Bookmark

Bookmark

Share

বুকমার্ক - বইয়ের ক্রেতা নয়, পাঠক তৈরি করি!

বই আমাদের অবসরের সঙ্গী, আমাদের সুখ ও দুঃখের সঙ্গী। বই আমাদের দেয় আনন্দ, খুলে দেয় আমাদের জ্ঞনের চোখ। আমাদের শেখায় মূল্যবোধ। বই আমাদের নিয়ে যায় এমন এক অজানা দুনিয়ায় যা আমাদের কঠিন বাস্তবতা থেকে একটু হলেও মুক্তি দেয়। বই আমাদের কল্পনাশক্তিকে বাড়ায়। তাই বুকমার্কের ছোট প্রয়াস সে সব বইপ্রেমীদের জন্য যারা বই পড়তে ভালোবাসে তাদের হাতে তাদের প্রিয় বইটি তুলে দেবার। :)

19/06/2026

স্টিরিয়ার নির্জন এক জায়গায় বিরাট প্রাসাদ দুর্গে বাবার সাথে বাস করে লরা। লরার বাবা ইংরেজ হলেও জায়গাটার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি, তাই আর দেশে ফেরেননি। ইংল্যান্ড দেখা হয়নি লরার। খানিকটা দূরে কার্নস্টাইন গ্রাম, যেখানে এককালে বাস করতো এই অঞ্চলের শাসক 'কার্নস্টাইন বংশ'। এখন আর সেই বংশের কেউ বেঁচে নেই, গ্রামটাও কোনো এক রহস্যময় কারণে একেবারেই ফাঁকা হয়ে গেছে। কেউ থাকে না ওখানে... ভয়ে। কীসের ভয়?

হুট করেই ওদের বাড়িতে আগমন ঘটলো এক রহস্যময় অতিথির, লরার বয়সিই একটা মেয়ে। নাম কারমিল্লা... অপূর্ব সুন্দরী সেই মেয়েটি, যেন রূপে স্বর্গের দেবীদেরও হার মানায়। কিন্তু আসলে কে ও? কোথা থেকে এসেছে? কোথায় ওদের প্রাসাদঃ এসব নিয়ে মেয়েটা কেন কিছু বলে না?

জেনারেল স্পিয়েলসডর্ফের ভাতিজির রহস্যময় মৃত্যুর জন্য কে দায়ী? কাকে হন্য হয়ে খুঁজছেন তিনি।

লরাদের প্রাসাদের আশেপাশের গ্রামগুলোতে কি কোনো রহস্যময় রোগ ছড়িয়ে পড়ছে? যাতে আক্রান্ত হয়ে রক্তশূন্যতায় ভুগে মারা যাচ্ছে মেয়েরা?

প্রতিদিন রাতে কোথায় যায় কারমিল্লা? কী করে বের হয় সে প্রাসাদ থেকে?

হুট করেই কেন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে লরা? ভয়াবহ দুঃসপ্নগুলো কেন হানা দিচ্ছে ওর স্বপ্নে? সত্যিই কি এমন কোনো পিশাচ আছে যারা মানুষের রক্ত চুষে নেয়? নাকি সবই

পিছিয়ে থাকা পূর্ব ইউরোপের কুসংস্কার?

এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে পৃথিবীর প্রথম সফল ভ্যাম্পায়ার সংক্রান্ত উপন্যাসিকা 'কারমিল্লা'য়, যেটি পড়ে ব্রাম স্টোকার তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ 'ড্রাকুলা' লেখার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।

19/06/2026

বাবা-মা আর বড়ো দাদা অমিতাভ, মেজো দিদি নিয়ে সাত-আট বছরের গৌতমের সাজানো সুখের সংসার। ছোটো একটা ফুল বাগান আছে গৌতমের। অমিতাভদা গড়ে দিয়েছেন। বড়ো প্রিয় তার সেই বাগান।

ফুলে ফুলে ভরে থাকে।

গৌতমের বোনের বিয়ের পর তার মা পড়লেন কঠিন

অসুখে। কলকাতা থেকে ছুটে এলেন অমিতাভদা। এরপর জানা গেল বাবা যেমন তার দাদাকে না জানিয়েই এক জায়গায় বিয়ের পাকা কথা দিয়ে রেখেছেন, তেমনি তার দাদাও এক গরিব বন্ধুর বোনকে বিয়ে করার কথা দিয়ে রেখেছেন।

বাবার সাথে জেদ করে অমিতাভদা বিয়ে করলেন সেই বন্ধুর বোন শুক্লাকে। বাবা মেনে নিতে না পেরে বের করে দিলেন নব দম্পতিকে। গৌতম পণ করল যে করেই হোক বাবাকে মানিয়ে দাদা আর বৌদিকে আবার ঘরে ফেরাবেন।

এদিকে একটা সময় তার ছোটোবেলার খেলার সাথি পিটুলীকে বউ পেতে গিয়েও সম্মুখীন হতে হলো অনেক বাধার। তৈরি হলো অনিশ্চয়তার।

গৌতম কি পারবে বাবাকে মানিয়ে দাদা আর বৌদিকে ঘরে ফেরাতে? পারবে কি পিটুলীকে বউ করে পেতে? তছনছ হয়ে যাওয়া সংসারকে কি পারবে আবার সাজাতে?

