Law Lab

Law Lab

Share

Law Lab is a criminal and constitutional law chamber. It also provides legal assistance on land and other civil matters.

এই পেজ এর উদ্দেশ্য সাবলীল ভাষায় জনসাধারণের সামনে আইনি সমাধান তুলে ধরা। সমকালীন আইনি আলোচনায় অংশগ্রহণ করে আশু সমাধান নজিরসহ উপস্থাপন করা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল স্ট্যাটাস, ছবি, অডিও-ভিডিও ও লেকচার এর মাধ্যমে প্রকাশ করা।

14/06/2026

Vacancy Announcement!

10/06/2026

তারিণী কান্ত সিংহ ছিলেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকার একজন ভূমির মালিক ও দলিল লেখক। তার সঙ্গে অভিযুক্ত আব্দুল আলী, আব্দুল বারী ও অন্যান্যদের জমি ও বসতভিটা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। অভিযুক্তরা তার জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির মাধ্যমে সম্পত্তি আত্মসাৎ করার ষড়যন্ত্র করছিল। মৃত ব্যক্তি এ বিষয়ে থানায় জিডি ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগও করেছিলেন। ৪ মার্চ ১৯৭৯ রাতে কিছু ব্যক্তি তারিণী কান্ত সিংহকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কয়েকদিন পর ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ডোবা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং বস্তাভর্তি বালু ও ইট দিয়ে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল।
প্রথমে গফরগাঁও থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশ ও পরে সিআইডি তদন্ত পরিচালনা করে। মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অতিরিক্ত দায়রা জজ, ময়মনসিংহ তিনজন অভিযুক্ত আব্দুল আলী, আব্দুল বারী ও আব্দুস সোবহানকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং বাকি অভিযুক্তদের খালাস দেন। দণ্ডিত আসামিরা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করেন।
হাইকোর্ট বিভাগ আপিল খারিজ করে ট্রায়াল কোর্টের দণ্ড বহাল রাখে। আদালত বলেন যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। একই সঙ্গে আদালত কিছু খালাসপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে suo motu রুল জারি করেন, কারণ আদালতের মতে তাদের বিরুদ্ধেও এমন প্রমাণ ছিল যা আপিলকারী দণ্ডিত আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত প্রমাণের সমমানের। অথচ ট্রায়াল কোর্ট তাদের খালাস দিয়েছিল। হাইকোর্ট বিভাগের যুক্তি ছিল ট্রায়াল কোর্ট একই ধরনের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তিনজন আসামিকে দণ্ড দিয়েছে। কিন্তু একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং একই approver সাক্ষ্য দ্বারা অভিযুক্ত অন্য কয়েকজনকে খালাস দিয়েছে। আদালতের মতে এই খালাস prima facie সঠিক ছিল না। বিশেষত PW-2 এর সাক্ষ্যে আব্দুল জব্বার, আব্দুল আজিজ, আলম @ শামসুল আলম, কামাল ও লাল মিয়ার সক্রিয় অংশগ্রহণের বর্ণনা ছিল। আদালত মনে করেন যে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান প্রমাণও দন্ড দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। তাই হাইকোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারার ক্ষমতা ব্যবহার করে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (suo motu) কারন দর্শানোর জন্যে রুল জারি করেন যে, কেন খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের খালাসের আদেশ বাতিল করা হবে না, এবং কেন তাদেরও আপিলকারীদের মতো দোষী সাব্যস্ত করা হবে না।

27/05/2026

ল' ল্যাবের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

ঈদ মোবারক।

আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানীকে কবুল করুন।

23/05/2026

ল’ ল্যাবের ফেসবুক পেইজে ১ লক্ষ ফলোয়ার পূর্ণ হওয়ায় সকল ফলোয়ারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

20/05/2026

হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল আইনজীবীকে Law Lab এর পক্ষ থেকে শুভকামনা। নতুনদের পদচারণায় মুখরিত হোক হাইকোর্ট প্রাঙ্গন।

Photos from Law Lab's post 18/05/2026

দেওয়ানি দাবি আদায়ে ফৌজদারি প্রক্রিয়া
(Criminalisation of Civil Wrong)

Photos from Law Lab's post 17/05/2026

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং ল' ল্যাবের হেড অব চেম্বার্স জনাব মোহাম্মদ শিশির মনির।

