Ssd_Talim
Dedicated to spreading the message of Islam through educational content, discussions, sharing, etc.
26/05/2026
আমাকে আপনাকে যদি বলা হয় যে, একটি দুআই শুধু কবুল করা হবে, আমরা তখন আল্লাহর কাছে কী চাইবো? অবশ্যই একেকজনের চাওয়া সেইসময় ভিন্ন ভিন্ন হবে। সবাই যার যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটার কথাই বলবে।
তবে ঠিক এরকমই একটি প্রশ্ন একবার আল্লাহর রাসুলকে(ﷺ)তার চাচা আব্বাস (রা)ও করেছিলেন। অনুরোধ করেছিলেন, তাকে যেন এমন একটি দুআ শেখানো হয়, যেই একটি দুআই এত ব্যাপক অর্থপূর্ন হবে যে, সেটা যদি কবুল হয় তাহলে আর কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হবে না। রাসুল ﷺ তখন তাকে যে দুআটি শিখালেন, তা হলো,
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ الْعَافِيَةَ فِيْ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে 'আফিয়াহ' চাই।দুনিয়া এবং আখিরাতে।
কী অর্থ 'আফিয়ার'?
— আফিয়াহ অর্থ দু:খ কষ্ট থেকে মুক্ত থাকা।
— আফিয়াহ অর্থ সুস্থ থাকা।
— আপনি আফিয়াহতে আছেন, যদি প্রয়োজন মাফিক রিযিক থাকে আপনার। যদি জীবনকে আপনি উপভোগ করতে পারেন, যদি আপনার সন্তানেরা সুরক্ষিত থাকে সবধরনের অনিষ্টতা থেকে, আপনি আফিয়াহতে আছেন।
— যদি আপনাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যদি দেয়া না হয় কোন শাস্তি বা আযাব, আপনি আফিয়াহতে আছেন।
সুবহানাল্লাহ! কত সংক্ষিপ্ত দুআ, অথচ কী ব্যপক অর্থবোধক। আপনি আফিয়াহ চাচ্ছেন, তার মানে আপনি আল্লাহকে বলছেন, তিনি যেন আপনাকে বাঁচিয়ে রাখেন যে কোন যন্ত্রনা, কষ্ট, অসচ্ছলতা, ক্ষতি ও পরিক্ষা থেকে। দুনিয়া আখিরাতের যাবতীয় মুসিবত থেকে।
আব্বাস (রা.)-কে যখন রাসুল ﷺ দুআটির কথা বললেন, তিনি প্রথমে উত্তর দিলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এত ছোট দুআ, আমি তো আরও বড় কিছু চেয়েছিলাম।
রাসুল ﷺ জবাব দিয়েছিলেন, প্রিয় চাচা! আল্লাহর কাছে আফিয়াহ চান। দেয়ার মত আফিয়ার চেয়ে উত্তম আর কিছু হতে পারে না।
___
তথ্যসূত্রঃ সুনান তিরমিযি, ২৬৭৫ ও রিয়াদুস সালেহীন।
©️ মাওলানা রিযওয়ানুল কবির হাফি.
29/10/2024
আমরা আপনার স্বপ্ন তৈরি করি, আমরা আপনার প্রয়োজন তৈরি করি ,মানুষের জীবন ধারণের জন্য আবাসন হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আর সেই আবাসন নির্মাণের সঠিক পরামর্শ দেওয়ার জন্য আমরা সদা প্রস্তুত আছি.