নিখাদ প্রেম-ভালোবাসার সাথে অন্যায়ের দাসত্ব, নায্য দাবী আদায়ে প্রতিবাদ- সব মিলেমিশে সামাজিক ঘরানার এটি এক অনুপম উপাখ্যান।

19/06/2026

গ্রামের সহজ-সরল এবং আত্মসচেতন যুবক মহেন্দ্র। এতিম এই যুবকের জগৎ তার বসন্ত রোগে দৃষ্টি হারানো দাদা দেবেন্দ্র, অসুস্থ বউদি অপর্ণা এবং এক ভাইপো খোকনকে ঘিরে। একসময়ের স্বচ্ছল পরিবার আজ দিন আনে দিন খায় অবস্থা। তাই অবস্থার উন্নতির জন্য শহরে তার বাবা ক্ষেত্রনাথের বন্ধু উমেশবাবুর কাছে কাজের জন্য আসে।

উমেশবাবু কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে থাকার ব্যবস্থাও করে দিলেন। শুরু হয় তার নতুন জীবন। আর এখানেই পরিচয় হয় উমেশবাবুর একমাত্র কন্যা মাধুরীর সাথে। ভদ্র, সংযত, সাংসারিক, খেলাধুলা থেকে সঙ্গীত সবকিছুতেই পারদর্শী এই মাধুরী তার তিন ভাইয়ের ভীষণ আদরের। বাড়ির কেউ তাকে কোনো কিছুতে বারণ করে না।

পুরো বাড়িতে এই একটিই মানুষই মহেন্দ্রর কাছের মানুষ হয়ে গেল। সেতারের সুরে তাদের মধ্যকার বন্ধন ধীরে ধীরে নিতে থাকে এক অন্য রূপ।

এই রূপ কি পূর্ণতা পাবে? নাকি ধনীর আদরের দুলালী চির অধরাই রয়ে যাবে এক গ্রাম্য যুবকের কাছে?

ভালোবাসার এই অদ্ভুত সুন্দর উপন্যাস দাগ কেটে যাবে সবার হৃদয়েই।

18/06/2026

আমাদের আশেপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলে অদ্ভুত সব ঘটনা। কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় আর কিছুর যায় না।

আমরা কেন যেন অসংজ্ঞায়িত ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি মাথা ঘামাই। প্রকৃতি হয়তো চায় না কিছু রহস্যের সমাধান হোক।

এই বইতে তেমন কিছু অপার্থিব আর অতিপ্রাকৃত গল্পই তুলে ধরা হয়েছে...

18/06/2026

'আয়নায় দেখেছ নিজেকে? কাজল দিলে কেমন লাগে জানো?' নিজের কথার গাম্ভীর্যে নিজেই চমকে গেলাম।

রুনু এবার সত্যিই ভড়কে গেল। তাকে দেখে প্রথম প্রথম বেশ শক্ত মনে হয়েছিল। কানের একপাশে চুল গুঁজলো রুনু। চোখের কোলে কেমন মেঘ জমল। এমন দৃষ্টি পুরুষের কোথায় গিয়ে আঘাত করে তা যদি মেয়েরা জানত!

'আসলেই বেশি খারাপ লাগছে? চোখ ধুয়ে আসব?'

আমি মনে মনে হাসলাম। খোলা বইয়ের মতো পুরুষদের প্রেমিকের চোখে দেখে না নারীরা। যে পুরুষ নারীকে বিভ্রান্ত করতে পারে, নারী সেই পুরুষের প্রেমে পড়ে।

18/06/2026

তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন
৩৭ জন তাবেঈর জীবনের গল্পভাষ্য নিয়ে রচিত এই বইটির খ্যাতি বিশ্বজোড়া ‘সুওয়ারুম মিন হায়াতিত তাবেয়িন’ নামে।
লেখক ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশা রাহি. ছিলেন ইলমের নগরী খ্যাত শাম তথা সিরিয়ার বিখ্যাত একজন আলেম। রাহনুমা'র প্রকাশনায় এই গ্রন্থটির অনুবাদ করে ‘তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন’ নাম দিয়েছেন মাওলানা মাসউদুর রহমান রাহি.।
এই বইটি যখন বাংলাভাষায় অনূদিত হয়, সেই সময়টাতে গুণে মানে এই জনরার বই কমই ছিলো। এখন অবশ্য শত শত বই। তবে প্রকাশের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বইটি তার পূর্বের পাঠকপ্রিয়তা যত্নের সাথেই ধরে রেখেছে।
এই বইটি সম্পর্কে ছোট্ট করে এই লিখাটা পড়লে মূল কন্টেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
একেকজন সাহাবার বিদায়ের দিনগুলিতে পৃথিবীতে একদিকে যেমন চলছিল হরিতাভ পাতাঝরার মৌসুম—অন্যদিকে তাদেরই মেহনত ও দোয়ার বরকতে জ্বলে উঠেছিল অন্য এক নক্ষত্রের দল। তাদের নাম তাবেয়িনে কেরাম।
দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে এই লোকগুলি কুরআন ও হাদিসের বাণী নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্বময়। সেইসব মহিরুহদের জীবনের অনবদ্য গল্প নিয়েই এই বই। এর পাঠে পাঠে দেখা মিলবে হাদিসচর্চার সোনালি সেই দিনগুলি; বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে উপস্থিত আছেন এরকম ৩৭ জন মনীষী।

