্র, জহীর রায়হান পরিচালিত "সংগম" ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে রুপালী পর্দায় আসেন। কখনো মা কখনো ভাবী এমন সব গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করলেও দর্শক মনে স্থায়ী আসন তৈরি করে নেন খল চরিত্রের নারী অভিনেত্রী হিসেবে। সাধারণ দর্শকদের কাছে তিনি ভয়ংকর এক নারী ভিলেন হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। সাতরঙ, ক্যায়সে কহু , গুনাই বিবি, মিলন , নয়নতারা, এইতো জীবন, যে আগুনে পুড়ি , বিনিময়, বাঁদি থেকে বেগম, দিনের পর দিন, কন্যাবদল, বাসর ঘর, রূপালী সৈকতে, অনুরাগ, মাটির ঘর, মধুমতি , আরাধনা, স্বামী, বৌরানী, অংশীদার, মৌচোর , সুখের সংসার, মাসুম , ভাংগা গড়া, রসের বাইদানী, মনা পাগলা, আশা নিরাশা, লড়াকু, নবাবজাদী, দোলনা, বিসর্জন, কমান্ডার, সমর সহ অসংখ্য ছবিতে মায়া হাজারিকার সমৃদ্ধ অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিলো। গুনী এই অভিনয় শিল্পী ১৯৯৪ সালের ৪ নভেম্বর, ঢাকায় প্রয়াত হন। গভীর শ্রদ্ধা মায়া হাজারিকার প্রয়ান দিনে।

16/11/2025

বৃন্দাবন দাস ও তার পরিবার।

28/10/2025

ঢাকায় অ্যাকশন সিনেমার অগ্রপথিক জহিরুল হক সাহেব......

জহিরুল হক বাংলা চলচ্চিত্রে স্থায়ী আসন পাওয়া এক নির্মাতা। ঢাকায় অ্যাকশন ধারার ছবির নির্মাণ শুরু তার হাতেই। সামাজিক ধারায়ও তিনি সফল। জহিরুল হক অভিনেতা হিসেবেও উজ্জ্বল নক্ষত্র ।

১৯৪২ সালের ২৮ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার ভূরভুরিয়া গ্রামে জহিরুল হক সাহেব জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ১৯৯৩ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় মা/রা যান।

ষাটের দশকের শুরুতে মঞ্চে যুক্ত হন জহিরুল হক। ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চে অভিনয় ও নাটক রচনা করেছেন সমানতালে। সুভাষ দত্তের হাত ধরে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে তার। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পায় ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ নামে ঢাকার প্রথম অ্যান্থলজি ফিল্মটি।

একে একে অভিনয় করেন আলিঙ্গন, সন্তান, রং বদলায়, পদ্মানদীর মাঝি, অরুণোদয়ের অগ্নিস্বাক্ষী, সংগ্রাম, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, বসুন্ধরা, সারেং বউ, সূর্যদীঘল বাড়ি, ডুমুরেরফুল, ঘর জামাই, এখনই সময়, ঘরণী, রজনীগন্ধা, মহানায়ক, প্রেম কাহিনী, সারেন্ডার, সন্ধি, দুই জীবন, অন্ধবিশ্বাস, আদিল, চোরের বউ, মাস্তান রাজা ছবিতে।

টিভি নাটকেও পরিচিত মুখ ছিলেন জহিরুল। সাড়া জাগানো সংশপ্তক, ফেরা, তমা, ঢাকায় থাকি, ডুব সাঁতারসহ বহু নাটকে অভিনেতা প্রতিভা দেখিয়েছেন চিনি।