17/05/2026

নরওয়েজিয়ান এম্বাসি এবং Dhaka Tribune কর্তৃক আয়োজিত "The Importance of a Fully Independent Judiciary in Bangladesh" শীর্ষক সেমিনারে আগামীকাল (১৮ মে) প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং ল' ল্যাবের হেড অব চেম্বার্স জনাব মোহাম্মদ শিশির মনির।

03/05/2026

আগামী ৫ই মে ২০২৬ তারিখে সুপ্রীম কোর্ট চত্বরে সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরের "An Overview of 100 Sensational Murder Cases of Bangladesh" বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হবে।

30/04/2026

১৯/০৬/২০১০ তারিখে যুগান্তর পত্রিকায় ‘বিয়ানীবাজারের লন্ডনে বসবাসরত তিনজন ইমামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয় যে তিনজন প্রবাসী ইসলামী ব্যক্তিত্ব অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাতের সাথে জড়িত। কামারুদ্দীন চৌধুরী নামের একজন ব্যক্তি এই অভিযোগ করেন। মুকাম্মেল আলী চৌধুরী ছিলেন উক্ত ইমামদের সম্পর্কে ভাই ও চাচা। উক্ত প্রতিবেদনের কারনে মুকাম্মেল আলী চৌধুরী ম্যাজিস্ট্রেট বরারবর কামারুদ্দীনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অভিযোগ আনেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেন যে, কামারুদ্দীন ছিলেন তাদের সিলেটের সকল সহায় সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষক। তাকে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হলে সে বিদ্বেষবশত ইমামদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিককে এসব মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে।

ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত শেষে প্রাথমিকভাবে অপরাধের উপাদান পেয়ে অভিযোগ গঠন করেন। কামারুদ্দীন মাজিস্ট্রেটের কাছে থেকে জামিন পেয়ে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে আবেদন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আবেদন প্রত্যাখান করলে, তিনি দায়রা জজ বরাবর রিভিশন করেন। দায়রা জজ দু পক্ষের বক্তব্য শুনে রিভিশন খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে কামারুদ্দীন উক্ত আদেশে ক্ষুদ্ব হয়ে হাইকোর্ট বরাবর ফোজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় মামলার কার্যক্রম বাতিল করার (quashment) আবেদন করেন।

সাধারণত ফৌজদারি মামলায় ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকেবহাল যেকোন ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করতে পারে। কিন্তু ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৮ ধারা অনুযায়ী মানহানির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র “ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি” অভিযোগ দায়ের করতে পারে। এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত। এই মামলার প্রধান আইনগত প্রশ্ন ছিল অভিযোগকারী (মুকাম্মেল আলী চৌধুরী) ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি (aggrieved person) হিসেবে মামলা দায়ের করার যোগ্য কি না।

হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, কামারুদ্দীনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে মানহানির অভিযোগের উপাদান বিদ্যমান ছিল। কিন্তু বর্তমান অভিযোগকারী নিজে সরাসরি মানহানির শিকার নন। প্রতিবেদনের মন্তব্যগুলো তার ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। অভিযোগকারী ব্যক্তিগতভাবে সম্মানহানির শিকার হন নি। আদালত আরও ব্যাখ্যা করেন যে, পরিবারের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে আর্থিক বা সাধারণ অভিযোগ আনা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য সদস্যদের মানহানি হিসেবে গণ্য হয় না। তবে যদি এমন অভিযোগ বিশেষভাবে পারিবারিক সম্মান নষ্ট করে বা পরিবারের নারীর সতীত্বের মতো বিষয়ে প্রভাব ফেলে, তাহলে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে। এই ঘটনায় এমন কিছুই ঘটেনি যার ফলে পারিবারিক সম্মানহানী হতে পারে। অভিযোগকারী এখানে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি (aggrieved person) হিসেবে গণ্য হবে না। ফলে তার দ্বারা দায়েরকৃত মামলা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

আদালত এই মামলার সমস্ত কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করেন, তবে রায়ের শেষে উল্লেখ করে দেন যে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাদের অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিনিধি চাইলে ভবিষ্যতে আইনসম্মতভাবে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবেন।

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Flat No. A-4, House No. 95, Road No. 9/A, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00