18/06/2026

আমি তোমারে দাম দিই বইলা তুমি ভাবলা
সারা দুনিয়ার সবার কাছেই তুমি সমানভাবে দামী!
অথচ আমি মুখ ফিরাইয়া নিলে টের পাইবা
এই দুনিয়ার কাছে তুমি কিছুই না,
আমি দাম দিয়া তোমারে পৃথিবী বানাইয়া তুলছিলাম।

শোনো, অহংকারী হইয়ো না,
কেউ ভালোবাসলে সেটারে নেয়ামত মনে কইরো।
আর জানোই তো, নেয়ামতের কদর করতে হয়।

18/06/2026

"জীবনের মৃত্যুর মাঝখানে এসে থমকে গেছি আমি।আর তুমি প্রাণনাশিনী হয়ে ঘুরছো আমার কল্পলোকে।"
------------------------------
বই : শহর জুড়ে আলোর মেলা
লেখক : লাবণ্য ইয়াসমিন
প্রকাশনী : বই অঙ্গন প্রকাশন
প্রচ্ছদ : ফারিহা তাবাসসুম
মুদ্রিত মূল্য : ৫৫০৳
-------------------------
প্রি-অর্ডার মূল্য : ৩৬০৳
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৮৮
-------------------------
🛑 প্রি-অর্ডার করলে পাচ্ছেন :

* বুকমার্ক
* ⁠চিরকুট
* ⁠চাবির রিং
* ⁠নোটপ্যাড
* ⁠কালার এজ এডিশন

18/06/2026

ছাইয়ের স্তুপের পাশে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো নরেন। দেহে কোনো উদ্দীপনা অবশিষ্ট নেই তার। তার প্রচণ্ড ইচ্ছা হলো, এখানেই পড়ে মরে থাক সে, তার লাশ পচে এই রুক্ষ মাটিতে মিশে যাক, অথবা তার দেহটা কোনো মাংশাসী প্রাণীকে শিকারের কষ্ট থেকে মুক্তি দিক, তাকে সপরিবারে ভোজন করুক। সেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নিলো এখান থেকে সে আর নড়বে না, এখানেই ডুবে যাবে। এই সবুজের ভয়াল সমুদ্রে সে আর ভেসে থাকতে পারবে না।

তারপর কত সময় পার হয়েছে, পৃথিবী কতবার তার শরীরে নিরাপদ বিচরণ করেছে, সে টের ঘুরেছে নরেন তা জানে না। কত কীট, সরীসৃপ পেয়েছে তবুও নড়েনি। ধীরে ধীরে সে মাটি হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু হঠাৎ একদিন সে শুনতে পেলো টিয়া পাখির ডাক, এই ডাকে সে আর চোখ বন্ধ করে রাখতে পারলো না। ধীরে ধীরে চোখ খুলে দেখলো লাল পেড়ে সাদা শাড়ি শরীরে জড়িয়ে শ্যামল রঙের এক নারী তার দিকে ঝুঁকে তাকে মনোযোগ দিয়ে দেখছে। মেয়েটার কাঁধে একটা রঙীন টিয়া, পাখিটিও আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখছে। নরেনের মুখে একটা প্রশান্তির হাসি ফুটে উঠলো, ঠোঁটগুলো প্রাণ ফিরে পেলো, শুকনো কণ্ঠে নরেন বহুকষ্টে একটামাত্র শব্দ উচ্চারণ করতে পারলো, বিমলা।

18/06/2026

যারা বই ভালোবাসে, তারা জানে প্রতিটি বইয়ের ভেতরে লুকিয়ে থাকে একেকটি নতুন অনুভূতির জগৎ 📖✨
কিছু বই আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়, কিছু বই আবার জীবনের কঠিন সময় পার করার সাহস দেয় 💙
তাই বইয়ের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো সবসময়ই বিশেষ 🌿

আপনার প্রিয় বইটি সংগ্রহ করতে আজই ইনবক্স করুন 📩

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


House 20, Road 6, Block D, Banasree, Rampura
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:30 - 23:30
Tuesday 09:30 - 23:30
Wednesday 09:30 - 23:30
Thursday 09:30 - 23:30
Friday 09:30 - 23:30
Saturday 09:30 - 23:30
Sunday 09:30 - 23:30