যেসব সাথী তাবলীগে সময় দেওয়ার পাশাপাশি আলেম-ওলামাদের মজলিসে বসেন এবং পীর-মাশায়েখদের দরবারে আসা-যাওয়া করেন তাদের উদ্দেশ্যে
মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের আরয:
একটি কথা স্মরণ রাখা প্রয়োজন; তা হল, প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই ই‘তিদাল ও ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। কোনো কাজের ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ি ও প্রান্তিকতা কাম্য নয়। কিছু সাথীকে দেখা যায়, তারা -মাশাআল্লাহ- উলামায়ে কেরামের সাথে সম্পর্ক রাখেন, মাশায়েখের ইসলাহী মজলিসেও হাজির হন; কিন্তু সাথে সাথে তাদের মাঝে একটি অবহেলাও পরিলক্ষিত হয়- তারা তাবলীগের কাজ একেবারেই ছেড়ে দেন অথবা কমিয়ে দেন।
স্মরণ রাখুন, এ অবস্থার সংশোধন জরুরি। কারণ এ থেকে অন্য সাথীদের প্রতি একটি ভুল বার্তা পৌঁছে। এ দেখে তাবলীগী অন্য ভায়েরা বলতে পারে, আমরাও যদি উলামায়ে কেরামের কাছে যাই অথবা মাশায়েখের ইসলাহী মজলিসে হাযির হই তাহলে আমাদের অবস্থাও তাদের মত হবে। এ বাহানায় ওই সাথীরা উলামায়ে কেরামের সোহবতের কল্যাণ থেকে মাহরূম হবে। সুতরাং চিন্তা-ভাবনা ও মশওয়ারার মাধ্যমে একটি সুন্দর নেযামুল আওকাত তথা কাজের তারতীব বানিয়ে নেওয়া উচিত, যার ভিত্তিতে তাবলীগী মেহনতও জারি থাকবে, মাশায়েখের সোহবত থেকে ফায়েদা উঠানোও জারি থাকবে।
মু‘তাদিল মেযাজ তাজরেবাওয়ালা সাথীদের থেকে মশওয়ারা নিয়ে চললে সহজেই সবদিক রক্ষা করে চলা সম্ভব হবে।
-মুফতি আবদুল মালেক হাফিজাহুল্লা
01/09/2024
রমযানের বাইরেও মেসওয়াকের এহতেমামের মাধ্যমে নামাযে প্রতি হরফে সাত হাজার নেকী অর্জন করা সম্ভব-
আল্লাহপাকের অনেক বড় দয়া আমাদের উপর যে, রমযানের বাইরেও এমন এক আমল তিনি দিয়েছেন সেই আমল যদি আমরা গুরুত্বের সাথে করতে পারি, তাহলে রমযানে নামাযের মধ্যে কুরআনে কারীম তেলাওয়াত করে যে পরিমাণ নেকী অর্জন করা যায়, রমযানের বাইরেও সেই আমলের বরকতে, রমযানের বরাবর নেকী লাভ করা সম্ভব।
রমযানে নামাযের মধ্যে কুরআনে কারীম তেলাওয়াত করলে প্রতি হরফে (১০০×৭০=৭০০০) সাত হাজার নেকী পাওয়া যায়। রমযানের বাইরে প্রতি হরফে ১০০ নেকী পাওয়া যায়। রমযানে তা ৭০ গুণ বৃদ্ধি পায় । এজন্য প্রতি হরফে সাত হাজার নেকী পাওয়া যায় রমযানে নামাযের মধ্যে তেলাওয়াত করলে।
রমযানের বাইরে নামাযের মধ্যে কুরআনের কারীম তেলাওয়াত করলে প্রতি হরফে ১০০ নেকী পাওয়া যায়। কিন্তু কেউ যদি মেসওয়াক ওয়ালা অজু করে নামায পড়ে সেই নামাযের মর্যাদা ৭০ গুণ বৃদ্ধি পায়। হাদীসে পাকে আছে, মেসওয়াক ওয়ালা অযুসহ নামায পড়লে সেই নামাযের মর্যাদা ৭০ গুণ বৃদ্ধি পায়।(মিশকাত শরীফ) অর্থাৎ সে নামাযের মধ্যে এক বার তেলাওয়াত করে, ৭০ গুণ তেলাওয়াতের সওয়াব পাবে। সে নামাযে একটি সিজদা করল, এই এক সিজদার দ্বারা সে ৭০টি সিজদার সওয়াব পাবে। এমনিভাবে পুরা নামাযের সওয়াব ৭০ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
আর তেলাওয়াতে তো প্রতি হরফে ১০০ নেকী যা ৭০×১০০ হবে সুতরাং ৭০০০ দাড়ালো । দেখা যাচ্ছে যে, রমযানের বাইরে যদি কেউ মেসওয়াক ওয়ালা অযু করে নামায পড়ে তাহলে সে প্রতি হরফে ৭০০০ নেকী পাচ্ছে। আর রমযানের ভিতরে যদি কেউ মেসওয়াক ওয়ালা অযু করে নামায পড়ে তাহলে তার ৭০০০ এর সাথে আরও ৭০০০ যোগ হবে।
21/01/2024
Projects :
PROPOSED G+7 STORIED RESIDENTIAL BUILDING.
Client :
HAZI HARUN PATWARY
Projects Location :
STAND ROAD , MUNICIPALITY CHANDPUR.Bangladesh.
Structural Engineer :Engr Muhammad Khorshed Alam
Structural Consultant:
SURAIYA STRUCTURAL DESIGN(SSD)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Telephone
Website
Address
East827 East Shewrapara Begum Rokeya Sharani, Mirpore
Dhaka
DHAKA-1216
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 05:00 |
| Tuesday | 09:00 - 05:00 |
| Wednesday | 09:00 - 05:00 |
| Thursday | 09:00 - 05:00 |
| Saturday | 11:00 - 04:00 |
| Sunday | 09:00 - 05:00 |