তবে সবচেয়ে সফল চলচ্চিত্র নির্মাণে। অনেক জনপ্রিয় ও ক্লাসিক ছবির সঙ্গে জড়িত তিনি। নিজের নির্মিত প্রায় সব ছবির কাহিনি-চিত্রনাট্য-সংলাপ তার। লিখেছেন অন্যদের জন্যও। তার লেখা থেকে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র— আবির্ভাব (কাহিনি), সূর্য ওঠার আগে (কাহিনি-সংলাপ), পালা বদল (সংলাপ), রং বদলায় (কাহিনি-সংলাপ), পদ্মানদীর মাঝি (সংলাপ), নিজেরে হারিয়ে খুঁজি (চিত্রনাট্য-সংলাপ), নাচের পুতুল (চিত্রনাট্য-সংলাপ), রং বদলায় (কাহিনি-সংলাপ), রংবাজ (কাহিনী-চিত্রনাট্য-সংলাপ), সাধু শয়তান (চিত্রনাট্য-সংলাপ) ও লাঠিয়াল (কাহিনি)।

জহিরুল হকের পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘রংবাজ’, মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে। অন্যান্য ছবির মধ্যে রয়েছে কী যে করি, দম মারো দম, কেউ কারো নয়, ঘর জামাই, প্রাণ সজনী, প্রেম বন্ধন, চেনামুখ, সারেন্ডার, মরণপণ, কুসুমপুরের কদম আলী, বিজয়, জিজ্ঞাসা, গর্জন, রক্তের বদলা, চোরের বউ, জনি ওস্তাদ, সতীনের সংসার ও তুমি আমার।

জহিরুল হকের সিনেমার উল্লেখযোগ্য অংশ হলো গান। অনেক কালজয়ী ও জনপ্রিয় পাওয়া যায় তার পরিচালনায়। যেমন; সে যে কেন এলো না কিছু ভালো লাগে না, হৈ হৈ রঙিলা রঙিলা রে (রংবাজ), শোনো গো রুপসী ললনা আমাকে যখন তখন চোখ রাঙানো চলবে না (কী যে করি), ভালোবেসে গেলাম শুধু ভালবাসা পেলাম না (কেউ কারো নয়), ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, কী জাদু করিলা পীরিতি শিখাইলা (প্রাণসজনী), সবাইতো ভালোবাসা চায় হারায় (সারেন্ডার) এবং জ্বালাইয়া প্রেমের বাতি কোথায় তুমি থাকো রে ( তুমি আমার)।

আমি এই বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি ।

21/10/2025
14/10/2025

কৌতুক অভিনেতা দিলদার
এক কন্যা উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা অপর কন্যা এমবিবিস ডাক্তার, দুজন কন্যার গর্বিত পিতা জনপ্রিয় অভিনেতা দিলদার (দিলদার হোসেন) ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জানুয়ারী, চাঁদপুরে জেলার শাহতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি এসএসসি পাস করার পর, আর লেখা-পড়া করেননি। চাকরি করতেন হোটেল পূর্বাণীতে, এখানেই দেখা হয় আরেক গুণি অভিনেতা অমল বোস-এর সাথে, আর অমল বোসই তাকে নিয়ে আসেন চলচ্চিত্রে।

দিলদার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র, অমল বোস পরিচালিত কেন এমন হয় মুক্তিপায় ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে। তিনি আরো যেসব ছবিতে অভিনয় করেন- দুস্য বনহুর, শাহজাদা, অংশীদার, টক্কর, গাঁয়ের ছেলে, ওমর শরীফ, কোরবানি, সোনার তরী, নবাবজাদী, সুখের সংসার, জনতা এক্সপ্রেস, নাগ নাগিনী, নাগপুর্নিমা, সি আই ডি, বিদ্রোহী, মহানায়ক, তাসের ঘর, অস্বীকার, লড়াকু, ওগো বিদেশিনী, যন্ত্রণা, ভেজাচোখ, বেদের মেয়ে জোসনা, আপন দুলাল, মৃত্যুর মুখে, বিক্ষোভ, অন্তরে অন্তরে, দাঙ্গা, পাগল মন, নয়ালায়লা নয়ামজনু, দোলনা, কন্যাদান, চাওয়া থেকে পাওয়া, সুন্দর আলী, জীবন সংসার, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, শান্ত কেন মাস্তান, গাড়িয়াল ভাই, মনে পরে তোমাকে, বীর সৈনিক, কুখ্যাত খুনী, কুলি, ডন, অচিন দেশের রাজকুমার, প্রেম যমুনা, নীল সাগরের তীরে, বাঁশিওয়ালা, আব্দুল্লাহ, বীর পুরুষ, নিষ্ঠুর, দূর্জয়, স্বপ্নের পৃথিবী, এই ঘর এই সংসার, তেজী, প্রিয়জন, বিচার হবে, কালুগুন্ডা, শুধু তুমি, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, শান্ত কেন মাস্তান, গুন্ডা নাম্বার ওয়ান, তুমি কি সেই, বিষেভরা নাগিন, নাচনেওয়ালী, খাইরুন সুন্দরী, প্রিয়জন, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, তুমি শুধু আমারসহ অসংখ্য ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন।

দিলদার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে, তুমি শুধু আমার ছবিতে অভিনয়ের জন্য।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সেরা কৌতুক অভিনেতাদের অন্যতম একজন ছিলেন, দিলদার। নিখুত অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমা পর্দায় সবচেয়ে বেশি হাস্যরস ফুটিয়ে তোলায় পারদর্শি অভিনেতা ছিলেন তিনি। একসময়ে কৌতুক অভিনয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান নেন তিনি। দর্শকদের অতিপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে, বক্সঅফিসে নিজের চাহিদাকে স্টার পর্যায়ে উন্নিত করতে সক্ষম হন। হয়ে ওঠেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা। এমন একসময় গেছে যে, কোনো কোনো ছবির স্ক্রিপ্ট শুধু তার জন্য আলাদা ভাবে লেখা হত।
গুণী অভিনেতা দিলদার ভাই কে সৃষ্টি কর্তা প্রশান্তিতে রাখুন-আমিন।

15/09/2025

জনপদ

16/08/2025

কচি বউ বুড়ো বর👫 কচি বর বুড়ী বউ👩‍❤️‍👨!
কি অদ্ভূত সমীকরণ

05/08/2025

মা❤️

26/05/2025

"আহসান ভাদাইমা" টাঙ্গাইলে সর্বপ্রথম যে সঙ চালু করেছিলো, যে ব্যক্তি কৌতুক করে টাঙ্গাইল ও টাঙ্গাইলের বাইরের মানুষদের আনন্দ দিয়েছে। যার কৌতুক দেখার জন্যে টাঙ্গাইলসহ বাকি ৬৩ জেলার মানুষ এখনো আগ্রহী, যাকে আমরা সবাই 'আহসান ভাদাইমা বলে চিনি আজকে তার তৃতীয় মৃ"*তু বার্ষিকী।

ঠিক আজকের দিনে এই কৌতুক অভিনেতা তার অভিনয় জগৎকে বিদায় জানিয়ে সবাইকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

ছোটবেলায় বাজার থেকে তার সিডি কিনে আনতাম, দোকানে তার সঙ এর ভিডিও চালু।হইলেই একটা দৌড় দিতাম! কিন্তু মানুষটা আজকে নেই তিনবছর পূর্ণ হলো।
তারপরেও এখনো দেশের অধিকাংশ জেলাতে তার ভিডিওর সিডি চলে। এখনো দেশের অনেক মানুষ তার ভিডিও দেখার জন্যে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এখনো তার ভিডিও মানুষকে হাসাতে বাধ্য করে। যেনো এখনো তার জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্র কমেনি!
শুধু টাঙ্গাইল জেলা নয় এখনো পুরো বাংলাদেশের মানুষ এমনকি প্রবাসীদের কাছেও তিনি জনপ্রিয় আছেন, আজীবন থাকবেন....এখনো অনেকে তার ভিডিও দেখে থাকেন শুধু মাত্র তার হাস্যকর অভিনয় দেখার জন্যে।
গোপালভাড়কে যদি হাসির রাজা বলা হয় তাহলে এই মানুষটাকে কৌতুকের রাজা বলা যেতেই পারে...
কিছু মানুষ তার অভিনয়ের দ্বারাই অমর হয়ে থাকেন এই আহসান আলীও ঠিক তেমনি তিনি আমাদের মাঝে নেই তবুও তিনি ছিলেন, তিনি আছেন, তিনি থাকবেন।
শেষে আপনাকে আমাকে বলতেই হবে যে, একসময় আমাদের টাঙ্গাইলে বিখ্যাত কৌতুক রাজা আহসান আলী বাস করতেন...

24/05/2025

আমরা হয়তো অনেকেই জানিনা গুরু জেমস ভাইয়ের গাওয়া " তারায় তারায় "
গানটার বেপারে,

বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নাগরিক কবি ছিলেন শামসুর রাহমান। দুই বাংলাতেই তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত।একুশে পদকে ভূষিত এ কবির ‘উত্তর’ কবিতা অবলম্বনে একটি গান করেছেন নগরবাউল জেমস।

১৯৯৫ সালের কথা।

কবির অনুমতি নিয়ে নিজের ব্যান্ড ফিলিংসের ‘নগরবাউল’ অ্যালবামের জন্য জেমস গেয়েছিলেন ‘তারায় তারায়’। প্রকাশের পরপরই সাড়া ফেলে এটি।
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো’ তখন পাড়া-মহল্লায়, শহরের অলিতে-গলিতে, এমনকি গ্রাম-গঞ্জে সববয়সী শ্রোতার মুখে ছড়িয়ে পড়ে।

৩০ বছর পেরিয়েও ‘তারায় তারায়’ গানটি সমান জনপ্রিয়।

তারায় তারায়

সুন্দরীতমা আমার
তুমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে বলতে পারো
এই আকাশ আমার।

নীলাকাশ রবে নিরুত্তর
মানুষ আমি চেয়ে দেখো
নীলাকাশ রবে নিরুত্তর
যদি তুমি বলো আমি একান্ত তোমার,
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

ক্যামেলিয়া হাতে এই সন্ধ্যায়
ভালবেসে যতো খুশি বলতে পারো এই ফুল আমার।

ফুল শুধু ছড়াবে সৌরভ লজ্জায় বলবে না কিছু
ফুল শুধু ছড়াবে সৌরভ লজ্জায় বলবে না কিছুই
ফুল থাকবে নিরব।

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

জোছনা লুটালে তুমি অধিকার নিয়ে বলতে পারো
এই জোছনা আমার।
এই চাঁদ খুঁজবে না উত্তর একবার যদি বলো
এই চাঁদ খুঁজবে না উত্তর একবার যদি বলো আমাকে

আমি থাকবো না নির্বাক,
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো
আমি তোমার তুমি আমার।

শামসুর রাহমানের কবিতা ‘উত্তর’

তুমি হে সুন্দরীতমা নীলিমার দিকে তাকিয়ে বলতেই পারো
‘এই আকাশ আমার’
কিন্তু নীল আকাশ কোনো উত্তর দেবে না।
সন্ধ্যেবেলা ক্যামেলিয়া হাতে নিয়ে বলতেই পারো,
‘ফুল তুই আমার’
তবু ফুল থাকবে নীরব নিজের সৌরভে আচ্ছন্ন হয়ে।
জ্যোত্স্না লুটিয়ে পড়লে তোমার ঘরে,
তোমার বলার অধিকার আছে, ‘এ জ্যোত্স্না আমার’
কিন্তু চাঁদিনী থাকবে নিরুত্তর।
মানুষ আমি, আমার চোখে চোখ রেখে
যদি বলো, ‘তুমি একান্ত আমার’, কী করে থাকবো নির্বাক?
তারায় তারায় রটিয়ে দেবো, ‘আমি তোমার, তুমি আমার’....

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


Dhaka